
২৯ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪১
২৪ ঘন্টার ব্যবধানে বাবুগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় এক পথচারী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৯ জুলাই সকাল সাড়ে ৮ টার সময় বরিশাল - ঢাকা মহাসড়কের রামপট্টি বালুর মাঠ সংলগ্ন স্থানে আব্দুল বাহিড় (৪০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। নিহত বাহিড় একজন বেদের সম্প্রদায়ের লোক। তিনি বাজার করতে যাচ্ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত বাহিড় রাস্তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বরিশাল থেকে ধামুরা উদ্দেশ্য ছেড়ে আসা ঝিনুক পরিবহনের নামের একটি যাত্রীবাহী
বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় বাসের মধ্যে থাকা আরো পাঁচ থেকে ছয় জন যাত্রী আহত হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল বাহিড় কে
উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। দুপুরের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ বিষয় বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির সিকদার বলেন, ঘটনার পরপরই বাসটি পালিয়ে যায় তবে বাসটি কে জব্দ করার চেষ্টা চলছে। একজন পথচারীর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে গতকাল সোমবার ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের কামিনী পাম্প সংলগ্ন এলাকায় সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের কামিনী পাম্প এলাকায় কুয়াকাটা পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে হাবিবুল্লাহ (২০) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের পিছনে থাকা আরোহী ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং মোটরসাইকেল চালক কে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কামিনী পাম্প সংলগ্ন এই এলাকায় প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগেও একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই স্থানে ট্রাফিক বক্স স্থাপনসহ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
২৪ ঘন্টার ব্যবধানে বাবুগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় এক পথচারী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৯ জুলাই সকাল সাড়ে ৮ টার সময় বরিশাল - ঢাকা মহাসড়কের রামপট্টি বালুর মাঠ সংলগ্ন স্থানে আব্দুল বাহিড় (৪০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। নিহত বাহিড় একজন বেদের সম্প্রদায়ের লোক। তিনি বাজার করতে যাচ্ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত বাহিড় রাস্তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বরিশাল থেকে ধামুরা উদ্দেশ্য ছেড়ে আসা ঝিনুক পরিবহনের নামের একটি যাত্রীবাহী
বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় বাসের মধ্যে থাকা আরো পাঁচ থেকে ছয় জন যাত্রী আহত হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল বাহিড় কে
উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। দুপুরের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ বিষয় বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির সিকদার বলেন, ঘটনার পরপরই বাসটি পালিয়ে যায় তবে বাসটি কে জব্দ করার চেষ্টা চলছে। একজন পথচারীর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে গতকাল সোমবার ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের কামিনী পাম্প সংলগ্ন এলাকায় সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের কামিনী পাম্প এলাকায় কুয়াকাটা পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে হাবিবুল্লাহ (২০) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের পিছনে থাকা আরোহী ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং মোটরসাইকেল চালক কে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কামিনী পাম্প সংলগ্ন এই এলাকায় প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগেও একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই স্থানে ট্রাফিক বক্স স্থাপনসহ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৮

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৮
বরিশাল শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরদী দরগাহবাড়ি ব্রিজসংলগ্ন একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ভবনটির জানালাগুলো উড়ে গেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ফজরের নামাজের পর এ বিস্ফোরণে বাবা-ছেলে আহত হয়েছেন। আহত মানিক চন্দ্র শীল এবং তার ছেলে মৃদুল চন্দ্র শীলকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডার পরিবর্তন করা হয়। এরপর বুধবার ফজরের নামাজের পর মানিক চন্দ্র গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার সময় বাসায় মানিক এবং তার ছেলে উপস্থিত ছিলেন। এতে মানিকের হাত ও পা পুড়ে যায় এবং তার ছেলে মাথায় আঘাত পান।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস বরিশাল সদর স্টেশনের সিনিয়র কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বরিশালটাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।’

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৬
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নির্ধারত সময়ের আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিক্ষুব্ধদের চাপের মুখে আংশিক টাকা ফেরত দিতে পিসি জসিমের সমঝোতা বৈঠক।
কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না বরিশাল আনসার বাহিনীর। এবার প্রকাশ্যে এসেছে সদর উপজেলার কর্নকাঠিতে একটি প্রকল্পে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আনসার ক্যাম্পের ইনচার্জ পিসি জসিম উদ্দিন অর্ধ লাখ টাকার বদৌলতে তিন আনসার সদস্য শুভ, জাহিদ এবং তাপসকে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করেন। জেলা আনসার কর্মকর্তাকে ম্যানেজের নামে দুজনের কাছ থেকে ৪০ হাজার এবং একজনের কাছ থেকে আরও ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বলে এই অর্থ নেওয়া হলেও চার মাসের মাথায় চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্প কার্যক্রম বন্ধ হতে যাওয়া এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় পিসি জসিম বেকায়দায় পড়েছেন। সংক্ষুব্ধ তিন আনসার সদস্য তাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থও ফেরত চেয়েছে, যা নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল ওই প্রকল্পে নিয়োজিত পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় স্থানীয় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠক করে জসিম। আনসার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য এবং সেই টাকা নিয়ে গন্ডগোল পরিশেষে সমঝোতা বৈঠকের ঘটনাটি প্রকাশ পেতেই বাহিনীটির শুরু হয়েছে তোলপাড়। এবং এই ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনাটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, ঘুষখোর পিসি জসিম এর আগেও বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগপন্থী এই আনসার কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে আন্দোলনের নামে বিভিন্নভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপদে ফেলারও চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হয়ে চাকরি রক্ষার্থে একপর্যায়ে চেপে ঘুস বাণিজ্যের পথ বেচে নিয়েছেন। পিসি জসিম যে বিতর্কিত কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর তা বরিশাল জেলা আনসার অফিসের একাধিক কর্মকর্তা এবং চায়না ক্যাম্পে নিয়োজিত তার সহকর্মীরাও নিশ্চিত করেন।
শুভ-তাপস এবং জাহিদ অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি তাদের তিনজনকে চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্পে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করে মোট সাতান্ন হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। একই কর্মস্থলে এক বছর থাকতে হলেও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলামকে ম্যানেজ করতে হবে বলে এই অর্থ নেওয়া হয়। কিন্তু চার মাস অতিক্রম হওয়ার আগেই তাদের সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি হলে ঘুষের লেনদেনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এবং তিন আনসার সদস্য পিসি জসিমের কাছে টাকা ফেরত চেয়ে চাপপ্রয়োগ করতে থাকেন। এনিয়ে কিছুদিন নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে গত ১৩ এপ্রিল চায়না ক্যাম্পের ইনচার্জ হুমায়ন কবিরের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে একটি সমঝোতা বৈঠক বসানো হয়।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পিসি জসিম শুভ এবং তাপসের ৪০ হাজারের ১২ হাজার টাকা এবং জাহিদের ১৭ হাজার টাকার ৪ হাজার ফেরত দিতে সম্মত হন। এবং বাকি টাকা জেলা আনসার কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম নিয়েছেন, যা আর ফেরত আনা সম্ভবপর নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন পিসি জসিম।
কিভাবে ঘুষ বাণিজ্য হয় এবং পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠকে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে ভুক্তভোগী তিন আনসার সদস্য খোলামেলা কথা বলেছেন, যার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে।
পিসি জসিম প্রথমে এই ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যোগাযোগ করে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ রাখেন এবং আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেয়া হয়। ফলে এই গোটা ঘুষ বাণিজ্য যে তার মাধ্যমে হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া সমঝোতা বৈঠকে মধ্যস্ততা করা পিসি হুমায়নও ঘুস বাণিজ্যে জসিম জড়িত থাকার বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন।
তবে অঙ্গীভুত আনসার কর্মকর্তা পিসি জসিমের এই ঘুষ বাণিজ্য সম্পর্কে মোটেও ওয়াকিবহাল নন বলে জানিয়েছেন জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পিসি জসিমের ঘুষগ্রহণ এবং সেই টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে বৈঠক হওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যম শুনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন, ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। ঘুষের টাকার অধিকাংশ আপনাকে দিয়ে ম্যানেজ করা হয়, জসিমের এমন বক্তব্য অস্বীকার করেছেন জেলা কর্মকর্তা।
অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে এর আগেও একাধিক ঘুষ লেনদেনসহ ব্যাপক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে জেলা উপজেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা, যা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিক শিরোনাম হয়। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরেও এই আনসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ঘুষের রীতি চলমান থাকায় বাহিনীটির স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। এখন দেখা যায়, আদর্শচ্যুৎ এবং নীতিবিবর্জিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীর তরফ থেকে কি ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
নির্ধারত সময়ের আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিক্ষুব্ধদের চাপের মুখে আংশিক টাকা ফেরত দিতে পিসি জসিমের সমঝোতা বৈঠক।
কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না বরিশাল আনসার বাহিনীর। এবার প্রকাশ্যে এসেছে সদর উপজেলার কর্নকাঠিতে একটি প্রকল্পে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আনসার ক্যাম্পের ইনচার্জ পিসি জসিম উদ্দিন অর্ধ লাখ টাকার বদৌলতে তিন আনসার সদস্য শুভ, জাহিদ এবং তাপসকে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করেন। জেলা আনসার কর্মকর্তাকে ম্যানেজের নামে দুজনের কাছ থেকে ৪০ হাজার এবং একজনের কাছ থেকে আরও ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বলে এই অর্থ নেওয়া হলেও চার মাসের মাথায় চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্প কার্যক্রম বন্ধ হতে যাওয়া এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় পিসি জসিম বেকায়দায় পড়েছেন। সংক্ষুব্ধ তিন আনসার সদস্য তাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থও ফেরত চেয়েছে, যা নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল ওই প্রকল্পে নিয়োজিত পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় স্থানীয় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠক করে জসিম। আনসার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য এবং সেই টাকা নিয়ে গন্ডগোল পরিশেষে সমঝোতা বৈঠকের ঘটনাটি প্রকাশ পেতেই বাহিনীটির শুরু হয়েছে তোলপাড়। এবং এই ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনাটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, ঘুষখোর পিসি জসিম এর আগেও বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগপন্থী এই আনসার কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে আন্দোলনের নামে বিভিন্নভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপদে ফেলারও চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হয়ে চাকরি রক্ষার্থে একপর্যায়ে চেপে ঘুস বাণিজ্যের পথ বেচে নিয়েছেন। পিসি জসিম যে বিতর্কিত কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর তা বরিশাল জেলা আনসার অফিসের একাধিক কর্মকর্তা এবং চায়না ক্যাম্পে নিয়োজিত তার সহকর্মীরাও নিশ্চিত করেন।
শুভ-তাপস এবং জাহিদ অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি তাদের তিনজনকে চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্পে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করে মোট সাতান্ন হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। একই কর্মস্থলে এক বছর থাকতে হলেও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলামকে ম্যানেজ করতে হবে বলে এই অর্থ নেওয়া হয়। কিন্তু চার মাস অতিক্রম হওয়ার আগেই তাদের সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি হলে ঘুষের লেনদেনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এবং তিন আনসার সদস্য পিসি জসিমের কাছে টাকা ফেরত চেয়ে চাপপ্রয়োগ করতে থাকেন। এনিয়ে কিছুদিন নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে গত ১৩ এপ্রিল চায়না ক্যাম্পের ইনচার্জ হুমায়ন কবিরের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে একটি সমঝোতা বৈঠক বসানো হয়।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পিসি জসিম শুভ এবং তাপসের ৪০ হাজারের ১২ হাজার টাকা এবং জাহিদের ১৭ হাজার টাকার ৪ হাজার ফেরত দিতে সম্মত হন। এবং বাকি টাকা জেলা আনসার কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম নিয়েছেন, যা আর ফেরত আনা সম্ভবপর নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন পিসি জসিম।
কিভাবে ঘুষ বাণিজ্য হয় এবং পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠকে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে ভুক্তভোগী তিন আনসার সদস্য খোলামেলা কথা বলেছেন, যার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে।
পিসি জসিম প্রথমে এই ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যোগাযোগ করে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ রাখেন এবং আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেয়া হয়। ফলে এই গোটা ঘুষ বাণিজ্য যে তার মাধ্যমে হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া সমঝোতা বৈঠকে মধ্যস্ততা করা পিসি হুমায়নও ঘুস বাণিজ্যে জসিম জড়িত থাকার বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন।
তবে অঙ্গীভুত আনসার কর্মকর্তা পিসি জসিমের এই ঘুষ বাণিজ্য সম্পর্কে মোটেও ওয়াকিবহাল নন বলে জানিয়েছেন জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পিসি জসিমের ঘুষগ্রহণ এবং সেই টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে বৈঠক হওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যম শুনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন, ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। ঘুষের টাকার অধিকাংশ আপনাকে দিয়ে ম্যানেজ করা হয়, জসিমের এমন বক্তব্য অস্বীকার করেছেন জেলা কর্মকর্তা।
অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে এর আগেও একাধিক ঘুষ লেনদেনসহ ব্যাপক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে জেলা উপজেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা, যা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিক শিরোনাম হয়। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরেও এই আনসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ঘুষের রীতি চলমান থাকায় বাহিনীটির স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। এখন দেখা যায়, আদর্শচ্যুৎ এবং নীতিবিবর্জিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীর তরফ থেকে কি ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
বরিশাল শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরদী দরগাহবাড়ি ব্রিজসংলগ্ন একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ভবনটির জানালাগুলো উড়ে গেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ফজরের নামাজের পর এ বিস্ফোরণে বাবা-ছেলে আহত হয়েছেন। আহত মানিক চন্দ্র শীল এবং তার ছেলে মৃদুল চন্দ্র শীলকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডার পরিবর্তন করা হয়। এরপর বুধবার ফজরের নামাজের পর মানিক চন্দ্র গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার সময় বাসায় মানিক এবং তার ছেলে উপস্থিত ছিলেন। এতে মানিকের হাত ও পা পুড়ে যায় এবং তার ছেলে মাথায় আঘাত পান।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস বরিশাল সদর স্টেশনের সিনিয়র কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বরিশালটাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।’
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের তেরদ্রোন গ্রামে দেখা গেল এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী চিত্র। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালিদুর রহমান খাঁনের উদ্যোগে তাঁর নিজ বাড়িতে আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, যেখানে সমাজের সকল ভেদাভেদ ভুলে এর বন্ধনে ধনী, গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে অংশ নেন এক মিলনমেলায়।
গ্রামীণ ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনে গড়ে ওঠা এ আয়োজনে বৈশাখের সকাল থেকেই ছিল আগত অতিথিদের আপ্যায়নে পরিবেশন করা হয় বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাত, আলুভর্তা, ডালের বড়া ও ডিম। এর সঙ্গে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয় গুঠিয়া বন্দরের সুপরিচিত মিষ্টির কারিগর শ্যামল ভদ্রের হাতে তৈরি গরম গরম জিলাপি, যা উপস্থিত সবার মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বাদ যোগ করে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন দুপুর পর্যন্ত জমে ওঠে এক আনন্দঘন পরিবেশে।
আয়োজকদের ভাষ্য, কেবল উৎসব উদযাপন নয়, বরং সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এক ছাদের নিচে এনে একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
বিকেল গড়াতেই শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বৈশাখের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। গ্রামীণ পরিবেশে এমন প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ডি.বি. পাল, নাক-কান বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. চিরঞ্জীব সিনহা পলাশ, ডা. সংযুক্ত দেবনাথ মৃদুলা, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, এডভোকেট শিবু লাল বনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি এ এম জি ভুলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন খান ও শিপন মিয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিপ্লব কুমার হাজারী, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অনেকেই জানান, বর্তমান সময়ে যখন সমাজে বিভাজন ও দূরত্ব বাড়ছে, তখন এমন একটি উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মাঝে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও একাত্মতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সব মিলিয়ে, গুঠিয়ার তেরদ্রোন গ্রামে এ ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ আয়োজন হয়ে উঠেছে এক স্মরণীয় মিলনমেলা, যা দীর্ঘদিন মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক খালিদুর রহমান খাঁন বলেন বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। পহেলা বৈশাখ এই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। রাজনীতিকায়নের কারণে সমাজে দিনদিন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় বন্ধন একান্ত প্রয়োজন। সকল ভেদাভেদ ভুলে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ আয়োজন অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করছেন তিনি।
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের তেরদ্রোন গ্রামে দেখা গেল এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী চিত্র। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালিদুর রহমান খাঁনের উদ্যোগে তাঁর নিজ বাড়িতে আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, যেখানে সমাজের সকল ভেদাভেদ ভুলে এর বন্ধনে ধনী, গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে অংশ নেন এক মিলনমেলায়।
গ্রামীণ ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনে গড়ে ওঠা এ আয়োজনে বৈশাখের সকাল থেকেই ছিল আগত অতিথিদের আপ্যায়নে পরিবেশন করা হয় বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাত, আলুভর্তা, ডালের বড়া ও ডিম। এর সঙ্গে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয় গুঠিয়া বন্দরের সুপরিচিত মিষ্টির কারিগর শ্যামল ভদ্রের হাতে তৈরি গরম গরম জিলাপি, যা উপস্থিত সবার মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বাদ যোগ করে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন দুপুর পর্যন্ত জমে ওঠে এক আনন্দঘন পরিবেশে।
আয়োজকদের ভাষ্য, কেবল উৎসব উদযাপন নয়, বরং সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এক ছাদের নিচে এনে একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
বিকেল গড়াতেই শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বৈশাখের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। গ্রামীণ পরিবেশে এমন প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ডি.বি. পাল, নাক-কান বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. চিরঞ্জীব সিনহা পলাশ, ডা. সংযুক্ত দেবনাথ মৃদুলা, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, এডভোকেট শিবু লাল বনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি এ এম জি ভুলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন খান ও শিপন মিয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিপ্লব কুমার হাজারী, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অনেকেই জানান, বর্তমান সময়ে যখন সমাজে বিভাজন ও দূরত্ব বাড়ছে, তখন এমন একটি উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মাঝে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও একাত্মতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সব মিলিয়ে, গুঠিয়ার তেরদ্রোন গ্রামে এ ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ আয়োজন হয়ে উঠেছে এক স্মরণীয় মিলনমেলা, যা দীর্ঘদিন মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক খালিদুর রহমান খাঁন বলেন বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। পহেলা বৈশাখ এই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। রাজনীতিকায়নের কারণে সমাজে দিনদিন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় বন্ধন একান্ত প্রয়োজন। সকল ভেদাভেদ ভুলে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ আয়োজন অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করছেন তিনি।