https://www.ucb.com.bd/banking/retail-banking/auto-loan/
Featured news image

পিরোজপুরে ৯৮৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৩৯টিতেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

পিরোজপুরে পাঁচ শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক। জেলার ৯৮৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৩৯টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ফলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই চলছে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান। পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সহকারী শিক্ষকরা। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, পিরোজপুরের সাত উপজেলায় মোট ৯৮৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত পদও ৯৮৯টি। এর বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৪৫০ জন প্রধান শিক্ষক এবং শূন্য রয়েছে ৫৩৯টি পদ। জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী রয়েছে এক লাখ ১১ হাজার ৫১ জন। তাঁদের পাঠদানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক মিলিয়ে কর্মরত রয়েছেন ৫ হাজার ১৮৪ জন। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজও করতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেক সময় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে অনুমোদিত পদের তুলনায় অর্ধেকেরও কম শিক্ষক দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। ৬৩ নম্বর বাশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সালমা সুলতানা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হচ্ছে সহকারী শিক্ষকদের। জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষা অফিসে যেতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে। ৯১ নম্বর মধ্য পিরোজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুলতানা মমতাজ জানান, প্রতিদিন তাঁকে তিন থেকে চারটি ক্লাস নিতে হয়। এর পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। একজন সহকারী শিক্ষক চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকায় তাঁর ক্লাসও নিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ক্লাস ও প্রশাসনিক কাজের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ৯০ নম্বর মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আকিকুন্নেছা বলেন, ২০২৪ সাল থেকে তাঁদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজও করতে হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষকের পদগুলো শূন্য থাকায় শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এতে ২৪৫ জন শিক্ষক সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাঁদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও এনএসআই রিপোর্টের কার্যক্রম চলছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয়

কলাম

সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

অনলাইন ভোট

বরিশাল টাইমস ভিডিও

সারাদেশ

প্রবাস

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিনোদন

ছবি