
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৯
আওয়ামী লীগের শাসনামলের গত ১৬ বছরে বরিশালে অসংখ্য জনগুরুত্বপূর্ণ খালসহ বিভিন্ন জলাশয় দখল হয়ে যায়। বিশেষ করে সামাজিক এবং প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেও খাল দখল করার বিভিন্ন উদাহরণ রয়েছে। ক্ষমতার এই প্রভাব বিস্তার করে বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া বিলের পোলসংলগ্ন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খননকৃত স্বর্ণিভর খালটির একটি অংশ দখল করেন আওয়ামী লীগ নেতা নান্নু কাজী। বছর সাতেক পূর্বে তিনি সেখানে একটি ভবনও করেছেন। এই ভবন নির্মাণের ফলে খালটি সংকুচিত হয়ে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এবং চাষবাদ করতে গিয়ে পানির অভাবে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়ছেন কৃষকেরা।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বরিশালের চরকাউয়ার স্বনির্ভর খালের ২ কিলোমিটার অংশ পুনঃখনন কাজ চলমান রয়েছে। এই খনন তৎপরতা চলমান থাকার মধ্যেই পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করতে স্বৈরাচারের অনুগত নান্নু কাজীর ভবনটি অপসারধণের দাবি উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাত বছর পুর্বে আওয়ামী লীগ নেতা নান্নু কাজী খালটি দখল করে ভবন নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয় জনসাধারণের পক্ষ থেকে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়। কিন্তু নান্নু কাজী তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে কোনো বাধা মানেননি, এমনকি প্রশাসনের তরফ থেকে তাকে নিষেধ করা হলেও তিনি তাও শোনেননি। বরং ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে খালের একটি অংশ দখল করে সেখানেই বাড়ি নির্মাণ করেন। এতে স্থানীয় কৃষকসহ জনসাধারণ ভোগান্তির শিকার হলেও ভয়ে কেউ মুখ খোলাস সাহস পাননি।
একাধিক কৃষক অভিযোগ করেন, নান্নু কাজী ক্ষমতা দেখাতেই খালের ওপর ভবন নির্মাণ করেছেন। গত ১৬ বছর এতে স্থানীয় কৃষকেরা দুর্ভোগে পড়লেও তার বিরুদ্ধে কেউ মুখস খোলার সাহস পর্যন্ত দেখায়নি। প্রথমে ২/৪জন প্রতিবাদ করলেও পরবর্তীতে রহস্যজনক কারণে তারা চেপে গিয়েছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পালা বদলের পর বিভিন্ন মহল থেকে খাল এবং জলাশয় উদ্ধারের দাবি ওঠে। বিশেষ করে এই বিষয়টির ওপর জোর দেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এরপরেই সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ পরিবেশের বিপর্যয় রোধে খাল এবং জলাশয় উদ্ধারে উদ্যোগ গ্রহণ করে, যা ধীরালয়ে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে।
চরকাউয়ার একাধিক বাসিন্দা নান্নু কাজীর ভবনটি খালের ওপর থেকে অপসারণ করে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি রেখেছেন। বিশেষ করে এক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের শাসনামলের গত ১৬ বছরে বরিশালে অসংখ্য জনগুরুত্বপূর্ণ খালসহ বিভিন্ন জলাশয় দখল হয়ে যায়। বিশেষ করে সামাজিক এবং প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেও খাল দখল করার বিভিন্ন উদাহরণ রয়েছে। ক্ষমতার এই প্রভাব বিস্তার করে বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া বিলের পোলসংলগ্ন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খননকৃত স্বর্ণিভর খালটির একটি অংশ দখল করেন আওয়ামী লীগ নেতা নান্নু কাজী। বছর সাতেক পূর্বে তিনি সেখানে একটি ভবনও করেছেন। এই ভবন নির্মাণের ফলে খালটি সংকুচিত হয়ে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এবং চাষবাদ করতে গিয়ে পানির অভাবে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়ছেন কৃষকেরা।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বরিশালের চরকাউয়ার স্বনির্ভর খালের ২ কিলোমিটার অংশ পুনঃখনন কাজ চলমান রয়েছে। এই খনন তৎপরতা চলমান থাকার মধ্যেই পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করতে স্বৈরাচারের অনুগত নান্নু কাজীর ভবনটি অপসারধণের দাবি উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাত বছর পুর্বে আওয়ামী লীগ নেতা নান্নু কাজী খালটি দখল করে ভবন নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয় জনসাধারণের পক্ষ থেকে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়। কিন্তু নান্নু কাজী তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে কোনো বাধা মানেননি, এমনকি প্রশাসনের তরফ থেকে তাকে নিষেধ করা হলেও তিনি তাও শোনেননি। বরং ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে খালের একটি অংশ দখল করে সেখানেই বাড়ি নির্মাণ করেন। এতে স্থানীয় কৃষকসহ জনসাধারণ ভোগান্তির শিকার হলেও ভয়ে কেউ মুখ খোলাস সাহস পাননি।
একাধিক কৃষক অভিযোগ করেন, নান্নু কাজী ক্ষমতা দেখাতেই খালের ওপর ভবন নির্মাণ করেছেন। গত ১৬ বছর এতে স্থানীয় কৃষকেরা দুর্ভোগে পড়লেও তার বিরুদ্ধে কেউ মুখস খোলার সাহস পর্যন্ত দেখায়নি। প্রথমে ২/৪জন প্রতিবাদ করলেও পরবর্তীতে রহস্যজনক কারণে তারা চেপে গিয়েছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পালা বদলের পর বিভিন্ন মহল থেকে খাল এবং জলাশয় উদ্ধারের দাবি ওঠে। বিশেষ করে এই বিষয়টির ওপর জোর দেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এরপরেই সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ পরিবেশের বিপর্যয় রোধে খাল এবং জলাশয় উদ্ধারে উদ্যোগ গ্রহণ করে, যা ধীরালয়ে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে।
চরকাউয়ার একাধিক বাসিন্দা নান্নু কাজীর ভবনটি খালের ওপর থেকে অপসারণ করে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি রেখেছেন। বিশেষ করে এক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে।

১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮