
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪০
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল জনসভায় যোগ দিতে ভোলা থেকে অন্তত ২০ হাজার নেতাকর্মী লঞ্চযোগে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকেই ভোলার ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
দীর্ঘ দুই দশক পর সরাসরি তারেক রহমানকে সামনে থেকে দেখার প্রত্যাশা নিয়ে ভোর থেকেই নেতাকর্মীরা বরিশালের পথে যাত্রা শুরু করেন। ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, হাজার হাজার নেতাকর্মীর ঢল নেমেছে। বরিশাল রুটের অন্তত ১০টি লঞ্চ একত্রিত হয়ে ভোলা সদর থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীরের নেতৃত্বে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
ভোলা সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. হেলাল উদ্দিন জানান, অনেক নেতাকর্মী নিজ উদ্যোগেই জনসভায় যোগ দিতে আগেই রওনা হয়েছেন। তবে দলীয় ব্যবস্থাপনায় ৭টি লঞ্চ ও ৩টি ট্রলার প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এসব লঞ্চে করে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সকালেই রওনা হয়ে ইতোমধ্যে বরিশালের কাছাকাছি পৌঁছেছেন।
জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলার সাতটি উপজেলা থেকে অন্তত ২০ হাজার নেতাকর্মী জনসভায় অংশ নিতে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।
এদিকে একদিন আগেই, মঙ্গলবার বরিশালে পৌঁছান ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিম এবং ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।
এছাড়াও ভোলা-১ আসনের ঐক্যজোট থেকে বিএনপির মনোনীত ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীকের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ তার দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে আগেই বরিশালে গেছেন। তিনিও আজ তারেক রহমানের জনসভায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অংশ নেবেন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে অনেক নেতাকর্মী একদিন আগেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে বরিশাল পৌঁছান। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই কয়েকটি লঞ্চ নেতাকর্মী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। চরফ্যাশনের ঘোষেরহাট থেকে দুটি লঞ্চে করে ওই উপজেলার নেতাকর্মীরা মধ্যরাতে রওনা হন। সভা শেষে একই লঞ্চে তারা ভোলায় ফিরে আসবেন। লালমোহন উপজেলা থেকেও দুটি লঞ্চে নেতাকর্মীরা বরিশাল গেছেন। বিচ্ছিন্ন উপজেলা মনপুরা থেকেও নেতাকর্মীরা একদিন আগেই বরিশালে পৌঁছান।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সোপান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভা সফল করতে ভোলা থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। অনেকেই দলীয়ভাবে, আবার অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে যাচ্ছেন। সভা শেষে সবাই নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গিয়ে নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল জনসভায় যোগ দিতে ভোলা থেকে অন্তত ২০ হাজার নেতাকর্মী লঞ্চযোগে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকেই ভোলার ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
দীর্ঘ দুই দশক পর সরাসরি তারেক রহমানকে সামনে থেকে দেখার প্রত্যাশা নিয়ে ভোর থেকেই নেতাকর্মীরা বরিশালের পথে যাত্রা শুরু করেন। ভেদুরিয়া লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, হাজার হাজার নেতাকর্মীর ঢল নেমেছে। বরিশাল রুটের অন্তত ১০টি লঞ্চ একত্রিত হয়ে ভোলা সদর থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীরের নেতৃত্বে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
ভোলা সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. হেলাল উদ্দিন জানান, অনেক নেতাকর্মী নিজ উদ্যোগেই জনসভায় যোগ দিতে আগেই রওনা হয়েছেন। তবে দলীয় ব্যবস্থাপনায় ৭টি লঞ্চ ও ৩টি ট্রলার প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এসব লঞ্চে করে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সকালেই রওনা হয়ে ইতোমধ্যে বরিশালের কাছাকাছি পৌঁছেছেন।
জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলার সাতটি উপজেলা থেকে অন্তত ২০ হাজার নেতাকর্মী জনসভায় অংশ নিতে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।
এদিকে একদিন আগেই, মঙ্গলবার বরিশালে পৌঁছান ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিম এবং ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।
এছাড়াও ভোলা-১ আসনের ঐক্যজোট থেকে বিএনপির মনোনীত ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীকের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ তার দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে আগেই বরিশালে গেছেন। তিনিও আজ তারেক রহমানের জনসভায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অংশ নেবেন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে অনেক নেতাকর্মী একদিন আগেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে বরিশাল পৌঁছান। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই কয়েকটি লঞ্চ নেতাকর্মী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। চরফ্যাশনের ঘোষেরহাট থেকে দুটি লঞ্চে করে ওই উপজেলার নেতাকর্মীরা মধ্যরাতে রওনা হন। সভা শেষে একই লঞ্চে তারা ভোলায় ফিরে আসবেন। লালমোহন উপজেলা থেকেও দুটি লঞ্চে নেতাকর্মীরা বরিশাল গেছেন। বিচ্ছিন্ন উপজেলা মনপুরা থেকেও নেতাকর্মীরা একদিন আগেই বরিশালে পৌঁছান।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সোপান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভা সফল করতে ভোলা থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। অনেকেই দলীয়ভাবে, আবার অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে যাচ্ছেন। সভা শেষে সবাই নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গিয়ে নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আলু এবং টমেটোর মতো প্রথাগত চাষাবাদ ছেড়ে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতিতে অধিক লাভের আশায় দিন দিন সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে বলে জানান কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ পাতার মাঝে হলুদ সূর্যমুখী ফুল শোভা ছড়াচ্ছে। প্রতিটি ফুল যেন সূর্যের আলোয় হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের এই সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে অপরূপ দৃশ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশায় আছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। এ বছর পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে ৩টি এবং তেল ফসল প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫টি প্রদর্শনীসহ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮২ হেক্টর, অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত ‘প্রজাপতি’ জাতের সূর্যমুখীর চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনাপুর ইউনিয়নের চরজহিরউদ্দিন গ্রামের চাষি মো. মামুন বলেন, আমি এ বছর ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। আগে সরিষা চাষ করতাম, তবে গত কয়েক বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। কারণ সরিষার তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। তাই এখন অনেকেই সরিষা বাদ দিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন।
আড়ালিয়া গ্রামের চাষি মেঘনাথ দাস বলেন, আমি গত তিন বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। বিগত বছরগুলোতে যে পরিমাণ ফসল পেয়েছি, তা নিজেদের তেল ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের তুলনায় ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি।
জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৮ থেকে ৯ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
মেঘনাথ দাসের চাষাবাদ দেখে একই গ্রামের ভাস্কর চন্দ্র মজুমদার, জকির হোসেন, শ্যামল চন্দ্র দাসসহ অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম আসাদ বলেন, সূর্যমুখী একটি তেলজাতীয় ফসল, যা দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উচ্চফলনশীল জাত ‘হাইব্রিড চ্যাম’ এবং ‘হাইসান-৩৬’ বেশি চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী শুধু লাভজনকই নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আলু এবং টমেটোর মতো প্রথাগত চাষাবাদ ছেড়ে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতিতে অধিক লাভের আশায় দিন দিন সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে বলে জানান কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ পাতার মাঝে হলুদ সূর্যমুখী ফুল শোভা ছড়াচ্ছে। প্রতিটি ফুল যেন সূর্যের আলোয় হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের এই সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে অপরূপ দৃশ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশায় আছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। এ বছর পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে ৩টি এবং তেল ফসল প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫টি প্রদর্শনীসহ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮২ হেক্টর, অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত ‘প্রজাপতি’ জাতের সূর্যমুখীর চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনাপুর ইউনিয়নের চরজহিরউদ্দিন গ্রামের চাষি মো. মামুন বলেন, আমি এ বছর ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। আগে সরিষা চাষ করতাম, তবে গত কয়েক বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। কারণ সরিষার তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। তাই এখন অনেকেই সরিষা বাদ দিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন।
আড়ালিয়া গ্রামের চাষি মেঘনাথ দাস বলেন, আমি গত তিন বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। বিগত বছরগুলোতে যে পরিমাণ ফসল পেয়েছি, তা নিজেদের তেল ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের তুলনায় ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি।
জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৮ থেকে ৯ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
মেঘনাথ দাসের চাষাবাদ দেখে একই গ্রামের ভাস্কর চন্দ্র মজুমদার, জকির হোসেন, শ্যামল চন্দ্র দাসসহ অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম আসাদ বলেন, সূর্যমুখী একটি তেলজাতীয় ফসল, যা দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উচ্চফলনশীল জাত ‘হাইব্রিড চ্যাম’ এবং ‘হাইসান-৩৬’ বেশি চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী শুধু লাভজনকই নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৯
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’

২৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১
সারা দেশের সাথে একযোগে ভোলার তজুমদ্দিনে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি চালু করে সরকার।
রবিবার বেলা ১১ টায় চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম। চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জোসেব মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল আলম, সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতিকুল ইসলাম, গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন, তজুমদ্দিনের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ বশির আহমেদসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। উদ্বোধনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। গণপ্রহাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ কর্মসূচী মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ণ করছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা।
গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন জানান, তার সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ২২ উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ণ করছে তার মধ্যে ভোলাতে ৪টি উপজেলায় বাস্তবায়ণ করছে।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ করা। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। হেলাল
সারা দেশের সাথে একযোগে ভোলার তজুমদ্দিনে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি চালু করে সরকার।
রবিবার বেলা ১১ টায় চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম। চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জোসেব মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল আলম, সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতিকুল ইসলাম, গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন, তজুমদ্দিনের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ বশির আহমেদসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। উদ্বোধনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। গণপ্রহাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ কর্মসূচী মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ণ করছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা।
গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন জানান, তার সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ২২ উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ণ করছে তার মধ্যে ভোলাতে ৪টি উপজেলায় বাস্তবায়ণ করছে।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ করা। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। হেলাল
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.