
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:২১
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কেমন হবে তা নির্ধারণ করে দিতেই এবারের গণভোট। দেশজুড়ে গণভোটের প্রচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রবিবার (১১ জানুয়ারি) বরিশালের বেলস পার্কে বিভাগীয় প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এ কথা বলেন।
বরিশাল বিভাগের কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐক্যমত্য) মনির হায়দার এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন।
গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মসূচির প্রথম দিনে আজ বরিশাল বিভাগের ইমামদের নিয়ে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত বারো শতাধিক ইমাম সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে আসন্ন গণভোটে সরকারের প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, অনেক সংগ্রামের বিনিময়ে পাওয়া এ বাংলাদেশের প্রকৃত মালিক দেশের জনগণ। গণভোটের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের পথরেখা তৈরি হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দিনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দেশ কীভাবে চালাবেন, এ গণভোটের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করে দেওয়ার সুযোগ সবাইকে কাজে লাগাতে হবে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আমরা এমন একটি রাষ্ট্র চেয়েছি যেখানে সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে।
কিন্তু বিগত চুয়ান্ন বছরেও আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারিনি। তিনি বলেন, গত ষোল বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন, অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে এটুকু পরিষ্কার যে, এ ব্যবস্থার পরিবর্তন ছাড়া আমরা এগিয়ে যেতে পারব না।
প্রধান উপদেষ্টার এ বিশেষ সহকারী বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, আমরা যে যার ইচ্ছামতো পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেব; কিন্তু আগামীর দেশটা কেমন হবে তা নিয়ে আমাদের একমত হতে হবে। গণভোট নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিয়ে আমরা যেমন প্রার্থী নির্বাচন করি, তেমনি গণভোটে অংশ নিয়ে জুলাই সনদের ভিত্তিতে দেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাব।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ একটি সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষে দলমত নির্বিশেষে গণভোটে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐক্যমত্য) মনির হায়দার অংশ নেওয়া ইমামদের উদ্দেশে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা এক খুনি মাফিয়াকে দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেশের মালিকানা পুনরুদ্ধারে সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলাম। আসন্ন গণভোট দেশ গড়ার পথে পরবর্তী বড় ধাপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ গণভোট ব্যর্থ হলে সেই খুনি মাফিয়া আবার ফিরে আসবে। সুতরাং সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণভোট সফল করার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, পলাতক ফ্যাসিস্টরা লুটের টাকায় অপপ্রচারের মাধ্যমে গণভোট নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
তাদের এ মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আলেম সমাজকে সত্য তথ্য তুলে ধরে ভোটারদের সংশয় দূর করতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন বলেন, সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য আলেমরা গত ষোল বছরে অনেক অত্যাচার ও জুলুমের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ প্রথমবার দেশ কেমন হবে তা নির্ধারণের সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আসন্ন গণভোটে দেশের আলেম সমাজ সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবেন।
বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা আবদুল নিজামী এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন বরিশালের পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।’
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কেমন হবে তা নির্ধারণ করে দিতেই এবারের গণভোট। দেশজুড়ে গণভোটের প্রচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রবিবার (১১ জানুয়ারি) বরিশালের বেলস পার্কে বিভাগীয় প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এ কথা বলেন।
বরিশাল বিভাগের কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐক্যমত্য) মনির হায়দার এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন।
গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মসূচির প্রথম দিনে আজ বরিশাল বিভাগের ইমামদের নিয়ে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত বারো শতাধিক ইমাম সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে আসন্ন গণভোটে সরকারের প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, অনেক সংগ্রামের বিনিময়ে পাওয়া এ বাংলাদেশের প্রকৃত মালিক দেশের জনগণ। গণভোটের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের পথরেখা তৈরি হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দিনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দেশ কীভাবে চালাবেন, এ গণভোটের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করে দেওয়ার সুযোগ সবাইকে কাজে লাগাতে হবে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আমরা এমন একটি রাষ্ট্র চেয়েছি যেখানে সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে।
কিন্তু বিগত চুয়ান্ন বছরেও আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারিনি। তিনি বলেন, গত ষোল বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন, অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে এটুকু পরিষ্কার যে, এ ব্যবস্থার পরিবর্তন ছাড়া আমরা এগিয়ে যেতে পারব না।
প্রধান উপদেষ্টার এ বিশেষ সহকারী বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, আমরা যে যার ইচ্ছামতো পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেব; কিন্তু আগামীর দেশটা কেমন হবে তা নিয়ে আমাদের একমত হতে হবে। গণভোট নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিয়ে আমরা যেমন প্রার্থী নির্বাচন করি, তেমনি গণভোটে অংশ নিয়ে জুলাই সনদের ভিত্তিতে দেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাব।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ একটি সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষে দলমত নির্বিশেষে গণভোটে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐক্যমত্য) মনির হায়দার অংশ নেওয়া ইমামদের উদ্দেশে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা এক খুনি মাফিয়াকে দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেশের মালিকানা পুনরুদ্ধারে সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলাম। আসন্ন গণভোট দেশ গড়ার পথে পরবর্তী বড় ধাপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ গণভোট ব্যর্থ হলে সেই খুনি মাফিয়া আবার ফিরে আসবে। সুতরাং সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণভোট সফল করার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, পলাতক ফ্যাসিস্টরা লুটের টাকায় অপপ্রচারের মাধ্যমে গণভোট নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
তাদের এ মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আলেম সমাজকে সত্য তথ্য তুলে ধরে ভোটারদের সংশয় দূর করতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন বলেন, সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য আলেমরা গত ষোল বছরে অনেক অত্যাচার ও জুলুমের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ প্রথমবার দেশ কেমন হবে তা নির্ধারণের সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আসন্ন গণভোটে দেশের আলেম সমাজ সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবেন।
বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা আবদুল নিজামী এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন বরিশালের পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।’

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০০
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
মৃত সাদিয়া (২ বছর) বরিশালের মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাজীবের মেয়ে এবং রাকিব (৯ মাস) বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুশিউল মুনির জানান, এই দুই শিশু ৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয় হাম উপসর্গ নিয়ে এবং শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে দুজনারই মৃত্যু হয় একঘণ্টার ব্যবধানে।
সাদিয়ার মৃত্যু হয় পৌনে চারটায় ও রাকিবের মৃত্যু হয় ভোর পৌনে পাঁচটায়। এই নিয়ে হাসপাতালে হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
পরিচালক আরও জানান, হাসপাতালে বর্তমানে ৯২ জন হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি গিয়েছেন। এই পর্যন্ত এই হাসপাতালে মোট ৩৪১ জন হাম উপসর্গ থাকা রোগী ভর্তি হয়েছেন।’

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪১
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
মৃত সাদিয়া (২ বছর) বরিশালের মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাজীবের মেয়ে এবং রাকিব (৯ মাস) বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুশিউল মুনির জানান, এই দুই শিশু ৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয় হাম উপসর্গ নিয়ে এবং শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে দুজনারই মৃত্যু হয় একঘণ্টার ব্যবধানে।
সাদিয়ার মৃত্যু হয় পৌনে চারটায় ও রাকিবের মৃত্যু হয় ভোর পৌনে পাঁচটায়। এই নিয়ে হাসপাতালে হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
পরিচালক আরও জানান, হাসপাতালে বর্তমানে ৯২ জন হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি গিয়েছেন। এই পর্যন্ত এই হাসপাতালে মোট ৩৪১ জন হাম উপসর্গ থাকা রোগী ভর্তি হয়েছেন।’
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।