
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পর নিজ সংসদীয় এলাকার ভোটারদের রাজধানীর কর্মস্থলে ফেরার জন্য ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে এক বার্তায় এসংক্রান্ত একটি ঘোষণা দেন নুর।
পোস্টে নুর বলেছেন, ‘ঢাকা ও চট্টগ্রামের গলাচিপা-দশমিনার সম্মানিত ভোটারদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা)-এর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল হক নুরের পক্ষ থেকে দেওয়া ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের রয়েল ক্রুজ-২ আজ বিকেল ৪টায় চরকাজল লঞ্চঘাট হতে চর শিবা, আউলিয়াপুর, দশমিনা, বাঁশবাড়িয়া চাঁদপুর হয়ে ঢাকা আসবে।’
গত ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ‘ট্রাক’ প্রতীক নিয়ে ৯৬ হাজার ৭৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পর নিজ সংসদীয় এলাকার ভোটারদের রাজধানীর কর্মস্থলে ফেরার জন্য ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে এক বার্তায় এসংক্রান্ত একটি ঘোষণা দেন নুর।
পোস্টে নুর বলেছেন, ‘ঢাকা ও চট্টগ্রামের গলাচিপা-দশমিনার সম্মানিত ভোটারদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা)-এর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল হক নুরের পক্ষ থেকে দেওয়া ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের রয়েল ক্রুজ-২ আজ বিকেল ৪টায় চরকাজল লঞ্চঘাট হতে চর শিবা, আউলিয়াপুর, দশমিনা, বাঁশবাড়িয়া চাঁদপুর হয়ে ঢাকা আসবে।’
গত ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ‘ট্রাক’ প্রতীক নিয়ে ৯৬ হাজার ৭৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন ওরফে গাজী গিয়াসকে গণধোলাই দিয়েছেন বিএনপির নেতা- কর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের বাজার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবদল সূত্রে জানা যায়, গাজী গিয়াস বিগত ১৭ বছর দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না। আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আ.স.ম ফিরোজের ভাই একেএম ফরিদ মোল্লার সাথে সুসর্ম্পক রেখে ব্যবসা- বানিজ্য চালিয়ে গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিজেকে বিএনপির নাম ভাগিয়ে চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুর ও দখল বানিজ্য শুরু করেন গিয়াস।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসনে সহিদুল আলম তালুকদারকে বিএনপি মনোনয়ন দিলে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে গিয়াস। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কোনঠাসা করে রাখেন।
সহিদুল আলমের আস্থাভাজন হওয়ায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের পদ ভাগিয়ে নেন। এতে উপজেলা যুবদলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা আরও ক্ষুব্দ হয়ে উঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের ভরাডুবি হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, গিয়াসের মত চাঁদাবাজ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনায় করায় ভোটাররা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে চরমভাবে পরাজয় লাভ করেন সহিদুল আলম।
নির্বাচনের পর থেকে পদবঞ্চিত যুবদল নেতারা সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই ক্ষোভ থেকেই তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল কালাইয়া বন্দরে গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসময় তার বাসা কাম দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ও ১০/১২ টি মটরসাইকেল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্দ জনতা। স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজিক্য বন্দর কালাইয়া। এ বন্দরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমান চাঁদাবাজি করেন গিয়াস।
এ ছাড়াও কলাইয়াতে দখল, তরমুজ খেতে চাদাবাজি ও পালাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসাবাড়িতে লুটপাট করেন। এমনকি নিজ দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়ারানির অভিযোগ রয়েছে।
১২ তারিখের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম পরাজয় লাভ করার পর থেকে সাধারণ মানুষ, বিএনপির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যে কারণে তার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গিয়াস বলেন, গতকাল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার বাসা ও অফিসে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছেন।
প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. পলাশ দলবল নিয়ে আমার সাথে জামেলা করেন। কেনো জামেলা করেন জানতে চাইলে বলেন, আমাদের নেতা সহিদুল আলমকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন, আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এবিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী পলাশ বলেন, আমার সাথে কিছু হয়নি। সে একজন চাঁদাবাজ, লুটতারাজ। ৫ আগস্টের পর ব্যাপক লুটপাট ও চাদাবাজি করেছেন।
তার কারণে বিএনপির প্রার্থী হেরেছে। যে কারণে বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গণধোলাই দিয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, গাজী গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাকে গণধোলাইর বিষয়ে কিছু জানি না। অভিযোগ পেলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন ওরফে গাজী গিয়াসকে গণধোলাই দিয়েছেন বিএনপির নেতা- কর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের বাজার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবদল সূত্রে জানা যায়, গাজী গিয়াস বিগত ১৭ বছর দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না। আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আ.স.ম ফিরোজের ভাই একেএম ফরিদ মোল্লার সাথে সুসর্ম্পক রেখে ব্যবসা- বানিজ্য চালিয়ে গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিজেকে বিএনপির নাম ভাগিয়ে চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুর ও দখল বানিজ্য শুরু করেন গিয়াস।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসনে সহিদুল আলম তালুকদারকে বিএনপি মনোনয়ন দিলে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে গিয়াস। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কোনঠাসা করে রাখেন।
সহিদুল আলমের আস্থাভাজন হওয়ায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের পদ ভাগিয়ে নেন। এতে উপজেলা যুবদলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা আরও ক্ষুব্দ হয়ে উঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের ভরাডুবি হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, গিয়াসের মত চাঁদাবাজ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনায় করায় ভোটাররা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে চরমভাবে পরাজয় লাভ করেন সহিদুল আলম।
নির্বাচনের পর থেকে পদবঞ্চিত যুবদল নেতারা সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই ক্ষোভ থেকেই তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল কালাইয়া বন্দরে গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসময় তার বাসা কাম দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ও ১০/১২ টি মটরসাইকেল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্দ জনতা। স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজিক্য বন্দর কালাইয়া। এ বন্দরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমান চাঁদাবাজি করেন গিয়াস।
এ ছাড়াও কলাইয়াতে দখল, তরমুজ খেতে চাদাবাজি ও পালাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসাবাড়িতে লুটপাট করেন। এমনকি নিজ দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়ারানির অভিযোগ রয়েছে।
১২ তারিখের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম পরাজয় লাভ করার পর থেকে সাধারণ মানুষ, বিএনপির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যে কারণে তার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গিয়াস বলেন, গতকাল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার বাসা ও অফিসে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছেন।
প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. পলাশ দলবল নিয়ে আমার সাথে জামেলা করেন। কেনো জামেলা করেন জানতে চাইলে বলেন, আমাদের নেতা সহিদুল আলমকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন, আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এবিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী পলাশ বলেন, আমার সাথে কিছু হয়নি। সে একজন চাঁদাবাজ, লুটতারাজ। ৫ আগস্টের পর ব্যাপক লুটপাট ও চাদাবাজি করেছেন।
তার কারণে বিএনপির প্রার্থী হেরেছে। যে কারণে বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গণধোলাই দিয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, গাজী গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাকে গণধোলাইর বিষয়ে কিছু জানি না। অভিযোগ পেলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক–অষ্টমাংশ ভোট না পেলে জামানত হিসেবে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এ বিধান অনুযায়ী জেলার চারটি আসনে ১০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পটুয়াখালী–১ (পটুয়াখালী সদর–মির্জাগঞ্জ–দুমকি) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনে ৫ জনের মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে ৫ জনের মধ্যে ২ জন এবং পটুয়াখালী–৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে ৪ জনের মধ্যে ২ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।
পটুয়াখালী–১
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ২৯৪টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩২ হাজার ৪১২ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের আ. মন্নান হাওলাদার পান ১ হাজার ৫৫ ভোট, জাসদের গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনোনীত মোটরগাড়ি প্রতীকের গৌতম চন্দ্র শীল পান ১ হাজার ৩৩৪ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের শহিদুল ইসলাম ফাহিম পান ৩৪৭ ভোট। নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–২
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৩ হাজার ৫৭৬ ভোট। বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অন্য তিন প্রার্থী নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। হাতপাখা প্রতীকের মালেক হোসেন পান ১৪ হাজার ৪১৪ ভোট, এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের মো. রুহুল আমিন পান ৪১০ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের হাবিবুর রহমান পান ৩৫৩ ভোট। তাঁরা জামানত হারিয়েছেন।
পটুয়াখালী–৩
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৬১টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৯ হাজার ৭৪৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম ফজলুল হক (জাহাজ প্রতীক) পান ৯৭৮ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ শাহআলম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পান ১৬ হাজার ২৫৫ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–৪
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৯ হাজার ৩২৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৬ হাজার ১৬৬ ভোট। খেলাফত মজলিসের দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ পান ১৪ হাজার ৯৮৫ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের মো. রবিউল হাসান পান ২০২ ভোট। নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
তবে জামানত হারানোদের মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনী প্রচারণার মাঝপথে অন্য প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী–১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী–২ আসনে জামায়াত–সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, পটুয়াখালী–৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর এবং পটুয়াখালী–৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশারফ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক–অষ্টমাংশ ভোট না পেলে জামানত হিসেবে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এ বিধান অনুযায়ী জেলার চারটি আসনে ১০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পটুয়াখালী–১ (পটুয়াখালী সদর–মির্জাগঞ্জ–দুমকি) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনে ৫ জনের মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে ৫ জনের মধ্যে ২ জন এবং পটুয়াখালী–৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে ৪ জনের মধ্যে ২ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।
পটুয়াখালী–১
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ২৯৪টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩২ হাজার ৪১২ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের আ. মন্নান হাওলাদার পান ১ হাজার ৫৫ ভোট, জাসদের গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনোনীত মোটরগাড়ি প্রতীকের গৌতম চন্দ্র শীল পান ১ হাজার ৩৩৪ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের শহিদুল ইসলাম ফাহিম পান ৩৪৭ ভোট। নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–২
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৩ হাজার ৫৭৬ ভোট। বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অন্য তিন প্রার্থী নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। হাতপাখা প্রতীকের মালেক হোসেন পান ১৪ হাজার ৪১৪ ভোট, এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের মো. রুহুল আমিন পান ৪১০ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের হাবিবুর রহমান পান ৩৫৩ ভোট। তাঁরা জামানত হারিয়েছেন।
পটুয়াখালী–৩
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৬১টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৯ হাজার ৭৪৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম ফজলুল হক (জাহাজ প্রতীক) পান ৯৭৮ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ শাহআলম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পান ১৬ হাজার ২৫৫ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–৪
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৯ হাজার ৩২৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৬ হাজার ১৬৬ ভোট। খেলাফত মজলিসের দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ পান ১৪ হাজার ৯৮৫ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের মো. রবিউল হাসান পান ২০২ ভোট। নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
তবে জামানত হারানোদের মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনী প্রচারণার মাঝপথে অন্য প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী–১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী–২ আসনে জামায়াত–সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, পটুয়াখালী–৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর এবং পটুয়াখালী–৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশারফ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (সংসদীয় আসন নম্বর ১১১) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অব.) আবদুল ওহাব পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৩১০ ভোট। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. ফিরোজ আলম পেয়েছেন ৫৮ হাজার ১৬১ ভোট এবং মোটরগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী গৌতম চন্দ্র শীল পেয়েছেন ১ হাজার ৩৩৪ ভোট।
বিজয়ী প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভের মাধ্যমে তিনি এ আসনে দলের অবস্থান আরও সুসংহত করেন। ফলাফল ঘোষণার পর তার সমর্থক ও নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (সংসদীয় আসন নম্বর ১১১) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অব.) আবদুল ওহাব পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৩১০ ভোট। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. ফিরোজ আলম পেয়েছেন ৫৮ হাজার ১৬১ ভোট এবং মোটরগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী গৌতম চন্দ্র শীল পেয়েছেন ১ হাজার ৩৩৪ ভোট।
বিজয়ী প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভের মাধ্যমে তিনি এ আসনে দলের অবস্থান আরও সুসংহত করেন। ফলাফল ঘোষণার পর তার সমর্থক ও নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.