কর্মস্থলে অনপুস্থিত থাকায় ফোন করে কড়া হুঁশিয়ারি
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তা এমরানুর রহমানকে না পেয়ে প্রচণ্ড আকারে চটলেট নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। শনিবার বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) নিজের সংসদীয় আসন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনি আকস্মিক হাজির হলে সেখানকার পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অনপুস্থিত দেখতে পান। এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান স্বচোখে প্রতিমন্ত্রী প্রত্যক্ষ করে কর্মকর্তার ওপর ক্ষোভ উগড়ে দেন। এই ঘটনার একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মন্দরে মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া শোনা যাচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক অবস্থা দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন হাসপাতালের প্রধান স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। এই অনিয়ম দেখে তিনি বিব্রতবোধ করাসহ ক্ষোভপ্রকাশ করেন। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে কল করে ওই কর্মকর্তা কাছে অনপুস্থিত থাকার জবাবদিহি চান।
ভাইরাল ভিডিওটিতে শোনা যায়, প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসনান মোবাইলের এ প্রান্ত থেকে বলছেন, ‘আপনার যদি কাজ পছন্দ না হয়, এখান থেকে চলে যান। হয় কাজ করবেন, না হয় চলে যাবেন, আমাদের বিব্রত করে লাভ কী বলেন?’
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এমরানুর রহমান মোবাইলের ওই প্রান্ত থেকে কি বলছেন এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া না গেলেও প্রতিমন্ত্রীকে আরও বলতে শোনা যায়, আপনাকে তো আমরা বেঁধে রাখিনি। আপনার যদি এখানে কাজ করতে পছন্দ না হয়, আপনি চলে যাবেন। আপনার সাথে আমি একাধিক দিন কথা বলেছি, আপনি তো কোনো কাজই করেন না।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের হাজিরা খাতাসহ বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের সাথেও কথা বলেন। রোগীরা তার কাছে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির অভিযোগ তোলেন।
সরেজমিনে এই অভিযোগ প্রাপ্তির পরে প্রতিমন্ত্রী শিগগিরই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আমূল পরিবর্তন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। একই সাথে দায়িত্ব অবহেলাকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও কড়া হুঁশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।
প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শনের দিনেও কোনো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকলেন না এই বিষয়ে জানতে কর্মকর্তা এমরানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।’

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
দেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ১০ জেলায় রাতের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২২ আগস্ট) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী কক্সবাজারের উপর দিয়ে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।
দেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ১০ জেলায় রাতের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২২ আগস্ট) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী কক্সবাজারের উপর দিয়ে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিগগিরই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মাসখানেকের মধ্যে আমরা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছি, যার আলোকে আমাদের সব কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সেই আলোকে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে।’
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন অনুযায়ী একটি সুশিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করার লক্ষে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রধান কারিগর হবে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার, ইনশা আল্লাহ।’
কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি, জবাবদিহিতা এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।’
প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিগগিরই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মাসখানেকের মধ্যে আমরা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছি, যার আলোকে আমাদের সব কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সেই আলোকে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে।’
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন অনুযায়ী একটি সুশিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করার লক্ষে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রধান কারিগর হবে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার, ইনশা আল্লাহ।’
কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি, জবাবদিহিতা এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:১৩
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৮:৪৫
কর্মস্থলে অনপুস্থিত থাকায় ফোন করে কড়া হুঁশিয়ারি
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তা এমরানুর রহমানকে না পেয়ে প্রচণ্ড আকারে চটলেট নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। শনিবার বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) নিজের সংসদীয় আসন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনি আকস্মিক হাজির হলে সেখানকার পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অনপুস্থিত দেখতে পান। এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান স্বচোখে প্রতিমন্ত্রী প্রত্যক্ষ করে কর্মকর্তার ওপর ক্ষোভ উগড়ে দেন। এই ঘটনার একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মন্দরে মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া শোনা যাচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক অবস্থা দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন হাসপাতালের প্রধান স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। এই অনিয়ম দেখে তিনি বিব্রতবোধ করাসহ ক্ষোভপ্রকাশ করেন। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে কল করে ওই কর্মকর্তা কাছে অনপুস্থিত থাকার জবাবদিহি চান।
ভাইরাল ভিডিওটিতে শোনা যায়, প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসনান মোবাইলের এ প্রান্ত থেকে বলছেন, ‘আপনার যদি কাজ পছন্দ না হয়, এখান থেকে চলে যান। হয় কাজ করবেন, না হয় চলে যাবেন, আমাদের বিব্রত করে লাভ কী বলেন?’
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এমরানুর রহমান মোবাইলের ওই প্রান্ত থেকে কি বলছেন এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া না গেলেও প্রতিমন্ত্রীকে আরও বলতে শোনা যায়, আপনাকে তো আমরা বেঁধে রাখিনি। আপনার যদি এখানে কাজ করতে পছন্দ না হয়, আপনি চলে যাবেন। আপনার সাথে আমি একাধিক দিন কথা বলেছি, আপনি তো কোনো কাজই করেন না।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের হাজিরা খাতাসহ বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের সাথেও কথা বলেন। রোগীরা তার কাছে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির অভিযোগ তোলেন।
সরেজমিনে এই অভিযোগ প্রাপ্তির পরে প্রতিমন্ত্রী শিগগিরই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আমূল পরিবর্তন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। একই সাথে দায়িত্ব অবহেলাকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও কড়া হুঁশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।
প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শনের দিনেও কোনো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকলেন না এই বিষয়ে জানতে কর্মকর্তা এমরানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।’
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০২:০৯
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৪
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৬
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৫৭