কর্মস্থলে অনপুস্থিত থাকায় ফোন করে কড়া হুঁশিয়ারি
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তা এমরানুর রহমানকে না পেয়ে প্রচণ্ড আকারে চটলেট নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। শনিবার বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) নিজের সংসদীয় আসন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনি আকস্মিক হাজির হলে সেখানকার পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অনপুস্থিত দেখতে পান। এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান স্বচোখে প্রতিমন্ত্রী প্রত্যক্ষ করে কর্মকর্তার ওপর ক্ষোভ উগড়ে দেন। এই ঘটনার একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মন্দরে মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া শোনা যাচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক অবস্থা দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন হাসপাতালের প্রধান স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। এই অনিয়ম দেখে তিনি বিব্রতবোধ করাসহ ক্ষোভপ্রকাশ করেন। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে কল করে ওই কর্মকর্তা কাছে অনপুস্থিত থাকার জবাবদিহি চান।
ভাইরাল ভিডিওটিতে শোনা যায়, প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসনান মোবাইলের এ প্রান্ত থেকে বলছেন, ‘আপনার যদি কাজ পছন্দ না হয়, এখান থেকে চলে যান। হয় কাজ করবেন, না হয় চলে যাবেন, আমাদের বিব্রত করে লাভ কী বলেন?’
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এমরানুর রহমান মোবাইলের ওই প্রান্ত থেকে কি বলছেন এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া না গেলেও প্রতিমন্ত্রীকে আরও বলতে শোনা যায়, আপনাকে তো আমরা বেঁধে রাখিনি। আপনার যদি এখানে কাজ করতে পছন্দ না হয়, আপনি চলে যাবেন। আপনার সাথে আমি একাধিক দিন কথা বলেছি, আপনি তো কোনো কাজই করেন না।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের হাজিরা খাতাসহ বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের সাথেও কথা বলেন। রোগীরা তার কাছে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির অভিযোগ তোলেন।
সরেজমিনে এই অভিযোগ প্রাপ্তির পরে প্রতিমন্ত্রী শিগগিরই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আমূল পরিবর্তন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। একই সাথে দায়িত্ব অবহেলাকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও কড়া হুঁশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।
প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শনের দিনেও কোনো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকলেন না এই বিষয়ে জানতে কর্মকর্তা এমরানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।’

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:১১
বরিশালের বানারীপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই শ্রমিক। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এসএস প্রি-ক্যাডেট স্কুলসংলগ্ন ব্যবসায়ী রিয়াজ হোসেনের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে জামাল হোসেন (৫০) এবং পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুন্নু মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ (৪২)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সৃষ্টি শিক্ষা একাডেমির শিক্ষক জাকির হোসেন জানান, দুপুরে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকের বাঁশ খুলতে গিয়ে দুই শ্রমিক ভেতরে পড়ে যান। ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতির কারণে তাঁরা বিপদে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বেলা পৌনে ১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই শ্রমিককে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে অক্সিজেন ব্যবহার করে গ্যাস অপসারণের পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
পরে তাঁদের বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, সেপটিক ট্যাংকে সেন্টারিংয়ের কাজ করার সময় দুই শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লুৎফুর আজিজের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
বরিশালের বানারীপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই শ্রমিক। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এসএস প্রি-ক্যাডেট স্কুলসংলগ্ন ব্যবসায়ী রিয়াজ হোসেনের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে জামাল হোসেন (৫০) এবং পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুন্নু মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ (৪২)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সৃষ্টি শিক্ষা একাডেমির শিক্ষক জাকির হোসেন জানান, দুপুরে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকের বাঁশ খুলতে গিয়ে দুই শ্রমিক ভেতরে পড়ে যান। ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতির কারণে তাঁরা বিপদে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বেলা পৌনে ১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই শ্রমিককে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে অক্সিজেন ব্যবহার করে গ্যাস অপসারণের পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
পরে তাঁদের বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, সেপটিক ট্যাংকে সেন্টারিংয়ের কাজ করার সময় দুই শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লুৎফুর আজিজের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৭
কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস বরগুনার আমতলীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ইমরান পরিবহনের বাসটি বুধবার রাতে ঢাকা থেকে পর্যটক ও অন্যান্য যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগে একটি বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বাসটির বেশির ভাগ যাত্রীই কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে বাসের চালক নেমে যান। এরপর বাসটি চালাচ্ছিলেন তাঁর সহকারী (হেলপার)। সড়কের একটি বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস বরগুনার আমতলীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ইমরান পরিবহনের বাসটি বুধবার রাতে ঢাকা থেকে পর্যটক ও অন্যান্য যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগে একটি বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বাসটির বেশির ভাগ যাত্রীই কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে বাসের চালক নেমে যান। এরপর বাসটি চালাচ্ছিলেন তাঁর সহকারী (হেলপার)। সড়কের একটি বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৪৭
বরিশাল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক ঠিকাদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে। প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে রক্ষা পান ভুক্তভোগী। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠি গ্রামে গনি হাওলাদারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার ঠিকাদার সুলতান আহমেদ নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার সালাম হাওলাদারের ছেলে। তার ‘নুসরাত এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীতে জুতা, কালি, বেল্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করে।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনাকারী সুলতান তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মাগুরা জেলার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ওরফে সোহেল রানার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান।
ফরিদ আহমেদ বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকা পরিশোধ করতে সোহেল রানা সেখানে আসেন। তবে টাকা না দিয়ে চেক দেওয়ার পর একটি স্ট্যাম্পে সুলতানকে স্বাক্ষর করতে বললে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সুলতানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আত্মরক্ষায় খালে ঝাঁপ দিয়ে চিৎকার শুরু করেন সুলতান। পরে মাইক্রোবাস নিয়ে আসা সোহেল রানা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন সাবেক এই কাউন্সিলর।
হামলার শিকার সুলতান আহমেদ বলেন, তাঁরা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে বিস্তারিত বলার আগেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সুলতান।
বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
বরিশাল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক ঠিকাদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে। প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে রক্ষা পান ভুক্তভোগী। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠি গ্রামে গনি হাওলাদারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার ঠিকাদার সুলতান আহমেদ নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার সালাম হাওলাদারের ছেলে। তার ‘নুসরাত এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীতে জুতা, কালি, বেল্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করে।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনাকারী সুলতান তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মাগুরা জেলার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ওরফে সোহেল রানার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান।
ফরিদ আহমেদ বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকা পরিশোধ করতে সোহেল রানা সেখানে আসেন। তবে টাকা না দিয়ে চেক দেওয়ার পর একটি স্ট্যাম্পে সুলতানকে স্বাক্ষর করতে বললে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সুলতানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আত্মরক্ষায় খালে ঝাঁপ দিয়ে চিৎকার শুরু করেন সুলতান। পরে মাইক্রোবাস নিয়ে আসা সোহেল রানা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন সাবেক এই কাউন্সিলর।
হামলার শিকার সুলতান আহমেদ বলেন, তাঁরা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে বিস্তারিত বলার আগেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সুলতান।
বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

১৪ জুন, ২০২৬ ১৮:৪৫
কর্মস্থলে অনপুস্থিত থাকায় ফোন করে কড়া হুঁশিয়ারি
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তা এমরানুর রহমানকে না পেয়ে প্রচণ্ড আকারে চটলেট নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। শনিবার বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) নিজের সংসদীয় আসন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনি আকস্মিক হাজির হলে সেখানকার পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অনপুস্থিত দেখতে পান। এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান স্বচোখে প্রতিমন্ত্রী প্রত্যক্ষ করে কর্মকর্তার ওপর ক্ষোভ উগড়ে দেন। এই ঘটনার একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মন্দরে মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া শোনা যাচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক অবস্থা দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন হাসপাতালের প্রধান স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। এই অনিয়ম দেখে তিনি বিব্রতবোধ করাসহ ক্ষোভপ্রকাশ করেন। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে কল করে ওই কর্মকর্তা কাছে অনপুস্থিত থাকার জবাবদিহি চান।
ভাইরাল ভিডিওটিতে শোনা যায়, প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসনান মোবাইলের এ প্রান্ত থেকে বলছেন, ‘আপনার যদি কাজ পছন্দ না হয়, এখান থেকে চলে যান। হয় কাজ করবেন, না হয় চলে যাবেন, আমাদের বিব্রত করে লাভ কী বলেন?’
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এমরানুর রহমান মোবাইলের ওই প্রান্ত থেকে কি বলছেন এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া না গেলেও প্রতিমন্ত্রীকে আরও বলতে শোনা যায়, আপনাকে তো আমরা বেঁধে রাখিনি। আপনার যদি এখানে কাজ করতে পছন্দ না হয়, আপনি চলে যাবেন। আপনার সাথে আমি একাধিক দিন কথা বলেছি, আপনি তো কোনো কাজই করেন না।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের হাজিরা খাতাসহ বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের সাথেও কথা বলেন। রোগীরা তার কাছে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির অভিযোগ তোলেন।
সরেজমিনে এই অভিযোগ প্রাপ্তির পরে প্রতিমন্ত্রী শিগগিরই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আমূল পরিবর্তন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। একই সাথে দায়িত্ব অবহেলাকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও কড়া হুঁশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।
প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শনের দিনেও কোনো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকলেন না এই বিষয়ে জানতে কর্মকর্তা এমরানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।’