
১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৩১
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মাদকাসক্ত এক যুবকের এলোপাতাড়ি কোপে এক শিশু নিহত হয়েছে। এতে নারী-শিশুসহ অন্তত ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরহোসনাবাদ গ্রামের মৃধা বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আহতদের মধ্যে জামাল বেপারীর শিশু ছেলে সাফায়েত (৮) বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাউফল উপজেলার বগা ফেরিঘাটে পথিমধ্যে মৃত্যু হয়। অন্যান্য আহতরা হলেন- বাহাদুর মুন্সির স্ত্রী মরিয়ম (২৮) ও তাদের শিশু ছেলে মুহিত হাসান (৮), সাইদুলের স্ত্রী নাসিমা (৩২), পঞ্চম আলীর ছেলে বাবুল (৪৭)। তারা সবাই একই বাড়ির বাসিন্দা।
অপর আহত দুজন নাসিমা ও বাবুল বর্তমানে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। হামলাকারী সবুজ মৃধা মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। তিনি একই বাড়ির আবু মৃধার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনো প্রকার পূর্বশত্রুতা ছাড়াই আচমকা সবুজ মৃধা বাড়ির বাসিন্দাদের ওপর অতর্কিতভাবে দা ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। তার হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে সবুজ পালানোর চেষ্টা করে। পালাতে না পেরে সে বাড়ির পাশের একটি উঁচু গাছের চূড়ায় আশ্রয় নেয়।
এরই মধ্যে আহতদের স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় কিছু গ্রামবাসী গাছ ঘিরে রাখে যাতে সবুজ পালাতে না পারে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় রাত ১০টার দিকে চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিরাপদে গাছ থেকে নামিয়ে আনে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাছের চূড়ায় অবস্থান নেওয়া সবুজ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লোহার কোনো বস্তু দিয়ে পুলিশ সদস্যদের দিকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা গাছ কেটে তাকে নামানোর চেষ্টা করলে সবুজ একটি গাছ থেকে লাফিয়ে আরেকটি চাম্বল গাছের চূড়ায় উঠে যায়। এভাবে সে একে একে চারটি গাছ পরিবর্তন করে প্রায় ৭০ ফুট উঁচু চাম্বল গাছের চূড়ায় অবস্থান করে। এরপরে রাত ১০টার দিকে গাছ থেকে নামিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাহুল বিন হালিম বলেন, গুরুতর আহত দুই শিশু সাফায়েত ও মুহিত হাসান এবং মুহিতের মা মরিয়মের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিছু সময় পরই সাফায়েতের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল আলীম বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থলে রয়েছি। সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাতক সবুজকে গাছ থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মাদকাসক্ত এক যুবকের এলোপাতাড়ি কোপে এক শিশু নিহত হয়েছে। এতে নারী-শিশুসহ অন্তত ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরহোসনাবাদ গ্রামের মৃধা বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আহতদের মধ্যে জামাল বেপারীর শিশু ছেলে সাফায়েত (৮) বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাউফল উপজেলার বগা ফেরিঘাটে পথিমধ্যে মৃত্যু হয়। অন্যান্য আহতরা হলেন- বাহাদুর মুন্সির স্ত্রী মরিয়ম (২৮) ও তাদের শিশু ছেলে মুহিত হাসান (৮), সাইদুলের স্ত্রী নাসিমা (৩২), পঞ্চম আলীর ছেলে বাবুল (৪৭)। তারা সবাই একই বাড়ির বাসিন্দা।
অপর আহত দুজন নাসিমা ও বাবুল বর্তমানে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। হামলাকারী সবুজ মৃধা মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। তিনি একই বাড়ির আবু মৃধার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনো প্রকার পূর্বশত্রুতা ছাড়াই আচমকা সবুজ মৃধা বাড়ির বাসিন্দাদের ওপর অতর্কিতভাবে দা ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। তার হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে সবুজ পালানোর চেষ্টা করে। পালাতে না পেরে সে বাড়ির পাশের একটি উঁচু গাছের চূড়ায় আশ্রয় নেয়।
এরই মধ্যে আহতদের স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় কিছু গ্রামবাসী গাছ ঘিরে রাখে যাতে সবুজ পালাতে না পারে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় রাত ১০টার দিকে চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিরাপদে গাছ থেকে নামিয়ে আনে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাছের চূড়ায় অবস্থান নেওয়া সবুজ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লোহার কোনো বস্তু দিয়ে পুলিশ সদস্যদের দিকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা গাছ কেটে তাকে নামানোর চেষ্টা করলে সবুজ একটি গাছ থেকে লাফিয়ে আরেকটি চাম্বল গাছের চূড়ায় উঠে যায়। এভাবে সে একে একে চারটি গাছ পরিবর্তন করে প্রায় ৭০ ফুট উঁচু চাম্বল গাছের চূড়ায় অবস্থান করে। এরপরে রাত ১০টার দিকে গাছ থেকে নামিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাহুল বিন হালিম বলেন, গুরুতর আহত দুই শিশু সাফায়েত ও মুহিত হাসান এবং মুহিতের মা মরিয়মের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিছু সময় পরই সাফায়েতের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল আলীম বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থলে রয়েছি। সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাতক সবুজকে গাছ থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার।
বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।
সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।
প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”
আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি (৫৩) বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি।
এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।” একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম (৩৯) বলেন, “নড়বড়ে সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারে না।
অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না।
ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার।
বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।
সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।
প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”
আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি (৫৩) বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি।
এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।” একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম (৩৯) বলেন, “নড়বড়ে সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারে না।
অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না।
ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০০
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদবাজার। রোজার প্রথম সপ্তাহ থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বিপণিবিতান ও মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের কেনাকাটায় নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন বস্ত্রবিতান ও পোশাকের দোকানগুলোতে। এ বছর মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানি স্টাইলের ‘ফারসি’ সেলোয়ার-কামিজ। অন্যদিকে ছেলেদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট। এছাড়া শাড়িপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ি।
সরেজমিনে বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বাউফল পৌরশহর, কালাইয়া বন্দর, কালিশুরী, বগা বন্দর, কনকদিয়া, কাছিপাড়া ও নওমালা বাজার এলাকার বিপণি বিতান গুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক দেখাতে ও বিক্রি করতে।
দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোজার শুরুতে ব্যবসায়ী ও গৃহস্থালি পরিবারের ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি থাকলেও চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে চাকরিজীবী পরিবারের ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়েছে। তাদের ধারণা, বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পাওয়ার পর চাকরিজীবীরা ঈদের কেনাকাটায় বাজারে নেমেছেন।
উপজেলার বাজারে মোকলেচ মার্কেটের নগর পল্লি গার্মেন্টস গিয়ে দেখা যায়, দোকানিদের দম ফেলার সময় নেই। ক্রেতারা নিজ নিজ পছন্দ অনুযায়ী পোশাক বেছে নিচ্ছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা পাকিস্তানি স্টাইলের ফারসি সেলোয়ার-কামিজের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অন্যদিকে তরুণদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট।
কালাইয়া বন্দরের ‘বি কে বস্ত্রালয়’-এর স্বত্বাধিকারী শ্যামল কর্মকার বলেন, “এবার ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ির নতুন ডিজাইনগুলো ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।”
কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা দেশীয় নি¤œমানের পোশাককে পাকিস্তানি বা চায়না পণ্য বলে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাশাপাশি পোশাকের মানের তুলনায় অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে কয়েকটি দোকানের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ জানান, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও পোশাকের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদবাজার। রোজার প্রথম সপ্তাহ থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বিপণিবিতান ও মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের কেনাকাটায় নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন বস্ত্রবিতান ও পোশাকের দোকানগুলোতে। এ বছর মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানি স্টাইলের ‘ফারসি’ সেলোয়ার-কামিজ। অন্যদিকে ছেলেদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট। এছাড়া শাড়িপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ি।
সরেজমিনে বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বাউফল পৌরশহর, কালাইয়া বন্দর, কালিশুরী, বগা বন্দর, কনকদিয়া, কাছিপাড়া ও নওমালা বাজার এলাকার বিপণি বিতান গুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক দেখাতে ও বিক্রি করতে।
দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোজার শুরুতে ব্যবসায়ী ও গৃহস্থালি পরিবারের ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি থাকলেও চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে চাকরিজীবী পরিবারের ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়েছে। তাদের ধারণা, বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পাওয়ার পর চাকরিজীবীরা ঈদের কেনাকাটায় বাজারে নেমেছেন।
উপজেলার বাজারে মোকলেচ মার্কেটের নগর পল্লি গার্মেন্টস গিয়ে দেখা যায়, দোকানিদের দম ফেলার সময় নেই। ক্রেতারা নিজ নিজ পছন্দ অনুযায়ী পোশাক বেছে নিচ্ছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা পাকিস্তানি স্টাইলের ফারসি সেলোয়ার-কামিজের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অন্যদিকে তরুণদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট।
কালাইয়া বন্দরের ‘বি কে বস্ত্রালয়’-এর স্বত্বাধিকারী শ্যামল কর্মকার বলেন, “এবার ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ির নতুন ডিজাইনগুলো ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।”
কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা দেশীয় নি¤œমানের পোশাককে পাকিস্তানি বা চায়না পণ্য বলে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাশাপাশি পোশাকের মানের তুলনায় অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে কয়েকটি দোকানের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ জানান, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও পোশাকের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:০৯
প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাল যার, জল তার। মাছ ধরতে আর ইজারা দিতে হবে না।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গলাচিপা খাল ও এর শাখা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী। এসময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ‘অনেক সময় জেলেদের মাছ ধরতে গেলে ইজারা দিতে হয়। এখন থেকে এসব ক্ষেত্রে ইজারা যেন না দিতে হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। জাল যার, জল তার। যাদের জাল আছে তারাই মাছ ধরবেন, এখানে কোনো ইজারা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো দলীয় বিবেচনা করা যাবে না। ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, চর এলাকার জমি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। যাদের বৈধ দলিল আছে, তারা যেন তাদের জমি ভোগ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে। আর যেসব জমি এক বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়, সেগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বণ্টন করতে হবে।’
প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাল যার, জল তার। মাছ ধরতে আর ইজারা দিতে হবে না।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গলাচিপা খাল ও এর শাখা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী। এসময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ‘অনেক সময় জেলেদের মাছ ধরতে গেলে ইজারা দিতে হয়। এখন থেকে এসব ক্ষেত্রে ইজারা যেন না দিতে হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। জাল যার, জল তার। যাদের জাল আছে তারাই মাছ ধরবেন, এখানে কোনো ইজারা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো দলীয় বিবেচনা করা যাবে না। ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, চর এলাকার জমি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। যাদের বৈধ দলিল আছে, তারা যেন তাদের জমি ভোগ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে। আর যেসব জমি এক বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়, সেগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বণ্টন করতে হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.