Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৩১
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মাদকাসক্ত এক যুবকের এলোপাতাড়ি কোপে এক শিশু নিহত হয়েছে। এতে নারী-শিশুসহ অন্তত ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরহোসনাবাদ গ্রামের মৃধা বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আহতদের মধ্যে জামাল বেপারীর শিশু ছেলে সাফায়েত (৮) বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাউফল উপজেলার বগা ফেরিঘাটে পথিমধ্যে মৃত্যু হয়। অন্যান্য আহতরা হলেন- বাহাদুর মুন্সির স্ত্রী মরিয়ম (২৮) ও তাদের শিশু ছেলে মুহিত হাসান (৮), সাইদুলের স্ত্রী নাসিমা (৩২), পঞ্চম আলীর ছেলে বাবুল (৪৭)। তারা সবাই একই বাড়ির বাসিন্দা।
অপর আহত দুজন নাসিমা ও বাবুল বর্তমানে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। হামলাকারী সবুজ মৃধা মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। তিনি একই বাড়ির আবু মৃধার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনো প্রকার পূর্বশত্রুতা ছাড়াই আচমকা সবুজ মৃধা বাড়ির বাসিন্দাদের ওপর অতর্কিতভাবে দা ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। তার হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে সবুজ পালানোর চেষ্টা করে। পালাতে না পেরে সে বাড়ির পাশের একটি উঁচু গাছের চূড়ায় আশ্রয় নেয়।
এরই মধ্যে আহতদের স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় কিছু গ্রামবাসী গাছ ঘিরে রাখে যাতে সবুজ পালাতে না পারে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় রাত ১০টার দিকে চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিরাপদে গাছ থেকে নামিয়ে আনে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাছের চূড়ায় অবস্থান নেওয়া সবুজ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লোহার কোনো বস্তু দিয়ে পুলিশ সদস্যদের দিকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা গাছ কেটে তাকে নামানোর চেষ্টা করলে সবুজ একটি গাছ থেকে লাফিয়ে আরেকটি চাম্বল গাছের চূড়ায় উঠে যায়। এভাবে সে একে একে চারটি গাছ পরিবর্তন করে প্রায় ৭০ ফুট উঁচু চাম্বল গাছের চূড়ায় অবস্থান করে। এরপরে রাত ১০টার দিকে গাছ থেকে নামিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাহুল বিন হালিম বলেন, গুরুতর আহত দুই শিশু সাফায়েত ও মুহিত হাসান এবং মুহিতের মা মরিয়মের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিছু সময় পরই সাফায়েতের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল আলীম বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থলে রয়েছি। সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাতক সবুজকে গাছ থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মাদকাসক্ত এক যুবকের এলোপাতাড়ি কোপে এক শিশু নিহত হয়েছে। এতে নারী-শিশুসহ অন্তত ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরহোসনাবাদ গ্রামের মৃধা বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আহতদের মধ্যে জামাল বেপারীর শিশু ছেলে সাফায়েত (৮) বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাউফল উপজেলার বগা ফেরিঘাটে পথিমধ্যে মৃত্যু হয়। অন্যান্য আহতরা হলেন- বাহাদুর মুন্সির স্ত্রী মরিয়ম (২৮) ও তাদের শিশু ছেলে মুহিত হাসান (৮), সাইদুলের স্ত্রী নাসিমা (৩২), পঞ্চম আলীর ছেলে বাবুল (৪৭)। তারা সবাই একই বাড়ির বাসিন্দা।
অপর আহত দুজন নাসিমা ও বাবুল বর্তমানে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। হামলাকারী সবুজ মৃধা মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। তিনি একই বাড়ির আবু মৃধার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনো প্রকার পূর্বশত্রুতা ছাড়াই আচমকা সবুজ মৃধা বাড়ির বাসিন্দাদের ওপর অতর্কিতভাবে দা ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। তার হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে সবুজ পালানোর চেষ্টা করে। পালাতে না পেরে সে বাড়ির পাশের একটি উঁচু গাছের চূড়ায় আশ্রয় নেয়।
এরই মধ্যে আহতদের স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় কিছু গ্রামবাসী গাছ ঘিরে রাখে যাতে সবুজ পালাতে না পারে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় রাত ১০টার দিকে চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিরাপদে গাছ থেকে নামিয়ে আনে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাছের চূড়ায় অবস্থান নেওয়া সবুজ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লোহার কোনো বস্তু দিয়ে পুলিশ সদস্যদের দিকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা গাছ কেটে তাকে নামানোর চেষ্টা করলে সবুজ একটি গাছ থেকে লাফিয়ে আরেকটি চাম্বল গাছের চূড়ায় উঠে যায়। এভাবে সে একে একে চারটি গাছ পরিবর্তন করে প্রায় ৭০ ফুট উঁচু চাম্বল গাছের চূড়ায় অবস্থান করে। এরপরে রাত ১০টার দিকে গাছ থেকে নামিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাহুল বিন হালিম বলেন, গুরুতর আহত দুই শিশু সাফায়েত ও মুহিত হাসান এবং মুহিতের মা মরিয়মের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিছু সময় পরই সাফায়েতের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল আলীম বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থলে রয়েছি। সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাতক সবুজকে গাছ থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:০১
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১৭
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩