ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়ন বিএনপির প্রস্তাবিত সভাপতি প্রভাষক মো. নূরদ্দিনের বিরুদ্ধে ‘আলোর প্রতীক’ নামে একটি ফেইক ফেসবুক আইডি থেকে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
‘আলোর প্রতীক নামে ওই ফেইক ফেসবুক আইডি থেকে পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়ন বিএনপির প্রস্তাবিত সভাপতি প্রভাষক মো. নূরদ্দিনের নামে একটি পোস্ট করে বলা হয়, চরের জমি ও খালবান বিক্রিসহ বাজারের বিভিন্ন দোকান থেকে চাঁদা তোলেন নুরুদ্দিন, কপি হাউজ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা এবং প্রতি সিএনজি থেকে ৪০ টাকা করে চাঁদা তোলেন ওই বিএনপি নেতা।
ঘটনার সত্যতা জানতে আব্বাস উদ্দিন নামে ওই কফি হাউজের মালিকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, দীর্ঘ ৫ বছর ধরে আমি ব্যবসা করি। হঠাৎ করে লোকমুখে শুনতে পাই ফেসবুক লেখা হয়েছে আমার থেকে নাকি পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নূরদ্দিন ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছেন। এতে আমি বিব্রত হয়েছি। কারণ এ ঘটনার কোনো সত্যতা নেই।
গজারিয়া এলাকার সিএনজি চালক মো. টিটন ও আল-আমিন বলেন, আমরা ১ বছর ধরে এখানে সিএনজি চালাই। মসজিদের সামনে আমাদের স্টেশন তাই আমরা প্রতিদিন সিএনজি প্রতি মসজিদে ২০ টাকা ও আমাদের লাইনম্যানকে ১০ টাকা দেই।
বিএনপির কোনো নেতাকর্মী কখনোই আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করেননি। তবে নূরুদ্দিন মিয়ার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলা সম্পূর্ণ মিথ্যা। চরকচুয়াখালীর জমির মালিক জোনাব আলী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাদের চরের জমি জোরপূর্বক দখল করে রাখার কারণে প্রকৃত মালিক হওয়ার পরেও আমরা জমি ভোগ করতে পারিনি।
তবে ৫ আগস্টের পর নূরদ্দিন মিয়ার সহযোগিতায় আমরা যারা জমির প্রকৃত মালিকে রয়েছি তারা জমি বুঝে পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে চরের জমি দখলের অভিযোগটি মিথ্যা।
পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা প্রভাষক নুরদ্দিন বলেন, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের নেতা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) ও গজারিয়ার কৃতি সন্তান উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম বাবুল পাঞ্চায়েতের নির্দেশে আমাদের ইউনিয়নটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে চলছে।
তবে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যক্তিগত এবং দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১৩ জুলাই, ২০২৫ ১৬:২৪
ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়ন বিএনপির প্রস্তাবিত সভাপতি প্রভাষক মো. নূরদ্দিনের বিরুদ্ধে ‘আলোর প্রতীক’ নামে একটি ফেইক ফেসবুক আইডি থেকে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
‘আলোর প্রতীক নামে ওই ফেইক ফেসবুক আইডি থেকে পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়ন বিএনপির প্রস্তাবিত সভাপতি প্রভাষক মো. নূরদ্দিনের নামে একটি পোস্ট করে বলা হয়, চরের জমি ও খালবান বিক্রিসহ বাজারের বিভিন্ন দোকান থেকে চাঁদা তোলেন নুরুদ্দিন, কপি হাউজ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা এবং প্রতি সিএনজি থেকে ৪০ টাকা করে চাঁদা তোলেন ওই বিএনপি নেতা।
ঘটনার সত্যতা জানতে আব্বাস উদ্দিন নামে ওই কফি হাউজের মালিকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, দীর্ঘ ৫ বছর ধরে আমি ব্যবসা করি। হঠাৎ করে লোকমুখে শুনতে পাই ফেসবুক লেখা হয়েছে আমার থেকে নাকি পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নূরদ্দিন ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছেন। এতে আমি বিব্রত হয়েছি। কারণ এ ঘটনার কোনো সত্যতা নেই।
গজারিয়া এলাকার সিএনজি চালক মো. টিটন ও আল-আমিন বলেন, আমরা ১ বছর ধরে এখানে সিএনজি চালাই। মসজিদের সামনে আমাদের স্টেশন তাই আমরা প্রতিদিন সিএনজি প্রতি মসজিদে ২০ টাকা ও আমাদের লাইনম্যানকে ১০ টাকা দেই।
বিএনপির কোনো নেতাকর্মী কখনোই আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করেননি। তবে নূরুদ্দিন মিয়ার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলা সম্পূর্ণ মিথ্যা। চরকচুয়াখালীর জমির মালিক জোনাব আলী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাদের চরের জমি জোরপূর্বক দখল করে রাখার কারণে প্রকৃত মালিক হওয়ার পরেও আমরা জমি ভোগ করতে পারিনি।
তবে ৫ আগস্টের পর নূরদ্দিন মিয়ার সহযোগিতায় আমরা যারা জমির প্রকৃত মালিকে রয়েছি তারা জমি বুঝে পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে চরের জমি দখলের অভিযোগটি মিথ্যা।
পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা প্রভাষক নুরদ্দিন বলেন, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের নেতা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) ও গজারিয়ার কৃতি সন্তান উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম বাবুল পাঞ্চায়েতের নির্দেশে আমাদের ইউনিয়নটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে চলছে।
তবে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যক্তিগত এবং দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১