
০৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৩২
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) রোগীসেবা, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দালাল, প্রতারক ও বাহিরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার পরিচালকের কার্যালয়ে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভা শেষে পরিচালকসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিট ঘুরে দেখেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর।
উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন বাবলু, এনেসথেসিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শাফিকুল ইসলাম, সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আহসান হাবিবসহ অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরা।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— মেডিসিন ভবনে অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকায় পুরাতন ভবনে বিভাগ সম্প্রসারণ করা হবে। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাসপাতাল এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রোগী দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম চালু করা হবে।
ওয়ার্ড বা ইউনিট অপরিচ্ছন্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছন্নতা কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বেতন কর্তনের নীতিও চালু করা হয়েছে। বাহিরের ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনো প্রতিনিধি বা রোগীর দালালকে হাসপাতালে পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে।
এই নির্দেশনার আলোকে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) পুলিশ ও আনসার বাহিনী অভিযান চালিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন ভবন থেকে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী পরিচয়ধারী তপু সিকদারকে আটক করে থানায় পাঠায়। তবে পরে তিনি মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান বলে জানা গেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) রোগীসেবা, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দালাল, প্রতারক ও বাহিরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার পরিচালকের কার্যালয়ে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভা শেষে পরিচালকসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিট ঘুরে দেখেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর।
উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন বাবলু, এনেসথেসিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শাফিকুল ইসলাম, সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আহসান হাবিবসহ অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরা।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— মেডিসিন ভবনে অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকায় পুরাতন ভবনে বিভাগ সম্প্রসারণ করা হবে। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাসপাতাল এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রোগী দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম চালু করা হবে।
ওয়ার্ড বা ইউনিট অপরিচ্ছন্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছন্নতা কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বেতন কর্তনের নীতিও চালু করা হয়েছে। বাহিরের ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনো প্রতিনিধি বা রোগীর দালালকে হাসপাতালে পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে।
এই নির্দেশনার আলোকে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) পুলিশ ও আনসার বাহিনী অভিযান চালিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন ভবন থেকে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী পরিচয়ধারী তপু সিকদারকে আটক করে থানায় পাঠায়। তবে পরে তিনি মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান বলে জানা গেছে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩২
কারাগারের উঁচু দেয়ালের ভেতরে বন্দি বাবা। বাইরে ভোটের মাঠে বাড়ি বাড়ি ঘুরে বাবার জন্য ভোট চাইছেন মেয়ে। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ভোটাররা এমনই এক মানবিক গল্পের সাক্ষী হচ্ছেন। এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু বর্তমানে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি। তার অনুপস্থিতিতে নির্বাচনি প্রচারের পুরো দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন মেয়ে হাবিবা কিবরিয়া।
নির্বাচনি মাঠে হাবিবার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। কোথাও উঠান বৈঠক, কোথাও পথসভা করছেন। সব জায়গায় তিনি একটি বার্তা দিচ্ছেন। তার ভাষায়, ‘এটি শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, এটি একজন মেয়ের বাবাকে ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম।’ ঢাকায় সংসার, পাঁচ বছরের সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়িকে রেখে তিনি এখন বাবুগঞ্জ ও মুলাদীর গ্রাম-গঞ্জে দিন কাটাচ্ছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর গোলাম কিবরিয়া টিপুর বিরুদ্ধে ১০টি মামলা হয়। এরপর হলফনামা দাখিলের পর ১৩ জানুয়ারি আরও একটি মামলা হয়। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে ১১টি মামলা রয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় নাগরিকত্বসংক্রান্ত বিষয়ে তার প্রার্থিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলেও পরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই শেষে নিশ্চিত করেন–তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই। ফলে প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, ফৌজদারি অপরাধে অন্তত দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত না হলে কোনো ব্যক্তির নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই। বিচারাধীন মামলায় বন্দি থাকা অবস্থায় এই আইনি সুযোগেই নির্বাচন করছেন গোলাম কিবরিয়া টিপু। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের আগে মুক্তি না মিললেও তিনি কারাগার থেকেই নির্বাচন পরিচালনা করবেন।
মাঠে প্রচারের ফাঁকে হাবিবা কিবরিয়া জানান, তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। তার ভাষায়, ‘রাজনীতি যদি খেলায় পরিণত হয়, তাহলে সেই খেলার সবচেয়ে বড় শিকার আমার বাবা। মামলা, জামিন, আবার মামলা–এই বৃত্তের জবাব রাজপথে নয়, ভোটের মাধ্যমেই দিতে চাই।’
হাবিবা বলেন, ‘গোলাম কিবরিয়া টিপু শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি একজন বাবা। একই সঙ্গে তিনি হাজার হাজার মানুষের আপনজন। কারও সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক, কারও সঙ্গে আত্মার টান। সেই সম্পর্কের শক্তিকে কাজে লাগাতেই ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি।’
প্রচারের সময় বাবার অতীত কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরেন হাবিবা। তিনি বলেন, ‘এমপি থাকাকালে বাবুগঞ্জ ও মুলাদীর বিভিন্ন হাটবাজারের খাজনা নিজের তহবিল থেকে পরিশোধ করে আমার বাবা সাধারণ মানুষকে ইজারাদারদের চাপ থেকে মুক্ত করেছিলেন। মাঠেঘাটে যেখানেই যাচ্ছি, বাবার উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি।’ তার বিশ্বাস, মানুষ এবার ভোট দিয়ে গোলাম কিবরিয়া টিপুকে জয়যুক্ত করবে এবং কারামুক্তির পথ খুলে দেবে।
এক বছরের বেশি সময় ধরে বাবার কারাবন্দি থাকার কথা জানাতে গিয়ে হাবিবার কণ্ঠে ক্ষোভ ফুটে ওঠে। তিনি বলেন, ‘একজন মানুষকে কারাগারে রাখা যায়, কিন্তু হাজার হাজার মানুষকে নয়। সরকার চাইলে বাবাকে কারাগারে রাখতে পারে, কিন্তু ভোটের মাধ্যমে জনগণই জবাব দেবে।’ কারাগারে থেকেও নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এলাকাবাসীর ভালোবাসায় বাবাকে ফুলের মালা দিয়ে ফিরিয়ে আনার দৃশ্য কল্পনা করেন বলেও জানান তিনি।
কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে হাবিবা কিবরিয়া বলেন, নির্বাচনি মাঠে উত্তেজনা বা পাল্টা কথাবার্তায় না জড়ানোই সবচেয়ে ভালো পথ। অপমানজনক কথা শুনলেও ধৈর্য ধরে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তার ভাষায়, ‘এই লড়াইয়ে আবেগ নয়, শান্ত থাকাই সবচেয়ে বড় কৌশল।’
কারাগারের উঁচু দেয়ালের ভেতরে বন্দি বাবা। বাইরে ভোটের মাঠে বাড়ি বাড়ি ঘুরে বাবার জন্য ভোট চাইছেন মেয়ে। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ভোটাররা এমনই এক মানবিক গল্পের সাক্ষী হচ্ছেন। এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু বর্তমানে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি। তার অনুপস্থিতিতে নির্বাচনি প্রচারের পুরো দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন মেয়ে হাবিবা কিবরিয়া।
নির্বাচনি মাঠে হাবিবার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। কোথাও উঠান বৈঠক, কোথাও পথসভা করছেন। সব জায়গায় তিনি একটি বার্তা দিচ্ছেন। তার ভাষায়, ‘এটি শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, এটি একজন মেয়ের বাবাকে ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম।’ ঢাকায় সংসার, পাঁচ বছরের সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়িকে রেখে তিনি এখন বাবুগঞ্জ ও মুলাদীর গ্রাম-গঞ্জে দিন কাটাচ্ছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর গোলাম কিবরিয়া টিপুর বিরুদ্ধে ১০টি মামলা হয়। এরপর হলফনামা দাখিলের পর ১৩ জানুয়ারি আরও একটি মামলা হয়। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে ১১টি মামলা রয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় নাগরিকত্বসংক্রান্ত বিষয়ে তার প্রার্থিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলেও পরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই শেষে নিশ্চিত করেন–তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই। ফলে প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, ফৌজদারি অপরাধে অন্তত দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত না হলে কোনো ব্যক্তির নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই। বিচারাধীন মামলায় বন্দি থাকা অবস্থায় এই আইনি সুযোগেই নির্বাচন করছেন গোলাম কিবরিয়া টিপু। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের আগে মুক্তি না মিললেও তিনি কারাগার থেকেই নির্বাচন পরিচালনা করবেন।
মাঠে প্রচারের ফাঁকে হাবিবা কিবরিয়া জানান, তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। তার ভাষায়, ‘রাজনীতি যদি খেলায় পরিণত হয়, তাহলে সেই খেলার সবচেয়ে বড় শিকার আমার বাবা। মামলা, জামিন, আবার মামলা–এই বৃত্তের জবাব রাজপথে নয়, ভোটের মাধ্যমেই দিতে চাই।’
হাবিবা বলেন, ‘গোলাম কিবরিয়া টিপু শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি একজন বাবা। একই সঙ্গে তিনি হাজার হাজার মানুষের আপনজন। কারও সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক, কারও সঙ্গে আত্মার টান। সেই সম্পর্কের শক্তিকে কাজে লাগাতেই ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি।’
প্রচারের সময় বাবার অতীত কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরেন হাবিবা। তিনি বলেন, ‘এমপি থাকাকালে বাবুগঞ্জ ও মুলাদীর বিভিন্ন হাটবাজারের খাজনা নিজের তহবিল থেকে পরিশোধ করে আমার বাবা সাধারণ মানুষকে ইজারাদারদের চাপ থেকে মুক্ত করেছিলেন। মাঠেঘাটে যেখানেই যাচ্ছি, বাবার উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি।’ তার বিশ্বাস, মানুষ এবার ভোট দিয়ে গোলাম কিবরিয়া টিপুকে জয়যুক্ত করবে এবং কারামুক্তির পথ খুলে দেবে।
এক বছরের বেশি সময় ধরে বাবার কারাবন্দি থাকার কথা জানাতে গিয়ে হাবিবার কণ্ঠে ক্ষোভ ফুটে ওঠে। তিনি বলেন, ‘একজন মানুষকে কারাগারে রাখা যায়, কিন্তু হাজার হাজার মানুষকে নয়। সরকার চাইলে বাবাকে কারাগারে রাখতে পারে, কিন্তু ভোটের মাধ্যমে জনগণই জবাব দেবে।’ কারাগারে থেকেও নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এলাকাবাসীর ভালোবাসায় বাবাকে ফুলের মালা দিয়ে ফিরিয়ে আনার দৃশ্য কল্পনা করেন বলেও জানান তিনি।
কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে হাবিবা কিবরিয়া বলেন, নির্বাচনি মাঠে উত্তেজনা বা পাল্টা কথাবার্তায় না জড়ানোই সবচেয়ে ভালো পথ। অপমানজনক কথা শুনলেও ধৈর্য ধরে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তার ভাষায়, ‘এই লড়াইয়ে আবেগ নয়, শান্ত থাকাই সবচেয়ে বড় কৌশল।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'