Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
সরকারের কোনো পদক্ষেপই চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। আমন মৌসুম শেষ হবার আগেই বরিশালের চালের বাজার নতুন করে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। সমাপ্তপ্রায় আমন মৌসুমে ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে প্রায় ২৪ লাখ টন চাল উৎপাদন হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল সূত্রে বলা হয়েছে। অথচ এবার ধানের দাম গত বছরের চেয়ে প্রতিমনে দেড়শ থেকে ২শ টাকা পর্যন্ত কম। কিন্তু গত একমাসে বরিশালে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা বা প্রতি মনে আড়াইশ টাকার মতো।
অথচ গত ৬ মাসে শুধু বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগির মাঝে ‘খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী’র আওতায় মাত্র ১৫ টাকা কেজি দলে ৬০ হাজার ৫শ টনের মত চাল বিক্রি করেছে সরকার। এ কর্মসূচিতে ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগী গত আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাসে ৩০ কেজি করে চাল পেয়েছেন। আগামী মার্চ ও এপ্রিল মাসেও অনুরূপভাবে চাল বিক্রি করা হবে।
উপরন্তু, খোলা বাজারে ৩০ টাকা কেজি দরে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে একই পরিমাণ আটাও বিক্রি করছে খাদ্য অধিদপ্তর। এ হিসেবে, ‘খোলা বাজারে বিক্রি কর্মসূচি-ওএমএস’র আওতায় গত ৬ মাসে ৮,১৫৩ টন আটা ও ৭,২৭৫ টন চাল বিক্রি করেছে সরকার। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এর বাইরে বরিশালের ৩.৪০ লাখ জেলে পরিবারের মাঝে সাড়ে ৮ হাজার টন চাল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। একইসাথে বরিশালের ৪ লক্ষাধিক অনগ্রসর নারীর মাঝেও দু বছরের জন্য যে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চলছে, তারই আওতায় গত ৬ মাসে বরিশালে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন চাল বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এমনকি, টিসিবি’র প্রায় ৫ লাখ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ধারী সুবিধাভোগিও গত ৬ মাসে ৮ হাজার ১৪২ টন চাল পেয়েছেন ৩০ টাকা কেজি দরে।
কিন্তু এতসব কর্মসূচিও চালের বাজারকে আটকাতে পারেনি। নানা অজুহাতে চালকল মালিক এবং পাইকারি ব্যবসায়ী ও ফরিয়ার দল চালের দর বৃদ্ধি করে চলেছে। বরিশালের বাজারে এখন মোটা মানের চালের কেজিও ৫০ টাকার ওপরে। মধ্যম-মাঝারি চালের কেজি ৬০ টকা। আর মধ্যম-উন্নত মানের মিনিকেট চালের কেজি ৭৮-৮০ টাকা কেজি।
বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বাজারে মূল্যস্ফীতি সহ অন্য অনেক পণ্যমূল্যকেও প্রভাবিত করে থাকে। ফলে চালের মূল্য বৃদ্ধির হাত ধরে অন্য অনেক নিত্যপণ্যের দামেও ঊর্ধ্বমূখি প্রবণতা লক্ষণীয়। এবার শীতকালীন সবজি ছাড়াও অন্য অনেক কৃষিপণ্যের দামও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশী। অথচ কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে বর্ধিত দামের সুবিধা পাচ্ছেন না। পুরো বাজার এখন সিন্ডিকেটের দখলে।
ফলে সাধারণ মানুুুুুষের সংসার চালান দায় হয়ে উঠছে ইতোমধ্যে। অপরদিকে এযাবৎকালের সর্বাধিক পরিমাণ আমন উৎপাদন হলেও ধানের দরপতনেও কৃষকরা দিশেহারা। সমাপ্তপ্রায় খরিপ-২ মৌসুমে বরিশালে প্রতিমণ আমন উৎপাদন ব্যায় ছিল প্রায় ১১শ টাকা। কিন্তু অনেক কষ্টের সে ফসল বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ৯শ টাকা ১ হাজার ৫০ টাকায়।
ফলে কৃষকের জন্য এবারের আমন মৌসুমে যেমন কোনো ভালো খবর নেই, তেমনি ভোক্তাদেরও চালের মূল্য বৃদ্ধিতে দুর্ভোগ সব সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে।
সরকারের কোনো পদক্ষেপই চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। আমন মৌসুম শেষ হবার আগেই বরিশালের চালের বাজার নতুন করে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। সমাপ্তপ্রায় আমন মৌসুমে ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে প্রায় ২৪ লাখ টন চাল উৎপাদন হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল সূত্রে বলা হয়েছে। অথচ এবার ধানের দাম গত বছরের চেয়ে প্রতিমনে দেড়শ থেকে ২শ টাকা পর্যন্ত কম। কিন্তু গত একমাসে বরিশালে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা বা প্রতি মনে আড়াইশ টাকার মতো।
অথচ গত ৬ মাসে শুধু বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগির মাঝে ‘খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী’র আওতায় মাত্র ১৫ টাকা কেজি দলে ৬০ হাজার ৫শ টনের মত চাল বিক্রি করেছে সরকার। এ কর্মসূচিতে ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগী গত আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাসে ৩০ কেজি করে চাল পেয়েছেন। আগামী মার্চ ও এপ্রিল মাসেও অনুরূপভাবে চাল বিক্রি করা হবে।
উপরন্তু, খোলা বাজারে ৩০ টাকা কেজি দরে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে একই পরিমাণ আটাও বিক্রি করছে খাদ্য অধিদপ্তর। এ হিসেবে, ‘খোলা বাজারে বিক্রি কর্মসূচি-ওএমএস’র আওতায় গত ৬ মাসে ৮,১৫৩ টন আটা ও ৭,২৭৫ টন চাল বিক্রি করেছে সরকার। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এর বাইরে বরিশালের ৩.৪০ লাখ জেলে পরিবারের মাঝে সাড়ে ৮ হাজার টন চাল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। একইসাথে বরিশালের ৪ লক্ষাধিক অনগ্রসর নারীর মাঝেও দু বছরের জন্য যে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চলছে, তারই আওতায় গত ৬ মাসে বরিশালে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন চাল বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এমনকি, টিসিবি’র প্রায় ৫ লাখ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ধারী সুবিধাভোগিও গত ৬ মাসে ৮ হাজার ১৪২ টন চাল পেয়েছেন ৩০ টাকা কেজি দরে।
কিন্তু এতসব কর্মসূচিও চালের বাজারকে আটকাতে পারেনি। নানা অজুহাতে চালকল মালিক এবং পাইকারি ব্যবসায়ী ও ফরিয়ার দল চালের দর বৃদ্ধি করে চলেছে। বরিশালের বাজারে এখন মোটা মানের চালের কেজিও ৫০ টাকার ওপরে। মধ্যম-মাঝারি চালের কেজি ৬০ টকা। আর মধ্যম-উন্নত মানের মিনিকেট চালের কেজি ৭৮-৮০ টাকা কেজি।
বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বাজারে মূল্যস্ফীতি সহ অন্য অনেক পণ্যমূল্যকেও প্রভাবিত করে থাকে। ফলে চালের মূল্য বৃদ্ধির হাত ধরে অন্য অনেক নিত্যপণ্যের দামেও ঊর্ধ্বমূখি প্রবণতা লক্ষণীয়। এবার শীতকালীন সবজি ছাড়াও অন্য অনেক কৃষিপণ্যের দামও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশী। অথচ কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে বর্ধিত দামের সুবিধা পাচ্ছেন না। পুরো বাজার এখন সিন্ডিকেটের দখলে।
ফলে সাধারণ মানুুুুুষের সংসার চালান দায় হয়ে উঠছে ইতোমধ্যে। অপরদিকে এযাবৎকালের সর্বাধিক পরিমাণ আমন উৎপাদন হলেও ধানের দরপতনেও কৃষকরা দিশেহারা। সমাপ্তপ্রায় খরিপ-২ মৌসুমে বরিশালে প্রতিমণ আমন উৎপাদন ব্যায় ছিল প্রায় ১১শ টাকা। কিন্তু অনেক কষ্টের সে ফসল বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ৯শ টাকা ১ হাজার ৫০ টাকায়।
ফলে কৃষকের জন্য এবারের আমন মৌসুমে যেমন কোনো ভালো খবর নেই, তেমনি ভোক্তাদেরও চালের মূল্য বৃদ্ধিতে দুর্ভোগ সব সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে।

২০ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৪
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২২:৩৬
ইসলাম ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী শনিবার (২১ মার্চ)। ঈদের দিন বরিশালসহ দেশের আট বিভাগেই কোনো না কোনো অঞ্চলে বৃষ্টি এবং সঙ্গে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২ ধরে সারাদেশে কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে কালবৈশাখি ঝড়। এ ধারা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২/১ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়ে সাবাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
অন্যদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়েও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির প্রবণতা বেশি ছিল ঢাকা বিভাগে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে আরিচায়, ৫৮ মিলিমিটার। ঢাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাঙ্গামাটিতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’

১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারে মতো এবারে এখানে মেয়েদের নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এজন্য কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন প্রধান ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে কাজের অগ্রগতি দেখে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এ সময় সিটি প্রশাসক বলেন, বরিশালের সব থেকে বড় ঈদের জামায়াত হেমায়েতউদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ৫-৭ হাজার লোকের সমাগম হবে। সরকারি কর্মকর্তাসহ সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নগরীর প্রধান ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। সুষ্ঠুভাবে নামাজ অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে খাবার পানি, টয়লেট ও মেডিক্যাল টিমের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
এ ছাড়া জেলায় হাজারের বেশি মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফ ও উজিরপুরের গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে হবে সকাল আটটায়।
নগরীর কেন্দ্রীয় জামে কসাই মসজিদে প্রথম জামাত সকাল আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ১০টায়, জামে এবায়েদুল্লাহ মসজিদে প্রথম জামাত সকাল সাড়ে আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত ১০টায়, বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রথম সকাল সাড়ে ৮টায় ও দ্বিতীয় জামাত সাড়ে ৯টায়। মডেল মসজিদে সকাল আটটায়।
পোর্ট রোডের কেরামতিয়া জামে মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়, পুলিশ রাইন্স জামে মসজিদে প্রথম জামাত সাড়ে ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে আটটায়, নুরিয়া স্কুল ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জামাত ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় এবং আঞ্জুমানে হেমায়েত ইসলাম (গোরস্থান) ঈদগা ময়দানে সকাল সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’
ইসলাম ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী শনিবার (২১ মার্চ)। ঈদের দিন বরিশালসহ দেশের আট বিভাগেই কোনো না কোনো অঞ্চলে বৃষ্টি এবং সঙ্গে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২ ধরে সারাদেশে কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে কালবৈশাখি ঝড়। এ ধারা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২/১ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়ে সাবাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
অন্যদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়েও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির প্রবণতা বেশি ছিল ঢাকা বিভাগে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে আরিচায়, ৫৮ মিলিমিটার। ঢাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাঙ্গামাটিতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’
বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারে মতো এবারে এখানে মেয়েদের নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এজন্য কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন প্রধান ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে কাজের অগ্রগতি দেখে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এ সময় সিটি প্রশাসক বলেন, বরিশালের সব থেকে বড় ঈদের জামায়াত হেমায়েতউদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ৫-৭ হাজার লোকের সমাগম হবে। সরকারি কর্মকর্তাসহ সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নগরীর প্রধান ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। সুষ্ঠুভাবে নামাজ অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে খাবার পানি, টয়লেট ও মেডিক্যাল টিমের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
এ ছাড়া জেলায় হাজারের বেশি মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফ ও উজিরপুরের গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে হবে সকাল আটটায়।
নগরীর কেন্দ্রীয় জামে কসাই মসজিদে প্রথম জামাত সকাল আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ১০টায়, জামে এবায়েদুল্লাহ মসজিদে প্রথম জামাত সকাল সাড়ে আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত ১০টায়, বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রথম সকাল সাড়ে ৮টায় ও দ্বিতীয় জামাত সাড়ে ৯টায়। মডেল মসজিদে সকাল আটটায়।
পোর্ট রোডের কেরামতিয়া জামে মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়, পুলিশ রাইন্স জামে মসজিদে প্রথম জামাত সাড়ে ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে আটটায়, নুরিয়া স্কুল ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জামাত ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় এবং আঞ্জুমানে হেমায়েত ইসলাম (গোরস্থান) ঈদগা ময়দানে সকাল সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে।