
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১২
পটুয়াখালীর বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে তল্লাশির কারণে এ অভিযোগ তোলে দলটি।
বিশেষ করে ছাত্রদল নেতার উপস্থিতিতে জামায়াত অফিসে পুলিশি অভিযান চালানোর অভিযোগ তোলেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি বাউফল থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানান। এছাড়াও ঘটনার পরদিন ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, বাউফল থানার ওসি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, তাকে বহাল রেখে নিরপেক্ষ পরিবেশ আশা করা যায় না। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে তাকে নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো উচিত ছিল। কিন্তু তিনি সেটি না করে অন্য আরেকটি দলের প্ররোচনায় আমাদের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, একটা রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালাবে, আর সেখানে ছাত্রদলের আহ্বায়ক তার সহযোগীদের নিয়ে উপস্থিত থাকবেন- এর মানে কী বোঝায়? অভিযানের আগাম খবর তারা জানল কীভাবে? তাছাড়া পুলিশ জামায়াত কার্যালয়ে আসার আগে কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযানের খবর জানলেন কীভাবে?
১১ দলীয় জোটের এ প্রার্থী বলেন, পুলিশ একটি দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিছুই পায়নি। আসলে বাউফল থানার ওসি প্ররোচিত হয়ে কাজটি করেছেন, তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। তাকে এ থানায় রেখে নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা যায় না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত তাকে বাউফল থানা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
এদিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে করা আবেদনে বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান লেখেন, আমি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০২ (বাউফল) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বাউফল থানার ওসি মো. ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, তিনি একজন দলকানা ও সেবাদাস পুলিশ অফিসার।
তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদারের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর থেকে তার আচার-আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্যণীয়। বিএনপির প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীরা বাউফল সংসদীয় এলাকায় জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকি দিলে আমরা থানায় অভিযোগ করলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই।
বিভিন্ন মামলার এজহারনামীয় আসামিদের গ্রেপ্তার করেনি। জুলাই শহীদ সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বাবা মোশাররফ হোসেনের ওপর হামলাকারীরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও তাদের গ্রেপ্তার করে নাই।
এছাড়াও তিনি বিগত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ ফাহাদ, সাইফুল ইসলাম ঝুরন, ফজলুল হক খোকন, রেদোয়ান উল মজিদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশি অভিযান চালিয়ে জামায়াত নেতা কর্মীদের হয়রানি করেন।
ওসি সম্পূর্ণভাবে বিশেষ একটি দলের দ্বারা প্রভাবিত। ওনার দ্বারা একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। এমতাবস্থায়, পটুয়াখালী জেলাধীন বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানকে অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার একান্ত আবশ্যক। অন্যথায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিংবা কারো পক্ষাবলম্বন করে অভিযান চালানো হয়নি। জরুরি নম্বর ৯৯৯ এ একটি কল আসে। কলদাতা তার পরিচয় গোপন করে ফোন করেছিলেন।
তখন বলা হয়েছিল, বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের সামনে একটি বিল্ডিংয়ে কিছু দুষ্কৃতিকারী অবৈধ অস্ত্র জমা করেছে। পরে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।
কিন্তু অভিযোগের বিষয়ে আমরা সেখান কোনো সত্যতা খুঁজে পাইনি। ছাত্রদলের সভাপতি কীভাবে উপস্থিত হয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে পুলিশকে হয়রানি করার কারণে কলদাতার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।
পটুয়াখালীর বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে তল্লাশির কারণে এ অভিযোগ তোলে দলটি।
বিশেষ করে ছাত্রদল নেতার উপস্থিতিতে জামায়াত অফিসে পুলিশি অভিযান চালানোর অভিযোগ তোলেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি বাউফল থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানান। এছাড়াও ঘটনার পরদিন ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, বাউফল থানার ওসি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, তাকে বহাল রেখে নিরপেক্ষ পরিবেশ আশা করা যায় না। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে তাকে নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো উচিত ছিল। কিন্তু তিনি সেটি না করে অন্য আরেকটি দলের প্ররোচনায় আমাদের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, একটা রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালাবে, আর সেখানে ছাত্রদলের আহ্বায়ক তার সহযোগীদের নিয়ে উপস্থিত থাকবেন- এর মানে কী বোঝায়? অভিযানের আগাম খবর তারা জানল কীভাবে? তাছাড়া পুলিশ জামায়াত কার্যালয়ে আসার আগে কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযানের খবর জানলেন কীভাবে?
১১ দলীয় জোটের এ প্রার্থী বলেন, পুলিশ একটি দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিছুই পায়নি। আসলে বাউফল থানার ওসি প্ররোচিত হয়ে কাজটি করেছেন, তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। তাকে এ থানায় রেখে নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা যায় না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত তাকে বাউফল থানা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
এদিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে করা আবেদনে বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান লেখেন, আমি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০২ (বাউফল) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বাউফল থানার ওসি মো. ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, তিনি একজন দলকানা ও সেবাদাস পুলিশ অফিসার।
তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদারের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর থেকে তার আচার-আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্যণীয়। বিএনপির প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীরা বাউফল সংসদীয় এলাকায় জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকি দিলে আমরা থানায় অভিযোগ করলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই।
বিভিন্ন মামলার এজহারনামীয় আসামিদের গ্রেপ্তার করেনি। জুলাই শহীদ সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বাবা মোশাররফ হোসেনের ওপর হামলাকারীরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও তাদের গ্রেপ্তার করে নাই।
এছাড়াও তিনি বিগত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ ফাহাদ, সাইফুল ইসলাম ঝুরন, ফজলুল হক খোকন, রেদোয়ান উল মজিদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশি অভিযান চালিয়ে জামায়াত নেতা কর্মীদের হয়রানি করেন।
ওসি সম্পূর্ণভাবে বিশেষ একটি দলের দ্বারা প্রভাবিত। ওনার দ্বারা একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। এমতাবস্থায়, পটুয়াখালী জেলাধীন বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানকে অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার একান্ত আবশ্যক। অন্যথায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিংবা কারো পক্ষাবলম্বন করে অভিযান চালানো হয়নি। জরুরি নম্বর ৯৯৯ এ একটি কল আসে। কলদাতা তার পরিচয় গোপন করে ফোন করেছিলেন।
তখন বলা হয়েছিল, বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের সামনে একটি বিল্ডিংয়ে কিছু দুষ্কৃতিকারী অবৈধ অস্ত্র জমা করেছে। পরে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।
কিন্তু অভিযোগের বিষয়ে আমরা সেখান কোনো সত্যতা খুঁজে পাইনি। ছাত্রদলের সভাপতি কীভাবে উপস্থিত হয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে পুলিশকে হয়রানি করার কারণে কলদাতার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৭
পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে প্রশাসন। আটককৃতদের মধ্যে কুয়াকাটা পৌর শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি জাকির (৪৪) রয়েছেন, যাকে মাদক বহনের দায়ে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাকিরের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই অভিযানে দুলাল (৪০) নামে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কুয়াকাটাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে প্রশাসন। আটককৃতদের মধ্যে কুয়াকাটা পৌর শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি জাকির (৪৪) রয়েছেন, যাকে মাদক বহনের দায়ে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে জাকিরের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই অভিযানে দুলাল (৪০) নামে আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কুয়াকাটাকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড না থাকায় জ্বালানি তেল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মলিহা খানমকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. রাসেল মুন্সী প্রশিক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং না থাকার সুযোগে ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
মির্জাগঞ্জের পেট্রোল, অকটেন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অধিক মূল্যে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট। এতে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।
প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ রেখে গোপনে প্রতি লিটার পেট্রোল, অকটেন ৪০-৫০ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করছেন। বাজার মনিটরিং না থাকার সুযোগে বাসাবাড়িতে তেল মজুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরবরাহ না থাকার অজুহাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, টানা এক সপ্তাহ ধরে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো পেট্রোল অকটেনের সরবরাহ হচ্ছে না বলে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন।
অপরদিকে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিলে ব্যবসায়ীরা গোপনে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে অনেক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেট্রোল, অকটেনের তীব্র সংকট সৃষ্টি করেছেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলার সুবিদখালী বন্দরের তিনরাস্তার মোড় সংলগ্ন মুন্নি ট্রেডার্স ও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডের খান পোল্ট্রি ফিড ও ফিশ দোকানে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক চালক; ১৩০ টাকা করে প্রতিটি গাড়িতে ২ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে, রাণীপুর ও মহিষকাটা বাজার এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, অধিকাংশ পেট্রোল - অকটেনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
দু - একটি দোকান খোলা থাকলেও তাদের কাছে তেল নাই বলে বিক্রেতারা জানান। তেল নিতে আসা অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোকজন গাড়িতে তেল নেওয়ার পর বাসায় গাড়ি রেখে বোতল নিয়ে পুনরায় তেল নিয়ে মজুত করায় এ উপজেলায় দিন দিন তেলের সংকট বাড়ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক অভিযোগ বলেন, এখানকার কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা দোকান বন্ধ রেখে বাসা - বাড়িতে তেল বোতলজাত করে মজুত করে রেখেছেন। তারা আমাদের নিকট তেল বিক্রি না করে, পার্শ্ববর্তী বেতাগী উপজেলা ও চান্দখালী এলাকা থেকে আসা মোটরসাইকেল ও মাহিন্দ্রা চালকদের নিকট ৪০-৫০ বাড়তি মূল্যে তেল বিক্রি করছেন।
উপজেলা সদর সুবিদখালী বন্দরের বাসিন্দা মো. আজাদ ও মুন্না অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা সদরের তেলের দোকানগুলোতে পেট্রোল, অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
অনেক কষ্টে উপজেলার রোকেয়া খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কবুতর ব্রিজ এলাকায় রাস্তার পাশের একটি দোকান থেকে ১৭০ টাকা লিটার দামে ৩৪০ টাকায় দুই লিটার পেট্রোল ক্রয় করেছি। অকটেন তেল আরো বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. নজরুল ইসলাম, মো. জাকির, বেলাল হোসেন, মো. রাজ্জাক ও সুজন বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ তুলে মোটরসাইকেল কিনে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করে জীবিকা নির্বাহ করি, কিন্তু তেলের সংকটের কারণে আগের মতো চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে আয় কমে গেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এনজিওর ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবো তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। অনেক ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছেন।
সুবিদখালী তিন রাস্তার মোড়ের মুন্নি ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মো. মোকলেছ মুধা বলেন, প্রায় ১ সপ্তাহ পরে বরিশাল ডিপো থেকে আজ (রোববার) দুই হাজার লিটার (১০ ব্যারেল) পেট্রোল পেয়েছি। উপজেলার আটজন ব্যবসায়ী আট ব্যারেল তেল নিয়ে গেছেন। বাকী দুই ব্যারেল তেল ১৩০ টাকা লিটার প্রতি খুচরা বিক্রি করছি। একটি গাড়িতে ২ লিটার করে দেওয়া হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক ২ লিটারের বেশী তেল চেয়ে না পেয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেন।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উপজেলার লাইসেন্সধারী পেট্রোল-অকটেন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হাওলাদার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. ফারুক হাওলাদার জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কম পাচ্ছি। বাড়তি টাকা জমা দিয়েও যেটুকু পেট্রোল, অকটেন পাচ্ছি তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ফলে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার ১ ব্যারেল (২০০ লিটার) পেট্রোল পেয়েছিলাম, ৪০ মিনিটের মধ্যে তেল শেষ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) ডিপোতে টাকা পাঠিয়েছি, আগামী পরশু মঙ্গলবার আবার তেল আসলে বিক্রি করতে পারবো। আমি সরকার নির্ধারিত মূল্যের গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি করছি ।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শনি ও রোববার তাকে পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড না থাকায় জ্বালানি তেল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. মলিহা খানমকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. রাসেল মুন্সী প্রশিক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং না থাকার সুযোগে ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
মির্জাগঞ্জের পেট্রোল, অকটেন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অধিক মূল্যে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট। এতে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।
প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ রেখে গোপনে প্রতি লিটার পেট্রোল, অকটেন ৪০-৫০ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করছেন। বাজার মনিটরিং না থাকার সুযোগে বাসাবাড়িতে তেল মজুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরবরাহ না থাকার অজুহাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, টানা এক সপ্তাহ ধরে মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র পেট্রোল এবং অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো পেট্রোল অকটেনের সরবরাহ হচ্ছে না বলে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন।
অপরদিকে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দিলে ব্যবসায়ীরা গোপনে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে অনেক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেট্রোল, অকটেনের তীব্র সংকট সৃষ্টি করেছেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলার সুবিদখালী বন্দরের তিনরাস্তার মোড় সংলগ্ন মুন্নি ট্রেডার্স ও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডের খান পোল্ট্রি ফিড ও ফিশ দোকানে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, দোকানের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক চালক; ১৩০ টাকা করে প্রতিটি গাড়িতে ২ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডে, রাণীপুর ও মহিষকাটা বাজার এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, অধিকাংশ পেট্রোল - অকটেনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
দু - একটি দোকান খোলা থাকলেও তাদের কাছে তেল নাই বলে বিক্রেতারা জানান। তেল নিতে আসা অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোকজন গাড়িতে তেল নেওয়ার পর বাসায় গাড়ি রেখে বোতল নিয়ে পুনরায় তেল নিয়ে মজুত করায় এ উপজেলায় দিন দিন তেলের সংকট বাড়ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক অভিযোগ বলেন, এখানকার কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা দোকান বন্ধ রেখে বাসা - বাড়িতে তেল বোতলজাত করে মজুত করে রেখেছেন। তারা আমাদের নিকট তেল বিক্রি না করে, পার্শ্ববর্তী বেতাগী উপজেলা ও চান্দখালী এলাকা থেকে আসা মোটরসাইকেল ও মাহিন্দ্রা চালকদের নিকট ৪০-৫০ বাড়তি মূল্যে তেল বিক্রি করছেন।
উপজেলা সদর সুবিদখালী বন্দরের বাসিন্দা মো. আজাদ ও মুন্না অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা সদরের তেলের দোকানগুলোতে পেট্রোল, অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
অনেক কষ্টে উপজেলার রোকেয়া খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কবুতর ব্রিজ এলাকায় রাস্তার পাশের একটি দোকান থেকে ১৭০ টাকা লিটার দামে ৩৪০ টাকায় দুই লিটার পেট্রোল ক্রয় করেছি। অকটেন তেল আরো বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. নজরুল ইসলাম, মো. জাকির, বেলাল হোসেন, মো. রাজ্জাক ও সুজন বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ তুলে মোটরসাইকেল কিনে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করে জীবিকা নির্বাহ করি, কিন্তু তেলের সংকটের কারণে আগের মতো চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এতে আয় কমে গেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। এনজিওর ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবো তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। অনেক ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করছেন।
সুবিদখালী তিন রাস্তার মোড়ের মুন্নি ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মো. মোকলেছ মুধা বলেন, প্রায় ১ সপ্তাহ পরে বরিশাল ডিপো থেকে আজ (রোববার) দুই হাজার লিটার (১০ ব্যারেল) পেট্রোল পেয়েছি। উপজেলার আটজন ব্যবসায়ী আট ব্যারেল তেল নিয়ে গেছেন। বাকী দুই ব্যারেল তেল ১৩০ টাকা লিটার প্রতি খুচরা বিক্রি করছি। একটি গাড়িতে ২ লিটার করে দেওয়া হয়েছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক ২ লিটারের বেশী তেল চেয়ে না পেয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করেন।
মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উপজেলার লাইসেন্সধারী পেট্রোল-অকটেন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হাওলাদার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. ফারুক হাওলাদার জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কম পাচ্ছি। বাড়তি টাকা জমা দিয়েও যেটুকু পেট্রোল, অকটেন পাচ্ছি তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ফলে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার ১ ব্যারেল (২০০ লিটার) পেট্রোল পেয়েছিলাম, ৪০ মিনিটের মধ্যে তেল শেষ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) ডিপোতে টাকা পাঠিয়েছি, আগামী পরশু মঙ্গলবার আবার তেল আসলে বিক্রি করতে পারবো। আমি সরকার নির্ধারিত মূল্যের গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি করছি ।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শনি ও রোববার তাকে পাওয়া যায়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.