
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১২
পটুয়াখালীর বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে তল্লাশির কারণে এ অভিযোগ তোলে দলটি।
বিশেষ করে ছাত্রদল নেতার উপস্থিতিতে জামায়াত অফিসে পুলিশি অভিযান চালানোর অভিযোগ তোলেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি বাউফল থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানান। এছাড়াও ঘটনার পরদিন ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, বাউফল থানার ওসি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, তাকে বহাল রেখে নিরপেক্ষ পরিবেশ আশা করা যায় না। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে তাকে নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো উচিত ছিল। কিন্তু তিনি সেটি না করে অন্য আরেকটি দলের প্ররোচনায় আমাদের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, একটা রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালাবে, আর সেখানে ছাত্রদলের আহ্বায়ক তার সহযোগীদের নিয়ে উপস্থিত থাকবেন- এর মানে কী বোঝায়? অভিযানের আগাম খবর তারা জানল কীভাবে? তাছাড়া পুলিশ জামায়াত কার্যালয়ে আসার আগে কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযানের খবর জানলেন কীভাবে?
১১ দলীয় জোটের এ প্রার্থী বলেন, পুলিশ একটি দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিছুই পায়নি। আসলে বাউফল থানার ওসি প্ররোচিত হয়ে কাজটি করেছেন, তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। তাকে এ থানায় রেখে নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা যায় না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত তাকে বাউফল থানা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
এদিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে করা আবেদনে বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান লেখেন, আমি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০২ (বাউফল) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বাউফল থানার ওসি মো. ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, তিনি একজন দলকানা ও সেবাদাস পুলিশ অফিসার।
তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদারের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর থেকে তার আচার-আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্যণীয়। বিএনপির প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীরা বাউফল সংসদীয় এলাকায় জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকি দিলে আমরা থানায় অভিযোগ করলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই।
বিভিন্ন মামলার এজহারনামীয় আসামিদের গ্রেপ্তার করেনি। জুলাই শহীদ সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বাবা মোশাররফ হোসেনের ওপর হামলাকারীরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও তাদের গ্রেপ্তার করে নাই।
এছাড়াও তিনি বিগত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ ফাহাদ, সাইফুল ইসলাম ঝুরন, ফজলুল হক খোকন, রেদোয়ান উল মজিদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশি অভিযান চালিয়ে জামায়াত নেতা কর্মীদের হয়রানি করেন।
ওসি সম্পূর্ণভাবে বিশেষ একটি দলের দ্বারা প্রভাবিত। ওনার দ্বারা একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। এমতাবস্থায়, পটুয়াখালী জেলাধীন বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানকে অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার একান্ত আবশ্যক। অন্যথায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিংবা কারো পক্ষাবলম্বন করে অভিযান চালানো হয়নি। জরুরি নম্বর ৯৯৯ এ একটি কল আসে। কলদাতা তার পরিচয় গোপন করে ফোন করেছিলেন।
তখন বলা হয়েছিল, বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের সামনে একটি বিল্ডিংয়ে কিছু দুষ্কৃতিকারী অবৈধ অস্ত্র জমা করেছে। পরে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।
কিন্তু অভিযোগের বিষয়ে আমরা সেখান কোনো সত্যতা খুঁজে পাইনি। ছাত্রদলের সভাপতি কীভাবে উপস্থিত হয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে পুলিশকে হয়রানি করার কারণে কলদাতার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।
পটুয়াখালীর বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে তল্লাশির কারণে এ অভিযোগ তোলে দলটি।
বিশেষ করে ছাত্রদল নেতার উপস্থিতিতে জামায়াত অফিসে পুলিশি অভিযান চালানোর অভিযোগ তোলেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি বাউফল থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানান। এছাড়াও ঘটনার পরদিন ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, বাউফল থানার ওসি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, তাকে বহাল রেখে নিরপেক্ষ পরিবেশ আশা করা যায় না। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে তাকে নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো উচিত ছিল। কিন্তু তিনি সেটি না করে অন্য আরেকটি দলের প্ররোচনায় আমাদের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, একটা রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালাবে, আর সেখানে ছাত্রদলের আহ্বায়ক তার সহযোগীদের নিয়ে উপস্থিত থাকবেন- এর মানে কী বোঝায়? অভিযানের আগাম খবর তারা জানল কীভাবে? তাছাড়া পুলিশ জামায়াত কার্যালয়ে আসার আগে কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযানের খবর জানলেন কীভাবে?
১১ দলীয় জোটের এ প্রার্থী বলেন, পুলিশ একটি দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিছুই পায়নি। আসলে বাউফল থানার ওসি প্ররোচিত হয়ে কাজটি করেছেন, তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। তাকে এ থানায় রেখে নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা যায় না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত তাকে বাউফল থানা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
এদিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে করা আবেদনে বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান লেখেন, আমি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০২ (বাউফল) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বাউফল থানার ওসি মো. ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, তিনি একজন দলকানা ও সেবাদাস পুলিশ অফিসার।
তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদারের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর থেকে তার আচার-আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্যণীয়। বিএনপির প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীরা বাউফল সংসদীয় এলাকায় জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকি দিলে আমরা থানায় অভিযোগ করলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই।
বিভিন্ন মামলার এজহারনামীয় আসামিদের গ্রেপ্তার করেনি। জুলাই শহীদ সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বাবা মোশাররফ হোসেনের ওপর হামলাকারীরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও তাদের গ্রেপ্তার করে নাই।
এছাড়াও তিনি বিগত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ ফাহাদ, সাইফুল ইসলাম ঝুরন, ফজলুল হক খোকন, রেদোয়ান উল মজিদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশি অভিযান চালিয়ে জামায়াত নেতা কর্মীদের হয়রানি করেন।
ওসি সম্পূর্ণভাবে বিশেষ একটি দলের দ্বারা প্রভাবিত। ওনার দ্বারা একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। এমতাবস্থায়, পটুয়াখালী জেলাধীন বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানকে অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার একান্ত আবশ্যক। অন্যথায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিংবা কারো পক্ষাবলম্বন করে অভিযান চালানো হয়নি। জরুরি নম্বর ৯৯৯ এ একটি কল আসে। কলদাতা তার পরিচয় গোপন করে ফোন করেছিলেন।
তখন বলা হয়েছিল, বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের সামনে একটি বিল্ডিংয়ে কিছু দুষ্কৃতিকারী অবৈধ অস্ত্র জমা করেছে। পরে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।
কিন্তু অভিযোগের বিষয়ে আমরা সেখান কোনো সত্যতা খুঁজে পাইনি। ছাত্রদলের সভাপতি কীভাবে উপস্থিত হয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে পুলিশকে হয়রানি করার কারণে কলদাতার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৩
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৩

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০১
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ মো. জাকির ফরাজী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ৩টা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ উত্তর সুবিদখালী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মৃত মোতালেব ফরাজীর ছেলে মো. জাকির ফরাজীকে তাঁর বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীর ছোট ভাই। এর আগে, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীকেও একটি অত্যাধুনিক বিদেশি পিস্তলসহ তাঁর বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছিল যৌথবাহিনী।
পুলিশ জানায়,তল্লাশিকালে গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজীর লুঙ্গির কোচর হতে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার শয়নকক্ষের বিছানার তোশকের নিচ থেকে ইয়াবা সেবনের পাইপ এবং কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে যৌথবাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ মো. জাকির ফরাজী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ৩টা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ উত্তর সুবিদখালী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মৃত মোতালেব ফরাজীর ছেলে মো. জাকির ফরাজীকে তাঁর বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীর ছোট ভাই। এর আগে, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীকেও একটি অত্যাধুনিক বিদেশি পিস্তলসহ তাঁর বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছিল যৌথবাহিনী।
পুলিশ জানায়,তল্লাশিকালে গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজীর লুঙ্গির কোচর হতে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার শয়নকক্ষের বিছানার তোশকের নিচ থেকে ইয়াবা সেবনের পাইপ এবং কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে যৌথবাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেল কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ এনে নিজ ভাগিনা কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুলমাল সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হোটেল মালিক ও কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ।
এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আইনি সহায়তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ভাগিনার নেতৃত্বে বেশকিছু লোকদেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেল সংলগ্ন জমির পেছনের দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ বিষয় ভুক্তভোগী হোটেল মালিক এমএ মোতালেব শরীফ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, কুয়াকাটা গেস্ট হাউস সংলগ্ন ১২৬৪/১২৬২ ডি নং খতিয়ানে আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে ৫৬/১৪ বণ্টন মোকদ্দমার মাধ্যমে বোনদের জমি দুই খতিয়ানের দক্ষিণ ভাগে ১২৬৪ খতিয়ানের মাধ্যমে ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়ে আদালত ভাই বোনদের জমি বুঝিয়ে দেয় ২০১৮ সালে। পরবর্তীতে আত্মীয় ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সাহেদা, জাহানারা, শাহীনুর ৩৮৫/২৩ নং ডিক্রি রদের মোকাদ্দমার মাধ্যমে জমির ওপর ২০২৪ সালে আদেশ হয়।
তা সত্ত্বেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে জাহানারা, শাহীনুর, সাহেদা আমার কাছে এসে আমার আবাসিক হোটেল গেস্ট হাউজের পেছনে ঢুকে ঘর তৈরি করবে বলে হুমকি দেয়।
তারই প্রেক্ষিতে আমি মহিপুর থানায় এক অভিযোগ দায়ের করি। পরে ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখ মধ্যে রাত ৩টার দিকে আমার কুয়াকাটা গেস্ট হাউজের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে অভিযুক্ত জাহানারা, শাহিনুর, শাহেদার সাথে জামায়াতে ইসলামী নেতা শাহাবুদ্দিন, শামিম ও অন্যান্য ১৫/২০ জন মিলে একটি টিনের বেড়ার মাধ্যমে জমি দখলের উদ্দেশ্যে ঘর তৈরির ব্যবস্থা করে।
গভীর রাতে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে বেআইনিভাবে হোটেল ও বাড়ি দখলের চেষ্টা করে। ওই রাতে আমি ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম আসে এবং আমি সাংবাদিকদেরও ঘটনাটি অবহিত করি।
তিনি আরও বলেন, আমার বাবার মৃত্যুতে বোনদের জমিবাবদ সাহেদা বেগমের সাড়ে ৩৪ শতাংশের ভেতর ২২ শতাংশ জমি খান প্যালেসের রহিম খানের কাছে বিক্রি করেন।
বাকি সাড়ে ১২ শতাংশ বাবদ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ২০০২ সালে নিয়ে যায়। অন্যান্য বোনদের জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু জমির দলিল আজ-কাল করে এখন পর্যন্ত দেয়নি। বর্তমানে দলিল না দিয়ে জোড়পূর্বক আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো জমি দখল করতে যাইনি। এখানে আমার মা ও খালারা তাদের ন্যায্য অংশ পাবে।
দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু মামা আমাদের বুঝিয়ে দেননি। তাই নিজেদের জায়গা বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা সেখানে গিয়েছি। এখানে আমি বা আমার মা-খালারা কোনো অন্যায় করেনি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই।
বিষয়টি জমি সংক্রান্ত বিরোধ। এটি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। তারপরও সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেল কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ এনে নিজ ভাগিনা কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুলমাল সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হোটেল মালিক ও কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ।
এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আইনি সহায়তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ভাগিনার নেতৃত্বে বেশকিছু লোকদেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেল সংলগ্ন জমির পেছনের দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ বিষয় ভুক্তভোগী হোটেল মালিক এমএ মোতালেব শরীফ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, কুয়াকাটা গেস্ট হাউস সংলগ্ন ১২৬৪/১২৬২ ডি নং খতিয়ানে আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে ৫৬/১৪ বণ্টন মোকদ্দমার মাধ্যমে বোনদের জমি দুই খতিয়ানের দক্ষিণ ভাগে ১২৬৪ খতিয়ানের মাধ্যমে ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়ে আদালত ভাই বোনদের জমি বুঝিয়ে দেয় ২০১৮ সালে। পরবর্তীতে আত্মীয় ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সাহেদা, জাহানারা, শাহীনুর ৩৮৫/২৩ নং ডিক্রি রদের মোকাদ্দমার মাধ্যমে জমির ওপর ২০২৪ সালে আদেশ হয়।
তা সত্ত্বেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে জাহানারা, শাহীনুর, সাহেদা আমার কাছে এসে আমার আবাসিক হোটেল গেস্ট হাউজের পেছনে ঢুকে ঘর তৈরি করবে বলে হুমকি দেয়।
তারই প্রেক্ষিতে আমি মহিপুর থানায় এক অভিযোগ দায়ের করি। পরে ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখ মধ্যে রাত ৩টার দিকে আমার কুয়াকাটা গেস্ট হাউজের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে অভিযুক্ত জাহানারা, শাহিনুর, শাহেদার সাথে জামায়াতে ইসলামী নেতা শাহাবুদ্দিন, শামিম ও অন্যান্য ১৫/২০ জন মিলে একটি টিনের বেড়ার মাধ্যমে জমি দখলের উদ্দেশ্যে ঘর তৈরির ব্যবস্থা করে।
গভীর রাতে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে বেআইনিভাবে হোটেল ও বাড়ি দখলের চেষ্টা করে। ওই রাতে আমি ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম আসে এবং আমি সাংবাদিকদেরও ঘটনাটি অবহিত করি।
তিনি আরও বলেন, আমার বাবার মৃত্যুতে বোনদের জমিবাবদ সাহেদা বেগমের সাড়ে ৩৪ শতাংশের ভেতর ২২ শতাংশ জমি খান প্যালেসের রহিম খানের কাছে বিক্রি করেন।
বাকি সাড়ে ১২ শতাংশ বাবদ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ২০০২ সালে নিয়ে যায়। অন্যান্য বোনদের জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু জমির দলিল আজ-কাল করে এখন পর্যন্ত দেয়নি। বর্তমানে দলিল না দিয়ে জোড়পূর্বক আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো জমি দখল করতে যাইনি। এখানে আমার মা ও খালারা তাদের ন্যায্য অংশ পাবে।
দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু মামা আমাদের বুঝিয়ে দেননি। তাই নিজেদের জায়গা বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা সেখানে গিয়েছি। এখানে আমি বা আমার মা-খালারা কোনো অন্যায় করেনি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই।
বিষয়টি জমি সংক্রান্ত বিরোধ। এটি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। তারপরও সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৭
পটুয়াখালী -২ (বাউফল) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের এক কর্মীকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে কালাইয়া বন্দর এলাকায় যৌথবাহিনীর চেকপোস্টে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দণ্ড প্রদান করেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি মাইক্রোগাড়িতে দাঁড়িপাল্লার পোস্টার সাঁটিয়ে চলাচল করার সময় কালাইয়া এলাকায় যৌথবাহিনীর চেকপোস্টে সম্প্রতি বিএনপি থেকে যোগদান করা হেলাল মুন্সী নামের এক জামায়াত কর্মীকে আটক করা হয়।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত আচরণবিধি লঙ্ঘনের অপরাধে তাকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ মিলু বলেন, “একটি মাইক্রোগাড়িতে দাঁড়িপাল্লা মার্কার ব্যানার সাঁটিয়ে চলাচল করার অপরাধে ২৭(ক) ধারা মোতাবেক হেলাল মুন্সী নামের এক ব্যক্তিকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন।”
পটুয়াখালী -২ (বাউফল) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের এক কর্মীকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে কালাইয়া বন্দর এলাকায় যৌথবাহিনীর চেকপোস্টে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দণ্ড প্রদান করেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি মাইক্রোগাড়িতে দাঁড়িপাল্লার পোস্টার সাঁটিয়ে চলাচল করার সময় কালাইয়া এলাকায় যৌথবাহিনীর চেকপোস্টে সম্প্রতি বিএনপি থেকে যোগদান করা হেলাল মুন্সী নামের এক জামায়াত কর্মীকে আটক করা হয়।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত আচরণবিধি লঙ্ঘনের অপরাধে তাকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ মিলু বলেন, “একটি মাইক্রোগাড়িতে দাঁড়িপাল্লা মার্কার ব্যানার সাঁটিয়ে চলাচল করার অপরাধে ২৭(ক) ধারা মোতাবেক হেলাল মুন্সী নামের এক ব্যক্তিকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন।”

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.