
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৮
আসন্ন নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি। তাই ভোটের দিন তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে সবাইকে একসঙ্গে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ব্যালট বক্স পাহারা দিতে হবে এবং যে কোনো ধরনের কারচুপির বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নওগাঁর এটিম মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।তারেক রহমান বলেন, ১২ তারিখে যে ভোট দিতে যাচ্ছেন, সেই ভোটের অধিকার এক সময় বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই অধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অনেক মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছে, অনেক পরিবার আপনজন হারিয়েছে।
তিনি বলেন, ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র এখনও সক্রিয় রয়েছে। একটি পক্ষ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। কিন্তু আরেকটি গোষ্ঠী আছে, যারা আগে ও এখন- সব সময়ই ক্ষমতার সঙ্গে ছিল।
গত ১৬ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের কোথাও দেখা যায়নি। তারা মাঠে ছিল না, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গেই ছিল।
ভোটের দিন করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ভোটের দিন সবাই তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে নিজ নিজ এলাকায় একসঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। মুসলমানরা সেখানে জামাতে নামাজ আদায় করবেন এবং অন্য ধর্মাবলম্বীদেরও সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে যাবেন।
তিনি আরও বলেন, সকাল সাতটায় ভোটকেন্দ্র খুলবে। ঠিক সেই সময়েই ভোট দেওয়া শুরু করতে হবে। কোনো দেরি করা যাবে না।
২০০৮ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সে সময় খালি ব্যালট বক্স দেখিয়ে পরে ভরা ব্যালট বক্স দেখানো হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না।
ভোট কারচুপির বিষয়ে সতর্ক করে বিএনপি চেয়ারম্যান, অনেক সময় দেখা যায় ভোটকেন্দ্রের সামনে লাইন আছে, কিন্তু লাইন নড়ে না। বুঝতে হবে ভেতরে সিল মারা শুরু হয়েছে। এসব বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু একটি নির্বাচন নয়। এটি বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
জনসভা শেষে নওগাঁ ও জয়পুরহাটের ধানের শীষ প্রতীকের আটজন প্রার্থীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। পরে তিনি বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। রাতে বগুড়ার আলতাফুন্নেসা মাঠে আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। ওই জনসভায় রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৩টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি। তাই ভোটের দিন তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে সবাইকে একসঙ্গে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ব্যালট বক্স পাহারা দিতে হবে এবং যে কোনো ধরনের কারচুপির বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নওগাঁর এটিম মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।তারেক রহমান বলেন, ১২ তারিখে যে ভোট দিতে যাচ্ছেন, সেই ভোটের অধিকার এক সময় বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই অধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অনেক মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছে, অনেক পরিবার আপনজন হারিয়েছে।
তিনি বলেন, ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র এখনও সক্রিয় রয়েছে। একটি পক্ষ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। কিন্তু আরেকটি গোষ্ঠী আছে, যারা আগে ও এখন- সব সময়ই ক্ষমতার সঙ্গে ছিল।
গত ১৬ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের কোথাও দেখা যায়নি। তারা মাঠে ছিল না, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গেই ছিল।
ভোটের দিন করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ভোটের দিন সবাই তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে নিজ নিজ এলাকায় একসঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। মুসলমানরা সেখানে জামাতে নামাজ আদায় করবেন এবং অন্য ধর্মাবলম্বীদেরও সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে যাবেন।
তিনি আরও বলেন, সকাল সাতটায় ভোটকেন্দ্র খুলবে। ঠিক সেই সময়েই ভোট দেওয়া শুরু করতে হবে। কোনো দেরি করা যাবে না।
২০০৮ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সে সময় খালি ব্যালট বক্স দেখিয়ে পরে ভরা ব্যালট বক্স দেখানো হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না।
ভোট কারচুপির বিষয়ে সতর্ক করে বিএনপি চেয়ারম্যান, অনেক সময় দেখা যায় ভোটকেন্দ্রের সামনে লাইন আছে, কিন্তু লাইন নড়ে না। বুঝতে হবে ভেতরে সিল মারা শুরু হয়েছে। এসব বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু একটি নির্বাচন নয়। এটি বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
জনসভা শেষে নওগাঁ ও জয়পুরহাটের ধানের শীষ প্রতীকের আটজন প্রার্থীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। পরে তিনি বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। রাতে বগুড়ার আলতাফুন্নেসা মাঠে আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। ওই জনসভায় রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৩টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৪
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, অনলাইনে সাংবাদিক কার্ডের প্রক্রিয়াটা ইউজার ফ্রেন্ডলি না। এটা সমাধান করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, অনলাইনে সাংবাদিক কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ইউজার ফ্রেন্ডলি না। এটা আমার নতুন যাত্রা তো, এটা একটা সমস্যা হয়েছে। আপনারা ডিজিটালাইজেশনের বিপক্ষে না, এটা আমরা বুঝি। কিন্তু ইট শুড বি ইউজার ফেন্ডলি। ফার্স্ট টাইম যেহেতু বলছি নিশ্চয় এটা প্রবলেম হচ্ছে। ইনশাল্লাহ এটা সমাধান করা হবে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ নিয়ে তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে এটা জাস্ট অবহিত করা, পারমিশন নিয়ে ঢোকার দরকার নাই।
সিইসি আরও বলেন, আপনাদের নিরাপত্তার বিষয়টা আমরা সার্কুলার করে নিয়েছি। আমরা ক্লিয়ার দিয়ে দিছি অলরেডি। আমরা আপনাদের কাজটা সহজ করতে চাই। আপনারা থাকলে, আপনাদের চোখ থাকলে, আমার জিনিসটার ট্রান্সপারেন্সি বাড়বে। আমরা চাই যে আপনারা দেখুন, পর্যবেক্ষণ করুন।
তিনি বলেন, আমরা প্রবলেমটা আইডেন্টিফাই করেছি। আমি তো সিদ্ধান্ত দিতে পারবো না। কমিশন বৈঠকের পর আপনারা দ্রুত সময় সময়ের মধ্যে ইনশাল্লাহ সিদ্ধান্ত পেয়ে যাবেন।
সভায় রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির সভাপতি কাজী এমাদউদ্দীন (জেবেল), সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ডিইউজে সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সাংবাদিকরা রোববারের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আলটিমেটাম দেন।
নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সভাপতি কাজী জেবেল বলেন, সাংবাদিক নীতিমালা সংশোধনের দাবি দীর্ঘদিনের। এ বিষয়ে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা হলেও এখন পর্যন্ত নীতিমালার সংশোধন হয়নি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত আলোচনা ছাড়াই নির্বাচন কমিশন অনলাইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জন্য কার্ড ও স্টিকার আবেদনের নতুন একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ইউজার ফ্রেন্ডলি নয়। এতে বর্তমানে যেমন সমস্যা হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও জটিলতা তৈরি হবে।
কাজী জেবেল আরও বলেন, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী রোববারের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহ, কাভারেজ ও সম্প্রচার বিষয়ে সাংবাদিক নেতারা বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২১
জুলাই আন্দোলন দমনে অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত রিফাত নিলয় জোয়ার্দারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মো. শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রিফাত নিলয়ের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
ডিবি সূত্র জানায়, জুলাই আন্দোলন দমাতে অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিফাত নিলয় জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে। আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ ও তা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজে তিনি জড়িত ছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছিলেন।
এদিকে সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দখলে থাকা ঢাকা শহরের একাধিক ফ্ল্যাট রিফাত নিলয়ের তত্ত্বাবধানে ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এসব ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে ভাড়ার টাকা সংগ্রহ করতেন রিফাত। পরে সেই অর্থ বেনজীর আহমেদ ও মনিরুল ইসলামের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রেপ্তারের পর রিফাত নিলয়ের আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আন্দোলন দমনে অর্থায়নের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কি না, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিবি।
ডিবি সূত্র আরো জানায়, এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সাবেক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ ব্যবস্থাপনার একটি বড় চিত্র সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে তদন্ত সংস্থা।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, অনলাইনে সাংবাদিক কার্ডের প্রক্রিয়াটা ইউজার ফ্রেন্ডলি না। এটা সমাধান করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, অনলাইনে সাংবাদিক কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ইউজার ফ্রেন্ডলি না। এটা আমার নতুন যাত্রা তো, এটা একটা সমস্যা হয়েছে। আপনারা ডিজিটালাইজেশনের বিপক্ষে না, এটা আমরা বুঝি। কিন্তু ইট শুড বি ইউজার ফেন্ডলি। ফার্স্ট টাইম যেহেতু বলছি নিশ্চয় এটা প্রবলেম হচ্ছে। ইনশাল্লাহ এটা সমাধান করা হবে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ নিয়ে তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে এটা জাস্ট অবহিত করা, পারমিশন নিয়ে ঢোকার দরকার নাই।
সিইসি আরও বলেন, আপনাদের নিরাপত্তার বিষয়টা আমরা সার্কুলার করে নিয়েছি। আমরা ক্লিয়ার দিয়ে দিছি অলরেডি। আমরা আপনাদের কাজটা সহজ করতে চাই। আপনারা থাকলে, আপনাদের চোখ থাকলে, আমার জিনিসটার ট্রান্সপারেন্সি বাড়বে। আমরা চাই যে আপনারা দেখুন, পর্যবেক্ষণ করুন।
তিনি বলেন, আমরা প্রবলেমটা আইডেন্টিফাই করেছি। আমি তো সিদ্ধান্ত দিতে পারবো না। কমিশন বৈঠকের পর আপনারা দ্রুত সময় সময়ের মধ্যে ইনশাল্লাহ সিদ্ধান্ত পেয়ে যাবেন।
সভায় রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির সভাপতি কাজী এমাদউদ্দীন (জেবেল), সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ডিইউজে সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সাংবাদিকরা রোববারের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আলটিমেটাম দেন।
নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সভাপতি কাজী জেবেল বলেন, সাংবাদিক নীতিমালা সংশোধনের দাবি দীর্ঘদিনের। এ বিষয়ে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা হলেও এখন পর্যন্ত নীতিমালার সংশোধন হয়নি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত আলোচনা ছাড়াই নির্বাচন কমিশন অনলাইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জন্য কার্ড ও স্টিকার আবেদনের নতুন একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ইউজার ফ্রেন্ডলি নয়। এতে বর্তমানে যেমন সমস্যা হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও জটিলতা তৈরি হবে।
কাজী জেবেল আরও বলেন, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী রোববারের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহ, কাভারেজ ও সম্প্রচার বিষয়ে সাংবাদিক নেতারা বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।
জুলাই আন্দোলন দমনে অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত রিফাত নিলয় জোয়ার্দারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মো. শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রিফাত নিলয়ের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
ডিবি সূত্র জানায়, জুলাই আন্দোলন দমাতে অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিফাত নিলয় জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে। আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ ও তা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজে তিনি জড়িত ছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছিলেন।
এদিকে সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দখলে থাকা ঢাকা শহরের একাধিক ফ্ল্যাট রিফাত নিলয়ের তত্ত্বাবধানে ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এসব ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে ভাড়ার টাকা সংগ্রহ করতেন রিফাত। পরে সেই অর্থ বেনজীর আহমেদ ও মনিরুল ইসলামের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রেপ্তারের পর রিফাত নিলয়ের আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আন্দোলন দমনে অর্থায়নের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কি না, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিবি।
ডিবি সূত্র আরো জানায়, এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সাবেক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ ব্যবস্থাপনার একটি বড় চিত্র সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে তদন্ত সংস্থা।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬