
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৮
খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ হড্ডা পল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পাঠদান করাচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা। ফলে ইসলাম ধর্মের অনুসারী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে। স্কুলটিতে একটি মুসলমান শিক্ষকের খুবই প্রয়োজন। স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় অভিভাবক ও গ্রামবাসীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রত স্কুলে একজন মুসলমান শিক্ষকের দাবি সুধী সমাজের।
স্কুল সূএে জানা গেছে, দক্ষিণ হড্ডা পল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত। স্কুলটিতে বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। এর মধ্যে একজন শিক্ষক ডেপুটিশনে অন্য স্কুলে দায়িত্ব পালন করছেন। স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে অদ্যবধি কোনো মুসলমান শিক্ষক নেই। স্কুলে ২০২৬ সালে মোট ৩৯ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে। স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় বাধ্য হয়ে হিন্দু শিক্ষকরা কোমলমতি মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পড়াচ্ছেন।
অভিভাবক ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে কোনো মুসলমান শিক্ষক নেই। কোমলমতি মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পড়ানোর জন্য একজন মুসলমান শিক্ষক খুবই প্রয়োজন। মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম ধর্মের অনেক আরবি ও সুরার আয়াতের ব্যাখ্যা হিন্দু শিক্ষকদের পক্ষে পড়ানো সম্ভব না। ফলে ইসলাম ধর্মের অনুসারী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই বিঘ্ন ঘটছে।
দক্ষিণ হড্ডা পল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার রায় বলেন, স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় মুসলমান শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে হিন্দু শিক্ষকরা পাঠদান করাচ্ছেন। ফলে তাদের লেখাপড়ায় একটু ঘাটতি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মুসলমান শিক্ষকরা ইসলাম শিক্ষা পড়ালে শিক্ষাটা ভালো হতো।
এ বিষয়ে কথা বলতে কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকারকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।
খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ হড্ডা পল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পাঠদান করাচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা। ফলে ইসলাম ধর্মের অনুসারী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে। স্কুলটিতে একটি মুসলমান শিক্ষকের খুবই প্রয়োজন। স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় অভিভাবক ও গ্রামবাসীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রত স্কুলে একজন মুসলমান শিক্ষকের দাবি সুধী সমাজের।
স্কুল সূএে জানা গেছে, দক্ষিণ হড্ডা পল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত। স্কুলটিতে বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। এর মধ্যে একজন শিক্ষক ডেপুটিশনে অন্য স্কুলে দায়িত্ব পালন করছেন। স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে অদ্যবধি কোনো মুসলমান শিক্ষক নেই। স্কুলে ২০২৬ সালে মোট ৩৯ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে। স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় বাধ্য হয়ে হিন্দু শিক্ষকরা কোমলমতি মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পড়াচ্ছেন।
অভিভাবক ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে কোনো মুসলমান শিক্ষক নেই। কোমলমতি মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পড়ানোর জন্য একজন মুসলমান শিক্ষক খুবই প্রয়োজন। মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম ধর্মের অনেক আরবি ও সুরার আয়াতের ব্যাখ্যা হিন্দু শিক্ষকদের পক্ষে পড়ানো সম্ভব না। ফলে ইসলাম ধর্মের অনুসারী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই বিঘ্ন ঘটছে।
দক্ষিণ হড্ডা পল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার রায় বলেন, স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় মুসলমান শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে হিন্দু শিক্ষকরা পাঠদান করাচ্ছেন। ফলে তাদের লেখাপড়ায় একটু ঘাটতি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মুসলমান শিক্ষকরা ইসলাম শিক্ষা পড়ালে শিক্ষাটা ভালো হতো।
এ বিষয়ে কথা বলতে কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকারকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৬
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৫
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫১
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.