Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৭
বরিশাল নগর ও আশপাশের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ (সদর) আসন। শহর ও গ্রামীণ জনপদের সমন্বয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হওয়ায় প্রতিটি নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে সবচেয়ে বেশি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে ইসলামী সমমনা ১১ দলের জোটের প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। আসন ভাগাভাগিতে দুই দলই বরিশাল-৫ আসন ছাড়তে নারাজ। তাই উভয়পক্ষের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে সক্রিয় আছেন।
এরই মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল এবং ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। শেষ পর্যন্ত কে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেলাল মাঠে কিছুটা নীরব রয়েছেন। তবে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির ফয়জুল করীম তার অবস্থানে অনড়। তিনি বরিশাল সদর আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন না পেলে ইসলামী দলগুলোর বলয় থেকে বের হয়ে আসার কথা জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার ২১টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৫ সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আসন। একে স্থানীয় রাজনৈতিক ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবেও ধরা হয়। এই আসনের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।
এদিকে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের বিপরীতে ১১-দলীয় জোটের যিনি চূড়ান্ত হবেন, তাকেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তার সুফল বিএনপির ঘরে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত সপ্তাহে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘বরিশাল-৫ আসনটি আমাদের দলের আমির ও বড় ভাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের রাজনৈতিক ঘাঁটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই দুই আসনে আমরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ বলেন, ‘ফয়জুল করিম এর আগে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছিলেন।’
অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, ওই নির্বাচন একতরফা হওয়ায় ভোটের বাস্তব চিত্র ভিন্ন ছিল। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণও ভিন্ন হবে।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, ‘গত ১৬ বছরে মহানগর ও সদর উপজেলায় জামায়াতের রুকন ও কর্মী সংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ এবং সহযোগী সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।’ এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’
বরিশাল নগর ও আশপাশের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ (সদর) আসন। শহর ও গ্রামীণ জনপদের সমন্বয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হওয়ায় প্রতিটি নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে সবচেয়ে বেশি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে ইসলামী সমমনা ১১ দলের জোটের প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। আসন ভাগাভাগিতে দুই দলই বরিশাল-৫ আসন ছাড়তে নারাজ। তাই উভয়পক্ষের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে সক্রিয় আছেন।
এরই মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল এবং ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। শেষ পর্যন্ত কে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেলাল মাঠে কিছুটা নীরব রয়েছেন। তবে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির ফয়জুল করীম তার অবস্থানে অনড়। তিনি বরিশাল সদর আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন না পেলে ইসলামী দলগুলোর বলয় থেকে বের হয়ে আসার কথা জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার ২১টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৫ সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আসন। একে স্থানীয় রাজনৈতিক ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবেও ধরা হয়। এই আসনের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।
এদিকে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের বিপরীতে ১১-দলীয় জোটের যিনি চূড়ান্ত হবেন, তাকেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তার সুফল বিএনপির ঘরে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত সপ্তাহে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘বরিশাল-৫ আসনটি আমাদের দলের আমির ও বড় ভাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের রাজনৈতিক ঘাঁটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই দুই আসনে আমরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ বলেন, ‘ফয়জুল করিম এর আগে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছিলেন।’
অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, ওই নির্বাচন একতরফা হওয়ায় ভোটের বাস্তব চিত্র ভিন্ন ছিল। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণও ভিন্ন হবে।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, ‘গত ১৬ বছরে মহানগর ও সদর উপজেলায় জামায়াতের রুকন ও কর্মী সংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ এবং সহযোগী সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।’ এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’

২০ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৪
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২২:৩৬
ইসলাম ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী শনিবার (২১ মার্চ)। ঈদের দিন বরিশালসহ দেশের আট বিভাগেই কোনো না কোনো অঞ্চলে বৃষ্টি এবং সঙ্গে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২ ধরে সারাদেশে কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে কালবৈশাখি ঝড়। এ ধারা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২/১ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়ে সাবাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
অন্যদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়েও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির প্রবণতা বেশি ছিল ঢাকা বিভাগে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে আরিচায়, ৫৮ মিলিমিটার। ঢাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাঙ্গামাটিতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’

১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারে মতো এবারে এখানে মেয়েদের নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এজন্য কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন প্রধান ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে কাজের অগ্রগতি দেখে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এ সময় সিটি প্রশাসক বলেন, বরিশালের সব থেকে বড় ঈদের জামায়াত হেমায়েতউদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ৫-৭ হাজার লোকের সমাগম হবে। সরকারি কর্মকর্তাসহ সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নগরীর প্রধান ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। সুষ্ঠুভাবে নামাজ অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে খাবার পানি, টয়লেট ও মেডিক্যাল টিমের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
এ ছাড়া জেলায় হাজারের বেশি মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফ ও উজিরপুরের গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে হবে সকাল আটটায়।
নগরীর কেন্দ্রীয় জামে কসাই মসজিদে প্রথম জামাত সকাল আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ১০টায়, জামে এবায়েদুল্লাহ মসজিদে প্রথম জামাত সকাল সাড়ে আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত ১০টায়, বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রথম সকাল সাড়ে ৮টায় ও দ্বিতীয় জামাত সাড়ে ৯টায়। মডেল মসজিদে সকাল আটটায়।
পোর্ট রোডের কেরামতিয়া জামে মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়, পুলিশ রাইন্স জামে মসজিদে প্রথম জামাত সাড়ে ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে আটটায়, নুরিয়া স্কুল ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জামাত ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় এবং আঞ্জুমানে হেমায়েত ইসলাম (গোরস্থান) ঈদগা ময়দানে সকাল সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’
ইসলাম ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী শনিবার (২১ মার্চ)। ঈদের দিন বরিশালসহ দেশের আট বিভাগেই কোনো না কোনো অঞ্চলে বৃষ্টি এবং সঙ্গে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২ ধরে সারাদেশে কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে কালবৈশাখি ঝড়। এ ধারা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২/১ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়ে সাবাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
অন্যদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময়েও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির প্রবণতা বেশি ছিল ঢাকা বিভাগে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে আরিচায়, ৫৮ মিলিমিটার। ঢাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাঙ্গামাটিতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’
বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারে মতো এবারে এখানে মেয়েদের নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এজন্য কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন প্রধান ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে কাজের অগ্রগতি দেখে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এ সময় সিটি প্রশাসক বলেন, বরিশালের সব থেকে বড় ঈদের জামায়াত হেমায়েতউদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ৫-৭ হাজার লোকের সমাগম হবে। সরকারি কর্মকর্তাসহ সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নগরীর প্রধান ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। সুষ্ঠুভাবে নামাজ অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে খাবার পানি, টয়লেট ও মেডিক্যাল টিমের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
এ ছাড়া জেলায় হাজারের বেশি মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফ ও উজিরপুরের গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে হবে সকাল আটটায়।
নগরীর কেন্দ্রীয় জামে কসাই মসজিদে প্রথম জামাত সকাল আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ১০টায়, জামে এবায়েদুল্লাহ মসজিদে প্রথম জামাত সকাল সাড়ে আটটায় ও দ্বিতীয় জামাত ১০টায়, বায়তুল মোকাররম মসজিদে প্রথম সকাল সাড়ে ৮টায় ও দ্বিতীয় জামাত সাড়ে ৯টায়। মডেল মসজিদে সকাল আটটায়।
পোর্ট রোডের কেরামতিয়া জামে মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়, পুলিশ রাইন্স জামে মসজিদে প্রথম জামাত সাড়ে ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে আটটায়, নুরিয়া স্কুল ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জামাত ৭টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় এবং আঞ্জুমানে হেমায়েত ইসলাম (গোরস্থান) ঈদগা ময়দানে সকাল সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে।