Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৭
বরিশাল নগর ও আশপাশের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ (সদর) আসন। শহর ও গ্রামীণ জনপদের সমন্বয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হওয়ায় প্রতিটি নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে সবচেয়ে বেশি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে ইসলামী সমমনা ১১ দলের জোটের প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। আসন ভাগাভাগিতে দুই দলই বরিশাল-৫ আসন ছাড়তে নারাজ। তাই উভয়পক্ষের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে সক্রিয় আছেন।
এরই মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল এবং ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। শেষ পর্যন্ত কে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেলাল মাঠে কিছুটা নীরব রয়েছেন। তবে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির ফয়জুল করীম তার অবস্থানে অনড়। তিনি বরিশাল সদর আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন না পেলে ইসলামী দলগুলোর বলয় থেকে বের হয়ে আসার কথা জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার ২১টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৫ সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আসন। একে স্থানীয় রাজনৈতিক ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবেও ধরা হয়। এই আসনের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।
এদিকে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের বিপরীতে ১১-দলীয় জোটের যিনি চূড়ান্ত হবেন, তাকেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তার সুফল বিএনপির ঘরে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত সপ্তাহে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘বরিশাল-৫ আসনটি আমাদের দলের আমির ও বড় ভাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের রাজনৈতিক ঘাঁটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই দুই আসনে আমরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ বলেন, ‘ফয়জুল করিম এর আগে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছিলেন।’
অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, ওই নির্বাচন একতরফা হওয়ায় ভোটের বাস্তব চিত্র ভিন্ন ছিল। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণও ভিন্ন হবে।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, ‘গত ১৬ বছরে মহানগর ও সদর উপজেলায় জামায়াতের রুকন ও কর্মী সংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ এবং সহযোগী সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।’ এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’
বরিশাল নগর ও আশপাশের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ (সদর) আসন। শহর ও গ্রামীণ জনপদের সমন্বয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হওয়ায় প্রতিটি নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে সবচেয়ে বেশি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে ইসলামী সমমনা ১১ দলের জোটের প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। আসন ভাগাভাগিতে দুই দলই বরিশাল-৫ আসন ছাড়তে নারাজ। তাই উভয়পক্ষের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে সক্রিয় আছেন।
এরই মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল এবং ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। শেষ পর্যন্ত কে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেলাল মাঠে কিছুটা নীরব রয়েছেন। তবে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির ফয়জুল করীম তার অবস্থানে অনড়। তিনি বরিশাল সদর আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন না পেলে ইসলামী দলগুলোর বলয় থেকে বের হয়ে আসার কথা জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার ২১টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৫ সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আসন। একে স্থানীয় রাজনৈতিক ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবেও ধরা হয়। এই আসনের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।
এদিকে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের বিপরীতে ১১-দলীয় জোটের যিনি চূড়ান্ত হবেন, তাকেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তার সুফল বিএনপির ঘরে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত সপ্তাহে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘বরিশাল-৫ আসনটি আমাদের দলের আমির ও বড় ভাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের রাজনৈতিক ঘাঁটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই দুই আসনে আমরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ বলেন, ‘ফয়জুল করিম এর আগে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছিলেন।’
অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, ওই নির্বাচন একতরফা হওয়ায় ভোটের বাস্তব চিত্র ভিন্ন ছিল। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণও ভিন্ন হবে।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, ‘গত ১৬ বছরে মহানগর ও সদর উপজেলায় জামায়াতের রুকন ও কর্মী সংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ এবং সহযোগী সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।’ এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’

১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮