
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৭
বরিশাল নগর ও আশপাশের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ (সদর) আসন। শহর ও গ্রামীণ জনপদের সমন্বয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হওয়ায় প্রতিটি নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে সবচেয়ে বেশি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে ইসলামী সমমনা ১১ দলের জোটের প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। আসন ভাগাভাগিতে দুই দলই বরিশাল-৫ আসন ছাড়তে নারাজ। তাই উভয়পক্ষের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে সক্রিয় আছেন।
এরই মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল এবং ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। শেষ পর্যন্ত কে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেলাল মাঠে কিছুটা নীরব রয়েছেন। তবে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির ফয়জুল করীম তার অবস্থানে অনড়। তিনি বরিশাল সদর আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন না পেলে ইসলামী দলগুলোর বলয় থেকে বের হয়ে আসার কথা জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার ২১টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৫ সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আসন। একে স্থানীয় রাজনৈতিক ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবেও ধরা হয়। এই আসনের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।
এদিকে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের বিপরীতে ১১-দলীয় জোটের যিনি চূড়ান্ত হবেন, তাকেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তার সুফল বিএনপির ঘরে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত সপ্তাহে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘বরিশাল-৫ আসনটি আমাদের দলের আমির ও বড় ভাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের রাজনৈতিক ঘাঁটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই দুই আসনে আমরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ বলেন, ‘ফয়জুল করিম এর আগে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছিলেন।’
অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, ওই নির্বাচন একতরফা হওয়ায় ভোটের বাস্তব চিত্র ভিন্ন ছিল। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণও ভিন্ন হবে।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, ‘গত ১৬ বছরে মহানগর ও সদর উপজেলায় জামায়াতের রুকন ও কর্মী সংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ এবং সহযোগী সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।’ এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’
বরিশাল নগর ও আশপাশের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ (সদর) আসন। শহর ও গ্রামীণ জনপদের সমন্বয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হওয়ায় প্রতিটি নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে সবচেয়ে বেশি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে ইসলামী সমমনা ১১ দলের জোটের প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। আসন ভাগাভাগিতে দুই দলই বরিশাল-৫ আসন ছাড়তে নারাজ। তাই উভয়পক্ষের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে সক্রিয় আছেন।
এরই মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল এবং ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। শেষ পর্যন্ত কে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেলাল মাঠে কিছুটা নীরব রয়েছেন। তবে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির ফয়জুল করীম তার অবস্থানে অনড়। তিনি বরিশাল সদর আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন না পেলে ইসলামী দলগুলোর বলয় থেকে বের হয়ে আসার কথা জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার ২১টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৫ সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আসন। একে স্থানীয় রাজনৈতিক ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবেও ধরা হয়। এই আসনের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।
এদিকে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের বিপরীতে ১১-দলীয় জোটের যিনি চূড়ান্ত হবেন, তাকেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তার সুফল বিএনপির ঘরে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত সপ্তাহে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘বরিশাল-৫ আসনটি আমাদের দলের আমির ও বড় ভাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের রাজনৈতিক ঘাঁটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই দুই আসনে আমরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ বলেন, ‘ফয়জুল করিম এর আগে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছিলেন।’
অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, ওই নির্বাচন একতরফা হওয়ায় ভোটের বাস্তব চিত্র ভিন্ন ছিল। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণও ভিন্ন হবে।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, ‘গত ১৬ বছরে মহানগর ও সদর উপজেলায় জামায়াতের রুকন ও কর্মী সংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ এবং সহযোগী সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।’ এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’

০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:১০
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়া গতির ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে কোতয়ালি থানাধীন রূপাতলী উকিলবাড়ি সড়ক সম্মুখ বরিশাল-ঝালকাঠি সড়কে জুয়েল (২৮) এবং রাসেল (২৫) নামের যুবকদ্বয়ের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় ট্রাকটি। এতে রাসেলের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হলেও জুয়েলকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌছানের আগেই পথে জুয়েলও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
রূপাতলীর বাসিন্দা জুয়েল এবং রুইয়ার পোল এলাকার রাসেল উভয়ে এসিআই এনিমেল হেলথের স্টোরে হেলপার পদে কর্মরত ছিলেন।
কোতয়ালি পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে অফিস শেষ করে জুয়েল এবং রাসেল নাস্তা করতে মোটরসাইকেলযোগে রূপাতলী বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরিত দিক থেকে ঝালকাঠিগামী মালবোঝাই (কুষ্টিয়া-ট ১১-২৫৪৫) ট্রাক বেপরোয়া গতিতে এসে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাসেল প্রাণ হারান। এবং গুরুতর আহত জুয়েলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে মেডিকেলে পৌছানোর আগেই জুয়েলেরও মৃত্যু হয়, ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ট্রাকটি রাস্তার ওপর রেখেই পালিয়ে গেছেন চালক এবং হেলপার। পুলিশ তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানান, কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। তাছাড়া চালক ও হেলপারকে আটক করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, জানান ওসি।’

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১০
রাজধানী ঢাকার রমনা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাসানকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের বিবিরপুকুর পাড়সংলগ্ন এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ত্রিশোর্ধ্ব যুবক আহসান হাসান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ইউনিট কমিটির সক্রিয় নেতা এবং তার বিরুদ্ধে বরিশাল ও ঢাকায় একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে আড়ালে রাখেন। এবং শহরের বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে অন্তবর্তী সরকারবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।
স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আহসান হাসান বিবিপুকুরসংলগ্ন আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের কাছে অবস্থান করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও বরিশালে একাধিক মামলা আছে এই তথ্য নিশ্চিত হয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা একাধিক মামলায় জড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রামের বরিশাল এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়াসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এড়িয়ে চলছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না! বিলম্বে হলেও তাকে আইনের আওতায় আসতে হয়েছে।’

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৮
পবিত্র রমজান মাসের এখনো এক মাসেরও বেশি সময় বাকি। রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায় বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেন। এবার সিয়াম সাধনার মাসটি আসার আগেই বেড়েছে চিনির দাম। বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা।
এছাড়া নতুন বছরের শুরুতেই কাঁচাবাজারে স্বস্তির হাওয়া লেগেছে। মাছ-মাংসের দামে হেরফের দেখা যায়নি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও, শ্যামলী, কল্যাণপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। টিসিবি জানায়, গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ। কাজীপাড়া এলাকার মুদি দোকানি আরিফ হোসেন জানান, পাইকারিতে দাম বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না। শ্যামলীর বিক্রেতা হিমেল মাহমুদ জানান, প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। বাড়তি দাম লেখা প্যাকেট চিনি এখনো অনেক দোকানে আসেনি।
এদিকে, বাজারে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে পেঁয়াজ ও আলুর দাম। নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে পণ্য দুটির দাম।
প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬৫-৭০ টাকা। ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকায়। প্রতি কেজি নতুন আলু মিলছে ১৫-২০ টাকায়।
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়া গতির ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে কোতয়ালি থানাধীন রূপাতলী উকিলবাড়ি সড়ক সম্মুখ বরিশাল-ঝালকাঠি সড়কে জুয়েল (২৮) এবং রাসেল (২৫) নামের যুবকদ্বয়ের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় ট্রাকটি। এতে রাসেলের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হলেও জুয়েলকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌছানের আগেই পথে জুয়েলও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
রূপাতলীর বাসিন্দা জুয়েল এবং রুইয়ার পোল এলাকার রাসেল উভয়ে এসিআই এনিমেল হেলথের স্টোরে হেলপার পদে কর্মরত ছিলেন।
কোতয়ালি পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে অফিস শেষ করে জুয়েল এবং রাসেল নাস্তা করতে মোটরসাইকেলযোগে রূপাতলী বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরিত দিক থেকে ঝালকাঠিগামী মালবোঝাই (কুষ্টিয়া-ট ১১-২৫৪৫) ট্রাক বেপরোয়া গতিতে এসে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাসেল প্রাণ হারান। এবং গুরুতর আহত জুয়েলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে মেডিকেলে পৌছানোর আগেই জুয়েলেরও মৃত্যু হয়, ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ট্রাকটি রাস্তার ওপর রেখেই পালিয়ে গেছেন চালক এবং হেলপার। পুলিশ তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানান, কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। তাছাড়া চালক ও হেলপারকে আটক করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, জানান ওসি।’
রাজধানী ঢাকার রমনা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাসানকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের বিবিরপুকুর পাড়সংলগ্ন এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ত্রিশোর্ধ্ব যুবক আহসান হাসান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ইউনিট কমিটির সক্রিয় নেতা এবং তার বিরুদ্ধে বরিশাল ও ঢাকায় একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে আড়ালে রাখেন। এবং শহরের বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে অন্তবর্তী সরকারবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।
স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আহসান হাসান বিবিপুকুরসংলগ্ন আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের কাছে অবস্থান করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও বরিশালে একাধিক মামলা আছে এই তথ্য নিশ্চিত হয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা একাধিক মামলায় জড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রামের বরিশাল এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়াসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এড়িয়ে চলছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না! বিলম্বে হলেও তাকে আইনের আওতায় আসতে হয়েছে।’
পবিত্র রমজান মাসের এখনো এক মাসেরও বেশি সময় বাকি। রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায় বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেন। এবার সিয়াম সাধনার মাসটি আসার আগেই বেড়েছে চিনির দাম। বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা।
এছাড়া নতুন বছরের শুরুতেই কাঁচাবাজারে স্বস্তির হাওয়া লেগেছে। মাছ-মাংসের দামে হেরফের দেখা যায়নি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও, শ্যামলী, কল্যাণপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। টিসিবি জানায়, গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ। কাজীপাড়া এলাকার মুদি দোকানি আরিফ হোসেন জানান, পাইকারিতে দাম বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না। শ্যামলীর বিক্রেতা হিমেল মাহমুদ জানান, প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। বাড়তি দাম লেখা প্যাকেট চিনি এখনো অনেক দোকানে আসেনি।
এদিকে, বাজারে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে পেঁয়াজ ও আলুর দাম। নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে পণ্য দুটির দাম।
প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬৫-৭০ টাকা। ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকায়। প্রতি কেজি নতুন আলু মিলছে ১৫-২০ টাকায়।
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০