
০৭ জুন, ২০২৫ ০৯:৪০
ঈদের দিন গাজায় ৪ ইসরায়েলি সেনা ভোলার মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে যাত্রী পারাপারের সময় মাঝ নদীতে একটি একটি ট্রলার বিকল হয়ে পড়ে। অবশেষে মেঘনা নদীর মাঝের চরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ট্রলার থেকে মাঝিসহ ৬২ জন ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এতে করে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা।
শুক্রবার (৬ জুন) দুপুরে ভোলা কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ জানান, শুক্রবার সকাল ১০ টায় ভোলার সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাটসংলগ্ন মাঝের চর এলাকায় লক্ষ্মীপুর হতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে যাওয়ার পথে ১ টি ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে ৬০ জন যাত্রীসহ নদীতে ভাসতে থাকে। এসময় ট্রলারে থাকা একজন যাত্রী কোস্টগার্ডকে অবগত করে। খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল অতি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ৬০ জন যাত্রী ও ২ জন মাঝিসহ সর্বমোট ৬২ জনকে উদ্ধার করে বোট যোগে নিরাপদে ইলিশা লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেয়।
এদিকে অবৈধভাবে যাত্রী পরিবহনের দায়ে ট্রলার ও মাঝিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য ইলিশা নৌপুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এছাড়াও আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৫ উপলক্ষে নৌপথে যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কোস্টগার্ড নিয়োজিত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।’
ঈদের দিন গাজায় ৪ ইসরায়েলি সেনা ভোলার মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে যাত্রী পারাপারের সময় মাঝ নদীতে একটি একটি ট্রলার বিকল হয়ে পড়ে। অবশেষে মেঘনা নদীর মাঝের চরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ট্রলার থেকে মাঝিসহ ৬২ জন ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এতে করে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা।
শুক্রবার (৬ জুন) দুপুরে ভোলা কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ জানান, শুক্রবার সকাল ১০ টায় ভোলার সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাটসংলগ্ন মাঝের চর এলাকায় লক্ষ্মীপুর হতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে যাওয়ার পথে ১ টি ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে ৬০ জন যাত্রীসহ নদীতে ভাসতে থাকে। এসময় ট্রলারে থাকা একজন যাত্রী কোস্টগার্ডকে অবগত করে। খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল অতি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ৬০ জন যাত্রী ও ২ জন মাঝিসহ সর্বমোট ৬২ জনকে উদ্ধার করে বোট যোগে নিরাপদে ইলিশা লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেয়।
এদিকে অবৈধভাবে যাত্রী পরিবহনের দায়ে ট্রলার ও মাঝিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য ইলিশা নৌপুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এছাড়াও আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৫ উপলক্ষে নৌপথে যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কোস্টগার্ড নিয়োজিত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।’
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০১
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৮

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৬
ভোলা সদর উপজেলায় ২৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন বরিশালের কাউনিয়া থানার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হানিফ হাওলদারের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২২) ও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার মাধবখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস মৃধার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৪৯)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ার রিফাত অভি।
তিনি জানান, কুমিল্লা থেকে গাঁজা নিয়ে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী লঞ্চঘাট হয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী ভোলায় আসছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান ও কহিনুর বেগম নামের দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তাদের সঙ্গে থাকা দুটি ট্রাভেল ব্যাগ ও একটি স্কুল ব্যাগ তল্লাশি করে ২৪ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। জব্দ গাঁজাসহ আটক আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ভোলা সদর উপজেলায় ২৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন বরিশালের কাউনিয়া থানার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হানিফ হাওলদারের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২২) ও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার মাধবখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস মৃধার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৪৯)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ার রিফাত অভি।
তিনি জানান, কুমিল্লা থেকে গাঁজা নিয়ে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী লঞ্চঘাট হয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী ভোলায় আসছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটে অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান ও কহিনুর বেগম নামের দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তাদের সঙ্গে থাকা দুটি ট্রাভেল ব্যাগ ও একটি স্কুল ব্যাগ তল্লাশি করে ২৪ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। জব্দ গাঁজাসহ আটক আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছেন। ভোলা জেলার চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার এই কৃতী সন্তান বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে এবং সমগ্র বাংলাদেশে চতুর্থ সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
তিনি ভোলা-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট। দু'জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে এই ভোটের ব্যবধান প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯১৪।
তার এই বিজয় শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি চরফ্যাশনের জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে দাবি করছেন ভোলা-০৪ আসনের বিএনপি'র নেতা-কর্মি ও সমর্থকরা।
নয়নের এ জয়ে আনন্দের জোয়ার বইছে এলাকাজুড়ে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের মেধা, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও রাজনৈতিক বিচক্ষনতা বিবেচনা করে তাকে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দিতে হাই কমান্ডের প্রতি দাবী জানান নেতা-কর্মিরা।
বিপুল ভোটে নয়নের জয়ের ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা বলেন, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন এআসনের মাটি ও মানুষের আপনজন, প্রিয় নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন ভাই। এ অবিস্মরনীয় জয়ে তৃনমূল থেকে শুরু করে সকল শ্রেনীর মানুষের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। এতে আমরা খুবই আনন্দিত। এবং নয়ন ভাইকে চরফ্যাশন মনপুরাবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
এদিকে ভোলা জেলার আরেক আসন ভোলা-৩ আসনে বিএনপি'র মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট পার্টির নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট। ব্যবধান ৮৮ হাজার ৬৩৯ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছেন। ভোলা জেলার চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার এই কৃতী সন্তান বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে এবং সমগ্র বাংলাদেশে চতুর্থ সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
তিনি ভোলা-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট। দু'জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে এই ভোটের ব্যবধান প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯১৪।
তার এই বিজয় শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি চরফ্যাশনের জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে দাবি করছেন ভোলা-০৪ আসনের বিএনপি'র নেতা-কর্মি ও সমর্থকরা।
নয়নের এ জয়ে আনন্দের জোয়ার বইছে এলাকাজুড়ে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের মেধা, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও রাজনৈতিক বিচক্ষনতা বিবেচনা করে তাকে মন্ত্রী পরিষদে স্থান করে দিতে হাই কমান্ডের প্রতি দাবী জানান নেতা-কর্মিরা।
বিপুল ভোটে নয়নের জয়ের ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা বলেন, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন এআসনের মাটি ও মানুষের আপনজন, প্রিয় নেতা নুরুল ইসলাম নয়ন ভাই। এ অবিস্মরনীয় জয়ে তৃনমূল থেকে শুরু করে সকল শ্রেনীর মানুষের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। এতে আমরা খুবই আনন্দিত। এবং নয়ন ভাইকে চরফ্যাশন মনপুরাবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
এদিকে ভোলা জেলার আরেক আসন ভোলা-৩ আসনে বিএনপি'র মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট পার্টির নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট। ব্যবধান ৮৮ হাজার ৬৩৯ ভোট।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩০
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট গণনাকালীন ভোলা চরসামাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় পুলিশ ও ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের এজেন্টের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন জানা যায়, ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের নির্বাচনি এজেন্ট ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গণি ব্যাপারির ছেলে আ. মান্নান ভোট গণনার সময় কেন্দ্রের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়ান। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে স্কুল কক্ষে নিয়ে যান।
এ সময় কেন্দ্রের বাইরে উপস্থিত ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের সমর্থকেরা পুলিশের ভাড়ায় চালিত একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কেন্দ্রের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের জেরে স্কুল ভবনের বেশ কয়েকটি কক্ষের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আটক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নৈশপ্রহরী দীপংকর তাকে ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের এজেন্টকে বিনা কারণে হেনস্তা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভোলা মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্বাচনকালীন পুলিশের ভাড়ায় চালিত গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা নম্বর ২২/২৬ দায়ের করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট গণনাকালীন ভোলা চরসামাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় পুলিশ ও ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের এজেন্টের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন জানা যায়, ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের নির্বাচনি এজেন্ট ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গণি ব্যাপারির ছেলে আ. মান্নান ভোট গণনার সময় কেন্দ্রের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়ান। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে স্কুল কক্ষে নিয়ে যান।
এ সময় কেন্দ্রের বাইরে উপস্থিত ‘গরুর গাড়ী’ প্রতীকের সমর্থকেরা পুলিশের ভাড়ায় চালিত একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কেন্দ্রের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের জেরে স্কুল ভবনের বেশ কয়েকটি কক্ষের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং আটক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নৈশপ্রহরী দীপংকর তাকে ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের এজেন্টকে বিনা কারণে হেনস্তা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভোলা মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নির্বাচনকালীন পুলিশের ভাড়ায় চালিত গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা নম্বর ২২/২৬ দায়ের করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.