
২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৩০
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, অনেক ত্যাগের ফলে অন্তর্বর্তীকালিন সরকার এসেছে।
আমরা বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থন দিয়েছি। কিন্তু আমরা এ সরকারের কাছে যা আশা করেছি তা পাইনি। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবেও না। বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করছে। তারা ৫ বছর ক্ষমতায় থাকতে চায়। শনিবার দুপুরে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো ড. ইউনূছকে প্রধান উপদেষ্টা করেছিল।
কিন্তু ড. ইউনূছ ও উপদেষ্টা পরিষদ বাংলাদেশকে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র করতে এবং জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণ করতে পুরোপুরো ব্যর্থ হয়েছেন। এমনকি যারা জুলাই-আগস্টে আহত হয়েছে তাদেরও কোনো খোঁজ-খবর নিচ্ছে না।
তাদের মূল্যায়নও করতে পারেনি। মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) আরো বলেন, যত দ্রæত সম্ভব নির্বাচন দিতে হবে, সর্বোচ্চ ফেব্রæয়ারি মাসের মধ্যে। জনগণ যাকে ভোট দেবেন তিনিই ক্ষমতা আসবেন।
তবে যারা দেশের গ্রামাঞ্চল সম্পর্কে জানেনা তারা এখন একের পর এক সংস্কার প্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছে। তার একটি হলো পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন। যারা ভোট পাবে না তারাই পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। লালমোহন উপজেলা বিএনপির আহŸায়ক তাহারাত হাফিজ অর্কের সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ক.ন কুদ্দুসুর রহমান। এছাড়া জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ভোলা জেলার সমন্বয়ক আবু নাসের রহমত উল্যাহ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
লালমোহন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম বাবুল পঞ্চায়েতের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন- ভোলা জেলা বিএনপির আহŸায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম-আহŸায়ক শফিউর রহমান কিরন, সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ জেলা-উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হন মো. জাফর ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন শফিকুল ইসলাম বাবুল। এ ছাড়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ছাদেক মিয়া জান্টু ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো. কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, অনেক ত্যাগের ফলে অন্তর্বর্তীকালিন সরকার এসেছে।
আমরা বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থন দিয়েছি। কিন্তু আমরা এ সরকারের কাছে যা আশা করেছি তা পাইনি। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবেও না। বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করছে। তারা ৫ বছর ক্ষমতায় থাকতে চায়। শনিবার দুপুরে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো ড. ইউনূছকে প্রধান উপদেষ্টা করেছিল।
কিন্তু ড. ইউনূছ ও উপদেষ্টা পরিষদ বাংলাদেশকে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র করতে এবং জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণ করতে পুরোপুরো ব্যর্থ হয়েছেন। এমনকি যারা জুলাই-আগস্টে আহত হয়েছে তাদেরও কোনো খোঁজ-খবর নিচ্ছে না।
তাদের মূল্যায়নও করতে পারেনি। মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) আরো বলেন, যত দ্রæত সম্ভব নির্বাচন দিতে হবে, সর্বোচ্চ ফেব্রæয়ারি মাসের মধ্যে। জনগণ যাকে ভোট দেবেন তিনিই ক্ষমতা আসবেন।
তবে যারা দেশের গ্রামাঞ্চল সম্পর্কে জানেনা তারা এখন একের পর এক সংস্কার প্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছে। তার একটি হলো পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন। যারা ভোট পাবে না তারাই পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। লালমোহন উপজেলা বিএনপির আহŸায়ক তাহারাত হাফিজ অর্কের সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ক.ন কুদ্দুসুর রহমান। এছাড়া জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ভোলা জেলার সমন্বয়ক আবু নাসের রহমত উল্যাহ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
লালমোহন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম বাবুল পঞ্চায়েতের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন- ভোলা জেলা বিএনপির আহŸায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম-আহŸায়ক শফিউর রহমান কিরন, সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ জেলা-উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হন মো. জাফর ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন শফিকুল ইসলাম বাবুল। এ ছাড়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ছাদেক মিয়া জান্টু ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো. কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী।

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। এতে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়লেন সাগরের মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে।
তবে নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই কর্মহীন জেলেদের সরকারি সহযোগিতার ভিজিএফ চালসহ এনজিওর ঋণের কিস্তি বন্ধের দাবি জেলদের। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় ভারতীয় জেলেদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকারের কাছে কঠোর পদক্ষেপের দাবি ভোলার জেলেদের।
ভোলা জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, সামুদ্রিক মৎস্য সংরক্ষণ ও টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় ১৪ এপ্রিল দিনগত মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া ৫৮ দিনের এ সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত।
জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে, ভোলার ৭ উপজেলায় নিবন্ধিত সাগরের জেলে রয়েছেন ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩ হাজার ৬৯৮ জন, দৌলতখানে ১১ হাজার ৫৫০ জন, বোরহানউদ্দিনে ৭ হাজার ৬৫০ জন, লালমোহনে ৮ হাজার ৮০৪ জন, তজুমুদ্দিনে ৪ হাজার ৫০৬ জন, চরফ্যাশনে ১৭ হাজার ৫৬১ জন ও মনপুরায় উপজেলায় রয়েছেন ১০ হাজার ১৮৫ জন।
সরেজমিনে ভোলার ব্যস্ততম ভোলার খাল ঘুরে দেখা যায়, সাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ইতোমধ্যে সব জেলেরা তাদের জাল-ট্রলার নিয়ে ঘাটে ফিরেছেন। এসব জেলেরা ঘাটে কেউ কেউ জাল-ট্রলার নিরাপদ স্থানে উঠিয়ে তা মেরামত শুরু করেছেন।
রিয়াজ ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, আজ মধ্যরাত থেকে সাগরে মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে আগেভাগেই জাল ট্রলার নিয়ে আমরা তীরে ফিরে এসেছি। অভিযান শেষ হলে ফের সাগরে মাছ ধরতে যাব। আসলে নিষেধাজ্ঞায় আমরা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে গেলাম। কী করব অন্য কোনো কাজও জানি না, চরম কষ্টে দিনাতিপাত করতে হবে। সাগর থেকে ফিরে এখন জাল-ট্রলার মেরামত শুরু করেছি।
মো. ফারুক ও হাসান মাঝি বলেন, সরকারের অভিযান না মানার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের কাছে নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই খাদ্য সহায়তার চাল চাই, না হলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। এছাড়া এনজিওর ঋণের কিস্তি বন্ধের দাবিও জানান তারা।
এছাড়া মো. হারুন ও তুহিন মাঝি অভিযোগ করে বলেন, সাগরের ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমরা বাংলাদেশের জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে না গেলেও ভারতের জেলেরা ঠিকই বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। অভিযান তো অভিযান ই। আমরা চাই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ভারতের কোনো জেলে যেন আমাদের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরতে না পারে,এতে আমরা নিষেধাজ্ঞার শেষে সাগরে গিয়ে বেশি পরিমাণে মাছ পাব।
বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা ও টাস্কফোর্স কমিটির মিটিংসহ গুরুত্বপূর্ণ মাছঘাটগুলোতে সচেতনমূলক সভা ও প্রচার প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই প্রতি জন জেলেকে সরকারি সহযোগিতার ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। এতে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়লেন সাগরের মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে।
তবে নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই কর্মহীন জেলেদের সরকারি সহযোগিতার ভিজিএফ চালসহ এনজিওর ঋণের কিস্তি বন্ধের দাবি জেলদের। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় ভারতীয় জেলেদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকারের কাছে কঠোর পদক্ষেপের দাবি ভোলার জেলেদের।
ভোলা জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, সামুদ্রিক মৎস্য সংরক্ষণ ও টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় ১৪ এপ্রিল দিনগত মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া ৫৮ দিনের এ সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত।
জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে, ভোলার ৭ উপজেলায় নিবন্ধিত সাগরের জেলে রয়েছেন ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩ হাজার ৬৯৮ জন, দৌলতখানে ১১ হাজার ৫৫০ জন, বোরহানউদ্দিনে ৭ হাজার ৬৫০ জন, লালমোহনে ৮ হাজার ৮০৪ জন, তজুমুদ্দিনে ৪ হাজার ৫০৬ জন, চরফ্যাশনে ১৭ হাজার ৫৬১ জন ও মনপুরায় উপজেলায় রয়েছেন ১০ হাজার ১৮৫ জন।
সরেজমিনে ভোলার ব্যস্ততম ভোলার খাল ঘুরে দেখা যায়, সাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় ইতোমধ্যে সব জেলেরা তাদের জাল-ট্রলার নিয়ে ঘাটে ফিরেছেন। এসব জেলেরা ঘাটে কেউ কেউ জাল-ট্রলার নিরাপদ স্থানে উঠিয়ে তা মেরামত শুরু করেছেন।
রিয়াজ ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, আজ মধ্যরাত থেকে সাগরে মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে আগেভাগেই জাল ট্রলার নিয়ে আমরা তীরে ফিরে এসেছি। অভিযান শেষ হলে ফের সাগরে মাছ ধরতে যাব। আসলে নিষেধাজ্ঞায় আমরা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে গেলাম। কী করব অন্য কোনো কাজও জানি না, চরম কষ্টে দিনাতিপাত করতে হবে। সাগর থেকে ফিরে এখন জাল-ট্রলার মেরামত শুরু করেছি।
মো. ফারুক ও হাসান মাঝি বলেন, সরকারের অভিযান না মানার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের কাছে নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই খাদ্য সহায়তার চাল চাই, না হলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। এছাড়া এনজিওর ঋণের কিস্তি বন্ধের দাবিও জানান তারা।
এছাড়া মো. হারুন ও তুহিন মাঝি অভিযোগ করে বলেন, সাগরের ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমরা বাংলাদেশের জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে না গেলেও ভারতের জেলেরা ঠিকই বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। অভিযান তো অভিযান ই। আমরা চাই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ভারতের কোনো জেলে যেন আমাদের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরতে না পারে,এতে আমরা নিষেধাজ্ঞার শেষে সাগরে গিয়ে বেশি পরিমাণে মাছ পাব।
বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা ও টাস্কফোর্স কমিটির মিটিংসহ গুরুত্বপূর্ণ মাছঘাটগুলোতে সচেতনমূলক সভা ও প্রচার প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই প্রতি জন জেলেকে সরকারি সহযোগিতার ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৫
ভোলায় ভুল বুঝতে পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে অনলাইন জুয়া খেলা থেকে নিজেকে বিরত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মো. ইউসুফ মুন্সি (৩০) নামে এক যুবক।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে দুধ দিয়ে গোসল করার এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। ইউসুফ মুন্সি ওই যুবকের নাম ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফুল কাচিয়া গ্রামের মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা। তিনি একজন রড মিস্ত্রি বলে জানা গেছে।
জুয়া ছেড়ে ইউসুফ মুন্সি জানান, তিনি রড মিস্ত্রি ও মাছের ঘেরের ব্যবসা করে ভালো চলছিলেন। প্রায় ৩ বছর আগে তার পরিচিত স্থানীয়দের অনলাইনে জুয়া খেলা দেখে তিনিও অ্যাকাউন্ট খোলেন।
পরে তিনি অনলাইনে জুয়া ও ক্যাসিনো খেলতে শুরু করেন। প্রথম দিকে কিছু টাকা পেয়ে আরও বেশি ঝুঁকে পড়েন। একসময় তিনি আসক্ত হয়ে যা আয় করতেন সবই হারান। পরে একে একে বসতঘর ও জমি বিক্রি জুয়া খেলেন।
এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ টাকা হরিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে আশ্রয় নেন শ্বশুরবাড়িতে। তিনি আরও জানান, সব হারিয়ে সোমবার সিদ্ধান্ত নেন, আর কখনও অনলাইন জুয়া খেলবেন না।
পরে তার বন্ধুদের পরামর্শে দুপুরের দিকে একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চকডোষ গ্রামে একটি বাল্টিতে দুধ ও পানি মিশিয়ে গোসল করেন তিনি। তার মতো কেউ যেন এসব খেলে নিঃস্ব না হন এই আহ্বান জানান তিনি।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে জুয়া খেলার বিরুদ্ধে তারা অভিযান পরিচালনা করছেন।
ভোলায় ভুল বুঝতে পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে অনলাইন জুয়া খেলা থেকে নিজেকে বিরত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মো. ইউসুফ মুন্সি (৩০) নামে এক যুবক।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে দুধ দিয়ে গোসল করার এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। ইউসুফ মুন্সি ওই যুবকের নাম ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফুল কাচিয়া গ্রামের মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা। তিনি একজন রড মিস্ত্রি বলে জানা গেছে।
জুয়া ছেড়ে ইউসুফ মুন্সি জানান, তিনি রড মিস্ত্রি ও মাছের ঘেরের ব্যবসা করে ভালো চলছিলেন। প্রায় ৩ বছর আগে তার পরিচিত স্থানীয়দের অনলাইনে জুয়া খেলা দেখে তিনিও অ্যাকাউন্ট খোলেন।
পরে তিনি অনলাইনে জুয়া ও ক্যাসিনো খেলতে শুরু করেন। প্রথম দিকে কিছু টাকা পেয়ে আরও বেশি ঝুঁকে পড়েন। একসময় তিনি আসক্ত হয়ে যা আয় করতেন সবই হারান। পরে একে একে বসতঘর ও জমি বিক্রি জুয়া খেলেন।
এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ টাকা হরিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে আশ্রয় নেন শ্বশুরবাড়িতে। তিনি আরও জানান, সব হারিয়ে সোমবার সিদ্ধান্ত নেন, আর কখনও অনলাইন জুয়া খেলবেন না।
পরে তার বন্ধুদের পরামর্শে দুপুরের দিকে একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চকডোষ গ্রামে একটি বাল্টিতে দুধ ও পানি মিশিয়ে গোসল করেন তিনি। তার মতো কেউ যেন এসব খেলে নিঃস্ব না হন এই আহ্বান জানান তিনি।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে জুয়া খেলার বিরুদ্ধে তারা অভিযান পরিচালনা করছেন।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর বাবাকে কুপিয়ে যখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূর বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে মিরাজ নামক এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার যুবককে ভোলা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের ওই গৃহবধূ ও তার বাবা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ২ টার দিকে স্থানীয় যুবক মিরাজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধুকে শারিরিকভারে নির্যাতন করে। তারা গৃহবধুর সাথে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে যাওয়ার সময় গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে যখম করে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
গ্রেফতার যুবক মিরাজ একই গ্রামের বাসিন্দা মো: কামালের ছেলে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিরাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর বাবাকে কুপিয়ে যখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূর বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে মিরাজ নামক এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার যুবককে ভোলা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের ওই গৃহবধূ ও তার বাবা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ২ টার দিকে স্থানীয় যুবক মিরাজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধুকে শারিরিকভারে নির্যাতন করে। তারা গৃহবধুর সাথে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে যাওয়ার সময় গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে যখম করে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
গ্রেফতার যুবক মিরাজ একই গ্রামের বাসিন্দা মো: কামালের ছেলে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিরাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’