
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৮
ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ৩০০ মণ লবণসহ এমভি দিলোয়ারা-৩ নামে একটি কাঠের ট্রলার ডুবে গেছে। তবে এ সময় ট্রলারের মাঝিসহ সাতজন শ্রমিক নিরাপদে তীরে উঠে আসেন। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোর রাতে উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
ট্রলারে থাকা মাঝি ও শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে লবণ নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে খুলনার উদ্দেশে রওনা করেন। রাতে ঘন কুয়াশার কারণে ভোলার মেঘনা নদীতে অন্যান্য কার্গো জাহাজের সঙ্গে তাদের লবণবোঝাই ট্রলারটিও মাঝ নদীতে নোঙ্গর করে রাখেন। ভোর রাতের দিকে অজ্ঞাত একটি কার্গো জাহাজ ট্রলারটির পাশে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে তারা দেখতে পান তাদের ট্রলারে পানি ডুকছে এবং বোটের প্রায় ৯৫ ভাগ ডুবে যায়। পরবর্তীতে বোটে থাকা মাঝিসহ অন্যান্য শ্রমিকরা নৌকায় উঠে তীরে চলে আসেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলারের মাঝি মো. বিল্লাল হোসাইন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে ৩০০ মণ লবণ বোঝাই করে চট্টগ্রাম চ্যানেল দিয়ে ভোলার মেঘনা নদী হয়ে খুলনা যাওয়ার পথে আমাদের ট্রলারটিকে একটি কার্গো জাহাজ ধাক্কা দেয়। এতে ট্ররারটির একপাশ ফেঁটে যায় এবং পরবর্তীতে বোটটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় কোনো হতাহত না হলেও আমাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ভোলা সদরের ইলিশা নৌ-থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছি।
ট্রলারটি বর্তমানে তুলাতুলি নদীর তীরের কাছাকাছি রয়েছে। ট্রলারে থাকা লবণ গলে পানির সঙ্গে মিশে গেছে। বর্তমানে ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ৩০০ মণ লবণসহ এমভি দিলোয়ারা-৩ নামে একটি কাঠের ট্রলার ডুবে গেছে। তবে এ সময় ট্রলারের মাঝিসহ সাতজন শ্রমিক নিরাপদে তীরে উঠে আসেন। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোর রাতে উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
ট্রলারে থাকা মাঝি ও শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে লবণ নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে খুলনার উদ্দেশে রওনা করেন। রাতে ঘন কুয়াশার কারণে ভোলার মেঘনা নদীতে অন্যান্য কার্গো জাহাজের সঙ্গে তাদের লবণবোঝাই ট্রলারটিও মাঝ নদীতে নোঙ্গর করে রাখেন। ভোর রাতের দিকে অজ্ঞাত একটি কার্গো জাহাজ ট্রলারটির পাশে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে তারা দেখতে পান তাদের ট্রলারে পানি ডুকছে এবং বোটের প্রায় ৯৫ ভাগ ডুবে যায়। পরবর্তীতে বোটে থাকা মাঝিসহ অন্যান্য শ্রমিকরা নৌকায় উঠে তীরে চলে আসেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলারের মাঝি মো. বিল্লাল হোসাইন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে ৩০০ মণ লবণ বোঝাই করে চট্টগ্রাম চ্যানেল দিয়ে ভোলার মেঘনা নদী হয়ে খুলনা যাওয়ার পথে আমাদের ট্রলারটিকে একটি কার্গো জাহাজ ধাক্কা দেয়। এতে ট্ররারটির একপাশ ফেঁটে যায় এবং পরবর্তীতে বোটটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় কোনো হতাহত না হলেও আমাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ভোলা সদরের ইলিশা নৌ-থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছি।
ট্রলারটি বর্তমানে তুলাতুলি নদীর তীরের কাছাকাছি রয়েছে। ট্রলারে থাকা লবণ গলে পানির সঙ্গে মিশে গেছে। বর্তমানে ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা শেষে উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মূল ফটক ভাঙচুর করে শতাধিক পরীক্ষার্থী। এবং কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্তত কলেজ সভাপতিসহ ১০/১৫ জন আহত হন। পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কেন্দ্রে মোট ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, এমসিকিউ পরীক্ষার সময় কিছু পরীক্ষার্থী নকলের সুযোগ চেয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী তাদের সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরীক্ষা শেষে তারা হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তবে আমরা এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। হামলায় কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।
কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু পরীক্ষার্থীরাই নয় তাদের সঙ্গে বহিরাগতরাও হামলায় অংশ নেয়।
ঘটনার পর চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজে এলেও সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। শুনেছি প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং নকল করতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা শেষে উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মূল ফটক ভাঙচুর করে শতাধিক পরীক্ষার্থী। এবং কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্তত কলেজ সভাপতিসহ ১০/১৫ জন আহত হন। পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কেন্দ্রে মোট ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, এমসিকিউ পরীক্ষার সময় কিছু পরীক্ষার্থী নকলের সুযোগ চেয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী তাদের সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরীক্ষা শেষে তারা হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তবে আমরা এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। হামলায় কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।
কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু পরীক্ষার্থীরাই নয় তাদের সঙ্গে বহিরাগতরাও হামলায় অংশ নেয়।
ঘটনার পর চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজে এলেও সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। শুনেছি প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং নকল করতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’

১০ জুলাই, ২০২৬ ০১:১০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৩
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২