
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:৫৪
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সংঘবদ্ধ ডাকাতি ও আমেরিকা প্রবাসী গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফ মুহাম্মদ শাকুর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. কাওসার (২৪), পিতা-আবুল হোসেন হাওলাদার, লতাচাপলী ইউনিয়ন, মহিপুর থানা, পটুয়াখালী, আশিষ গাইন (৩০), পিতা-রনজিত গাইন, কলাপাড়া পৌরসভা, পটুয়াখালী, মো. শওকত আহমেদ রিপন ওরফে সোহাগ (২৫), পিতা-জালাল প্যাদা, পোটকাখালী, বামনা, বরগুনা।
তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ঘটনার রাতেই ডাকাতদল পরিকল্পনা করে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার বিকালে ঝিনাইদাহ জেলার শ্যামকুর বর্ডার এলাকা থেকে প্রথমে কাওসারকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ঢাকার ট্যাকনিক্যাল মোড়স্থ বস্তি থেকে শওকত ওরফে সোহাগকে গ্রেফতার করা হয়। শেষে কলাপাড়া শহর থেকে আশিষ গাইনকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুলাই গভীর রাতে কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী এলাকার আমেরিকা প্রবাসীর বাসায় ডাকাতি করে আসামীরা। এসময় নগদ ৫০হাজার টাকা, ১৩ ভরি স্বর্ণ ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। যাবার আগে ওই আমেরিকা প্রবাসী গৃহবধূকে ঘরের একটি রুমে রেখে গণধর্ষণ করে আসামীরা। পরের দিন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পটুয়াখালী এএসপি সার্কেল আরিফ মুহাম্মদ শাকুর জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সংঘবদ্ধ ডাকাতি ও আমেরিকা প্রবাসী গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফ মুহাম্মদ শাকুর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. কাওসার (২৪), পিতা-আবুল হোসেন হাওলাদার, লতাচাপলী ইউনিয়ন, মহিপুর থানা, পটুয়াখালী, আশিষ গাইন (৩০), পিতা-রনজিত গাইন, কলাপাড়া পৌরসভা, পটুয়াখালী, মো. শওকত আহমেদ রিপন ওরফে সোহাগ (২৫), পিতা-জালাল প্যাদা, পোটকাখালী, বামনা, বরগুনা।
তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ঘটনার রাতেই ডাকাতদল পরিকল্পনা করে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার বিকালে ঝিনাইদাহ জেলার শ্যামকুর বর্ডার এলাকা থেকে প্রথমে কাওসারকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ঢাকার ট্যাকনিক্যাল মোড়স্থ বস্তি থেকে শওকত ওরফে সোহাগকে গ্রেফতার করা হয়। শেষে কলাপাড়া শহর থেকে আশিষ গাইনকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুলাই গভীর রাতে কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী এলাকার আমেরিকা প্রবাসীর বাসায় ডাকাতি করে আসামীরা। এসময় নগদ ৫০হাজার টাকা, ১৩ ভরি স্বর্ণ ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। যাবার আগে ওই আমেরিকা প্রবাসী গৃহবধূকে ঘরের একটি রুমে রেখে গণধর্ষণ করে আসামীরা। পরের দিন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পটুয়াখালী এএসপি সার্কেল আরিফ মুহাম্মদ শাকুর জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৪

১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"

১৭ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪৪
পটুয়াখালীর বাউফল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন স্থানীয় সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মাদক এবং মাদক সেবনের উপহরণ উদ্ধার করেছে এসআই মু. ফরাদুজ্জামানের নেতৃত্বতাধীন টিম।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিন যুবক কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আক্কেল আলী ভূঁইয়ার ছেলে মোহন ভূঁইয়া (৩৫), একই গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে নুর ইসলাম (২৫) এবং পার্শ্ববর্তী দশমিনা উপজেলার চর হোসনাবাদের শাহ আলমের ছেলে শাকি (২৪) দীর্ঘদিন ধরে একত্রিত হয়ে এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাস করাসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা তাদের আটক করা হয়, স্থানটিকে মাদকের ডেরা হিসেবে বিবেচিত করে পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাউফল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মু. ফরহাদুজ্জামান নবীন এবং এসআই ইব্রাহিম মোল্লা বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত তিন সন্ত্রাসীর কাছ থেকে দুটি দেশীয় দা, দুটি ধারালো রামদা, তিনটি কাঁচি, দুটি হাতুড়ি, ২৫ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের মধ্যেকার মোহন ভূঁইয়া মাদক বিক্রেতা এবং বাকি দুজন নুর ইসলাম, শাকিল তার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহের উদ্দেশে এসেছিলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলছেন, তিন যুবকই মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল। বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন।’
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির বসতঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার পর মালামাল লুট করে আগুন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ হামলা চালানো হয়। ওই বাড়ির বাসিন্দাদের অভিযোগ, পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই শাহীন চৌধুরী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত।
ওই আওয়ামী লীগের নেতার নাম কাজী মিজানুর রহমান (লাভলু), তিনি মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। তাঁর জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা।
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িটি উপজেলার কাঁঠালতলী বাজারসংলগ্ন উত্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
মির্জাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার সকাল ৬টা ৮ মিনিটে ফোন পেয়ে তাঁদের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দেখতে পান, কাজী মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন জ্বলছে এবং বাড়ির সামনের অংশ ভাঙা। পরে তাঁরা চারটি কক্ষের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
কাজী মিজানুর রহমানের স্ত্রী মেহেরুন্নেছা শিল্পী সাংবাদিকদের জানান, তাঁর বৃদ্ধা শাশুড়ি অসুস্থ থাকায় পরিবার নিয়ে তাঁরা ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে পলাশ হাওলাদার এবং সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের নেতৃত্বে প্রায় আড়াই শ মানুষ বুলডোজার দিয়ে তাঁদের পাকা বসতঘরটি ভেঙে ফেলেন।
তার ভাষ্য, ভবন ভাঙার পর ঘরে থাকা চারটি রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), স্বর্ণালংকারসহ পরিবারের ব্যবহার্য প্রায় সব মালামাল লুট করা হয়। লুট হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। এরপর পরে ৬ কক্ষের প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
মেহেরুন্নেছা জানান, এ ঘটনার খবর পেয়ে তিনি রাজধানী ঢাকা থেকে রওনা হয়ে শনিবার ভোরে বাড়িতে পৌঁছান। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, হামলার আগে কাঁঠালতলী বাজার ও আশপাশের এলাকা থেকে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। কেউ ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাঁদের কাছ থেকে মুঠোফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ ফুট দূরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ি অবস্থিত। গভীর রাতে বুলডোজারের শব্দ শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও হামলাকারীরা তাদের ধাওয়া দিলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার কারণে সরে যান। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, জমি কিনে তিনি বাড়ি করেছেন। কী কারণে তাঁর বাড়ি ভাঙা হয়েছে, এ প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমার বাড়ি ভাঙায় জড়িত, তাঁদের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই।’
হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী। হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারা জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহীন চৌধুরী বলেন, শুক্রবার তিনি ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরেছেন, তাই ঘটনার বিষয়ে অবগত নন।
অভিযুক্ত মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেননি। মনির খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, মিজানুর রহমান পাবলিক লাইব্রেরির জমি দখল করে ঘর তুলেছেন, যা ভূমি অফিসের মাধ্যমে প্রমাণিত, সেখানে তার এক টুকরো জমিও নেই।
প্রশাসনের মাধ্যমে ঘরটি না ভেঙে নিজেরা কেন ভাঙলেন, এমন প্রশ্নে মনির খন্দকার বলেন, ‘বিগত দিনে বিএনপি কিন্তু প্রশাসন ব্যবহার করেননি। তাছাড়া তাঁরা (মিজানুর রহমান ও তাঁর অনুসারীরা) জবরদখল করছেন। এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসায় তিনবার হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। আমরা চাইলে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ঘরটি ভাঙতে পারতাম, সেটি না করে পাহারা দিয়েছি।’ এরপর মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ভোররাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন দেয় এবং বেকু (খনন) মেশিন দিয়ে বাড়ির অংশ ভেঙে ফেলে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘরের ভেতরে কেউ না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখনো ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, ভোররাতে ফায়ার সার্ভিস থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন। তবে অনেকেই এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন, জানান ইউএনও।’
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির বসতঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার পর মালামাল লুট করে আগুন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ হামলা চালানো হয়। ওই বাড়ির বাসিন্দাদের অভিযোগ, পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই শাহীন চৌধুরী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত।
ওই আওয়ামী লীগের নেতার নাম কাজী মিজানুর রহমান (লাভলু), তিনি মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। তাঁর জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা।
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িটি উপজেলার কাঁঠালতলী বাজারসংলগ্ন উত্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
মির্জাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার সকাল ৬টা ৮ মিনিটে ফোন পেয়ে তাঁদের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দেখতে পান, কাজী মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন জ্বলছে এবং বাড়ির সামনের অংশ ভাঙা। পরে তাঁরা চারটি কক্ষের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
কাজী মিজানুর রহমানের স্ত্রী মেহেরুন্নেছা শিল্পী সাংবাদিকদের জানান, তাঁর বৃদ্ধা শাশুড়ি অসুস্থ থাকায় পরিবার নিয়ে তাঁরা ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে পলাশ হাওলাদার এবং সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের নেতৃত্বে প্রায় আড়াই শ মানুষ বুলডোজার দিয়ে তাঁদের পাকা বসতঘরটি ভেঙে ফেলেন।
তার ভাষ্য, ভবন ভাঙার পর ঘরে থাকা চারটি রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), স্বর্ণালংকারসহ পরিবারের ব্যবহার্য প্রায় সব মালামাল লুট করা হয়। লুট হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। এরপর পরে ৬ কক্ষের প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
মেহেরুন্নেছা জানান, এ ঘটনার খবর পেয়ে তিনি রাজধানী ঢাকা থেকে রওনা হয়ে শনিবার ভোরে বাড়িতে পৌঁছান। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, হামলার আগে কাঁঠালতলী বাজার ও আশপাশের এলাকা থেকে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। কেউ ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাঁদের কাছ থেকে মুঠোফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ ফুট দূরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ি অবস্থিত। গভীর রাতে বুলডোজারের শব্দ শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও হামলাকারীরা তাদের ধাওয়া দিলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার কারণে সরে যান। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, জমি কিনে তিনি বাড়ি করেছেন। কী কারণে তাঁর বাড়ি ভাঙা হয়েছে, এ প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমার বাড়ি ভাঙায় জড়িত, তাঁদের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই।’
হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী। হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারা জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহীন চৌধুরী বলেন, শুক্রবার তিনি ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরেছেন, তাই ঘটনার বিষয়ে অবগত নন।
অভিযুক্ত মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেননি। মনির খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, মিজানুর রহমান পাবলিক লাইব্রেরির জমি দখল করে ঘর তুলেছেন, যা ভূমি অফিসের মাধ্যমে প্রমাণিত, সেখানে তার এক টুকরো জমিও নেই।
প্রশাসনের মাধ্যমে ঘরটি না ভেঙে নিজেরা কেন ভাঙলেন, এমন প্রশ্নে মনির খন্দকার বলেন, ‘বিগত দিনে বিএনপি কিন্তু প্রশাসন ব্যবহার করেননি। তাছাড়া তাঁরা (মিজানুর রহমান ও তাঁর অনুসারীরা) জবরদখল করছেন। এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসায় তিনবার হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। আমরা চাইলে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ঘরটি ভাঙতে পারতাম, সেটি না করে পাহারা দিয়েছি।’ এরপর মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ভোররাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন দেয় এবং বেকু (খনন) মেশিন দিয়ে বাড়ির অংশ ভেঙে ফেলে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘরের ভেতরে কেউ না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখনো ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, ভোররাতে ফায়ার সার্ভিস থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন। তবে অনেকেই এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন, জানান ইউএনও।’
তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"
পটুয়াখালীর বাউফল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন স্থানীয় সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মাদক এবং মাদক সেবনের উপহরণ উদ্ধার করেছে এসআই মু. ফরাদুজ্জামানের নেতৃত্বতাধীন টিম।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিন যুবক কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আক্কেল আলী ভূঁইয়ার ছেলে মোহন ভূঁইয়া (৩৫), একই গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে নুর ইসলাম (২৫) এবং পার্শ্ববর্তী দশমিনা উপজেলার চর হোসনাবাদের শাহ আলমের ছেলে শাকি (২৪) দীর্ঘদিন ধরে একত্রিত হয়ে এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাস করাসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা তাদের আটক করা হয়, স্থানটিকে মাদকের ডেরা হিসেবে বিবেচিত করে পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাউফল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মু. ফরহাদুজ্জামান নবীন এবং এসআই ইব্রাহিম মোল্লা বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত তিন সন্ত্রাসীর কাছ থেকে দুটি দেশীয় দা, দুটি ধারালো রামদা, তিনটি কাঁচি, দুটি হাতুড়ি, ২৫ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের মধ্যেকার মোহন ভূঁইয়া মাদক বিক্রেতা এবং বাকি দুজন নুর ইসলাম, শাকিল তার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহের উদ্দেশে এসেছিলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলছেন, তিন যুবকই মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল। বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন।’
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১