
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
ভোলায় এক গার্মেন্টস কর্মী তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে ভোলার মনপুরা থানায় এ মামলা করেন তিনি।
মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলা এলাকার স্লুইসগেটের বেড়িবাঁধে এ ঘটনা ঘটে। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণী সুনামগঞ্জের বাসিন্দা। ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন।
তার সঙ্গে ভোলার মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া এলাকার মো. সজীবের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৪ জানুয়ারি ওই তরুণী ঢাকা থেকে লঞ্চে মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের দাদির বাড়িতে ওঠেন।
পরে গত শুক্রবার সকালের দিকে স্থানীয় মাসুদ, আল আমিন, আলমগীর, ইদ্রিস মাঝি ও গিয়াসসহ ৭-৮ জন ওই বাড়িতে আসেন। তারা ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও সালিশের নামে প্রথমে ২ লাখ টাকা ও পরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের ভয়ে ওই দিনই কিছু দূরে প্রেমিকের চাচির বাড়িতে তারা দুজন আশ্রয় নেন। ওই বাড়িতে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু ওই রাতেই তাদের খুঁজতে ওই বাড়িতে আসেন মাসুদ, আল আমিনসহ আরও কয়েকজন। এসময় ওই তরুণী ও তার প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলার ছলে ঘর থেকে বের করে বেড়িবাঁধে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে গভীর রাতে প্রেমিককে আটকে রেখে মাসুদ ও আল আমিন ওই তরুণীকে বেড়িবাঁধের ঢালে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ধর্ষকরা চলে যায়।
মনপুরা থানার এসআই মো. ইব্রাহীম হোসেন নয়ন জানান, এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
ভোলায় এক গার্মেন্টস কর্মী তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে ভোলার মনপুরা থানায় এ মামলা করেন তিনি।
মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলা এলাকার স্লুইসগেটের বেড়িবাঁধে এ ঘটনা ঘটে। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণী সুনামগঞ্জের বাসিন্দা। ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন।
তার সঙ্গে ভোলার মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া এলাকার মো. সজীবের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৪ জানুয়ারি ওই তরুণী ঢাকা থেকে লঞ্চে মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের দাদির বাড়িতে ওঠেন।
পরে গত শুক্রবার সকালের দিকে স্থানীয় মাসুদ, আল আমিন, আলমগীর, ইদ্রিস মাঝি ও গিয়াসসহ ৭-৮ জন ওই বাড়িতে আসেন। তারা ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও সালিশের নামে প্রথমে ২ লাখ টাকা ও পরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের ভয়ে ওই দিনই কিছু দূরে প্রেমিকের চাচির বাড়িতে তারা দুজন আশ্রয় নেন। ওই বাড়িতে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু ওই রাতেই তাদের খুঁজতে ওই বাড়িতে আসেন মাসুদ, আল আমিনসহ আরও কয়েকজন। এসময় ওই তরুণী ও তার প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলার ছলে ঘর থেকে বের করে বেড়িবাঁধে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে গভীর রাতে প্রেমিককে আটকে রেখে মাসুদ ও আল আমিন ওই তরুণীকে বেড়িবাঁধের ঢালে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ধর্ষকরা চলে যায়।
মনপুরা থানার এসআই মো. ইব্রাহীম হোসেন নয়ন জানান, এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৮
ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরিফ নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি বেসরকারি ক্লিনিকের প্রতিনিধি (দালাল) হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওষুধ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কৌশলে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
এ সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য রোগীর স্বজনরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সরকারি হাসপাতালের ভেতর এমন সুরক্ষিত স্থানে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও কর্মরতদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরিফ নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি বেসরকারি ক্লিনিকের প্রতিনিধি (দালাল) হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওষুধ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কৌশলে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
এ সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য রোগীর স্বজনরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সরকারি হাসপাতালের ভেতর এমন সুরক্ষিত স্থানে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও কর্মরতদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১০
বাকপ্রতিবন্ধী শিশুসন্তানের সামনে থেকে কোনো পরোয়ানা ছাড়াই ভোলায় জামায়াতের নারী কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ।
রবিবার (৫ এপ্রিল) গভীর রাতে ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জমজম টাওয়ারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং সরকার ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
লিখিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত দাবি করে, ফ্যাসিবাদের আমলে বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতাসহ সবকিছুই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখনো সরকার সেই পথেই হাঁটছে।
পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী কোনো ধরনের কারণ ছাড়াই ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ভোলা পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী বিবি সাওদাকে (৩৭) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
কারণ জানতে চাইলে পুলিশ কোনো কারণ উল্লেখ করতে পারেনি। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সারা দিন তাকে থানায় আটকে রেখে ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে জেলহাজতে পাঠান। এমন অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
গোয়েন্দা শাখার এসআই জুয়েল হোসেন খান আদালতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবি সাওদা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু কী ধরনের সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড করেছেন, তা উল্লেখ করেননি।
এ কারণে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য ৫৪ ধারায় তাকে জেলহাজতে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক ও ফ্যাসিবাদী বলে উল্লেখ করে জামায়াত।
বাকপ্রতিবন্ধী শিশুসন্তানের সামনে থেকে কোনো পরোয়ানা ছাড়াই ভোলায় জামায়াতের নারী কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ।
রবিবার (৫ এপ্রিল) গভীর রাতে ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জমজম টাওয়ারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং সরকার ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
লিখিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত দাবি করে, ফ্যাসিবাদের আমলে বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতাসহ সবকিছুই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখনো সরকার সেই পথেই হাঁটছে।
পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী কোনো ধরনের কারণ ছাড়াই ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ভোলা পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী বিবি সাওদাকে (৩৭) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
কারণ জানতে চাইলে পুলিশ কোনো কারণ উল্লেখ করতে পারেনি। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সারা দিন তাকে থানায় আটকে রেখে ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে জেলহাজতে পাঠান। এমন অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
গোয়েন্দা শাখার এসআই জুয়েল হোসেন খান আদালতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবি সাওদা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু কী ধরনের সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড করেছেন, তা উল্লেখ করেননি।
এ কারণে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য ৫৪ ধারায় তাকে জেলহাজতে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক ও ফ্যাসিবাদী বলে উল্লেখ করে জামায়াত।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.