
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার।
বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।
সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।
প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”
আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি (৫৩) বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি।
এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।” একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম (৩৯) বলেন, “নড়বড়ে সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারে না।
অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না।
ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার।
বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।
সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।
প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”
আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি (৫৩) বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি।
এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।” একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম (৩৯) বলেন, “নড়বড়ে সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারে না।
অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না।
ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:২৪
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৩১
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.