
১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৭
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের খিরাকাঠি গ্রামের এক প্রবাসীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা নিয়মিত হুমকি, ভয়ভীতি ও মানহানিকর প্রচারণার শিকার হচ্ছেন। রোববার ( ১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন প্রবাসী রাসেল ও শহিদ মোল্লার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, তার দুই ভাই ও মামা সহ সকলেই প্রবাসে থাকেন। তার মা, ভাবি এবং মামী বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তাদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে বাড়ির পাশের মজিবর মোল্লার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছু দিন আগে মজিবর মোল্লাদের বাড়িতে সন্ধ্যা বেলা হঠাৎ ডাক চিৎকার শুরু হয়। সেখানে তার মা ও বড় মামী সহ আশাপাশের কিছু লোকজন যায়। যাওয়ার পর দেখতে পায় তাদের নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে। কোন দুর্ঘটনা নয় দেখে তার মা ও মামী ঘরে চলে আসে। সেই মারামারি বিষয়ে দু পক্ষই থানায় অভিযোগ করে এবং থানায় বসেই শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা হয়। কোন অভিযোগই তার মা ও মামী সহ কারো নাম উল্লেখ নেই। কিন্তু গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের বাসার সামনে দোকানে গেলে জানতে পারেন তার মা ও মামীর নাম উল্লেখ করে একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ছাপানো হয়। যা তার মা ও মামী সহ তাদের পরিবারের সকলের সম্মান হানি করে। এবং কিছু দিন আগে মোঃ মজিবর মোল্লা তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিল। তার মা দেওয়ার মত টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করলে সে তার মায়ের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয় সেই থেকে তার সহয়োগী মিজানুর এবং মনির মোল্লাকে নিয়ে তার মায়ের ঘরের সামনে টিনের বেরায় রাত ৯টার পর থেকে ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত ইটপাটকেল মারতে থাকে এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে বলে, ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে বাড়ি ছাড়তে হবে। সেই থেকে তার মা ও মামী সহ পরিবারের সকলে ভয় নিরবতার দিন কাটাচ্ছেন । কারণ এই মজিবর অনেক বড় সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের পুরো পরিবারে কোন পরুষ লোক নেই। একজন আছে বড় মামা, সেও অসুস্থ। দূর দুরান্তে এই মজবিরের সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। এই মজিবর অনেকবার ডাকাতি করে ধরাও খেয়েছে। এক সময় ডাকাতি করার অপরাধে ৮নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েত হোসেন কাজী মজিবরের মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা লাগিয়েছিল। সেই থেকে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন মজিবর। আবারও সক্রিয় হয়ে এলকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এই মজিবর বাহিনী। এই মজিবরের কারণে তারই বাড়ির খালেক মল্লিকের পরিবারটি আজকে বাড়ি ছাড়া। প্রতি রাতে খালেক মল্লিকের ঘরে উঠতো এই মজিবর। প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলার শিকার হতো। নিরুপায় হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি।
তিনি আরও জানান,এই মজিবর তারই আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘরে মাদক রেখে ধরিয়ে দেয় প্রশাসনের কাছে। তেমননি ভাবে তার পরিবারটিকে শেষ করার জন্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উঠে পরে লেগেছে। দূর দুরন্ত থেকে লোক এনে মাদকের আসর বসাচ্ছে এলাকায় ও তার বাড়িতে। তাই তার ভয়ে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যার জন্য মজিবর বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর মোল্লা বলেন,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন,থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের খিরাকাঠি গ্রামের এক প্রবাসীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা নিয়মিত হুমকি, ভয়ভীতি ও মানহানিকর প্রচারণার শিকার হচ্ছেন। রোববার ( ১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন প্রবাসী রাসেল ও শহিদ মোল্লার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, তার দুই ভাই ও মামা সহ সকলেই প্রবাসে থাকেন। তার মা, ভাবি এবং মামী বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তাদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে বাড়ির পাশের মজিবর মোল্লার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছু দিন আগে মজিবর মোল্লাদের বাড়িতে সন্ধ্যা বেলা হঠাৎ ডাক চিৎকার শুরু হয়। সেখানে তার মা ও বড় মামী সহ আশাপাশের কিছু লোকজন যায়। যাওয়ার পর দেখতে পায় তাদের নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে। কোন দুর্ঘটনা নয় দেখে তার মা ও মামী ঘরে চলে আসে। সেই মারামারি বিষয়ে দু পক্ষই থানায় অভিযোগ করে এবং থানায় বসেই শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা হয়। কোন অভিযোগই তার মা ও মামী সহ কারো নাম উল্লেখ নেই। কিন্তু গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের বাসার সামনে দোকানে গেলে জানতে পারেন তার মা ও মামীর নাম উল্লেখ করে একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ছাপানো হয়। যা তার মা ও মামী সহ তাদের পরিবারের সকলের সম্মান হানি করে। এবং কিছু দিন আগে মোঃ মজিবর মোল্লা তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিল। তার মা দেওয়ার মত টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করলে সে তার মায়ের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয় সেই থেকে তার সহয়োগী মিজানুর এবং মনির মোল্লাকে নিয়ে তার মায়ের ঘরের সামনে টিনের বেরায় রাত ৯টার পর থেকে ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত ইটপাটকেল মারতে থাকে এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে বলে, ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে বাড়ি ছাড়তে হবে। সেই থেকে তার মা ও মামী সহ পরিবারের সকলে ভয় নিরবতার দিন কাটাচ্ছেন । কারণ এই মজিবর অনেক বড় সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের পুরো পরিবারে কোন পরুষ লোক নেই। একজন আছে বড় মামা, সেও অসুস্থ। দূর দুরান্তে এই মজবিরের সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। এই মজিবর অনেকবার ডাকাতি করে ধরাও খেয়েছে। এক সময় ডাকাতি করার অপরাধে ৮নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েত হোসেন কাজী মজিবরের মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা লাগিয়েছিল। সেই থেকে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন মজিবর। আবারও সক্রিয় হয়ে এলকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এই মজিবর বাহিনী। এই মজিবরের কারণে তারই বাড়ির খালেক মল্লিকের পরিবারটি আজকে বাড়ি ছাড়া। প্রতি রাতে খালেক মল্লিকের ঘরে উঠতো এই মজিবর। প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলার শিকার হতো। নিরুপায় হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি।
তিনি আরও জানান,এই মজিবর তারই আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘরে মাদক রেখে ধরিয়ে দেয় প্রশাসনের কাছে। তেমননি ভাবে তার পরিবারটিকে শেষ করার জন্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উঠে পরে লেগেছে। দূর দুরন্ত থেকে লোক এনে মাদকের আসর বসাচ্ছে এলাকায় ও তার বাড়িতে। তাই তার ভয়ে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যার জন্য মজিবর বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর মোল্লা বলেন,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন,থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২৮
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’

০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫২
ঝালকাঠির রাজাপুরে ইমাদ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় মো. মতিউর রহমান (৬৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকায় বরিশাল-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মতিউর রহমান শুক্তাগড় ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকার মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. কাজল মোল্লা জানান, দুপুরে সড়ক পারাপারের সময় ভান্ডারিয়াগামী ইমাদ পরিবহনের একটি বাস মতিউর রহমানকে চাপা দেয়।
এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা উপজেলা সদরের বাইপাস এলাকায় বাসটি আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ সময় বাসটির চালক মো. শামসুল হককেও আটক করা হয়। তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জের দক্ষিণ ধর্মশুর মুগারচর এলাকার সালাম শেখের ছেলে।
রাজাপুর থানার ওসি সুজন বিশ্বাস বলেন, বাস ও চালককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির রাজাপুরে ইমাদ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় মো. মতিউর রহমান (৬৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকায় বরিশাল-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মতিউর রহমান শুক্তাগড় ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকার মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. কাজল মোল্লা জানান, দুপুরে সড়ক পারাপারের সময় ভান্ডারিয়াগামী ইমাদ পরিবহনের একটি বাস মতিউর রহমানকে চাপা দেয়।
এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা উপজেলা সদরের বাইপাস এলাকায় বাসটি আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ সময় বাসটির চালক মো. শামসুল হককেও আটক করা হয়। তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জের দক্ষিণ ধর্মশুর মুগারচর এলাকার সালাম শেখের ছেলে।
রাজাপুর থানার ওসি সুজন বিশ্বাস বলেন, বাস ও চালককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৫
ঝালকাঠির নলছিটিতে দুই কেজি গাঁজাসহ রাকিব হাসান সরদার (১৯) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকার অটোস্ট্যান্ডসংলগ্ন সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাকিব হাসান সরদার দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার ঘনশ্যামপুর গ্রামের মৃত বাবলু সরদার ওরফে ধলা সরদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার রাতে দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নলছিটি থানা পুলিশ।
অভিযানের সময় অটোস্ট্যান্ডসংলগ্ন সড়কে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা রাকিব হাসানকে আটক করে পুলিশ। পরে তার কাছে তল্লাশি চালিয়ে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা গাঁজা জব্দ করে রাকিবকে থানায় নেওয়া হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দপদপিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মাদক জব্দ করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রাকিব হাসান সরদারের বিরুদ্ধে নলছিটি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলার পর তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অবৈধ সরবরাহ ও বিস্তার রোধে নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে দুই কেজি গাঁজাসহ রাকিব হাসান সরদার (১৯) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকার অটোস্ট্যান্ডসংলগ্ন সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাকিব হাসান সরদার দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার ঘনশ্যামপুর গ্রামের মৃত বাবলু সরদার ওরফে ধলা সরদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার রাতে দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নলছিটি থানা পুলিশ।
অভিযানের সময় অটোস্ট্যান্ডসংলগ্ন সড়কে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা রাকিব হাসানকে আটক করে পুলিশ। পরে তার কাছে তল্লাশি চালিয়ে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা গাঁজা জব্দ করে রাকিবকে থানায় নেওয়া হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দপদপিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মাদক জব্দ করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রাকিব হাসান সরদারের বিরুদ্ধে নলছিটি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলার পর তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অবৈধ সরবরাহ ও বিস্তার রোধে নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।