
১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৭
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের খিরাকাঠি গ্রামের এক প্রবাসীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা নিয়মিত হুমকি, ভয়ভীতি ও মানহানিকর প্রচারণার শিকার হচ্ছেন। রোববার ( ১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন প্রবাসী রাসেল ও শহিদ মোল্লার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, তার দুই ভাই ও মামা সহ সকলেই প্রবাসে থাকেন। তার মা, ভাবি এবং মামী বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তাদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে বাড়ির পাশের মজিবর মোল্লার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছু দিন আগে মজিবর মোল্লাদের বাড়িতে সন্ধ্যা বেলা হঠাৎ ডাক চিৎকার শুরু হয়। সেখানে তার মা ও বড় মামী সহ আশাপাশের কিছু লোকজন যায়। যাওয়ার পর দেখতে পায় তাদের নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে। কোন দুর্ঘটনা নয় দেখে তার মা ও মামী ঘরে চলে আসে। সেই মারামারি বিষয়ে দু পক্ষই থানায় অভিযোগ করে এবং থানায় বসেই শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা হয়। কোন অভিযোগই তার মা ও মামী সহ কারো নাম উল্লেখ নেই। কিন্তু গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের বাসার সামনে দোকানে গেলে জানতে পারেন তার মা ও মামীর নাম উল্লেখ করে একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ছাপানো হয়। যা তার মা ও মামী সহ তাদের পরিবারের সকলের সম্মান হানি করে। এবং কিছু দিন আগে মোঃ মজিবর মোল্লা তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিল। তার মা দেওয়ার মত টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করলে সে তার মায়ের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয় সেই থেকে তার সহয়োগী মিজানুর এবং মনির মোল্লাকে নিয়ে তার মায়ের ঘরের সামনে টিনের বেরায় রাত ৯টার পর থেকে ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত ইটপাটকেল মারতে থাকে এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে বলে, ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে বাড়ি ছাড়তে হবে। সেই থেকে তার মা ও মামী সহ পরিবারের সকলে ভয় নিরবতার দিন কাটাচ্ছেন । কারণ এই মজিবর অনেক বড় সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের পুরো পরিবারে কোন পরুষ লোক নেই। একজন আছে বড় মামা, সেও অসুস্থ। দূর দুরান্তে এই মজবিরের সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। এই মজিবর অনেকবার ডাকাতি করে ধরাও খেয়েছে। এক সময় ডাকাতি করার অপরাধে ৮নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েত হোসেন কাজী মজিবরের মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা লাগিয়েছিল। সেই থেকে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন মজিবর। আবারও সক্রিয় হয়ে এলকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এই মজিবর বাহিনী। এই মজিবরের কারণে তারই বাড়ির খালেক মল্লিকের পরিবারটি আজকে বাড়ি ছাড়া। প্রতি রাতে খালেক মল্লিকের ঘরে উঠতো এই মজিবর। প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলার শিকার হতো। নিরুপায় হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি।
তিনি আরও জানান,এই মজিবর তারই আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘরে মাদক রেখে ধরিয়ে দেয় প্রশাসনের কাছে। তেমননি ভাবে তার পরিবারটিকে শেষ করার জন্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উঠে পরে লেগেছে। দূর দুরন্ত থেকে লোক এনে মাদকের আসর বসাচ্ছে এলাকায় ও তার বাড়িতে। তাই তার ভয়ে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যার জন্য মজিবর বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর মোল্লা বলেন,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন,থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের খিরাকাঠি গ্রামের এক প্রবাসীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা নিয়মিত হুমকি, ভয়ভীতি ও মানহানিকর প্রচারণার শিকার হচ্ছেন। রোববার ( ১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন প্রবাসী রাসেল ও শহিদ মোল্লার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, তার দুই ভাই ও মামা সহ সকলেই প্রবাসে থাকেন। তার মা, ভাবি এবং মামী বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তাদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে বাড়ির পাশের মজিবর মোল্লার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছু দিন আগে মজিবর মোল্লাদের বাড়িতে সন্ধ্যা বেলা হঠাৎ ডাক চিৎকার শুরু হয়। সেখানে তার মা ও বড় মামী সহ আশাপাশের কিছু লোকজন যায়। যাওয়ার পর দেখতে পায় তাদের নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে। কোন দুর্ঘটনা নয় দেখে তার মা ও মামী ঘরে চলে আসে। সেই মারামারি বিষয়ে দু পক্ষই থানায় অভিযোগ করে এবং থানায় বসেই শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা হয়। কোন অভিযোগই তার মা ও মামী সহ কারো নাম উল্লেখ নেই। কিন্তু গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের বাসার সামনে দোকানে গেলে জানতে পারেন তার মা ও মামীর নাম উল্লেখ করে একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ছাপানো হয়। যা তার মা ও মামী সহ তাদের পরিবারের সকলের সম্মান হানি করে। এবং কিছু দিন আগে মোঃ মজিবর মোল্লা তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিল। তার মা দেওয়ার মত টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করলে সে তার মায়ের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয় সেই থেকে তার সহয়োগী মিজানুর এবং মনির মোল্লাকে নিয়ে তার মায়ের ঘরের সামনে টিনের বেরায় রাত ৯টার পর থেকে ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত ইটপাটকেল মারতে থাকে এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে বলে, ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে বাড়ি ছাড়তে হবে। সেই থেকে তার মা ও মামী সহ পরিবারের সকলে ভয় নিরবতার দিন কাটাচ্ছেন । কারণ এই মজিবর অনেক বড় সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের পুরো পরিবারে কোন পরুষ লোক নেই। একজন আছে বড় মামা, সেও অসুস্থ। দূর দুরান্তে এই মজবিরের সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। এই মজিবর অনেকবার ডাকাতি করে ধরাও খেয়েছে। এক সময় ডাকাতি করার অপরাধে ৮নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েত হোসেন কাজী মজিবরের মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা লাগিয়েছিল। সেই থেকে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন মজিবর। আবারও সক্রিয় হয়ে এলকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এই মজিবর বাহিনী। এই মজিবরের কারণে তারই বাড়ির খালেক মল্লিকের পরিবারটি আজকে বাড়ি ছাড়া। প্রতি রাতে খালেক মল্লিকের ঘরে উঠতো এই মজিবর। প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলার শিকার হতো। নিরুপায় হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি।
তিনি আরও জানান,এই মজিবর তারই আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘরে মাদক রেখে ধরিয়ে দেয় প্রশাসনের কাছে। তেমননি ভাবে তার পরিবারটিকে শেষ করার জন্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উঠে পরে লেগেছে। দূর দুরন্ত থেকে লোক এনে মাদকের আসর বসাচ্ছে এলাকায় ও তার বাড়িতে। তাই তার ভয়ে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যার জন্য মজিবর বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর মোল্লা বলেন,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন,থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৮
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৭
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.