ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের খিরাকাঠি গ্রামের এক প্রবাসীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা নিয়মিত হুমকি, ভয়ভীতি ও মানহানিকর প্রচারণার শিকার হচ্ছেন। রোববার ( ১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন প্রবাসী রাসেল ও শহিদ মোল্লার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, তার দুই ভাই ও মামা সহ সকলেই প্রবাসে থাকেন। তার মা, ভাবি এবং মামী বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তাদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে বাড়ির পাশের মজিবর মোল্লার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছু দিন আগে মজিবর মোল্লাদের বাড়িতে সন্ধ্যা বেলা হঠাৎ ডাক চিৎকার শুরু হয়। সেখানে তার মা ও বড় মামী সহ আশাপাশের কিছু লোকজন যায়। যাওয়ার পর দেখতে পায় তাদের নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে। কোন দুর্ঘটনা নয় দেখে তার মা ও মামী ঘরে চলে আসে। সেই মারামারি বিষয়ে দু পক্ষই থানায় অভিযোগ করে এবং থানায় বসেই শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা হয়। কোন অভিযোগই তার মা ও মামী সহ কারো নাম উল্লেখ নেই। কিন্তু গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের বাসার সামনে দোকানে গেলে জানতে পারেন তার মা ও মামীর নাম উল্লেখ করে একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ছাপানো হয়। যা তার মা ও মামী সহ তাদের পরিবারের সকলের সম্মান হানি করে। এবং কিছু দিন আগে মোঃ মজিবর মোল্লা তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিল। তার মা দেওয়ার মত টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করলে সে তার মায়ের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয় সেই থেকে তার সহয়োগী মিজানুর এবং মনির মোল্লাকে নিয়ে তার মায়ের ঘরের সামনে টিনের বেরায় রাত ৯টার পর থেকে ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত ইটপাটকেল মারতে থাকে এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে বলে, ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে বাড়ি ছাড়তে হবে। সেই থেকে তার মা ও মামী সহ পরিবারের সকলে ভয় নিরবতার দিন কাটাচ্ছেন । কারণ এই মজিবর অনেক বড় সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের পুরো পরিবারে কোন পরুষ লোক নেই। একজন আছে বড় মামা, সেও অসুস্থ। দূর দুরান্তে এই মজবিরের সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। এই মজিবর অনেকবার ডাকাতি করে ধরাও খেয়েছে। এক সময় ডাকাতি করার অপরাধে ৮নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েত হোসেন কাজী মজিবরের মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা লাগিয়েছিল। সেই থেকে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন মজিবর। আবারও সক্রিয় হয়ে এলকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এই মজিবর বাহিনী। এই মজিবরের কারণে তারই বাড়ির খালেক মল্লিকের পরিবারটি আজকে বাড়ি ছাড়া। প্রতি রাতে খালেক মল্লিকের ঘরে উঠতো এই মজিবর। প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলার শিকার হতো। নিরুপায় হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি।
তিনি আরও জানান,এই মজিবর তারই আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘরে মাদক রেখে ধরিয়ে দেয় প্রশাসনের কাছে। তেমননি ভাবে তার পরিবারটিকে শেষ করার জন্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উঠে পরে লেগেছে। দূর দুরন্ত থেকে লোক এনে মাদকের আসর বসাচ্ছে এলাকায় ও তার বাড়িতে। তাই তার ভয়ে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যার জন্য মজিবর বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর মোল্লা বলেন,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন,থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪২
ঝালকাঠির নলছিটিতে গাঁজাসহ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির এক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। একই রাতে পৃথক অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে নলছিটি শহরের সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনের সময় পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আদনান রুবেল (২৮)কে আটক করা হয়। তিনি সবুজবাগ এলাকার আব্দুস ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পরে তাকে নলছিটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের তদবিরে সাড়া না দিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
একই রাতে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিজিরা এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে অভিযান চালায় নলছিটি থানা পুলিশ। এ সময় ২০ পিস ইয়াবাসহ হাসিবুর রহমান (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বরিশালের জাগুয়া এলাকার আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক দুইজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঝালকাঠির নলছিটিতে গাঁজাসহ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির এক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। একই রাতে পৃথক অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে নলছিটি শহরের সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনের সময় পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আদনান রুবেল (২৮)কে আটক করা হয়। তিনি সবুজবাগ এলাকার আব্দুস ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পরে তাকে নলছিটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের তদবিরে সাড়া না দিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
একই রাতে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিজিরা এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে অভিযান চালায় নলছিটি থানা পুলিশ। এ সময় ২০ পিস ইয়াবাসহ হাসিবুর রহমান (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বরিশালের জাগুয়া এলাকার আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক দুইজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ মুন্নি আক্তার কলি (৩৬) নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ভাসুর ছেলে ও ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ভাসুর ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠির আদালতে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন আসামী রয়েছে। নলছিটি থানা পুলিশকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছে আদালত।
বাদীর আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মাওলা শান্ত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জীবন নাশক অস্ত্র-সস্ত্র, দা, লোহার রডসহ শক্তির মহড়া দিয়া জনমনে ভীতি, আতংক, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে ঘেরের মাছ লুট, গাছ কাটা, বসতঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করে গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, আসামী শহীদ আলম উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং ভরতকাঠি গ্রামের মৃত রশিদ হাওলাদারের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মুন্নি আক্তার কলির স্বামী মো. রফিক গত ২০২৪ সালের ২৭ মে সৌদি থেকে বাংলাদেশে আসার পথে এয়ারপোর্টে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। পরে সৌদি আরব থেকে রফিকের মরদেহের সঙ্গে তার জমাকৃত নগদ ১৮৪০০ সৌদি রিয়াল, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য মালামাল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশে পাঠানো হয়। কিন্তু মামলার বাদী মুন্নি ও তার দুই সন্তানকে না জানিয়ে ভাসুরের ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগম দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নামে একটি জাল প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করে মুন্নির স্বামীর মরদেহসহ মালামাল, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য কাগজপত্র ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে এসব বিষয় জানতে চাইলে আসামী শহীদ আলম ও তাসলিমা বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মুন্নিকে হত্যা, গুরুতর জখমের হুমকি দেন। গত ২ জুলাই আসামী শহীদ, তাসলিমা ও তার জামাই আক্কাসসহ অন্যান্য আসামীরা মুন্নির বসতঘরের সামনের ঘের থেকে প্রায় ২০ মণ মাছ লুট করেন এবং ঘেরের বাঁধ কেটে ঘেরটি উন্মুক্ত করে দেন। আসামীরা মুন্নির ঘরের পাশের বাগানে থেকে ১৩টি গাছ জোরপূর্বক কেটে ফেলেন। এসবের প্রতিবাদ করলে আসামীরা মুন্নিকে ধাওয়া করেন এবং বসতঘরে ঢুকে দুই সন্তানসহ তাকে মারধর করেন। বসতঘরে লুটপাট ও ভাঙচুর করে তাদেরকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে বসতঘরে তালা লাগিয়ে দেয়।
এ বিষয় জানতে চাইলে মামলার প্রধান আসামী শহীদ আলম বলেন, বাদী মুন্নির আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। শুধুমাত্র হয়রানি করার জন্য তাকে ও অন্যান্যদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছে।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ মুন্নি আক্তার কলি (৩৬) নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ভাসুর ছেলে ও ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ভাসুর ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠির আদালতে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন আসামী রয়েছে। নলছিটি থানা পুলিশকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছে আদালত।
বাদীর আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মাওলা শান্ত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জীবন নাশক অস্ত্র-সস্ত্র, দা, লোহার রডসহ শক্তির মহড়া দিয়া জনমনে ভীতি, আতংক, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে ঘেরের মাছ লুট, গাছ কাটা, বসতঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করে গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, আসামী শহীদ আলম উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং ভরতকাঠি গ্রামের মৃত রশিদ হাওলাদারের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মুন্নি আক্তার কলির স্বামী মো. রফিক গত ২০২৪ সালের ২৭ মে সৌদি থেকে বাংলাদেশে আসার পথে এয়ারপোর্টে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। পরে সৌদি আরব থেকে রফিকের মরদেহের সঙ্গে তার জমাকৃত নগদ ১৮৪০০ সৌদি রিয়াল, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য মালামাল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশে পাঠানো হয়। কিন্তু মামলার বাদী মুন্নি ও তার দুই সন্তানকে না জানিয়ে ভাসুরের ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগম দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নামে একটি জাল প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করে মুন্নির স্বামীর মরদেহসহ মালামাল, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য কাগজপত্র ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে এসব বিষয় জানতে চাইলে আসামী শহীদ আলম ও তাসলিমা বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মুন্নিকে হত্যা, গুরুতর জখমের হুমকি দেন। গত ২ জুলাই আসামী শহীদ, তাসলিমা ও তার জামাই আক্কাসসহ অন্যান্য আসামীরা মুন্নির বসতঘরের সামনের ঘের থেকে প্রায় ২০ মণ মাছ লুট করেন এবং ঘেরের বাঁধ কেটে ঘেরটি উন্মুক্ত করে দেন। আসামীরা মুন্নির ঘরের পাশের বাগানে থেকে ১৩টি গাছ জোরপূর্বক কেটে ফেলেন। এসবের প্রতিবাদ করলে আসামীরা মুন্নিকে ধাওয়া করেন এবং বসতঘরে ঢুকে দুই সন্তানসহ তাকে মারধর করেন। বসতঘরে লুটপাট ও ভাঙচুর করে তাদেরকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে বসতঘরে তালা লাগিয়ে দেয়।
এ বিষয় জানতে চাইলে মামলার প্রধান আসামী শহীদ আলম বলেন, বাদী মুন্নির আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। শুধুমাত্র হয়রানি করার জন্য তাকে ও অন্যান্যদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছে।’

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৭
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের খিরাকাঠি গ্রামের এক প্রবাসীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা নিয়মিত হুমকি, ভয়ভীতি ও মানহানিকর প্রচারণার শিকার হচ্ছেন। রোববার ( ১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন প্রবাসী রাসেল ও শহিদ মোল্লার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, তার দুই ভাই ও মামা সহ সকলেই প্রবাসে থাকেন। তার মা, ভাবি এবং মামী বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তাদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে বাড়ির পাশের মজিবর মোল্লার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছু দিন আগে মজিবর মোল্লাদের বাড়িতে সন্ধ্যা বেলা হঠাৎ ডাক চিৎকার শুরু হয়। সেখানে তার মা ও বড় মামী সহ আশাপাশের কিছু লোকজন যায়। যাওয়ার পর দেখতে পায় তাদের নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে। কোন দুর্ঘটনা নয় দেখে তার মা ও মামী ঘরে চলে আসে। সেই মারামারি বিষয়ে দু পক্ষই থানায় অভিযোগ করে এবং থানায় বসেই শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা হয়। কোন অভিযোগই তার মা ও মামী সহ কারো নাম উল্লেখ নেই। কিন্তু গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের বাসার সামনে দোকানে গেলে জানতে পারেন তার মা ও মামীর নাম উল্লেখ করে একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ছাপানো হয়। যা তার মা ও মামী সহ তাদের পরিবারের সকলের সম্মান হানি করে। এবং কিছু দিন আগে মোঃ মজিবর মোল্লা তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিল। তার মা দেওয়ার মত টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করলে সে তার মায়ের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয় সেই থেকে তার সহয়োগী মিজানুর এবং মনির মোল্লাকে নিয়ে তার মায়ের ঘরের সামনে টিনের বেরায় রাত ৯টার পর থেকে ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত ইটপাটকেল মারতে থাকে এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে বলে, ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে বাড়ি ছাড়তে হবে। সেই থেকে তার মা ও মামী সহ পরিবারের সকলে ভয় নিরবতার দিন কাটাচ্ছেন । কারণ এই মজিবর অনেক বড় সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের পুরো পরিবারে কোন পরুষ লোক নেই। একজন আছে বড় মামা, সেও অসুস্থ। দূর দুরান্তে এই মজবিরের সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। এই মজিবর অনেকবার ডাকাতি করে ধরাও খেয়েছে। এক সময় ডাকাতি করার অপরাধে ৮নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েত হোসেন কাজী মজিবরের মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা লাগিয়েছিল। সেই থেকে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন মজিবর। আবারও সক্রিয় হয়ে এলকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এই মজিবর বাহিনী। এই মজিবরের কারণে তারই বাড়ির খালেক মল্লিকের পরিবারটি আজকে বাড়ি ছাড়া। প্রতি রাতে খালেক মল্লিকের ঘরে উঠতো এই মজিবর। প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলার শিকার হতো। নিরুপায় হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি।
তিনি আরও জানান,এই মজিবর তারই আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘরে মাদক রেখে ধরিয়ে দেয় প্রশাসনের কাছে। তেমননি ভাবে তার পরিবারটিকে শেষ করার জন্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উঠে পরে লেগেছে। দূর দুরন্ত থেকে লোক এনে মাদকের আসর বসাচ্ছে এলাকায় ও তার বাড়িতে। তাই তার ভয়ে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যার জন্য মজিবর বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর মোল্লা বলেন,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন,থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।