
১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৭
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের খিরাকাঠি গ্রামের এক প্রবাসীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা নিয়মিত হুমকি, ভয়ভীতি ও মানহানিকর প্রচারণার শিকার হচ্ছেন। রোববার ( ১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন প্রবাসী রাসেল ও শহিদ মোল্লার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, তার দুই ভাই ও মামা সহ সকলেই প্রবাসে থাকেন। তার মা, ভাবি এবং মামী বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তাদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে বাড়ির পাশের মজিবর মোল্লার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছু দিন আগে মজিবর মোল্লাদের বাড়িতে সন্ধ্যা বেলা হঠাৎ ডাক চিৎকার শুরু হয়। সেখানে তার মা ও বড় মামী সহ আশাপাশের কিছু লোকজন যায়। যাওয়ার পর দেখতে পায় তাদের নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে। কোন দুর্ঘটনা নয় দেখে তার মা ও মামী ঘরে চলে আসে। সেই মারামারি বিষয়ে দু পক্ষই থানায় অভিযোগ করে এবং থানায় বসেই শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা হয়। কোন অভিযোগই তার মা ও মামী সহ কারো নাম উল্লেখ নেই। কিন্তু গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের বাসার সামনে দোকানে গেলে জানতে পারেন তার মা ও মামীর নাম উল্লেখ করে একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ছাপানো হয়। যা তার মা ও মামী সহ তাদের পরিবারের সকলের সম্মান হানি করে। এবং কিছু দিন আগে মোঃ মজিবর মোল্লা তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিল। তার মা দেওয়ার মত টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করলে সে তার মায়ের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয় সেই থেকে তার সহয়োগী মিজানুর এবং মনির মোল্লাকে নিয়ে তার মায়ের ঘরের সামনে টিনের বেরায় রাত ৯টার পর থেকে ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত ইটপাটকেল মারতে থাকে এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে বলে, ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে বাড়ি ছাড়তে হবে। সেই থেকে তার মা ও মামী সহ পরিবারের সকলে ভয় নিরবতার দিন কাটাচ্ছেন । কারণ এই মজিবর অনেক বড় সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের পুরো পরিবারে কোন পরুষ লোক নেই। একজন আছে বড় মামা, সেও অসুস্থ। দূর দুরান্তে এই মজবিরের সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। এই মজিবর অনেকবার ডাকাতি করে ধরাও খেয়েছে। এক সময় ডাকাতি করার অপরাধে ৮নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েত হোসেন কাজী মজিবরের মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা লাগিয়েছিল। সেই থেকে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন মজিবর। আবারও সক্রিয় হয়ে এলকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এই মজিবর বাহিনী। এই মজিবরের কারণে তারই বাড়ির খালেক মল্লিকের পরিবারটি আজকে বাড়ি ছাড়া। প্রতি রাতে খালেক মল্লিকের ঘরে উঠতো এই মজিবর। প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলার শিকার হতো। নিরুপায় হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি।
তিনি আরও জানান,এই মজিবর তারই আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘরে মাদক রেখে ধরিয়ে দেয় প্রশাসনের কাছে। তেমননি ভাবে তার পরিবারটিকে শেষ করার জন্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উঠে পরে লেগেছে। দূর দুরন্ত থেকে লোক এনে মাদকের আসর বসাচ্ছে এলাকায় ও তার বাড়িতে। তাই তার ভয়ে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যার জন্য মজিবর বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর মোল্লা বলেন,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন,থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের খিরাকাঠি গ্রামের এক প্রবাসীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা নিয়মিত হুমকি, ভয়ভীতি ও মানহানিকর প্রচারণার শিকার হচ্ছেন। রোববার ( ১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরেন প্রবাসী রাসেল ও শহিদ মোল্লার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, তার দুই ভাই ও মামা সহ সকলেই প্রবাসে থাকেন। তার মা, ভাবি এবং মামী বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তাদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে বাড়ির পাশের মজিবর মোল্লার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। কিছু দিন আগে মজিবর মোল্লাদের বাড়িতে সন্ধ্যা বেলা হঠাৎ ডাক চিৎকার শুরু হয়। সেখানে তার মা ও বড় মামী সহ আশাপাশের কিছু লোকজন যায়। যাওয়ার পর দেখতে পায় তাদের নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে। কোন দুর্ঘটনা নয় দেখে তার মা ও মামী ঘরে চলে আসে। সেই মারামারি বিষয়ে দু পক্ষই থানায় অভিযোগ করে এবং থানায় বসেই শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা হয়। কোন অভিযোগই তার মা ও মামী সহ কারো নাম উল্লেখ নেই। কিন্তু গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের বাসার সামনে দোকানে গেলে জানতে পারেন তার মা ও মামীর নাম উল্লেখ করে একটি পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ ছাপানো হয়। যা তার মা ও মামী সহ তাদের পরিবারের সকলের সম্মান হানি করে। এবং কিছু দিন আগে মোঃ মজিবর মোল্লা তার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিল। তার মা দেওয়ার মত টাকা নেই বলে তাকে বিদায় করলে সে তার মায়ের ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয় সেই থেকে তার সহয়োগী মিজানুর এবং মনির মোল্লাকে নিয়ে তার মায়ের ঘরের সামনে টিনের বেরায় রাত ৯টার পর থেকে ১২ থেকে ১টা পর্যন্ত ইটপাটকেল মারতে থাকে এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে বলে, ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে বাড়ি ছাড়তে হবে। সেই থেকে তার মা ও মামী সহ পরিবারের সকলে ভয় নিরবতার দিন কাটাচ্ছেন । কারণ এই মজিবর অনেক বড় সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের পুরো পরিবারে কোন পরুষ লোক নেই। একজন আছে বড় মামা, সেও অসুস্থ। দূর দুরান্তে এই মজবিরের সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। এই মজিবর অনেকবার ডাকাতি করে ধরাও খেয়েছে। এক সময় ডাকাতি করার অপরাধে ৮নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েত হোসেন কাজী মজিবরের মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা লাগিয়েছিল। সেই থেকে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন মজিবর। আবারও সক্রিয় হয়ে এলকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এই মজিবর বাহিনী। এই মজিবরের কারণে তারই বাড়ির খালেক মল্লিকের পরিবারটি আজকে বাড়ি ছাড়া। প্রতি রাতে খালেক মল্লিকের ঘরে উঠতো এই মজিবর। প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলার শিকার হতো। নিরুপায় হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি।
তিনি আরও জানান,এই মজিবর তারই আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘরে মাদক রেখে ধরিয়ে দেয় প্রশাসনের কাছে। তেমননি ভাবে তার পরিবারটিকে শেষ করার জন্য তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উঠে পরে লেগেছে। দূর দুরন্ত থেকে লোক এনে মাদকের আসর বসাচ্ছে এলাকায় ও তার বাড়িতে। তাই তার ভয়ে তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যার জন্য মজিবর বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর মোল্লা বলেন,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন,থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৫:৫৫
ঝালকাঠির রাজাপুরে ভেকু মেশিনের ধাক্কায় মো. সিহাব উদ্দীন নামে ব্রাকের এক মাঠ কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার খন্দকার বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সিহাব উদ্দীন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের মো. মাকসুদুর রহমানের ছেলে। তিনি ব্রাকের ভান্ডারিয়া শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খন্দকার বাড়ির পাশে খাল খননের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন খালের পাশ থেকে মহাসড়কে উঠছিল। একই সময় মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থল থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন সিহাব উদ্দীন। এ সময় ভেকু মেশিনের সামনের হাতা ঘুরে সিহাবের মাথায় সজোরে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তার হেলমেট ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা নিয়ম না মেনেই কোন সংকেত ছাড়াই ড্রাইভার ভেকু মেশিনটি মহাসড়কে তুলছিলেন। তাদের দাবি, ভেকু ড্রাইভারের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনার পর ভেকু ড্রাইভার পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির রাজাপুরে ভেকু মেশিনের ধাক্কায় মো. সিহাব উদ্দীন নামে ব্রাকের এক মাঠ কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার খন্দকার বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সিহাব উদ্দীন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের মো. মাকসুদুর রহমানের ছেলে। তিনি ব্রাকের ভান্ডারিয়া শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খন্দকার বাড়ির পাশে খাল খননের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন খালের পাশ থেকে মহাসড়কে উঠছিল। একই সময় মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থল থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন সিহাব উদ্দীন। এ সময় ভেকু মেশিনের সামনের হাতা ঘুরে সিহাবের মাথায় সজোরে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তার হেলমেট ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা নিয়ম না মেনেই কোন সংকেত ছাড়াই ড্রাইভার ভেকু মেশিনটি মহাসড়কে তুলছিলেন। তাদের দাবি, ভেকু ড্রাইভারের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনার পর ভেকু ড্রাইভার পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০
ঝালকাঠির নলছিটিতে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলি উল্টে ট্রলির মালিক হানিফ মাঝি (৩৮) নিহত ও চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার( ২৪ মে) উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা-খেজুরতলা সড়কের কালিবাড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আরিফুল আলম।
নিহত হানিফ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি এলাকার সুলতান মাঝির ছেলে। এ ঘটনায় চালক মো: ইমন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি এলাকার বাসিন্দা। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা বাজার থেকে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলিটি তেল খালাস করে বাখরকাঠি ফেরত যাওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির কারনে ট্রলিটি উল্টে যায়। এসময় মালিক হানিফ মাঝি ট্রলির নিচে চাপা পরে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে এবং আহত চালক মো: ইমনকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আরিফুল আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির নলছিটিতে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলি উল্টে ট্রলির মালিক হানিফ মাঝি (৩৮) নিহত ও চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার( ২৪ মে) উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা-খেজুরতলা সড়কের কালিবাড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আরিফুল আলম।
নিহত হানিফ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি এলাকার সুলতান মাঝির ছেলে। এ ঘটনায় চালক মো: ইমন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি এলাকার বাসিন্দা। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা বাজার থেকে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলিটি তেল খালাস করে বাখরকাঠি ফেরত যাওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির কারনে ট্রলিটি উল্টে যায়। এসময় মালিক হানিফ মাঝি ট্রলির নিচে চাপা পরে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে এবং আহত চালক মো: ইমনকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আরিফুল আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৫
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.