
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
নদীঘেরা বরিশাল বিভাগের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নৌপথ। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রধান ভরসা এই নদীপথই। কিন্তু সেই নৌপথই আজ হয়ে উঠেছে ভয়ংকর ঝুঁকির নাম। সেকেলে প্রযুক্তি, অদক্ষ চালক, অবৈধ বাল্কহেড, ডুবোচর ও শীতের ঘন কুয়াশা মিলিয়ে নৌযাত্রা প্রতিদিনই রূপ নিচ্ছে মরণফাঁদে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বরিশাল বিভাগের নদীগুলোতে তিন শতাধিক নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় চারশ মানুষ।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ১১০ জন, ২০২২ সালে ৬৪টি দুর্ঘটনায় ৬৮ জন,
২০২৩ সালে ৬২টি দুর্ঘটনায় ৬২ জন, ২০২৪ সালে ৫৫টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন।
নৌযানের চালক ও কর্মীদের ভাষ্য, অভ্যন্তরীণ নৌরুটের বড় একটি অংশ এখনো চলছে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ চালকের পরিবর্তে অনভিজ্ঞ লোকজন দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রীবাহী সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, রাতের নদীপথে সবচেয়ে বড় হুমকি বালু বোঝাই বাল্কহেড। শীতকালে নাব্যতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশা যোগ হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নদীপথ নির্দেশনার বয়া অনেক জায়গায় অকেজো হয়ে আছে।
আরেকটি লঞ্চের সুকানী আল আমিন বলেন, দক্ষ চালকের অভাব নৌপথের অন্যতম বড় সমস্যা। অনেক চালকই নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতাও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
লঞ্চ মালিকদের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। তবু বর্ষা ও শীত মৌসুমে ঝুঁকি বাড়লেও অনেক লঞ্চ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে। অধিকাংশ নৌযানে নেই আধুনিক রাডার, ফগ লাইট বা উন্নত নেভিগেশন ব্যবস্থা। ফলে কুয়াশায় দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ে।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সলেমান জানান, সার্ভে ও অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান চলার কথা নয়। তবে বাস্তবে নিয়ম ভাঙার ঘটনা রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
বরিশাল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার নাজমুল হক বলেন, সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তবে চালক ও মালিকপক্ষের সচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট কাটানো কঠিন।
নদীর সঙ্গে লড়াই করেই বরিশালের মানুষ বাঁচে। কিন্তু সেই নদীপথেই যখন প্রতিদিন ঝরে যায় প্রাণ, তখন প্রশ্ন ওঠে আর কত মৃত্যু হলে নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
নদীঘেরা বরিশাল বিভাগের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নৌপথ। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রধান ভরসা এই নদীপথই। কিন্তু সেই নৌপথই আজ হয়ে উঠেছে ভয়ংকর ঝুঁকির নাম। সেকেলে প্রযুক্তি, অদক্ষ চালক, অবৈধ বাল্কহেড, ডুবোচর ও শীতের ঘন কুয়াশা মিলিয়ে নৌযাত্রা প্রতিদিনই রূপ নিচ্ছে মরণফাঁদে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বরিশাল বিভাগের নদীগুলোতে তিন শতাধিক নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় চারশ মানুষ।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ১১০ জন, ২০২২ সালে ৬৪টি দুর্ঘটনায় ৬৮ জন,
২০২৩ সালে ৬২টি দুর্ঘটনায় ৬২ জন, ২০২৪ সালে ৫৫টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন।
নৌযানের চালক ও কর্মীদের ভাষ্য, অভ্যন্তরীণ নৌরুটের বড় একটি অংশ এখনো চলছে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ চালকের পরিবর্তে অনভিজ্ঞ লোকজন দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রীবাহী সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, রাতের নদীপথে সবচেয়ে বড় হুমকি বালু বোঝাই বাল্কহেড। শীতকালে নাব্যতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশা যোগ হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নদীপথ নির্দেশনার বয়া অনেক জায়গায় অকেজো হয়ে আছে।
আরেকটি লঞ্চের সুকানী আল আমিন বলেন, দক্ষ চালকের অভাব নৌপথের অন্যতম বড় সমস্যা। অনেক চালকই নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতাও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
লঞ্চ মালিকদের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। তবু বর্ষা ও শীত মৌসুমে ঝুঁকি বাড়লেও অনেক লঞ্চ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে। অধিকাংশ নৌযানে নেই আধুনিক রাডার, ফগ লাইট বা উন্নত নেভিগেশন ব্যবস্থা। ফলে কুয়াশায় দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ে।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সলেমান জানান, সার্ভে ও অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান চলার কথা নয়। তবে বাস্তবে নিয়ম ভাঙার ঘটনা রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
বরিশাল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার নাজমুল হক বলেন, সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তবে চালক ও মালিকপক্ষের সচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট কাটানো কঠিন।
নদীর সঙ্গে লড়াই করেই বরিশালের মানুষ বাঁচে। কিন্তু সেই নদীপথেই যখন প্রতিদিন ঝরে যায় প্রাণ, তখন প্রশ্ন ওঠে আর কত মৃত্যু হলে নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৮
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪৭
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:২১
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.