
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
নদীঘেরা বরিশাল বিভাগের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নৌপথ। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রধান ভরসা এই নদীপথই। কিন্তু সেই নৌপথই আজ হয়ে উঠেছে ভয়ংকর ঝুঁকির নাম। সেকেলে প্রযুক্তি, অদক্ষ চালক, অবৈধ বাল্কহেড, ডুবোচর ও শীতের ঘন কুয়াশা মিলিয়ে নৌযাত্রা প্রতিদিনই রূপ নিচ্ছে মরণফাঁদে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বরিশাল বিভাগের নদীগুলোতে তিন শতাধিক নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় চারশ মানুষ।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ১১০ জন, ২০২২ সালে ৬৪টি দুর্ঘটনায় ৬৮ জন,
২০২৩ সালে ৬২টি দুর্ঘটনায় ৬২ জন, ২০২৪ সালে ৫৫টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন।
নৌযানের চালক ও কর্মীদের ভাষ্য, অভ্যন্তরীণ নৌরুটের বড় একটি অংশ এখনো চলছে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ চালকের পরিবর্তে অনভিজ্ঞ লোকজন দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রীবাহী সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, রাতের নদীপথে সবচেয়ে বড় হুমকি বালু বোঝাই বাল্কহেড। শীতকালে নাব্যতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশা যোগ হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নদীপথ নির্দেশনার বয়া অনেক জায়গায় অকেজো হয়ে আছে।
আরেকটি লঞ্চের সুকানী আল আমিন বলেন, দক্ষ চালকের অভাব নৌপথের অন্যতম বড় সমস্যা। অনেক চালকই নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতাও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
লঞ্চ মালিকদের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। তবু বর্ষা ও শীত মৌসুমে ঝুঁকি বাড়লেও অনেক লঞ্চ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে। অধিকাংশ নৌযানে নেই আধুনিক রাডার, ফগ লাইট বা উন্নত নেভিগেশন ব্যবস্থা। ফলে কুয়াশায় দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ে।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সলেমান জানান, সার্ভে ও অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান চলার কথা নয়। তবে বাস্তবে নিয়ম ভাঙার ঘটনা রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
বরিশাল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার নাজমুল হক বলেন, সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তবে চালক ও মালিকপক্ষের সচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট কাটানো কঠিন।
নদীর সঙ্গে লড়াই করেই বরিশালের মানুষ বাঁচে। কিন্তু সেই নদীপথেই যখন প্রতিদিন ঝরে যায় প্রাণ, তখন প্রশ্ন ওঠে আর কত মৃত্যু হলে নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
নদীঘেরা বরিশাল বিভাগের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নৌপথ। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রধান ভরসা এই নদীপথই। কিন্তু সেই নৌপথই আজ হয়ে উঠেছে ভয়ংকর ঝুঁকির নাম। সেকেলে প্রযুক্তি, অদক্ষ চালক, অবৈধ বাল্কহেড, ডুবোচর ও শীতের ঘন কুয়াশা মিলিয়ে নৌযাত্রা প্রতিদিনই রূপ নিচ্ছে মরণফাঁদে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বরিশাল বিভাগের নদীগুলোতে তিন শতাধিক নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় চারশ মানুষ।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ১১০ জন, ২০২২ সালে ৬৪টি দুর্ঘটনায় ৬৮ জন,
২০২৩ সালে ৬২টি দুর্ঘটনায় ৬২ জন, ২০২৪ সালে ৫৫টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন।
নৌযানের চালক ও কর্মীদের ভাষ্য, অভ্যন্তরীণ নৌরুটের বড় একটি অংশ এখনো চলছে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ চালকের পরিবর্তে অনভিজ্ঞ লোকজন দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রীবাহী সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, রাতের নদীপথে সবচেয়ে বড় হুমকি বালু বোঝাই বাল্কহেড। শীতকালে নাব্যতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশা যোগ হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নদীপথ নির্দেশনার বয়া অনেক জায়গায় অকেজো হয়ে আছে।
আরেকটি লঞ্চের সুকানী আল আমিন বলেন, দক্ষ চালকের অভাব নৌপথের অন্যতম বড় সমস্যা। অনেক চালকই নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতাও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
লঞ্চ মালিকদের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। তবু বর্ষা ও শীত মৌসুমে ঝুঁকি বাড়লেও অনেক লঞ্চ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে। অধিকাংশ নৌযানে নেই আধুনিক রাডার, ফগ লাইট বা উন্নত নেভিগেশন ব্যবস্থা। ফলে কুয়াশায় দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ে।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সলেমান জানান, সার্ভে ও অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান চলার কথা নয়। তবে বাস্তবে নিয়ম ভাঙার ঘটনা রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
বরিশাল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার নাজমুল হক বলেন, সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তবে চালক ও মালিকপক্ষের সচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট কাটানো কঠিন।
নদীর সঙ্গে লড়াই করেই বরিশালের মানুষ বাঁচে। কিন্তু সেই নদীপথেই যখন প্রতিদিন ঝরে যায় প্রাণ, তখন প্রশ্ন ওঠে আর কত মৃত্যু হলে নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৮
পবিত্র মাহে রমজান, শবে কদর, ঈদুল ফিতর এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ২৪ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি)।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খান সানজিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
নোটিশ অনুযায়ী, রবিবার (৮ মার্চ) থেকে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পর্যন্ত মোট ২৪ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
অন্যদিকে অফিস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৭ দিন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ছুটিতে সিকিউরিটিসহ অন্যান্য জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে।
পবিত্র মাহে রমজান, শবে কদর, ঈদুল ফিতর এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ২৪ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি)।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খান সানজিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
নোটিশ অনুযায়ী, রবিবার (৮ মার্চ) থেকে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পর্যন্ত মোট ২৪ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
অন্যদিকে অফিস কার্যক্রম বন্ধ থাকবে ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৭ দিন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ছুটিতে সিকিউরিটিসহ অন্যান্য জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৮
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী স্টেশনের উত্তর পাশে মোটরসাইকেল ও অজ্ঞাত একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের এক ফায়ার ফাইটার (অগ্নিনির্বাপক কর্মী) নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফায়ার ফাইটার প্রান্ত মণ্ডল বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার রূপধন এলাকার বাসিন্দা এবং পুলিন মণ্ডলের ছেলে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, বরিশালমুখী মোটরসাইকেলের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর পিকআপ ভ্যানটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহীকে উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের সাথে থাকা পরিচয়পত্র থেকে জানা যায়, তিনি বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এ ফায়ার ফাইটার (অগ্নিনির্বাপক কর্মী) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের মরদেহ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পলাতক পিকআপ ভ্যানটিকে শনাক্ত ও দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান হাইওয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা।
এদিকে নিহতের আত্মীয় পরিচয়দানকারী সহদেব ফোনে জানান, প্রান্ত ঢাকা থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে ইচলাদী এলাকায় পৌঁছালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। তার মরদেহ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী স্টেশনের উত্তর পাশে মোটরসাইকেল ও অজ্ঞাত একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের এক ফায়ার ফাইটার (অগ্নিনির্বাপক কর্মী) নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফায়ার ফাইটার প্রান্ত মণ্ডল বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার রূপধন এলাকার বাসিন্দা এবং পুলিন মণ্ডলের ছেলে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, বরিশালমুখী মোটরসাইকেলের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর পিকআপ ভ্যানটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহীকে উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের সাথে থাকা পরিচয়পত্র থেকে জানা যায়, তিনি বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এ ফায়ার ফাইটার (অগ্নিনির্বাপক কর্মী) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের মরদেহ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পলাতক পিকআপ ভ্যানটিকে শনাক্ত ও দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান হাইওয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা।
এদিকে নিহতের আত্মীয় পরিচয়দানকারী সহদেব ফোনে জানান, প্রান্ত ঢাকা থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে ইচলাদী এলাকায় পৌঁছালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। তার মরদেহ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫২
বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে ট্যুরিস্ট পুলিশে, পুলিশ সদরদপ্তরের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এবং ৫ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. হারুন অর রশিদকে রাজশাহীর সারদায় পদায়ন করা হয়েছে।
বরিশাল রেঞ্জের দায়িত্ব পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদবঞ্চিত ছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাকে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে গতবছরের গত ২৬ নভেম্বর তিনি পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হন। পরে তাকে পুলিশ সদরদপ্তরে পদায়ন করা হয়।
বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে ট্যুরিস্ট পুলিশে, পুলিশ সদরদপ্তরের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এবং ৫ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. হারুন অর রশিদকে রাজশাহীর সারদায় পদায়ন করা হয়েছে।
বরিশাল রেঞ্জের দায়িত্ব পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদবঞ্চিত ছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাকে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে গতবছরের গত ২৬ নভেম্বর তিনি পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হন। পরে তাকে পুলিশ সদরদপ্তরে পদায়ন করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২০
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৭
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৮