ভোলায় টিকাদান কেন্দ্রে যাওয়ার পথে মায়ের কোলে থাকা তিন মাসের এক শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের মালের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে নিয়মিত টিকা দেয়ার জন্য মা সুমাইয়া তার তিন মাস বয়সী কন্যা শিশু জিদনিকে নিয়ে মালের হাট টিকাকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন।
পথে মালের হাট ব্রিজের ওপর পৌঁছালে দুই অজ্ঞাতনামা মহিলা তার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে। প্রথমে তারা সাধারণভাবে আলাপ জুড়ে দেয়, এরপর কৌশলে সুমাইয়ার হাতে ২০০ টাকার একটি নোট দিয়ে জানতে চায় সেটি জাল কি না।
সুমাইয়া নোটটি হাতে নেয়ার পরপরই মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে ব্রিজের ওপর পড়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, নোটটির সঙ্গে কোনো অজ্ঞানকারী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। সুমাইয়া জ্ঞান হারানোর সুযোগে দুর্বৃত্তরা তার কোলে থাকা শিশু জিদনিকে নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
কিছু সময় পর স্থানীয়দের সহায়তায় সুমাইয়ার জ্ঞান ফেরে। জ্ঞান ফিরে তিনি দেখেন, তার কোলে থাকা শিশু আর নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ব্রিজ ও আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
শিশুটির বাবা আবদুর রব (৩৫) পেশায় একজন বিল্ডিং সাব-কন্ট্রাক্টর। তিনি তিন সন্তানের জনক। চুরি হওয়া শিশু জিদনি তাদের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। পরিবারের অন্য দুই সন্তানের মধ্যে রয়েছে ৭ বছর বয়সী ছেলে জিহাদ ও ৩ বছর বয়সী মেয়ে জিন্নাত। ছোট্ট শিশুটিকে হারিয়ে বাবা-মা ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
শিশুটির চাচা জসিম চাকলাদার বলেন, দুইজন মহিলা আমার ভাবির সঙ্গে কথা বলে ব্রিজের ওপর দাঁড় করায়। তারা ২০০ টাকার একটি নোট দেয়। নোট হাতে নেয়ার কিছুক্ষণ পরই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর দেখা যায় শিশুটি নেই। আমরা আশপাশের সব জায়গায় খুঁজছি, কিন্তু কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ হতে পারে। স্থানীয়রা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও শিশুটিকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জিয়া উদ্দীন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং সম্ভাব্য সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি জানান।
এদিকে শিশুটির পরিবার প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি শিশুটির সন্ধান পেয়ে থাকেন, তাহলে ০১৭২৯৯৩০১৬২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
ভোলায় টিকাদান কেন্দ্রে যাওয়ার পথে মায়ের কোলে থাকা তিন মাসের এক শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের মালের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে নিয়মিত টিকা দেয়ার জন্য মা সুমাইয়া তার তিন মাস বয়সী কন্যা শিশু জিদনিকে নিয়ে মালের হাট টিকাকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন।
পথে মালের হাট ব্রিজের ওপর পৌঁছালে দুই অজ্ঞাতনামা মহিলা তার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে। প্রথমে তারা সাধারণভাবে আলাপ জুড়ে দেয়, এরপর কৌশলে সুমাইয়ার হাতে ২০০ টাকার একটি নোট দিয়ে জানতে চায় সেটি জাল কি না।
সুমাইয়া নোটটি হাতে নেয়ার পরপরই মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে ব্রিজের ওপর পড়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, নোটটির সঙ্গে কোনো অজ্ঞানকারী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। সুমাইয়া জ্ঞান হারানোর সুযোগে দুর্বৃত্তরা তার কোলে থাকা শিশু জিদনিকে নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
কিছু সময় পর স্থানীয়দের সহায়তায় সুমাইয়ার জ্ঞান ফেরে। জ্ঞান ফিরে তিনি দেখেন, তার কোলে থাকা শিশু আর নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ব্রিজ ও আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
শিশুটির বাবা আবদুর রব (৩৫) পেশায় একজন বিল্ডিং সাব-কন্ট্রাক্টর। তিনি তিন সন্তানের জনক। চুরি হওয়া শিশু জিদনি তাদের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। পরিবারের অন্য দুই সন্তানের মধ্যে রয়েছে ৭ বছর বয়সী ছেলে জিহাদ ও ৩ বছর বয়সী মেয়ে জিন্নাত। ছোট্ট শিশুটিকে হারিয়ে বাবা-মা ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
শিশুটির চাচা জসিম চাকলাদার বলেন, দুইজন মহিলা আমার ভাবির সঙ্গে কথা বলে ব্রিজের ওপর দাঁড় করায়। তারা ২০০ টাকার একটি নোট দেয়। নোট হাতে নেয়ার কিছুক্ষণ পরই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর দেখা যায় শিশুটি নেই। আমরা আশপাশের সব জায়গায় খুঁজছি, কিন্তু কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ হতে পারে। স্থানীয়রা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও শিশুটিকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জিয়া উদ্দীন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং সম্ভাব্য সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি জানান।
এদিকে শিশুটির পরিবার প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি শিশুটির সন্ধান পেয়ে থাকেন, তাহলে ০১৭২৯৯৩০১৬২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১