
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:২০
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে নারী পর্যটকদের গোসলের ভিডিও ধারণের অভিযোগে মো. রুবেল (৩০) নামে এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বরগুনা সদর উপজেলার বাসিন্দা রুবেল। সে স্থানীয় এক মুদি দোকানে কাজ করেন। তিনি সাগরপাড়ে নারী পর্যটকদের গোসল করার সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করছিলেন এবং ভিডিও করার সময় অশ্লীল কথাবার্তা বলেন। বিষয়টি স্থানীয় ফটোগ্রাফারদের নজরে এলে তারা তাকে ধরে ফেলে।
স্থানীয় ফটোগ্রাফার আরিফ বলেন, আমরা দেখি সৈকতে গোসলরত অবস্থায় মেয়েদের ভিডিও করছে আর খারাপ মন্তব্য করছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা গিয়ে তাকে ধরে ফেলি।
অন্য ফটোগ্রাফার রাসেল জানান, তার মোবাইল চেক করে দেখি অনেক ভিডিও বানানো আছে। তাই সঙ্গে সঙ্গে টুরিস্ট পুলিশকে খবর দেই। পরে রুবেলকে মোবাইল ফোনসহ টুরিস্ট পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
তবে কোথায় সেই ভিডিও পাবলিস্ট করত তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ ইউটিউব চ্যানেল বা ফেসবুক পেইজ পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে উপস্থিতকৃত ব্যক্তিরা ধারণা করছে, তিনি ভিডিও ধারণ করে অন্য কারো কাছে বিক্রি করছে বা অন্য কোন ডিভাইজ দিয়ে ব্যবহার করছেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক পর্যটক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কুয়াকাটার ভাবমূর্তি নষ্ট করে। পর্যটন এলাকা নিরাপদ রাখতে প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
কলাপাড়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইয়াসিন সাদেক জানান, রুবেলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তাকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ধরনের কাজে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায় ঘোষণার পর ভিডিওধারণকারীকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপে পর্যটক ও স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে নারী পর্যটকদের গোসলের ভিডিও ধারণের অভিযোগে মো. রুবেল (৩০) নামে এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বরগুনা সদর উপজেলার বাসিন্দা রুবেল। সে স্থানীয় এক মুদি দোকানে কাজ করেন। তিনি সাগরপাড়ে নারী পর্যটকদের গোসল করার সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করছিলেন এবং ভিডিও করার সময় অশ্লীল কথাবার্তা বলেন। বিষয়টি স্থানীয় ফটোগ্রাফারদের নজরে এলে তারা তাকে ধরে ফেলে।
স্থানীয় ফটোগ্রাফার আরিফ বলেন, আমরা দেখি সৈকতে গোসলরত অবস্থায় মেয়েদের ভিডিও করছে আর খারাপ মন্তব্য করছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা গিয়ে তাকে ধরে ফেলি।
অন্য ফটোগ্রাফার রাসেল জানান, তার মোবাইল চেক করে দেখি অনেক ভিডিও বানানো আছে। তাই সঙ্গে সঙ্গে টুরিস্ট পুলিশকে খবর দেই। পরে রুবেলকে মোবাইল ফোনসহ টুরিস্ট পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
তবে কোথায় সেই ভিডিও পাবলিস্ট করত তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ ইউটিউব চ্যানেল বা ফেসবুক পেইজ পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে উপস্থিতকৃত ব্যক্তিরা ধারণা করছে, তিনি ভিডিও ধারণ করে অন্য কারো কাছে বিক্রি করছে বা অন্য কোন ডিভাইজ দিয়ে ব্যবহার করছেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক পর্যটক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কুয়াকাটার ভাবমূর্তি নষ্ট করে। পর্যটন এলাকা নিরাপদ রাখতে প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
কলাপাড়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইয়াসিন সাদেক জানান, রুবেলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তাকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ধরনের কাজে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায় ঘোষণার পর ভিডিওধারণকারীকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপে পর্যটক ও স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৪
পটুয়াখালীর বাউফলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতের এক নেতা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠান চলাকালীন এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
আহত জামায়াত নেতার নাম ওহিদুজ্জামান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারধরে রূপ নেয়। এরপর কিছুক্ষণ পরিস্থিতি শান্ত থাকার পর পুনরায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহম্মেদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার, জামায়াতে ইসলামী বাউফল উপজেলার আমির মাওলানা ইসাহাক মিয়াসহ প্রশাসন, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

২৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৬
পটুয়াখালীর বাউফলে লঞ্চের ধাক্কায় তরমুজবোঝাই একটি ট্রলারডুবিতে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) ভোররাতে উপজেলার লোহালিয়া নদীর বামনিকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, রেজাউল করীম (২৮) এবং নাছির ফকির (৪২)। রেজাউল রাঙাবালী উপজেলার চরলাটসাহেব এলাকার ওয়াজেদ হাওলাদারের ছেলে ও নাছির ফকির একই উপজেলার চরবিষ্টন এলাকার আব্দুল ফকিরের ছেলে।
এরা দুইজনই পেশায় শ্রমিক ছিলেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় লোকদের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের দল মুত্যু দুজন শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন তরমুজ চাষি রাঙাবালী থেকে তরমুজবোঝাই একটি ট্রলার নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। একই সময় ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশে ছেড়ে আসা এমভি আওলাদ-৭ নামের একটি ডাবল ডেকার লঞ্চ ভোর প্রায় ৪টার দিকে বগা লঞ্চঘাটে লঙ্গর শেষে পটুয়াখালী যাওয়ার পথে বামনিকাঠী এলাকায় পৌঁছালে ট্রলারটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রলারটি মুহূর্তেই ডুবে যায়।
ঘটনার সময় ট্রলারের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা রেজাউল ও নাছির বের হতে না পারার কারণে তাদের মৃত্যু হয়। তবে ট্রলারের অন্য যাত্রীরা সাঁতরে তীরে ওঠেন।
স্থানীয়রা জানান, নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে ট্রলারটি লঞ্চের সুকানি না দেখার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
কালাইয়া বন্দর নৌ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) আল-মামুন বলেন, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২৬
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হওয়ার একদিন পূর্বেই ঈদ পালন করেছেন পটুয়াখালীর বদরপুর ইউনিয়নের প্রায় ১০০ পরিবার। শুধু তারাই নন, জেলার ৩৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করেছেন।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ‘বদরপুর দরবার শরীফে’ ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি।
স্থানীয়রা জানান, পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ঈদের চাঁদ দেখা গেলেই ঈদ উদযাপন করেন তারা, রোযাও রাখেন একদিন আগে। শুধু ঈদুল ফিতর নয়, এ রীতির অনুসারীরা ঈদুল আযহাও পালন করেন একদিন আগে।
ঈদের জামাতে অংশ নেওয়া আব্দুর রহমান বলেন, জন্মের পর থেকেই আমরা এভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছি। প্রায় ১০০ বছর ধরে আমাদের এমন নিয়ম। আমাদের বাড়িতে সকলের জন্য সেমাই-পায়েস রান্না করেছি। এদিন বন্ধু-বান্ধবরা অনেকেই আগ্রহ নিয়ে আমাদের বাড়ি বেড়াতে আসেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুস সোবাহান বলেন, আমাদের পীরসাহেবের নির্দেশক্রমে আমরা ঈদ পালন করি। আমরা রোযাও রাখি একদিন আগে, তাছাড়া কোরবানীর ঈদও পালন করি বাংলাদেশের মানুষের ১ দিন আগেই। জানা গেছে, আগাম ঈদ উদযাপনকারী সবাই হানিফি মাজহাব ও কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী।
শুক্রবার সদর উপজেলার বদরপুর, ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি, নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, আমিরাবাদ, কনকদিয়া; কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া এবং দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রামে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, হাদিস ও কোরআনে বর্ণিত আছে, চাঁদ দেখার সংবাদ পেলেই যেন ঈদ পালন করা হয়। সেভাবেই আমরা ১৯২৮ সাল থেকে প্রতিবছর কোথাও চাঁদ দেখা গেলেই সহীহভাবে ঈদ পালন করে আসছি। আজকে ঈদের সালাতের মাধ্যমে আমরা মুসলিম উম্মাহ’র শান্তি কামনা করেছি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর বাউফলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতের এক নেতা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠান চলাকালীন এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
আহত জামায়াত নেতার নাম ওহিদুজ্জামান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারধরে রূপ নেয়। এরপর কিছুক্ষণ পরিস্থিতি শান্ত থাকার পর পুনরায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহম্মেদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার, জামায়াতে ইসলামী বাউফল উপজেলার আমির মাওলানা ইসাহাক মিয়াসহ প্রশাসন, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে লঞ্চের ধাক্কায় তরমুজবোঝাই একটি ট্রলারডুবিতে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) ভোররাতে উপজেলার লোহালিয়া নদীর বামনিকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, রেজাউল করীম (২৮) এবং নাছির ফকির (৪২)। রেজাউল রাঙাবালী উপজেলার চরলাটসাহেব এলাকার ওয়াজেদ হাওলাদারের ছেলে ও নাছির ফকির একই উপজেলার চরবিষ্টন এলাকার আব্দুল ফকিরের ছেলে।
এরা দুইজনই পেশায় শ্রমিক ছিলেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় লোকদের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের দল মুত্যু দুজন শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন তরমুজ চাষি রাঙাবালী থেকে তরমুজবোঝাই একটি ট্রলার নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। একই সময় ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশে ছেড়ে আসা এমভি আওলাদ-৭ নামের একটি ডাবল ডেকার লঞ্চ ভোর প্রায় ৪টার দিকে বগা লঞ্চঘাটে লঙ্গর শেষে পটুয়াখালী যাওয়ার পথে বামনিকাঠী এলাকায় পৌঁছালে ট্রলারটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রলারটি মুহূর্তেই ডুবে যায়।
ঘটনার সময় ট্রলারের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা রেজাউল ও নাছির বের হতে না পারার কারণে তাদের মৃত্যু হয়। তবে ট্রলারের অন্য যাত্রীরা সাঁতরে তীরে ওঠেন।
স্থানীয়রা জানান, নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে ট্রলারটি লঞ্চের সুকানি না দেখার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
কালাইয়া বন্দর নৌ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) আল-মামুন বলেন, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হওয়ার একদিন পূর্বেই ঈদ পালন করেছেন পটুয়াখালীর বদরপুর ইউনিয়নের প্রায় ১০০ পরিবার। শুধু তারাই নন, জেলার ৩৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করেছেন।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ‘বদরপুর দরবার শরীফে’ ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি।
স্থানীয়রা জানান, পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ঈদের চাঁদ দেখা গেলেই ঈদ উদযাপন করেন তারা, রোযাও রাখেন একদিন আগে। শুধু ঈদুল ফিতর নয়, এ রীতির অনুসারীরা ঈদুল আযহাও পালন করেন একদিন আগে।
ঈদের জামাতে অংশ নেওয়া আব্দুর রহমান বলেন, জন্মের পর থেকেই আমরা এভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছি। প্রায় ১০০ বছর ধরে আমাদের এমন নিয়ম। আমাদের বাড়িতে সকলের জন্য সেমাই-পায়েস রান্না করেছি। এদিন বন্ধু-বান্ধবরা অনেকেই আগ্রহ নিয়ে আমাদের বাড়ি বেড়াতে আসেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুস সোবাহান বলেন, আমাদের পীরসাহেবের নির্দেশক্রমে আমরা ঈদ পালন করি। আমরা রোযাও রাখি একদিন আগে, তাছাড়া কোরবানীর ঈদও পালন করি বাংলাদেশের মানুষের ১ দিন আগেই। জানা গেছে, আগাম ঈদ উদযাপনকারী সবাই হানিফি মাজহাব ও কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী।
শুক্রবার সদর উপজেলার বদরপুর, ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি, নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, আমিরাবাদ, কনকদিয়া; কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া এবং দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রামে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, হাদিস ও কোরআনে বর্ণিত আছে, চাঁদ দেখার সংবাদ পেলেই যেন ঈদ পালন করা হয়। সেভাবেই আমরা ১৯২৮ সাল থেকে প্রতিবছর কোথাও চাঁদ দেখা গেলেই সহীহভাবে ঈদ পালন করে আসছি। আজকে ঈদের সালাতের মাধ্যমে আমরা মুসলিম উম্মাহ’র শান্তি কামনা করেছি।
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৪
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৪
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪২
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৪