
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৭
নেতাকে বরণ করতে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকায় যাচ্ছেন ১০ লক্ষাধিক কর্মী-সমর্থক
দীর্ঘ ১৭ বছর পর নেতা তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বরিশাল বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর নেতার আগমন উপলক্ষে শীর্ষস্থানীয় নেতারা কদিন ধরে দফায় দফায় বৈঠক করেন। এবং নির্ধারিত দিনের আগেই বরিশাল থেকে অন্তত ৫০টি বিশালাকায় লঞ্চ এবং বিপুলসংখ্যক বাসযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানী ঢাকায় সমাবেত করার উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং তাকে বরণে ঢাকাযাত্রার আগে বরিশালের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন তাকে এক নজর দেখতে।
রোববার বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছরের প্রবাস জীবন কাটিয়ে অবশেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। এদিন তাকে বরণ করতে বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহ ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী এবং বরগুনা থেকে লঞ্চ ও বাসযোগে কর্মী-সমর্থকেরা রাজধানী ঢাকায় থাকার প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রতিটি জেলা থেকে অন্তত এদিন ২ লক্ষাধিক লোকের ঢাকায় আগমন ঘটবে। কর্মী-সমর্থকেরা নেতাকে এক নজর দেখতে এবং দিনটিকে ঐতিহাসিক করে তুলতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের এই আয়োজনে ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপি নেতারা অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমবেত করে। বরিশালের ৬টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে সমন্বয় করে লঞ্চ এবং বাসযোগে ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টার আগে রাজধানীতে প্রবেশের সিদ্ধান্তগ্রহণ করেন।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার জানান, তারেক রহমানকে বরণ করতে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল মহানগরসহ ১০ উপজেলা থেকে অন্তত ২ লক্ষ কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকায় থাকবেন। কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুবিধার্থে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নদীবন্দর থেকে ১৫টি বিশালাকায় লঞ্চ থাকছে, সেখানে রাতে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া একদিন বাদে ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালে নথুল্লাবাদসহ শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০০টির বেশি বাস কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে রওনা হবে।
অনুরুপ তথ্য দিয়েছেন বরিশাল জেলা বিএনপি (দক্ষিণ) সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন জানান, ২৫ ডিসেম্বর নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বরিশালের ৬ টি জেলা থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ রাজধানীতে যাবেন। তাদের জন্য জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সবশেষ রোববার বিকেলে বরিশাল ক্লাবে বিভাগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয় এবং সেখানে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস ও লঞ্চে সমান্তরাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববারের বৈঠকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনও অংশ নিয়েছেন। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বা এক নজর দেখতে কর্মী-সমর্থকেরা উদগ্রীব হয়ে আছেন। এই বিষয়টি নিয়ে রোববার বরিশাল ক্লাবে শীর্ষনেতারা আলোচনা করে পরিবহন সুবিধার্থে লঞ্চ এবং বাসের সংখ্যা বাড়িয়েছেন।
বিএনপি নেত্রী জানান, শুধু জেলা শহর নয়, উপজেলা থেকেও কর্মী-সমর্থক নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে অংশ নিতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বরিশালের ৬টি জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে কর্মী-সমর্থকদের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বরিশাল বিএনপির এই আয়োজনকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেকার চাঙাভাব লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মুখিয়ে আছেন নেতাকে দেখার অপেক্ষায়। বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির এমন খবরই জানিয়েছেন।
বিদগ্ধ ছাত্র নেতৃত্ব জানান, বরিশাল ৫ সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। এবং পরদিন ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালেও কর্মীদের বাসযোগে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অভিভাবক মজিবর রহমান সরোয়ার জানান, রোববার বরিশাল ক্লাবের বৈঠকে তিনিও অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরিশালের বাইরে থাকায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সকলের সাথে আলোচনা হয়েছে, নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে বরিশালের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানীতে প্রবেশের বিষয়ে। সংখ্যাগত দিক থেকে বললে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ ঢাকায় অবস্থান করে নেতা তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করবেন।’
নেতাকে বরণ করতে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকায় যাচ্ছেন ১০ লক্ষাধিক কর্মী-সমর্থক
দীর্ঘ ১৭ বছর পর নেতা তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বরিশাল বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর নেতার আগমন উপলক্ষে শীর্ষস্থানীয় নেতারা কদিন ধরে দফায় দফায় বৈঠক করেন। এবং নির্ধারিত দিনের আগেই বরিশাল থেকে অন্তত ৫০টি বিশালাকায় লঞ্চ এবং বিপুলসংখ্যক বাসযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানী ঢাকায় সমাবেত করার উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং তাকে বরণে ঢাকাযাত্রার আগে বরিশালের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন তাকে এক নজর দেখতে।
রোববার বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছরের প্রবাস জীবন কাটিয়ে অবশেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। এদিন তাকে বরণ করতে বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহ ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী এবং বরগুনা থেকে লঞ্চ ও বাসযোগে কর্মী-সমর্থকেরা রাজধানী ঢাকায় থাকার প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রতিটি জেলা থেকে অন্তত এদিন ২ লক্ষাধিক লোকের ঢাকায় আগমন ঘটবে। কর্মী-সমর্থকেরা নেতাকে এক নজর দেখতে এবং দিনটিকে ঐতিহাসিক করে তুলতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের এই আয়োজনে ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপি নেতারা অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চান বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমবেত করে। বরিশালের ৬টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে সমন্বয় করে লঞ্চ এবং বাসযোগে ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টার আগে রাজধানীতে প্রবেশের সিদ্ধান্তগ্রহণ করেন।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার জানান, তারেক রহমানকে বরণ করতে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল মহানগরসহ ১০ উপজেলা থেকে অন্তত ২ লক্ষ কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকায় থাকবেন। কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুবিধার্থে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নদীবন্দর থেকে ১৫টি বিশালাকায় লঞ্চ থাকছে, সেখানে রাতে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া একদিন বাদে ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালে নথুল্লাবাদসহ শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০০টির বেশি বাস কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে রওনা হবে।
অনুরুপ তথ্য দিয়েছেন বরিশাল জেলা বিএনপি (দক্ষিণ) সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন জানান, ২৫ ডিসেম্বর নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বরিশালের ৬ টি জেলা থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ রাজধানীতে যাবেন। তাদের জন্য জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সবশেষ রোববার বিকেলে বরিশাল ক্লাবে বিভাগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয় এবং সেখানে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস ও লঞ্চে সমান্তরাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববারের বৈঠকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনও অংশ নিয়েছেন। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাদের নেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে বা এক নজর দেখতে কর্মী-সমর্থকেরা উদগ্রীব হয়ে আছেন। এই বিষয়টি নিয়ে রোববার বরিশাল ক্লাবে শীর্ষনেতারা আলোচনা করে পরিবহন সুবিধার্থে লঞ্চ এবং বাসের সংখ্যা বাড়িয়েছেন।
বিএনপি নেত্রী জানান, শুধু জেলা শহর নয়, উপজেলা থেকেও কর্মী-সমর্থক নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে অংশ নিতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বরিশালের ৬টি জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের যাওয়া আসার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে কর্মী-সমর্থকদের খাবার ব্যবস্থাও করা হয়।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বরিশাল বিএনপির এই আয়োজনকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেকার চাঙাভাব লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মুখিয়ে আছেন নেতাকে দেখার অপেক্ষায়। বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির এমন খবরই জানিয়েছেন।
বিদগ্ধ ছাত্র নেতৃত্ব জানান, বরিশাল ৫ সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। এবং পরদিন ২৫ ডিসেম্বর খুব সকালেও কর্মীদের বাসযোগে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অভিভাবক মজিবর রহমান সরোয়ার জানান, রোববার বরিশাল ক্লাবের বৈঠকে তিনিও অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরিশালের বাইরে থাকায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সকলের সাথে আলোচনা হয়েছে, নেতার সংবর্ধনা আয়োজনে বরিশালের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা থেকে বাস এবং লঞ্চযোগে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানীতে প্রবেশের বিষয়ে। সংখ্যাগত দিক থেকে বললে ২৫ ডিসেম্বর বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চল থেকে অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ ঢাকায় অবস্থান করে নেতা তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করবেন।’

১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮