
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১২:৫২
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) গর্বের আরেকটি পালক অর্জন করেছে। আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির মেটা রিসার্চ ইনোভেশন সেন্টার (মেট্রিকস) প্রকাশিত বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন পবিপ্রবির তিন শিক্ষার্থী। তারা হলেন নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স অনুষদের তৃতীয় ব্যাচের তিন শিক্ষার্থী আবু সাঈদ শুভ, সত্যজিৎ কুণ্ডু ও হাফিজ রায়হান।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এই তালিকাটি গবেষণা প্রকাশনার মান, এইচ-ইনডেক্স, সাইটেশনসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে এলসেভিয়ার জার্নালে প্রকাশিত হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও গবেষকদের ২২টি প্রধান বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র এবং ১৭৪টি উপ-ক্ষেত্রে শ্রেণিবদ্ধ করে দুটি ধাপে (পুরো পেশাগত জীবন ও এক বছরের গবেষণা কর্ম) এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থী আবু সাঈদ শুভ বলেন, বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় নাম ওঠা আমার জীবনের এক অসাধারণ স্বীকৃতি। দীর্ঘদিনের শ্রম, গবেষণার চ্যালেঞ্জ আর শিক্ষকদের অনুপ্রেরণার ফসল এটি। এই অর্জন শুধু গর্বই নয়, বরং মানুষের স্বাস্থ্য উন্নয়নে আরও বেশি দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার প্রেরণা দেয়।
আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার প্রতিবছর ২ হাজারেরও বেশি জার্নাল প্রকাশ করে। এ জার্নালগুলোতে বছরে প্রায় আড়াই লাখের বেশি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয় এবং এর আর্কাইভে সংরক্ষিত প্রকাশনার সংখ্যা ৭০ লাখের বেশি।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) গর্বের আরেকটি পালক অর্জন করেছে। আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির মেটা রিসার্চ ইনোভেশন সেন্টার (মেট্রিকস) প্রকাশিত বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন পবিপ্রবির তিন শিক্ষার্থী। তারা হলেন নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স অনুষদের তৃতীয় ব্যাচের তিন শিক্ষার্থী আবু সাঈদ শুভ, সত্যজিৎ কুণ্ডু ও হাফিজ রায়হান।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এই তালিকাটি গবেষণা প্রকাশনার মান, এইচ-ইনডেক্স, সাইটেশনসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে এলসেভিয়ার জার্নালে প্রকাশিত হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও গবেষকদের ২২টি প্রধান বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র এবং ১৭৪টি উপ-ক্ষেত্রে শ্রেণিবদ্ধ করে দুটি ধাপে (পুরো পেশাগত জীবন ও এক বছরের গবেষণা কর্ম) এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থী আবু সাঈদ শুভ বলেন, বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় নাম ওঠা আমার জীবনের এক অসাধারণ স্বীকৃতি। দীর্ঘদিনের শ্রম, গবেষণার চ্যালেঞ্জ আর শিক্ষকদের অনুপ্রেরণার ফসল এটি। এই অর্জন শুধু গর্বই নয়, বরং মানুষের স্বাস্থ্য উন্নয়নে আরও বেশি দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার প্রেরণা দেয়।
আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার প্রতিবছর ২ হাজারেরও বেশি জার্নাল প্রকাশ করে। এ জার্নালগুলোতে বছরে প্রায় আড়াই লাখের বেশি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয় এবং এর আর্কাইভে সংরক্ষিত প্রকাশনার সংখ্যা ৭০ লাখের বেশি।
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:১৮
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১২
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:১৪
পটুয়াখালীর বাউফলে গরু ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত পাঁচজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বারেক ঢালীর ছেলে সায়েম ঢালী (১৮), নাতি সোহাগ গাজী (১৪), স্ত্রী রেহেনা বেগম (৫০) ও বারেক ঢালী (৬০) নিজে। অপর পক্ষের আহত ব্যক্তি হলেন মো. সোহাগ (৩৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে একই এলাকার জাকির নামের এক ব্যক্তি বারেক ঢালীর চাষকৃত জমিতে গরু বেঁধে রাখেন। এতে জমির ধান নষ্ট হতে দেখে বারেক ঢালী গরুটি খুলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জাকিরের নেতৃত্বে কয়েকজন বারেক ঢালীর বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় বারেক ঢালীর ছেলে সায়েম ঢালী, নাতি সোহাগ গাজী ও স্ত্রী রেহেনা বেগম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। এ সময় সংঘর্ষে অপর পক্ষের মো. সোহাগও আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সায়েম ঢালী ও সোহাগ ঢালীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি । এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে গরু ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত পাঁচজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বারেক ঢালীর ছেলে সায়েম ঢালী (১৮), নাতি সোহাগ গাজী (১৪), স্ত্রী রেহেনা বেগম (৫০) ও বারেক ঢালী (৬০) নিজে। অপর পক্ষের আহত ব্যক্তি হলেন মো. সোহাগ (৩৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে একই এলাকার জাকির নামের এক ব্যক্তি বারেক ঢালীর চাষকৃত জমিতে গরু বেঁধে রাখেন। এতে জমির ধান নষ্ট হতে দেখে বারেক ঢালী গরুটি খুলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জাকিরের নেতৃত্বে কয়েকজন বারেক ঢালীর বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় বারেক ঢালীর ছেলে সায়েম ঢালী, নাতি সোহাগ গাজী ও স্ত্রী রেহেনা বেগম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। এ সময় সংঘর্ষে অপর পক্ষের মো. সোহাগও আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সায়েম ঢালী ও সোহাগ ঢালীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি । এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫৫
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন অডিটরিয়াম ভবনের কাজকে ঘিরে পরিবেশগত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অডিটরিয়ামের পাইলিং কাজের সময় উত্তোলিত বালু ও পানি পাশের পিরতলা খালে ফেলার মাধ্যমে খাল ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারবাড়ি এলাকায় অবস্থিত নির্মাণস্থলে প্রতিটি পাইল বোরিংয়ের সময় ভূগর্ভস্থ বালু ও পানি সরাসরি সংলগ্ন পিরতলা খালে ফেলা হচ্ছে। এতে খালের স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং দ্রুত ভরাট হয়ে পড়ছে। খালটি আশপাশের এলাকার প্রধান পানি নিষ্কাশন পথ হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা, চলাচলে দুর্ভোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
জানা গেছে, বরিশালের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আমির ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যাদেশ পেয়ে অডিটরিয়াম নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। কাজ শুরুর পর থেকেই পাইল বোরিংয়ের বালু ও পানি খালে ফেলার অভিযোগ উঠে আসে। এ নিয়ে পিরতলা বাজার কমিটির পক্ষ থেকে একাধিকবার আপত্তি জানানো হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও খাল রক্ষায় কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রাথমিকভাবে সাইট ইঞ্জিনিয়ার বিকল্প ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বরং লোকচক্ষুর আড়ালে আগের মতোই খালে বালু ও পানি ফেলার কাজ চলতে থাকায় খাল ভরাটের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
পিরতলা বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “এই খাল দিয়েই এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়। খাল ভরাট হয়ে গেলে বর্ষায় দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়বে, তখন ব্যবসা চালানোই কঠিন হয়ে যাবে।”
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. আমির হোসেন বলেন, “বিষয়টি আগে আমার জানা ছিল না। বিষয়টি জানতে পেরে সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন ভবিষ্যতে পাইলের বালু ও পানি খালে ফেলা না হয়।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পবিপ্রবি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, খালটি রক্ষা করা না গেলে বর্ষা মৌসুমে এলাকায় বড় ধরনের জনভোগান্তি দেখা দিতে পারে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন অডিটরিয়াম ভবনের কাজকে ঘিরে পরিবেশগত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অডিটরিয়ামের পাইলিং কাজের সময় উত্তোলিত বালু ও পানি পাশের পিরতলা খালে ফেলার মাধ্যমে খাল ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারবাড়ি এলাকায় অবস্থিত নির্মাণস্থলে প্রতিটি পাইল বোরিংয়ের সময় ভূগর্ভস্থ বালু ও পানি সরাসরি সংলগ্ন পিরতলা খালে ফেলা হচ্ছে। এতে খালের স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং দ্রুত ভরাট হয়ে পড়ছে। খালটি আশপাশের এলাকার প্রধান পানি নিষ্কাশন পথ হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা, চলাচলে দুর্ভোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
জানা গেছে, বরিশালের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আমির ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যাদেশ পেয়ে অডিটরিয়াম নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। কাজ শুরুর পর থেকেই পাইল বোরিংয়ের বালু ও পানি খালে ফেলার অভিযোগ উঠে আসে। এ নিয়ে পিরতলা বাজার কমিটির পক্ষ থেকে একাধিকবার আপত্তি জানানো হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও খাল রক্ষায় কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রাথমিকভাবে সাইট ইঞ্জিনিয়ার বিকল্প ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বরং লোকচক্ষুর আড়ালে আগের মতোই খালে বালু ও পানি ফেলার কাজ চলতে থাকায় খাল ভরাটের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
পিরতলা বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “এই খাল দিয়েই এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়। খাল ভরাট হয়ে গেলে বর্ষায় দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়বে, তখন ব্যবসা চালানোই কঠিন হয়ে যাবে।”
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. আমির হোসেন বলেন, “বিষয়টি আগে আমার জানা ছিল না। বিষয়টি জানতে পেরে সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন ভবিষ্যতে পাইলের বালু ও পানি খালে ফেলা না হয়।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পবিপ্রবি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, খালটি রক্ষা করা না গেলে বর্ষা মৌসুমে এলাকায় বড় ধরনের জনভোগান্তি দেখা দিতে পারে।

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:১৪
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় আমন ধান কাটার মৌসুম শুরু হওয়ায় গ্রামজুড়ে নবান্নের আনন্দ ফিরে এসেছে। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধানের দোলায় কৃষকদের ব্যস্ততায় মুখর হয়ে উঠেছে জনপদ। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে সময় পার করছেন কৃষকরা।
উপজেলার লেবুখালী, মুরাদিয়া, আঙ্গারিয়া ও পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে এখন ধান কাটার ধুম। অনেক জায়গায় কৃষকরা নিজ উদ্যোগে ধান কাটছেন, আবার শ্রমিক সংকটের কারণে কোথাও কোথাও যান্ত্রিক হারভেস্টারের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। কৃষিকাজে সহযোগিতা করছেন পরিবারের নারী-পুরুষ সদস্যরাও।
লেবুখালী ইউনিয়নের কৃষক আবদুস সালাম জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধানের বাজারদর ঠিক থাকলে লাভের মুখ দেখা যাবে। একই এলাকার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের জলিশা গ্রামের কৃষক সৈয়দ জিয়াউল হাসান বলেন, অতিবৃষ্টি না হওয়ায় ধান ক্ষতির মুখে পড়েনি। আশা করছি এবার ভালো ফলন পাওয়া যাবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে দুমকি উপজেলায় ৬ হাজার ৬০১ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় ফলন সন্তোষজনক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সময়মতো ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন।
নতুন ধান ঘরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামে গ্রামে নবান্ন উৎসবের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। কৃষক পরিবারগুলোতে ফিরে এসেছে হাসি ও স্বস্তি। ধান কাটার ব্যস্ততার মাঝেই দুমকির গ্রামগুলোতে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ও প্রাণচাঞ্চল্যের নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় আমন ধান কাটার মৌসুম শুরু হওয়ায় গ্রামজুড়ে নবান্নের আনন্দ ফিরে এসেছে। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধানের দোলায় কৃষকদের ব্যস্ততায় মুখর হয়ে উঠেছে জনপদ। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে সময় পার করছেন কৃষকরা।
উপজেলার লেবুখালী, মুরাদিয়া, আঙ্গারিয়া ও পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে এখন ধান কাটার ধুম। অনেক জায়গায় কৃষকরা নিজ উদ্যোগে ধান কাটছেন, আবার শ্রমিক সংকটের কারণে কোথাও কোথাও যান্ত্রিক হারভেস্টারের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। কৃষিকাজে সহযোগিতা করছেন পরিবারের নারী-পুরুষ সদস্যরাও।
লেবুখালী ইউনিয়নের কৃষক আবদুস সালাম জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধানের বাজারদর ঠিক থাকলে লাভের মুখ দেখা যাবে। একই এলাকার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের জলিশা গ্রামের কৃষক সৈয়দ জিয়াউল হাসান বলেন, অতিবৃষ্টি না হওয়ায় ধান ক্ষতির মুখে পড়েনি। আশা করছি এবার ভালো ফলন পাওয়া যাবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে দুমকি উপজেলায় ৬ হাজার ৬০১ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় ফলন সন্তোষজনক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সময়মতো ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন।
নতুন ধান ঘরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামে গ্রামে নবান্ন উৎসবের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। কৃষক পরিবারগুলোতে ফিরে এসেছে হাসি ও স্বস্তি। ধান কাটার ব্যস্ততার মাঝেই দুমকির গ্রামগুলোতে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ও প্রাণচাঞ্চল্যের নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.