
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৬
দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। লোহালিয়া নদীতে পলি জমে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ চলাচল।
ঘাটের সামনে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে বালুচর দেখা গেছে। ভাটার সময় লঞ্চ নোঙর করতে না পেরে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে যাত্রী, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট লঞ্চ ও ট্রলার চলাচলেও ধীরগতিতে সতর্ক হয়ে এগোতে হচ্ছে। অনেক সময় জোয়ারের পানির জন্য অপেক্ষা না করলে চলাচলই সম্ভব হচ্ছে না।
লঞ্চ টার্মিনালের সামনে মাসের পর মাস ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার কাজ চললেও এর কোনো দৃশ্যমান সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। লঞ্চ চলাচল কমে যাওয়ায় ঘাটে মালামাল আসাও কমেছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন শ্রমিকরা, লঞ্চঘাটে নেই আগের মতো কোলাহল।
ঘাট শ্রমিক মনির বলেন, অনেক বছর ধরে এই ঘাটে কাজ করছি। এমন খারাপ অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। সামনে ঈদ আসছে, এখন যদি লঞ্চ চলাচলের জায়গা ঠিক না করা হয়- তাহলে লঞ্চই আসবে না। লঞ্চ না এলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সেকান্দার মিয়া বলেন, প্রতিবছর নদী খনন করা হলেও এর স্থায়ী সুফল আমরা পাই না। টেকসই ও পরিকল্পিত ড্রেজিং ছাড়া কোনো উপায় নেই। সঠিক পরিকল্পনায় চ্যানেল রক্ষা করা গেলে পটুয়াখালী শহরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল থাকবে।
পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, দ্রুত ও কার্যকর ড্রেজিং না হলে ঈদের মৌসুমে ভোগান্তি আরও তীব্র হবে। প্রতিবছর সরকার এখানে ড্রেজিংয়ে অর্থ ব্যয় করে, কিন্তু কার্যকারিতা আমরা দেখি না। সামনে ঈদে যাত্রীদের আসা-যাওয়া বাড়বে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় সংকট তৈরি হবে।
এমন পরিস্থিতিতে লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী ঈদের আগেই ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ঈদের আগে এই রুটে পাঁচ থেকে ছয়টি লঞ্চ চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে ড্রেজিং কীভাবে হয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখা হবে, এবার যেন সঠিকভাবে ড্রেজিং হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের পটুয়াখালী নদী বন্দর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির শাহরিয়া জানান, পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, লঞ্চঘাটের দুপাশে দুটি সেতু থাকায় দ্রুত পলি জমে চর পড়ে যায়। এজন্য নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন হয়। ঈদের আগেই নাব্য সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।
দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। লোহালিয়া নদীতে পলি জমে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ চলাচল।
ঘাটের সামনে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে বালুচর দেখা গেছে। ভাটার সময় লঞ্চ নোঙর করতে না পেরে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে যাত্রী, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট লঞ্চ ও ট্রলার চলাচলেও ধীরগতিতে সতর্ক হয়ে এগোতে হচ্ছে। অনেক সময় জোয়ারের পানির জন্য অপেক্ষা না করলে চলাচলই সম্ভব হচ্ছে না।
লঞ্চ টার্মিনালের সামনে মাসের পর মাস ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার কাজ চললেও এর কোনো দৃশ্যমান সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। লঞ্চ চলাচল কমে যাওয়ায় ঘাটে মালামাল আসাও কমেছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন শ্রমিকরা, লঞ্চঘাটে নেই আগের মতো কোলাহল।
ঘাট শ্রমিক মনির বলেন, অনেক বছর ধরে এই ঘাটে কাজ করছি। এমন খারাপ অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। সামনে ঈদ আসছে, এখন যদি লঞ্চ চলাচলের জায়গা ঠিক না করা হয়- তাহলে লঞ্চই আসবে না। লঞ্চ না এলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সেকান্দার মিয়া বলেন, প্রতিবছর নদী খনন করা হলেও এর স্থায়ী সুফল আমরা পাই না। টেকসই ও পরিকল্পিত ড্রেজিং ছাড়া কোনো উপায় নেই। সঠিক পরিকল্পনায় চ্যানেল রক্ষা করা গেলে পটুয়াখালী শহরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল থাকবে।
পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, দ্রুত ও কার্যকর ড্রেজিং না হলে ঈদের মৌসুমে ভোগান্তি আরও তীব্র হবে। প্রতিবছর সরকার এখানে ড্রেজিংয়ে অর্থ ব্যয় করে, কিন্তু কার্যকারিতা আমরা দেখি না। সামনে ঈদে যাত্রীদের আসা-যাওয়া বাড়বে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় সংকট তৈরি হবে।
এমন পরিস্থিতিতে লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী ঈদের আগেই ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ঈদের আগে এই রুটে পাঁচ থেকে ছয়টি লঞ্চ চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে ড্রেজিং কীভাবে হয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখা হবে, এবার যেন সঠিকভাবে ড্রেজিং হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের পটুয়াখালী নদী বন্দর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির শাহরিয়া জানান, পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, লঞ্চঘাটের দুপাশে দুটি সেতু থাকায় দ্রুত পলি জমে চর পড়ে যায়। এজন্য নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন হয়। ঈদের আগেই নাব্য সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৫০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:০৯
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.