
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৬
দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। লোহালিয়া নদীতে পলি জমে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ চলাচল।
ঘাটের সামনে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে বালুচর দেখা গেছে। ভাটার সময় লঞ্চ নোঙর করতে না পেরে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে যাত্রী, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট লঞ্চ ও ট্রলার চলাচলেও ধীরগতিতে সতর্ক হয়ে এগোতে হচ্ছে। অনেক সময় জোয়ারের পানির জন্য অপেক্ষা না করলে চলাচলই সম্ভব হচ্ছে না।
লঞ্চ টার্মিনালের সামনে মাসের পর মাস ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার কাজ চললেও এর কোনো দৃশ্যমান সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। লঞ্চ চলাচল কমে যাওয়ায় ঘাটে মালামাল আসাও কমেছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন শ্রমিকরা, লঞ্চঘাটে নেই আগের মতো কোলাহল।
ঘাট শ্রমিক মনির বলেন, অনেক বছর ধরে এই ঘাটে কাজ করছি। এমন খারাপ অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। সামনে ঈদ আসছে, এখন যদি লঞ্চ চলাচলের জায়গা ঠিক না করা হয়- তাহলে লঞ্চই আসবে না। লঞ্চ না এলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সেকান্দার মিয়া বলেন, প্রতিবছর নদী খনন করা হলেও এর স্থায়ী সুফল আমরা পাই না। টেকসই ও পরিকল্পিত ড্রেজিং ছাড়া কোনো উপায় নেই। সঠিক পরিকল্পনায় চ্যানেল রক্ষা করা গেলে পটুয়াখালী শহরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল থাকবে।
পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, দ্রুত ও কার্যকর ড্রেজিং না হলে ঈদের মৌসুমে ভোগান্তি আরও তীব্র হবে। প্রতিবছর সরকার এখানে ড্রেজিংয়ে অর্থ ব্যয় করে, কিন্তু কার্যকারিতা আমরা দেখি না। সামনে ঈদে যাত্রীদের আসা-যাওয়া বাড়বে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় সংকট তৈরি হবে।
এমন পরিস্থিতিতে লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী ঈদের আগেই ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ঈদের আগে এই রুটে পাঁচ থেকে ছয়টি লঞ্চ চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে ড্রেজিং কীভাবে হয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখা হবে, এবার যেন সঠিকভাবে ড্রেজিং হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের পটুয়াখালী নদী বন্দর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির শাহরিয়া জানান, পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, লঞ্চঘাটের দুপাশে দুটি সেতু থাকায় দ্রুত পলি জমে চর পড়ে যায়। এজন্য নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন হয়। ঈদের আগেই নাব্য সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।
দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। লোহালিয়া নদীতে পলি জমে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ চলাচল।
ঘাটের সামনে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে বালুচর দেখা গেছে। ভাটার সময় লঞ্চ নোঙর করতে না পেরে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে যাত্রী, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট লঞ্চ ও ট্রলার চলাচলেও ধীরগতিতে সতর্ক হয়ে এগোতে হচ্ছে। অনেক সময় জোয়ারের পানির জন্য অপেক্ষা না করলে চলাচলই সম্ভব হচ্ছে না।
লঞ্চ টার্মিনালের সামনে মাসের পর মাস ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার কাজ চললেও এর কোনো দৃশ্যমান সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। লঞ্চ চলাচল কমে যাওয়ায় ঘাটে মালামাল আসাও কমেছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন শ্রমিকরা, লঞ্চঘাটে নেই আগের মতো কোলাহল।
ঘাট শ্রমিক মনির বলেন, অনেক বছর ধরে এই ঘাটে কাজ করছি। এমন খারাপ অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। সামনে ঈদ আসছে, এখন যদি লঞ্চ চলাচলের জায়গা ঠিক না করা হয়- তাহলে লঞ্চই আসবে না। লঞ্চ না এলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সেকান্দার মিয়া বলেন, প্রতিবছর নদী খনন করা হলেও এর স্থায়ী সুফল আমরা পাই না। টেকসই ও পরিকল্পিত ড্রেজিং ছাড়া কোনো উপায় নেই। সঠিক পরিকল্পনায় চ্যানেল রক্ষা করা গেলে পটুয়াখালী শহরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল থাকবে।
পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, দ্রুত ও কার্যকর ড্রেজিং না হলে ঈদের মৌসুমে ভোগান্তি আরও তীব্র হবে। প্রতিবছর সরকার এখানে ড্রেজিংয়ে অর্থ ব্যয় করে, কিন্তু কার্যকারিতা আমরা দেখি না। সামনে ঈদে যাত্রীদের আসা-যাওয়া বাড়বে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় সংকট তৈরি হবে।
এমন পরিস্থিতিতে লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী ঈদের আগেই ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ঈদের আগে এই রুটে পাঁচ থেকে ছয়টি লঞ্চ চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে ড্রেজিং কীভাবে হয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখা হবে, এবার যেন সঠিকভাবে ড্রেজিং হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের পটুয়াখালী নদী বন্দর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির শাহরিয়া জানান, পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, লঞ্চঘাটের দুপাশে দুটি সেতু থাকায় দ্রুত পলি জমে চর পড়ে যায়। এজন্য নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন হয়। ঈদের আগেই নাব্য সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৯
পটুয়াখালীর বাউফলে এইচএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ায় এক শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করতে রাজি না হওয়ায় শিক্ষকদের হুমকি, অসদাচরণ ও মব সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে এক যুব অধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। ওই নেতার নাম মো. হাসান মাহমুদ। তিনি বাউফল উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন। বুধবার (১এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের নতুন ভবনের হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়াতে হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ অধ্যক্ষ এনায়েত হোসেন বলেন,‘ গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুরে মো. সাব্বির নামে ২০২২-২৩ শিক্ষা বর্ষের একজন শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুপারিশ নিয়ে আসেন যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় হাসান মাহমুদ। ওই শিক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি এবং সে ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করার পর ২০২৫ সালের পরীক্ষায়ও অংশ নেয়নি। যে কারণে আমরা তার ফরম পূরণ করতে রাজি হয়নি। এতে করে ওই যুব অধিকার পরিষদের নেতা ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে অসদাচরণ ও মব সৃষ্টি করেন। কমিটির কক্ষে বসে কোনো রকম অনুমতি না নিয়ে ফেসবুক লাইভ করেন এবং ওই লাইভে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার হচ্ছে বলে মিথ্যা প্রচার করেন।
কলেজ অধ্যক্ষ আরও বলেন, ফেসবুক লাইভে দাবি করে ফরম পূরণের জন্য ৫ হাজার টাকা করে নেওয়ার যে দাবি করা হয়েছে তা সর্ম্পূণ মিথ্যা। সরকার নির্ধারিত ফরম পূরণের ফি এবং দুই বছরের বেতন সহ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও বেতন, টিউশন ফি নিয়ে আরও বেশি টাকা হয়। মানবিক বিবেচনায় ৫ হাজার টাকার কমেও ফরম পূরণ করে থাকি।
এ ঘটনায় কলেজের মান সম্মানহানি, মিথ্যা তথ্য জড়ানো ও শিক্ষকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ওই যুব অধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ।
এদিকে, একই দিন বেলা ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন করে ফরম পূরণের অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান মাহমুদ। তিনি দাবি করেন- নির্বাচনী পরীক্ষা অংশ না নেওয়ার পরেও অনেকের ফরম পূরণ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় সাব্বিরের ফরম পূরণ করেছেনা কলেজ কর্তৃপক্ষ।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে এইচএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ায় এক শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করতে রাজি না হওয়ায় শিক্ষকদের হুমকি, অসদাচরণ ও মব সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে এক যুব অধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। ওই নেতার নাম মো. হাসান মাহমুদ। তিনি বাউফল উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন। বুধবার (১এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের নতুন ভবনের হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়াতে হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ অধ্যক্ষ এনায়েত হোসেন বলেন,‘ গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুরে মো. সাব্বির নামে ২০২২-২৩ শিক্ষা বর্ষের একজন শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুপারিশ নিয়ে আসেন যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় হাসান মাহমুদ। ওই শিক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি এবং সে ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করার পর ২০২৫ সালের পরীক্ষায়ও অংশ নেয়নি। যে কারণে আমরা তার ফরম পূরণ করতে রাজি হয়নি। এতে করে ওই যুব অধিকার পরিষদের নেতা ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে অসদাচরণ ও মব সৃষ্টি করেন। কমিটির কক্ষে বসে কোনো রকম অনুমতি না নিয়ে ফেসবুক লাইভ করেন এবং ওই লাইভে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার হচ্ছে বলে মিথ্যা প্রচার করেন।
কলেজ অধ্যক্ষ আরও বলেন, ফেসবুক লাইভে দাবি করে ফরম পূরণের জন্য ৫ হাজার টাকা করে নেওয়ার যে দাবি করা হয়েছে তা সর্ম্পূণ মিথ্যা। সরকার নির্ধারিত ফরম পূরণের ফি এবং দুই বছরের বেতন সহ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও বেতন, টিউশন ফি নিয়ে আরও বেশি টাকা হয়। মানবিক বিবেচনায় ৫ হাজার টাকার কমেও ফরম পূরণ করে থাকি।
এ ঘটনায় কলেজের মান সম্মানহানি, মিথ্যা তথ্য জড়ানো ও শিক্ষকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ওই যুব অধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ।
এদিকে, একই দিন বেলা ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন করে ফরম পূরণের অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান মাহমুদ। তিনি দাবি করেন- নির্বাচনী পরীক্ষা অংশ না নেওয়ার পরেও অনেকের ফরম পূরণ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় সাব্বিরের ফরম পূরণ করেছেনা কলেজ কর্তৃপক্ষ।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০১
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রোগীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ গজ, ব্যান্ডেজ, ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল, সিরিঞ্জ ও স্যালাইন সেট হাসপাতালে পর্যাপ্ত না থাকার কারণে রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে এসব কিনতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত খরচ ও দুর্ভোগে পড়ছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, ভর্তি রোগীদের জন্য শুধুমাত্র স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী হাসপাতালে মজুত নেই। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা বিপাকে পড়ছেন।
হাসপাতালে ভর্তি শ্রীরামপুর ইউনিয়নের সোহেল (২৫) নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে যদি সব কিছু বাইরে থেকে কিনতে হয়, তাহলে আমাদের জন্য কষ্ট হয়ে যায়। গরিব মানুষ কোথায় যাবে।’
মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা আরেকজন রোগীর স্বজন রিনা অভিযোগ করে বলেন, “ডাক্তাররা প্রেসক্রিপশন দেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় জিনিস হাসপাতালে পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।” জ্বর ও কাশি নিয়ে ভর্তি থাকা রোগী সজিব (২৭) বলেন, “আমি কয়েকদিন ধরে ভর্তি আছি, প্রতিদিনই কোনো না কোনো জিনিস বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসার খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।”
শুধু তাই নয়, বহুদিন ধরে মাঠপর্যায়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর অভাব রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা সাধারণত পাঁচ ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী দম্পতিদের মধ্যে বিলি করেন। এগুলো হলো কনডম, খাওয়ার বড়ি, আইইউডি, ইনজেক্টেবলস ও ইমপ্ল্যান্ট।
কনডম ছাড়া বাকি সামগ্রীগুলো নারীদের ব্যবহারের জন্য। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কনডম ও বড়ি। অধিদপ্তরের দেওয়া হিসাবে, প্রতি মাসে মাঠকর্মীরা ৫০ লাখ ৩৫ হাজার কনডম ও ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার সাইকেল বড়ি দম্পতিদের কাছে পৌঁছে দেন। এই জিনিসগুলো চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল।
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান বলেন, ‘এসব কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করা হয়, এ বছর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পরিচালকের কাছে অ্যাপ্রুভালের জন্য পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু সেখানে একটু জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এখনো এগুলো ক্রয় করা হয়নি। তার পরেও বিভিন্ন উৎস থেকে এগুলো সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া হয়ে যাবে এবং ঠিকাদারের মাধ্যমে এই জিনিসগুলো ব্যবস্থা করতে পারব।’
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রোগীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ গজ, ব্যান্ডেজ, ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল, সিরিঞ্জ ও স্যালাইন সেট হাসপাতালে পর্যাপ্ত না থাকার কারণে রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে এসব কিনতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত খরচ ও দুর্ভোগে পড়ছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, ভর্তি রোগীদের জন্য শুধুমাত্র স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী হাসপাতালে মজুত নেই। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা বিপাকে পড়ছেন।
হাসপাতালে ভর্তি শ্রীরামপুর ইউনিয়নের সোহেল (২৫) নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে যদি সব কিছু বাইরে থেকে কিনতে হয়, তাহলে আমাদের জন্য কষ্ট হয়ে যায়। গরিব মানুষ কোথায় যাবে।’
মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা আরেকজন রোগীর স্বজন রিনা অভিযোগ করে বলেন, “ডাক্তাররা প্রেসক্রিপশন দেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় জিনিস হাসপাতালে পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।” জ্বর ও কাশি নিয়ে ভর্তি থাকা রোগী সজিব (২৭) বলেন, “আমি কয়েকদিন ধরে ভর্তি আছি, প্রতিদিনই কোনো না কোনো জিনিস বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসার খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।”
শুধু তাই নয়, বহুদিন ধরে মাঠপর্যায়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর অভাব রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা সাধারণত পাঁচ ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী দম্পতিদের মধ্যে বিলি করেন। এগুলো হলো কনডম, খাওয়ার বড়ি, আইইউডি, ইনজেক্টেবলস ও ইমপ্ল্যান্ট।
কনডম ছাড়া বাকি সামগ্রীগুলো নারীদের ব্যবহারের জন্য। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কনডম ও বড়ি। অধিদপ্তরের দেওয়া হিসাবে, প্রতি মাসে মাঠকর্মীরা ৫০ লাখ ৩৫ হাজার কনডম ও ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার সাইকেল বড়ি দম্পতিদের কাছে পৌঁছে দেন। এই জিনিসগুলো চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল।
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান বলেন, ‘এসব কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করা হয়, এ বছর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পরিচালকের কাছে অ্যাপ্রুভালের জন্য পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু সেখানে একটু জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এখনো এগুলো ক্রয় করা হয়নি। তার পরেও বিভিন্ন উৎস থেকে এগুলো সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া হয়ে যাবে এবং ঠিকাদারের মাধ্যমে এই জিনিসগুলো ব্যবস্থা করতে পারব।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫৬
কুয়াকাটা মাছ বাজারে আবারও দেখা মিললো ২৩ কেজি ওজনের বিশালাকৃতির এক কোরাল মাছেের। মাছটি সুন্দরবন এলাকা থেকে জেলে ফারুক মাঝির জালে ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রি হয় ৩০ হাজার ৬শ ৪৫ টাকায়। মাছটি বাজারে নিয়ে আসলে এক নজর দেখার জন্য হৈচৈ পড়ে যায়।
বুধবার (১ এপ্রিল ) সকালে কুয়াকাটা মাছ বাজারের জেলে ফারুক মাঝি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তের খান ফিশে নিয়ে আসেন। মাছটির ওজন হয় ২২ কেজি ৭০০ গ্রাম। ওপেন ডাকের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৫০ টাকা কেজি দরে ৩০ হাজার ৬শ ৪৫ টাকায় মাছটি বিক্রি হয়।
ফারুক মাঝি জানান, সুন্দরবনের ৭ নাম্বার এলাকায় জাল পাতার পরে ২৩ কেজি ওজনের কোরাল মাছটি পেয়েছি। মাছটি কুয়াকাটা বাজারে ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন ছিল প্রায় ২২ কেজি ৭০০ গ্রাম। ফারুক মাঝি তালতলী থানার নিশান বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
খান ফিশের পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর খান জানান, এমন বড় সাইজের মাছের চাহিদা অনেক বেশী। তাই অনেক ভালো দামে বিক্রি করা যায়। দুইদিন আগেও তারা অনেকগুলো মাছ বিক্রি করে গেছেন।কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, এটি উপকূলের জেলেদের জন্য অত্যন্ত সুখবর। এমন সাইজের বড় কোরাল মাছ এর আগেও কয়েকটি ধরা পড়েছে এটি নিষেধাজ্ঞার একটি সুফল। সামুদ্রিক মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করলে উপকূলের জেলেরা বেশ ভালো পরিমাণ মাছ পাবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
কুয়াকাটা মাছ বাজারে আবারও দেখা মিললো ২৩ কেজি ওজনের বিশালাকৃতির এক কোরাল মাছেের। মাছটি সুন্দরবন এলাকা থেকে জেলে ফারুক মাঝির জালে ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রি হয় ৩০ হাজার ৬শ ৪৫ টাকায়। মাছটি বাজারে নিয়ে আসলে এক নজর দেখার জন্য হৈচৈ পড়ে যায়।
বুধবার (১ এপ্রিল ) সকালে কুয়াকাটা মাছ বাজারের জেলে ফারুক মাঝি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তের খান ফিশে নিয়ে আসেন। মাছটির ওজন হয় ২২ কেজি ৭০০ গ্রাম। ওপেন ডাকের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৫০ টাকা কেজি দরে ৩০ হাজার ৬শ ৪৫ টাকায় মাছটি বিক্রি হয়।
ফারুক মাঝি জানান, সুন্দরবনের ৭ নাম্বার এলাকায় জাল পাতার পরে ২৩ কেজি ওজনের কোরাল মাছটি পেয়েছি। মাছটি কুয়াকাটা বাজারে ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন ছিল প্রায় ২২ কেজি ৭০০ গ্রাম। ফারুক মাঝি তালতলী থানার নিশান বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
খান ফিশের পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর খান জানান, এমন বড় সাইজের মাছের চাহিদা অনেক বেশী। তাই অনেক ভালো দামে বিক্রি করা যায়। দুইদিন আগেও তারা অনেকগুলো মাছ বিক্রি করে গেছেন।কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, এটি উপকূলের জেলেদের জন্য অত্যন্ত সুখবর। এমন সাইজের বড় কোরাল মাছ এর আগেও কয়েকটি ধরা পড়েছে এটি নিষেধাজ্ঞার একটি সুফল। সামুদ্রিক মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করলে উপকূলের জেলেরা বেশ ভালো পরিমাণ মাছ পাবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.