Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:৫১
বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিস্কৃত সহ-সম্পাদক লিটন সিকদার ওরফে লিটু হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিয়াজ মাহমুদ খান মিল্টনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তিনি একই কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বুধবার বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক মো. ছগির হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম শহরের কাউনিয়া বাগানবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর বিল্লবাড়ি এলাকার বাসিন্দা লিটন সিকদার ওরফে লিটু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মিল্টন খান। নিহত লিটুর বোন মুন্নি আক্তার গত ১ আগস্ট স্বামী জাকির গাজী এবং ভাইয়ের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মিল্টন খানসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার আগে এবং পরে পুলিশ ঘটনায় জড়িত ৫জনকে গ্রেপ্তার করে। সবশেষ বুধবার বিকেলে আলোচিত মিল্টন খানকে গ্রেপ্তার করা হলো।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করে, নিহত লিটু এক সময়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টন খানের অনুসারী ছিলেন। একাধিক মামলার আসামি লিটন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে এলাকায় একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংঘটিত করেন। এনিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতিও ঘটে। এরই মধ্যে জুলাই মাসের শেষের দিকে প্রকাশ্যে আসে লিটনের বোনের স্বামী জাকির গাজীর দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় বিয়ে করার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে জাকিরকে তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার এবং ভাই লিটু ঘরে আটকে নির্যাতন করেন। এই খবর পেয়ে গত ২৭ জুলাই মিল্টন অনুসারীদের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানায় জকির গাজী স্ত্রী মুন্নি আক্তার এবং শ্যালক লিটুর বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে একই দিনে জাকির গাজীর বিরুদ্ধেও বিমানবন্দর থানায় যৌতুক দাবিসহ মারধরের অভিযোগে মামলা করেন মুন্নি বেগম।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, পাল্টা-পাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে বিল্লবাড়িতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটুর শাস্তির দাবি করে বোন জামাই জাকিরের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলও হয়। মাঠপর্যায়ে লিটুর শাস্তির দাবিতে জাকিরসহ গুটিয়েক লোকজন সোচ্চার থাকলেও নেপথ্যে থেকে তাদের পরিচালনা করার অভিযোগ ওঠে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টনের বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার আদালত থেকে মামলায় জামিন নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করলে লিটুর বাসভবনে হামলা-ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তাকেসহ অন্তত ৫/৬জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এতে ঘটনাস্থলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটু মৃত্যুবরণ করেন। এই হত্যাকান্ডে সময় একাধিক ব্যক্তিকে লিটুর শত্রু মিল্টনের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে শোনা যায়। এবং ভুক্তোভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হচ্ছিল, হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড খোদ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টন।
একদিন বাদে শুক্রবার এই ঘটনায় স্বামী জাকির গাজীসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন মুন্নি বেগম। সেই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিয়াজ খান মিল্টনকে বুধবার বিকেলে গ্রেপ্তার করল গোয়েন্দাপুলিশ। তবে লিটু হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড এই মিল্টনই কী না তা নিয়ে আগেভাগে মন্তব্য করতে চাইছে না পুলিশ।
এক্ষেত্রে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. রিয়াজ হোসেনের ভাষ্য হচ্ছে, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ থাকতে পারে, কিন্তু তদন্তের আগে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। প্রয়োজন হলে এই অভিযুক্তকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’
বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিস্কৃত সহ-সম্পাদক লিটন সিকদার ওরফে লিটু হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিয়াজ মাহমুদ খান মিল্টনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তিনি একই কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বুধবার বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক মো. ছগির হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম শহরের কাউনিয়া বাগানবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর বিল্লবাড়ি এলাকার বাসিন্দা লিটন সিকদার ওরফে লিটু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মিল্টন খান। নিহত লিটুর বোন মুন্নি আক্তার গত ১ আগস্ট স্বামী জাকির গাজী এবং ভাইয়ের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মিল্টন খানসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার আগে এবং পরে পুলিশ ঘটনায় জড়িত ৫জনকে গ্রেপ্তার করে। সবশেষ বুধবার বিকেলে আলোচিত মিল্টন খানকে গ্রেপ্তার করা হলো।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করে, নিহত লিটু এক সময়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টন খানের অনুসারী ছিলেন। একাধিক মামলার আসামি লিটন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে এলাকায় একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংঘটিত করেন। এনিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতিও ঘটে। এরই মধ্যে জুলাই মাসের শেষের দিকে প্রকাশ্যে আসে লিটনের বোনের স্বামী জাকির গাজীর দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় বিয়ে করার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে জাকিরকে তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার এবং ভাই লিটু ঘরে আটকে নির্যাতন করেন। এই খবর পেয়ে গত ২৭ জুলাই মিল্টন অনুসারীদের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানায় জকির গাজী স্ত্রী মুন্নি আক্তার এবং শ্যালক লিটুর বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে একই দিনে জাকির গাজীর বিরুদ্ধেও বিমানবন্দর থানায় যৌতুক দাবিসহ মারধরের অভিযোগে মামলা করেন মুন্নি বেগম।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, পাল্টা-পাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে বিল্লবাড়িতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটুর শাস্তির দাবি করে বোন জামাই জাকিরের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলও হয়। মাঠপর্যায়ে লিটুর শাস্তির দাবিতে জাকিরসহ গুটিয়েক লোকজন সোচ্চার থাকলেও নেপথ্যে থেকে তাদের পরিচালনা করার অভিযোগ ওঠে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টনের বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার আদালত থেকে মামলায় জামিন নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করলে লিটুর বাসভবনে হামলা-ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তাকেসহ অন্তত ৫/৬জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এতে ঘটনাস্থলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটু মৃত্যুবরণ করেন। এই হত্যাকান্ডে সময় একাধিক ব্যক্তিকে লিটুর শত্রু মিল্টনের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে শোনা যায়। এবং ভুক্তোভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হচ্ছিল, হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড খোদ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিল্টন।
একদিন বাদে শুক্রবার এই ঘটনায় স্বামী জাকির গাজীসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন মুন্নি বেগম। সেই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিয়াজ খান মিল্টনকে বুধবার বিকেলে গ্রেপ্তার করল গোয়েন্দাপুলিশ। তবে লিটু হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড এই মিল্টনই কী না তা নিয়ে আগেভাগে মন্তব্য করতে চাইছে না পুলিশ।
এক্ষেত্রে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. রিয়াজ হোসেনের ভাষ্য হচ্ছে, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ থাকতে পারে, কিন্তু তদন্তের আগে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। প্রয়োজন হলে এই অভিযুক্তকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৯
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২