
২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ১৮:১৬
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:০০
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।