বরিশালের বাবুগঞ্জে নারীদের নিয়ে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নারী সমাবেশ করেছে বিএনপি। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। সমাবেশে রেকর্ড সংখ্যক হাজার হাজার নারীদের ঢল নামায় সর্বত্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে বিএনপির সেলিমা গ্রুপের জনপ্রিয়তা পরীক্ষা ও নির্বাচনী আগাম শোডাউন হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। স্থানীয়দের ভাষ্য, এত বিপুল সংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নারী সমাবেশ ইতিপূর্বে কখনো দেখেনি তারা। এই নারী সমাবেশকে ঘিরে উজ্জীবিত বিএনপির সেলিমা রহমান নিয়ন্ত্রিত ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন গ্রুপ। নারীদের নিয়ে এই বিশাল শোডাউনে প্রতিপক্ষের চেয়ে নির্বাচনী দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন বেগম সেলিমা রহমান বলে মনে করছেন তার অনুসারী কর্মী-সমর্থকরা।
নারী সমাবেশ প্রধান অতিথির ভাষণে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান বলেন, 'শেখ হাসিনা ছিলেন এক ডাইনী স্বৈরাচারী সরকার প্রধান। জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য নির্বিচারে তিনি গণহত্যা চালিয়েছেন। ডাইনী শেখ হাসিনা সরকারকে জনগণ দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। দীর্ঘ ১৭ বছর তারা দেশে খুন, গুম, আয়নাঘর, ধর্ষণ, দুর্নীতি, লুটপাটের রামরাজত্ব কয়েম করেছিল। জনগণের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছিল। এই ডাইনী সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন এবং সর্বশেষ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল। এই আন্দোলনে আমাদের মা-বোনসহ বাংলার সর্বস্তরের নারীদের অনেক অবদান রয়েছে। দেশকে আবারো গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনতে নারীদের ভূমিকা অপরিসীম। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় শুধু পুরুষ নয়, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার রয়েছে।'
শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত ওই নারী সমাবেশে বেগম সেলিমা রহমান আরো বলেন, 'একটি দল জান্নাতের টিকেট বিক্রি করছে। তারা মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট আদায় করতে চাইছে। ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে মা-বোনদের কোরআন শপথ করানো হচ্ছে। ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করছে তারা। কোনো মার্কায় ভোট দিয়ে কেউ জান্নাতে যেতে পারে না। যারা এসব কথা বলে তারা ভন্ড মোনাফেক। এদের থেকে আমাদের মা-বোনদের সতর্ক থাকতে হবে।'
রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সম্পর্কে নারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত ওই নারী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১নং সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ, মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি সভাপতি আবদুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন এবং জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ আওলাদ হোসেন। সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার।
বাবুগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি কুলসুম বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই নারী সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবীন, যুগ্ম-সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন। নারী সমাবেশে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী কাকলী আক্তার, ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সদস্য হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার, কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক সেলিম সরদার, শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক মিলন খান, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি এস এম শফিউল আজম প্রমুখ।
বিএনপির ওই নারী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। ধানের শীষকে বিজয়ী করতে অতীতে যেভাবে আমাদের মা-বোনেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, সেভাবে আগামী নির্বাচনেও তারা মূখ্য ভূমিকা পালন করবেন।' #

২৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩১
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

২৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৩
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১১:৫৯
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের অভ্যন্তরীণ ৭টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয় খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, গতকাল রাতে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানিয়েছে, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।’
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের অভ্যন্তরীণ ৭টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয় খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, গতকাল রাতে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানিয়েছে, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।’

২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:১৭
বরিশালের বাবুগঞ্জে নারীদের নিয়ে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নারী সমাবেশ করেছে বিএনপি। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। সমাবেশে রেকর্ড সংখ্যক হাজার হাজার নারীদের ঢল নামায় সর্বত্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে বিএনপির সেলিমা গ্রুপের জনপ্রিয়তা পরীক্ষা ও নির্বাচনী আগাম শোডাউন হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। স্থানীয়দের ভাষ্য, এত বিপুল সংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নারী সমাবেশ ইতিপূর্বে কখনো দেখেনি তারা। এই নারী সমাবেশকে ঘিরে উজ্জীবিত বিএনপির সেলিমা রহমান নিয়ন্ত্রিত ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন গ্রুপ। নারীদের নিয়ে এই বিশাল শোডাউনে প্রতিপক্ষের চেয়ে নির্বাচনী দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন বেগম সেলিমা রহমান বলে মনে করছেন তার অনুসারী কর্মী-সমর্থকরা।
নারী সমাবেশ প্রধান অতিথির ভাষণে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান বলেন, 'শেখ হাসিনা ছিলেন এক ডাইনী স্বৈরাচারী সরকার প্রধান। জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য নির্বিচারে তিনি গণহত্যা চালিয়েছেন। ডাইনী শেখ হাসিনা সরকারকে জনগণ দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। দীর্ঘ ১৭ বছর তারা দেশে খুন, গুম, আয়নাঘর, ধর্ষণ, দুর্নীতি, লুটপাটের রামরাজত্ব কয়েম করেছিল। জনগণের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছিল। এই ডাইনী সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন এবং সর্বশেষ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল। এই আন্দোলনে আমাদের মা-বোনসহ বাংলার সর্বস্তরের নারীদের অনেক অবদান রয়েছে। দেশকে আবারো গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনতে নারীদের ভূমিকা অপরিসীম। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় শুধু পুরুষ নয়, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার রয়েছে।'
শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত ওই নারী সমাবেশে বেগম সেলিমা রহমান আরো বলেন, 'একটি দল জান্নাতের টিকেট বিক্রি করছে। তারা মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট আদায় করতে চাইছে। ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে মা-বোনদের কোরআন শপথ করানো হচ্ছে। ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করছে তারা। কোনো মার্কায় ভোট দিয়ে কেউ জান্নাতে যেতে পারে না। যারা এসব কথা বলে তারা ভন্ড মোনাফেক। এদের থেকে আমাদের মা-বোনদের সতর্ক থাকতে হবে।'
রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সম্পর্কে নারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত ওই নারী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১নং সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ, মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি সভাপতি আবদুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন এবং জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ আওলাদ হোসেন। সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার।
বাবুগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি কুলসুম বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই নারী সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবীন, যুগ্ম-সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন। নারী সমাবেশে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী কাকলী আক্তার, ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সদস্য হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার, কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক সেলিম সরদার, শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক মিলন খান, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি এস এম শফিউল আজম প্রমুখ।
বিএনপির ওই নারী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। ধানের শীষকে বিজয়ী করতে অতীতে যেভাবে আমাদের মা-বোনেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, সেভাবে আগামী নির্বাচনেও তারা মূখ্য ভূমিকা পালন করবেন।' #