Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:১৭
বরিশালের বাবুগঞ্জে নারীদের নিয়ে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নারী সমাবেশ করেছে বিএনপি। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। সমাবেশে রেকর্ড সংখ্যক হাজার হাজার নারীদের ঢল নামায় সর্বত্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে বিএনপির সেলিমা গ্রুপের জনপ্রিয়তা পরীক্ষা ও নির্বাচনী আগাম শোডাউন হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। স্থানীয়দের ভাষ্য, এত বিপুল সংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নারী সমাবেশ ইতিপূর্বে কখনো দেখেনি তারা। এই নারী সমাবেশকে ঘিরে উজ্জীবিত বিএনপির সেলিমা রহমান নিয়ন্ত্রিত ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন গ্রুপ। নারীদের নিয়ে এই বিশাল শোডাউনে প্রতিপক্ষের চেয়ে নির্বাচনী দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন বেগম সেলিমা রহমান বলে মনে করছেন তার অনুসারী কর্মী-সমর্থকরা।
নারী সমাবেশ প্রধান অতিথির ভাষণে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান বলেন, 'শেখ হাসিনা ছিলেন এক ডাইনী স্বৈরাচারী সরকার প্রধান। জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য নির্বিচারে তিনি গণহত্যা চালিয়েছেন। ডাইনী শেখ হাসিনা সরকারকে জনগণ দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। দীর্ঘ ১৭ বছর তারা দেশে খুন, গুম, আয়নাঘর, ধর্ষণ, দুর্নীতি, লুটপাটের রামরাজত্ব কয়েম করেছিল। জনগণের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছিল। এই ডাইনী সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন এবং সর্বশেষ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল। এই আন্দোলনে আমাদের মা-বোনসহ বাংলার সর্বস্তরের নারীদের অনেক অবদান রয়েছে। দেশকে আবারো গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনতে নারীদের ভূমিকা অপরিসীম। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় শুধু পুরুষ নয়, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার রয়েছে।'
শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত ওই নারী সমাবেশে বেগম সেলিমা রহমান আরো বলেন, 'একটি দল জান্নাতের টিকেট বিক্রি করছে। তারা মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট আদায় করতে চাইছে। ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে মা-বোনদের কোরআন শপথ করানো হচ্ছে। ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করছে তারা। কোনো মার্কায় ভোট দিয়ে কেউ জান্নাতে যেতে পারে না। যারা এসব কথা বলে তারা ভন্ড মোনাফেক। এদের থেকে আমাদের মা-বোনদের সতর্ক থাকতে হবে।'
রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সম্পর্কে নারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত ওই নারী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১নং সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ, মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি সভাপতি আবদুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন এবং জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ আওলাদ হোসেন। সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার।
বাবুগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি কুলসুম বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই নারী সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবীন, যুগ্ম-সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন। নারী সমাবেশে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী কাকলী আক্তার, ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সদস্য হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার, কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক সেলিম সরদার, শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক মিলন খান, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি এস এম শফিউল আজম প্রমুখ।
বিএনপির ওই নারী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। ধানের শীষকে বিজয়ী করতে অতীতে যেভাবে আমাদের মা-বোনেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, সেভাবে আগামী নির্বাচনেও তারা মূখ্য ভূমিকা পালন করবেন।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে নারীদের নিয়ে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নারী সমাবেশ করেছে বিএনপি। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। সমাবেশে রেকর্ড সংখ্যক হাজার হাজার নারীদের ঢল নামায় সর্বত্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে বিএনপির সেলিমা গ্রুপের জনপ্রিয়তা পরীক্ষা ও নির্বাচনী আগাম শোডাউন হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। স্থানীয়দের ভাষ্য, এত বিপুল সংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নারী সমাবেশ ইতিপূর্বে কখনো দেখেনি তারা। এই নারী সমাবেশকে ঘিরে উজ্জীবিত বিএনপির সেলিমা রহমান নিয়ন্ত্রিত ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন গ্রুপ। নারীদের নিয়ে এই বিশাল শোডাউনে প্রতিপক্ষের চেয়ে নির্বাচনী দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন বেগম সেলিমা রহমান বলে মনে করছেন তার অনুসারী কর্মী-সমর্থকরা।
নারী সমাবেশ প্রধান অতিথির ভাষণে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান বলেন, 'শেখ হাসিনা ছিলেন এক ডাইনী স্বৈরাচারী সরকার প্রধান। জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য নির্বিচারে তিনি গণহত্যা চালিয়েছেন। ডাইনী শেখ হাসিনা সরকারকে জনগণ দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। দীর্ঘ ১৭ বছর তারা দেশে খুন, গুম, আয়নাঘর, ধর্ষণ, দুর্নীতি, লুটপাটের রামরাজত্ব কয়েম করেছিল। জনগণের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছিল। এই ডাইনী সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন এবং সর্বশেষ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল। এই আন্দোলনে আমাদের মা-বোনসহ বাংলার সর্বস্তরের নারীদের অনেক অবদান রয়েছে। দেশকে আবারো গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনতে নারীদের ভূমিকা অপরিসীম। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় শুধু পুরুষ নয়, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার রয়েছে।'
শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত ওই নারী সমাবেশে বেগম সেলিমা রহমান আরো বলেন, 'একটি দল জান্নাতের টিকেট বিক্রি করছে। তারা মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট আদায় করতে চাইছে। ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে মা-বোনদের কোরআন শপথ করানো হচ্ছে। ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করছে তারা। কোনো মার্কায় ভোট দিয়ে কেউ জান্নাতে যেতে পারে না। যারা এসব কথা বলে তারা ভন্ড মোনাফেক। এদের থেকে আমাদের মা-বোনদের সতর্ক থাকতে হবে।'
রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সম্পর্কে নারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত ওই নারী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১নং সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ, মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি সভাপতি আবদুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম ভিপি লিপন এবং জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ আওলাদ হোসেন। সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার।
বাবুগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি কুলসুম বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই নারী সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবীন, যুগ্ম-সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন। নারী সমাবেশে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী কাকলী আক্তার, ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সদস্য হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার, কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক সেলিম সরদার, শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক মিলন খান, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি এস এম শফিউল আজম প্রমুখ।
বিএনপির ওই নারী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। ধানের শীষকে বিজয়ী করতে অতীতে যেভাবে আমাদের মা-বোনেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, সেভাবে আগামী নির্বাচনেও তারা মূখ্য ভূমিকা পালন করবেন।' #

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।