
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর বাবাকে কুপিয়ে যখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূর বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে মিরাজ নামক এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার যুবককে ভোলা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের ওই গৃহবধূ ও তার বাবা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ২ টার দিকে স্থানীয় যুবক মিরাজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধুকে শারিরিকভারে নির্যাতন করে। তারা গৃহবধুর সাথে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে যাওয়ার সময় গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে যখম করে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
গ্রেফতার যুবক মিরাজ একই গ্রামের বাসিন্দা মো: কামালের ছেলে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিরাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর বাবাকে কুপিয়ে যখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূর বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে মিরাজ নামক এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার যুবককে ভোলা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের ওই গৃহবধূ ও তার বাবা ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ২ টার দিকে স্থানীয় যুবক মিরাজসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধুকে শারিরিকভারে নির্যাতন করে। তারা গৃহবধুর সাথে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে যাওয়ার সময় গৃহবধূর বাবা বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে যখম করে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
গ্রেফতার যুবক মিরাজ একই গ্রামের বাসিন্দা মো: কামালের ছেলে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিরাজকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’

২৭ মে, ২০২৬ ০৮:৫৮
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৬:৩৮
ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মো: শাকিল নামে আরও এক জেলে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে হাজারিগঞ্জের আলম মাছ ঘাট সংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম মো. সজিব মাঝি (২৫)। তিনি ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলম ঘাট সংলগ্ন এলাকার মো. সামছুর হকের ছেলে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সকাল ৮টার দিকে সজিব মাঝি ও শাকিল মাঝি নৌকা নিয়ে ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। পরে সকাল ১০টায় হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই আহত হন।
পরে অন্য জেলেরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিল মাঝিকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বিয়ষটি নিশ্চিত করেন।
ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মো: শাকিল নামে আরও এক জেলে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে হাজারিগঞ্জের আলম মাছ ঘাট সংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম মো. সজিব মাঝি (২৫)। তিনি ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলম ঘাট সংলগ্ন এলাকার মো. সামছুর হকের ছেলে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সকাল ৮টার দিকে সজিব মাঝি ও শাকিল মাঝি নৌকা নিয়ে ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। পরে সকাল ১০টায় হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই আহত হন।
পরে অন্য জেলেরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিল মাঝিকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বিয়ষটি নিশ্চিত করেন।

২৩ মে, ২০২৬ ১৮:২১
ভোলার তজুমদ্দিনে একটি বিশাল আকৃতির গুইসাপ উদ্ধার করেন। শনিবার দুপুর ২টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার পাশের ঝোপঝাড় থেকে প্রাণীটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে আতঙ্কিত এলাকাবাসী বন বিভাগকে সংবাদ দিলে বনবিভাগের কর্মিরা সেটি উদ্ধার করে যথাযথ প্রকৃয়া অনুসরণ করে বনে অবমুক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুইসাপটি প্রায় ৫ ফুট লম্বা ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটি ঝোপের মধ্যে অবস্থান করছিল। পরে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক ও বিট কর্মকর্তা আবুল মাশারের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম এসে অনেক কৌশলে সেটিকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় উৎসুক জনতা প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, গুইসাপ পরিবেশের জন্য উপকারী একটি বন্যপ্রাণী এবং এটি সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না। উদ্ধার শেষে প্রাণীটিকে বাসনভাঙ্গা চরে বনবিভাগের সৃজন করা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি এবং কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে আঘাত না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান।
ভোলার তজুমদ্দিনে একটি বিশাল আকৃতির গুইসাপ উদ্ধার করেন। শনিবার দুপুর ২টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার পাশের ঝোপঝাড় থেকে প্রাণীটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে আতঙ্কিত এলাকাবাসী বন বিভাগকে সংবাদ দিলে বনবিভাগের কর্মিরা সেটি উদ্ধার করে যথাযথ প্রকৃয়া অনুসরণ করে বনে অবমুক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুইসাপটি প্রায় ৫ ফুট লম্বা ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটি ঝোপের মধ্যে অবস্থান করছিল। পরে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক ও বিট কর্মকর্তা আবুল মাশারের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম এসে অনেক কৌশলে সেটিকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় উৎসুক জনতা প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, গুইসাপ পরিবেশের জন্য উপকারী একটি বন্যপ্রাণী এবং এটি সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না। উদ্ধার শেষে প্রাণীটিকে বাসনভাঙ্গা চরে বনবিভাগের সৃজন করা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি এবং কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে আঘাত না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১