
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার লালমোহন উপজেলায় চালককে কুপিয়ে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু ও চারটি মোবাইল ফোন। বুধবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার।
তিনি জানান, গত ৩০ ডিসেম্বর রাতে চরফ্যাশন পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড থেকে লালমোহনের গজারিয়া বাজার যাওয়ার কথা বলে যাত্রী সেজে আবু বক্কর ছিদ্দিকের অটোরিকশাটি ভাড়া করেন হত্যাকারীরা। এরপর রাত সাড়ে ৯ টার দিকে লালমোহনের পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের কচুয়াখালী এলাকায় পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যাকারী আবু বকর সিদ্দিকের বুকে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন। এরপর তারা নীল রঙের অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদি হয়ে লালমোহন থানায় একটি হত্যা ও ডাকাতি মামলা করেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান, এরপর লালমোহন সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তারা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার মূল পরিকল্পনাকারী মো. ইব্রাহিমকে (৩৬) গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ইব্রাহিমের দেওয়া তথ্যমতে মো. রাজা (৩২) ও কাজী তারেক (৩৫) নামে আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে অটোরিকশা চালক হত্যায় ব্যবহৃত চাকু ও চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এরা সবাই আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেফতার এবং ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় চালককে কুপিয়ে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু ও চারটি মোবাইল ফোন। বুধবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার।
তিনি জানান, গত ৩০ ডিসেম্বর রাতে চরফ্যাশন পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড থেকে লালমোহনের গজারিয়া বাজার যাওয়ার কথা বলে যাত্রী সেজে আবু বক্কর ছিদ্দিকের অটোরিকশাটি ভাড়া করেন হত্যাকারীরা। এরপর রাত সাড়ে ৯ টার দিকে লালমোহনের পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের কচুয়াখালী এলাকায় পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যাকারী আবু বকর সিদ্দিকের বুকে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন। এরপর তারা নীল রঙের অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদি হয়ে লালমোহন থানায় একটি হত্যা ও ডাকাতি মামলা করেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান, এরপর লালমোহন সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। তারা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার মূল পরিকল্পনাকারী মো. ইব্রাহিমকে (৩৬) গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ইব্রাহিমের দেওয়া তথ্যমতে মো. রাজা (৩২) ও কাজী তারেক (৩৫) নামে আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে অটোরিকশা চালক হত্যায় ব্যবহৃত চাকু ও চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এরা সবাই আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেফতার এবং ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
ভোলার মনপুরা উপজেলায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়। বুধবার (০৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ ভবন গ্রাউন্ডে এ বিজ্ঞান মেলা অনুৃষ্ঠিত হয়।
উক্ত মেলার উদ্বোধনের পর মেলায় অংশগ্রহনকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা।
মেলায় উপজেলার ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি কলেজ অংশ নেয়।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ডিভাইস ও গবেষণামূলক প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের তৈরী প্রজেক্টগুলো দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
মেলায় আগত দর্শনার্থীরা জানান, মেলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ও প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা বলেন,“একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ছোটবেলা থেকেই স্কুল-কলেজে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তুলতে পারলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন সমস্যার সহজ সমাধান দিতে পারবে।”
ভোলার মনপুরা উপজেলায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়। বুধবার (০৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ ভবন গ্রাউন্ডে এ বিজ্ঞান মেলা অনুৃষ্ঠিত হয়।
উক্ত মেলার উদ্বোধনের পর মেলায় অংশগ্রহনকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা।
মেলায় উপজেলার ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি কলেজ অংশ নেয়।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ডিভাইস ও গবেষণামূলক প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের তৈরী প্রজেক্টগুলো দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
মেলায় আগত দর্শনার্থীরা জানান, মেলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ও প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা বলেন,“একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ছোটবেলা থেকেই স্কুল-কলেজে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তুলতে পারলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন সমস্যার সহজ সমাধান দিতে পারবে।”

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৮
ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরিফ নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি বেসরকারি ক্লিনিকের প্রতিনিধি (দালাল) হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওষুধ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কৌশলে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
এ সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য রোগীর স্বজনরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সরকারি হাসপাতালের ভেতর এমন সুরক্ষিত স্থানে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও কর্মরতদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরিফ নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি বেসরকারি ক্লিনিকের প্রতিনিধি (দালাল) হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওষুধ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কৌশলে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
এ সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য রোগীর স্বজনরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সরকারি হাসপাতালের ভেতর এমন সুরক্ষিত স্থানে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও কর্মরতদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.