ছবি: সংগৃহীত
নির্ধারত সময়ের আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিক্ষুব্ধদের চাপের মুখে আংশিক টাকা ফেরত দিতে পিসি জসিমের সমঝোতা বৈঠক।
কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না বরিশাল আনসার বাহিনীর। এবার প্রকাশ্যে এসেছে সদর উপজেলার কর্নকাঠিতে একটি প্রকল্পে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আনসার ক্যাম্পের ইনচার্জ পিসি জসিম উদ্দিন অর্ধ লাখ টাকার বদৌলতে তিন আনসার সদস্য শুভ, জাহিদ এবং তাপসকে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করেন। জেলা আনসার কর্মকর্তাকে ম্যানেজের নামে দুজনের কাছ থেকে ৪০ হাজার এবং একজনের কাছ থেকে আরও ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বলে এই অর্থ নেওয়া হলেও চার মাসের মাথায় চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্প কার্যক্রম বন্ধ হতে যাওয়া এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় পিসি জসিম বেকায়দায় পড়েছেন। সংক্ষুব্ধ তিন আনসার সদস্য তাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থও ফেরত চেয়েছে, যা নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল ওই প্রকল্পে নিয়োজিত পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় স্থানীয় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠক করে জসিম। আনসার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য এবং সেই টাকা নিয়ে গন্ডগোল পরিশেষে সমঝোতা বৈঠকের ঘটনাটি প্রকাশ পেতেই বাহিনীটির শুরু হয়েছে তোলপাড়। এবং এই ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনাটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, ঘুষখোর পিসি জসিম এর আগেও বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগপন্থী এই আনসার কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে আন্দোলনের নামে বিভিন্নভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপদে ফেলারও চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হয়ে চাকরি রক্ষার্থে একপর্যায়ে চেপে ঘুস বাণিজ্যের পথ বেচে নিয়েছেন। পিসি জসিম যে বিতর্কিত কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর তা বরিশাল জেলা আনসার অফিসের একাধিক কর্মকর্তা এবং চায়না ক্যাম্পে নিয়োজিত তার সহকর্মীরাও নিশ্চিত করেন।
শুভ-তাপস এবং জাহিদ অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি তাদের তিনজনকে চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্পে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করে মোট সাতান্ন হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। একই কর্মস্থলে এক বছর থাকতে হলেও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলামকে ম্যানেজ করতে হবে বলে এই অর্থ নেওয়া হয়। কিন্তু চার মাস অতিক্রম হওয়ার আগেই তাদের সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি হলে ঘুষের লেনদেনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এবং তিন আনসার সদস্য পিসি জসিমের কাছে টাকা ফেরত চেয়ে চাপপ্রয়োগ করতে থাকেন। এনিয়ে কিছুদিন নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে গত ১৩ এপ্রিল চায়না ক্যাম্পের ইনচার্জ হুমায়ন কবিরের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে একটি সমঝোতা বৈঠক বসানো হয়।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পিসি জসিম শুভ এবং তাপসের ৪০ হাজারের ১২ হাজার টাকা এবং জাহিদের ১৭ হাজার টাকার ৪ হাজার ফেরত দিতে সম্মত হন। এবং বাকি টাকা জেলা আনসার কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম নিয়েছেন, যা আর ফেরত আনা সম্ভবপর নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন পিসি জসিম।
কিভাবে ঘুষ বাণিজ্য হয় এবং পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠকে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে ভুক্তভোগী তিন আনসার সদস্য খোলামেলা কথা বলেছেন, যার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে।
পিসি জসিম প্রথমে এই ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যোগাযোগ করে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ রাখেন এবং আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেয়া হয়। ফলে এই গোটা ঘুষ বাণিজ্য যে তার মাধ্যমে হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া সমঝোতা বৈঠকে মধ্যস্ততা করা পিসি হুমায়নও ঘুস বাণিজ্যে জসিম জড়িত থাকার বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন।
তবে অঙ্গীভুত আনসার কর্মকর্তা পিসি জসিমের এই ঘুষ বাণিজ্য সম্পর্কে মোটেও ওয়াকিবহাল নন বলে জানিয়েছেন জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পিসি জসিমের ঘুষগ্রহণ এবং সেই টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে বৈঠক হওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যম শুনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন, ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। ঘুষের টাকার অধিকাংশ আপনাকে দিয়ে ম্যানেজ করা হয়, জসিমের এমন বক্তব্য অস্বীকার করেছেন জেলা কর্মকর্তা।
অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে এর আগেও একাধিক ঘুষ লেনদেনসহ ব্যাপক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে জেলা উপজেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা, যা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিক শিরোনাম হয়। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরেও এই আনসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ঘুষের রীতি চলমান থাকায় বাহিনীটির স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। এখন দেখা যায়, আদর্শচ্যুৎ এবং নীতিবিবর্জিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীর তরফ থেকে কি ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
বরিশাল টাইমস

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৫:৫৬
বরিশাল নগরের ফজলুল হক এভিনিউ ও সদর রোড এলাকা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা, মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সরবরাহের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিসিসির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উজ জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে মুসলিম সুইটস এন্ড রেস্তোরাঁ ও মা গৌরনদী মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় মোট ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এ সময় সর্বসাধারণের চলাচলের নির্ধারিত স্থান (ফুটপাত) দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক পরিচালিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯-এর ৯২(৭) ধারা, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯২(৩) ধারায় মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জনস্বার্থে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন(বিসিসি)।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল নগরের ফজলুল হক এভিনিউ ও সদর রোড এলাকা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা, মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সরবরাহের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিসিসির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উজ জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে মুসলিম সুইটস এন্ড রেস্তোরাঁ ও মা গৌরনদী মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় মোট ১৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এ সময় সর্বসাধারণের চলাচলের নির্ধারিত স্থান (ফুটপাত) দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে ২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক পরিচালিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯-এর ৯২(৭) ধারা, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯২(৩) ধারায় মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জনস্বার্থে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন(বিসিসি)।
বরিশাল টাইমস

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বরিশাল আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে। এরপর বেলা ১১টায় সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে বৃক্ষরোপণ, বাদ যোহর মরহুমের নিজ এলাকা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনা মিয়ার পুল এবং পার্শ্ববর্তী মসজিদ ও স্থানীয় এতিমখানাসমূহে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় কাউনিয়া হাউজিংয়ে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেল ৩টা থেকে সেখানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত হবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৫টায় বরিশাল রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত হবে অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের বর্নাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র, যে জীবন মানুষের।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, তিনি বরিশালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাহাউদ্দিন গোলাপের পিতা।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির সূচনা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বরিশাল আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে। এরপর বেলা ১১টায় সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে বৃক্ষরোপণ, বাদ যোহর মরহুমের নিজ এলাকা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনা মিয়ার পুল এবং পার্শ্ববর্তী মসজিদ ও স্থানীয় এতিমখানাসমূহে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় কাউনিয়া হাউজিংয়ে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেল ৩টা থেকে সেখানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালিত হবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৫টায় বরিশাল রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত হবে অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের বর্নাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র, যে জীবন মানুষের।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, তিনি বরিশালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বাহাউদ্দিন গোলাপের পিতা।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
বরিশালের বাবুগঞ্জে দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় এক সহকারী শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দ্বারিকা-শিকারপুর ব্রিজের ঢালের পশ্চিম পাশে রাকুদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রেহানা বেগম (৪৫) রাকুদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা নাসিরউদ্দিনের স্ত্রী।
স্থানীয় ও মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিকারপুর ব্রিজের ঢাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন রেহানা বেগম। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী লাবিবা কোম্পানির ‘আহনাফ পরিবহন’ নামের একটি বেপরোয়া গতির বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মাদরাসার শিক্ষকেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে রেহানা বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর মাদরাসায় পৌঁছালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালকের বিচার ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করে রাখার কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
সংবাদ পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও বাবুগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে চালক ও বাস আটকের আশ্বাসসহ লাবিবা কোম্পানির কয়েকটি বাস আটক করা হলে প্রায় এক ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ব্রেকিংনিউজ
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’
বরিশালের বাবুগঞ্জে দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় এক সহকারী শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দ্বারিকা-শিকারপুর ব্রিজের ঢালের পশ্চিম পাশে রাকুদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রেহানা বেগম (৪৫) রাকুদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা নাসিরউদ্দিনের স্ত্রী।
স্থানীয় ও মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিকারপুর ব্রিজের ঢাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন রেহানা বেগম। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী লাবিবা কোম্পানির ‘আহনাফ পরিবহন’ নামের একটি বেপরোয়া গতির বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মাদরাসার শিক্ষকেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে রেহানা বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর মাদরাসায় পৌঁছালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালকের বিচার ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করে রাখার কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
সংবাদ পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও বাবুগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে চালক ও বাস আটকের আশ্বাসসহ লাবিবা কোম্পানির কয়েকটি বাস আটক করা হলে প্রায় এক ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ব্রেকিংনিউজ
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৮
নির্ধারত সময়ের আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিক্ষুব্ধদের চাপের মুখে আংশিক টাকা ফেরত দিতে পিসি জসিমের সমঝোতা বৈঠক।
কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না বরিশাল আনসার বাহিনীর। এবার প্রকাশ্যে এসেছে সদর উপজেলার কর্নকাঠিতে একটি প্রকল্পে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আনসার ক্যাম্পের ইনচার্জ পিসি জসিম উদ্দিন অর্ধ লাখ টাকার বদৌলতে তিন আনসার সদস্য শুভ, জাহিদ এবং তাপসকে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করেন। জেলা আনসার কর্মকর্তাকে ম্যানেজের নামে দুজনের কাছ থেকে ৪০ হাজার এবং একজনের কাছ থেকে আরও ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বলে এই অর্থ নেওয়া হলেও চার মাসের মাথায় চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্প কার্যক্রম বন্ধ হতে যাওয়া এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় পিসি জসিম বেকায়দায় পড়েছেন। সংক্ষুব্ধ তিন আনসার সদস্য তাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থও ফেরত চেয়েছে, যা নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল ওই প্রকল্পে নিয়োজিত পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় স্থানীয় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠক করে জসিম। আনসার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য এবং সেই টাকা নিয়ে গন্ডগোল পরিশেষে সমঝোতা বৈঠকের ঘটনাটি প্রকাশ পেতেই বাহিনীটির শুরু হয়েছে তোলপাড়। এবং এই ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনাটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, ঘুষখোর পিসি জসিম এর আগেও বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগপন্থী এই আনসার কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে আন্দোলনের নামে বিভিন্নভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপদে ফেলারও চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হয়ে চাকরি রক্ষার্থে একপর্যায়ে চেপে ঘুস বাণিজ্যের পথ বেচে নিয়েছেন। পিসি জসিম যে বিতর্কিত কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর তা বরিশাল জেলা আনসার অফিসের একাধিক কর্মকর্তা এবং চায়না ক্যাম্পে নিয়োজিত তার সহকর্মীরাও নিশ্চিত করেন।
শুভ-তাপস এবং জাহিদ অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি তাদের তিনজনকে চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্পে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করে মোট সাতান্ন হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। একই কর্মস্থলে এক বছর থাকতে হলেও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলামকে ম্যানেজ করতে হবে বলে এই অর্থ নেওয়া হয়। কিন্তু চার মাস অতিক্রম হওয়ার আগেই তাদের সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি হলে ঘুষের লেনদেনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এবং তিন আনসার সদস্য পিসি জসিমের কাছে টাকা ফেরত চেয়ে চাপপ্রয়োগ করতে থাকেন। এনিয়ে কিছুদিন নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে গত ১৩ এপ্রিল চায়না ক্যাম্পের ইনচার্জ হুমায়ন কবিরের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে একটি সমঝোতা বৈঠক বসানো হয়।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পিসি জসিম শুভ এবং তাপসের ৪০ হাজারের ১২ হাজার টাকা এবং জাহিদের ১৭ হাজার টাকার ৪ হাজার ফেরত দিতে সম্মত হন। এবং বাকি টাকা জেলা আনসার কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম নিয়েছেন, যা আর ফেরত আনা সম্ভবপর নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন পিসি জসিম।
কিভাবে ঘুষ বাণিজ্য হয় এবং পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠকে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে ভুক্তভোগী তিন আনসার সদস্য খোলামেলা কথা বলেছেন, যার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে।
পিসি জসিম প্রথমে এই ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যোগাযোগ করে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ রাখেন এবং আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেয়া হয়। ফলে এই গোটা ঘুষ বাণিজ্য যে তার মাধ্যমে হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া সমঝোতা বৈঠকে মধ্যস্ততা করা পিসি হুমায়নও ঘুস বাণিজ্যে জসিম জড়িত থাকার বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন।
তবে অঙ্গীভুত আনসার কর্মকর্তা পিসি জসিমের এই ঘুষ বাণিজ্য সম্পর্কে মোটেও ওয়াকিবহাল নন বলে জানিয়েছেন জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পিসি জসিমের ঘুষগ্রহণ এবং সেই টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে বৈঠক হওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যম শুনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন, ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। ঘুষের টাকার অধিকাংশ আপনাকে দিয়ে ম্যানেজ করা হয়, জসিমের এমন বক্তব্য অস্বীকার করেছেন জেলা কর্মকর্তা।
অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে এর আগেও একাধিক ঘুষ লেনদেনসহ ব্যাপক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে জেলা উপজেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা, যা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিক শিরোনাম হয়। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরেও এই আনসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ঘুষের রীতি চলমান থাকায় বাহিনীটির স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। এখন দেখা যায়, আদর্শচ্যুৎ এবং নীতিবিবর্জিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীর তরফ থেকে কি ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
বরিশাল টাইমস
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৮
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৫:৫৬
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৪৪