ছবি: সংগৃহীত
নির্ধারত সময়ের আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিক্ষুব্ধদের চাপের মুখে আংশিক টাকা ফেরত দিতে পিসি জসিমের সমঝোতা বৈঠক।
কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না বরিশাল আনসার বাহিনীর। এবার প্রকাশ্যে এসেছে সদর উপজেলার কর্নকাঠিতে একটি প্রকল্পে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আনসার ক্যাম্পের ইনচার্জ পিসি জসিম উদ্দিন অর্ধ লাখ টাকার বদৌলতে তিন আনসার সদস্য শুভ, জাহিদ এবং তাপসকে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করেন। জেলা আনসার কর্মকর্তাকে ম্যানেজের নামে দুজনের কাছ থেকে ৪০ হাজার এবং একজনের কাছ থেকে আরও ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বলে এই অর্থ নেওয়া হলেও চার মাসের মাথায় চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্প কার্যক্রম বন্ধ হতে যাওয়া এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় পিসি জসিম বেকায়দায় পড়েছেন। সংক্ষুব্ধ তিন আনসার সদস্য তাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থও ফেরত চেয়েছে, যা নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল ওই প্রকল্পে নিয়োজিত পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় স্থানীয় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠক করে জসিম। আনসার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য এবং সেই টাকা নিয়ে গন্ডগোল পরিশেষে সমঝোতা বৈঠকের ঘটনাটি প্রকাশ পেতেই বাহিনীটির শুরু হয়েছে তোলপাড়। এবং এই ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনাটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, ঘুষখোর পিসি জসিম এর আগেও বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগপন্থী এই আনসার কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে আন্দোলনের নামে বিভিন্নভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপদে ফেলারও চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হয়ে চাকরি রক্ষার্থে একপর্যায়ে চেপে ঘুস বাণিজ্যের পথ বেচে নিয়েছেন। পিসি জসিম যে বিতর্কিত কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর তা বরিশাল জেলা আনসার অফিসের একাধিক কর্মকর্তা এবং চায়না ক্যাম্পে নিয়োজিত তার সহকর্মীরাও নিশ্চিত করেন।
শুভ-তাপস এবং জাহিদ অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি তাদের তিনজনকে চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্পে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করে মোট সাতান্ন হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। একই কর্মস্থলে এক বছর থাকতে হলেও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলামকে ম্যানেজ করতে হবে বলে এই অর্থ নেওয়া হয়। কিন্তু চার মাস অতিক্রম হওয়ার আগেই তাদের সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি হলে ঘুষের লেনদেনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এবং তিন আনসার সদস্য পিসি জসিমের কাছে টাকা ফেরত চেয়ে চাপপ্রয়োগ করতে থাকেন। এনিয়ে কিছুদিন নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে গত ১৩ এপ্রিল চায়না ক্যাম্পের ইনচার্জ হুমায়ন কবিরের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে একটি সমঝোতা বৈঠক বসানো হয়।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পিসি জসিম শুভ এবং তাপসের ৪০ হাজারের ১২ হাজার টাকা এবং জাহিদের ১৭ হাজার টাকার ৪ হাজার ফেরত দিতে সম্মত হন। এবং বাকি টাকা জেলা আনসার কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম নিয়েছেন, যা আর ফেরত আনা সম্ভবপর নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন পিসি জসিম।
কিভাবে ঘুষ বাণিজ্য হয় এবং পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠকে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে ভুক্তভোগী তিন আনসার সদস্য খোলামেলা কথা বলেছেন, যার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে।
পিসি জসিম প্রথমে এই ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যোগাযোগ করে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ রাখেন এবং আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেয়া হয়। ফলে এই গোটা ঘুষ বাণিজ্য যে তার মাধ্যমে হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া সমঝোতা বৈঠকে মধ্যস্ততা করা পিসি হুমায়নও ঘুস বাণিজ্যে জসিম জড়িত থাকার বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন।
তবে অঙ্গীভুত আনসার কর্মকর্তা পিসি জসিমের এই ঘুষ বাণিজ্য সম্পর্কে মোটেও ওয়াকিবহাল নন বলে জানিয়েছেন জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পিসি জসিমের ঘুষগ্রহণ এবং সেই টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে বৈঠক হওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যম শুনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন, ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। ঘুষের টাকার অধিকাংশ আপনাকে দিয়ে ম্যানেজ করা হয়, জসিমের এমন বক্তব্য অস্বীকার করেছেন জেলা কর্মকর্তা।
অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে এর আগেও একাধিক ঘুষ লেনদেনসহ ব্যাপক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে জেলা উপজেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা, যা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিক শিরোনাম হয়। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরেও এই আনসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ঘুষের রীতি চলমান থাকায় বাহিনীটির স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। এখন দেখা যায়, আদর্শচ্যুৎ এবং নীতিবিবর্জিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীর তরফ থেকে কি ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
বরিশাল টাইমস

২৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:৩০
সমাজের অবহেলা, বৈষম্য আর বঞ্চনাকে পেছনে ফেলে নতুন জীবনের পথে হাঁটতে শুরু করলেন তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিক মাইদুল ইসলাম অভি। বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) মজুরিভিত্তিক চাকরি পেয়েছেন তিনি, যা শুধু একটি নিয়োগ নয়—বরং সমতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল বার্তা।
মঙ্গলবার বিকেলে নগর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন বিসিসির প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এ সময় তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম শর্ত।
বিসিসি সূত্র জানায়, নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অভি যোগদানের দিন থেকেই মাসিক ১৬ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পাবেন। কোন শাখায় দায়িত্ব পালন করবেন তা এখনো নির্ধারণ না হলেও তাঁকে সম্মানজনক দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত অভি বলেন, “আমাদের মতো মানুষদের প্রতিনিয়ত অবহেলা ও বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়। এই চাকরি শুধু কর্মসংস্থান নয়, এটি আমার জন্য সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার নতুন সুযোগ। এখন আমি আত্মমর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারব।”
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, “তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী সমাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। সুযোগ পেলে তারাও সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।”
বরিশাল সিটি করপোরেশনের এই উদ্যোগ অনেকের কাছে একটি চাকরির খবর হলেও, বাস্তবে এটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—যেখানে পরিচয় নয়, যোগ্যতা ও মানবিকতাই হবে মানুষের মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।’
সমাজের অবহেলা, বৈষম্য আর বঞ্চনাকে পেছনে ফেলে নতুন জীবনের পথে হাঁটতে শুরু করলেন তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিক মাইদুল ইসলাম অভি। বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) মজুরিভিত্তিক চাকরি পেয়েছেন তিনি, যা শুধু একটি নিয়োগ নয়—বরং সমতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল বার্তা।
মঙ্গলবার বিকেলে নগর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন বিসিসির প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এ সময় তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম শর্ত।
বিসিসি সূত্র জানায়, নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অভি যোগদানের দিন থেকেই মাসিক ১৬ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পাবেন। কোন শাখায় দায়িত্ব পালন করবেন তা এখনো নির্ধারণ না হলেও তাঁকে সম্মানজনক দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত অভি বলেন, “আমাদের মতো মানুষদের প্রতিনিয়ত অবহেলা ও বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়। এই চাকরি শুধু কর্মসংস্থান নয়, এটি আমার জন্য সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার নতুন সুযোগ। এখন আমি আত্মমর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারব।”
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, “তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী সমাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। সুযোগ পেলে তারাও সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।”
বরিশাল সিটি করপোরেশনের এই উদ্যোগ অনেকের কাছে একটি চাকরির খবর হলেও, বাস্তবে এটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—যেখানে পরিচয় নয়, যোগ্যতা ও মানবিকতাই হবে মানুষের মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।’

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৬
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’

২৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩১
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৮
নির্ধারত সময়ের আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিক্ষুব্ধদের চাপের মুখে আংশিক টাকা ফেরত দিতে পিসি জসিমের সমঝোতা বৈঠক।
কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না বরিশাল আনসার বাহিনীর। এবার প্রকাশ্যে এসেছে সদর উপজেলার কর্নকাঠিতে একটি প্রকল্পে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আনসার ক্যাম্পের ইনচার্জ পিসি জসিম উদ্দিন অর্ধ লাখ টাকার বদৌলতে তিন আনসার সদস্য শুভ, জাহিদ এবং তাপসকে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করেন। জেলা আনসার কর্মকর্তাকে ম্যানেজের নামে দুজনের কাছ থেকে ৪০ হাজার এবং একজনের কাছ থেকে আরও ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বলে এই অর্থ নেওয়া হলেও চার মাসের মাথায় চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্প কার্যক্রম বন্ধ হতে যাওয়া এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় পিসি জসিম বেকায়দায় পড়েছেন। সংক্ষুব্ধ তিন আনসার সদস্য তাদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থও ফেরত চেয়েছে, যা নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল ওই প্রকল্পে নিয়োজিত পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় স্থানীয় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠক করে জসিম। আনসার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য এবং সেই টাকা নিয়ে গন্ডগোল পরিশেষে সমঝোতা বৈঠকের ঘটনাটি প্রকাশ পেতেই বাহিনীটির শুরু হয়েছে তোলপাড়। এবং এই ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনাটি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, ঘুষখোর পিসি জসিম এর আগেও বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগপন্থী এই আনসার কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে আন্দোলনের নামে বিভিন্নভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিপদে ফেলারও চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ হয়ে চাকরি রক্ষার্থে একপর্যায়ে চেপে ঘুস বাণিজ্যের পথ বেচে নিয়েছেন। পিসি জসিম যে বিতর্কিত কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর তা বরিশাল জেলা আনসার অফিসের একাধিক কর্মকর্তা এবং চায়না ক্যাম্পে নিয়োজিত তার সহকর্মীরাও নিশ্চিত করেন।
শুভ-তাপস এবং জাহিদ অভিযোগ করেন, গত ১ জানুয়ারি তাদের তিনজনকে চায়না ন্যাশনাল বিজিবি ক্যাম্পে নিয়োগ পেতে সহযোগিতা করে মোট সাতান্ন হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। একই কর্মস্থলে এক বছর থাকতে হলেও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলামকে ম্যানেজ করতে হবে বলে এই অর্থ নেওয়া হয়। কিন্তু চার মাস অতিক্রম হওয়ার আগেই তাদের সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি হলে ঘুষের লেনদেনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এবং তিন আনসার সদস্য পিসি জসিমের কাছে টাকা ফেরত চেয়ে চাপপ্রয়োগ করতে থাকেন। এনিয়ে কিছুদিন নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে গত ১৩ এপ্রিল চায়না ক্যাম্পের ইনচার্জ হুমায়ন কবিরের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে একটি সমঝোতা বৈঠক বসানো হয়।
সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পিসি জসিম শুভ এবং তাপসের ৪০ হাজারের ১২ হাজার টাকা এবং জাহিদের ১৭ হাজার টাকার ৪ হাজার ফেরত দিতে সম্মত হন। এবং বাকি টাকা জেলা আনসার কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম নিয়েছেন, যা আর ফেরত আনা সম্ভবপর নয় বলে সরল স্বীকারোক্তি দেন পিসি জসিম।
কিভাবে ঘুষ বাণিজ্য হয় এবং পিসি হুমায়নের মধ্যস্ততায় তালুকদার মার্কেটে সমঝোতা বৈঠকে অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে ভুক্তভোগী তিন আনসার সদস্য খোলামেলা কথা বলেছেন, যার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে।
পিসি জসিম প্রথমে এই ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যোগাযোগ করে সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ রাখেন এবং আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেয়া হয়। ফলে এই গোটা ঘুষ বাণিজ্য যে তার মাধ্যমে হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাছাড়া সমঝোতা বৈঠকে মধ্যস্ততা করা পিসি হুমায়নও ঘুস বাণিজ্যে জসিম জড়িত থাকার বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেছেন।
তবে অঙ্গীভুত আনসার কর্মকর্তা পিসি জসিমের এই ঘুষ বাণিজ্য সম্পর্কে মোটেও ওয়াকিবহাল নন বলে জানিয়েছেন জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট মো. রাকিবুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পিসি জসিমের ঘুষগ্রহণ এবং সেই টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে বৈঠক হওয়ার খবর বিভিন্ন মাধ্যম শুনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন, ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। ঘুষের টাকার অধিকাংশ আপনাকে দিয়ে ম্যানেজ করা হয়, জসিমের এমন বক্তব্য অস্বীকার করেছেন জেলা কর্মকর্তা।
অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিয়োগে এর আগেও একাধিক ঘুষ লেনদেনসহ ব্যাপক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে জেলা উপজেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা, যা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিক শিরোনাম হয়। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরেও এই আনসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ঘুষের রীতি চলমান থাকায় বাহিনীটির স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। এখন দেখা যায়, আদর্শচ্যুৎ এবং নীতিবিবর্জিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাহিনীর তরফ থেকে কি ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
বরিশাল টাইমস