
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৬
পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় উদ্ধার হওয়া দুই শতাধিক বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক পালতোলা নৌকা দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে।
যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে বৃষ্টিতে ভিজে রোদে শুকিয়ে ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন এই নিদর্শনটি। এতে হতাশা প্রকাশ করছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা।
তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নৌকাটি সংরক্ষণ এবং একটি জাদুঘর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। যাতে এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষা পায়।
জানা যায়, ২০১২ সালে জেলেদের মাধ্যমে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে বালুর নিচ থেকে নৌকাটির একটি অংশ প্রথম দেখা যায়।
পরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কারিগরি সহায়তা ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পৃক্ততায় ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নৌকাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার সংলগ্ন বেড়িবাঁধের পাশে স্থাপন করা হয়।বাংলাদেশ সংবাদ
প্রায় ৭২ ফুট দৈর্ঘ্য, ২৪ ফুট প্রস্থ এবং প্রায় ৯০ টন ওজনের এই কাঠের নৌকাটি দুই শতাধিক বছরের পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মতে, এটি রাখাইন সম্প্রদায়ের তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী পালতোলা নৌকা।
উদ্ধারের সময় নৌকাটি থেকে তামার পেরেক, নারিকেলের ছোবড়া দিয়ে তৈরি রসি, ভাঙা মৃৎপাত্র, ধানের চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অংশবিশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন এবং লোহার বিশালাকৃতির শিকলসহ বিভিন্ন নিদর্শন উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রী বর্তমানে বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
তবে নৌকাটি উদ্ধারের পর প্রায় ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো এর স্থায়ী সংরক্ষণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো কিংবা রাত্রিকালীন আলোর ব্যবস্থাও। ফলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ঐতিহাসিক এই নিদর্শনটি।
স্থানীয়দের ধারণা, প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বছর আগে বার্মার আরাকান অঞ্চল থেকে রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন এই ধরনের নৌকায় করে বাংলাদেশ উপকূলে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক মো. রিয়াদ বলেন, কুয়াকাটায় এসে প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো একটি নৌকা দেখতে পেলাম। পাশে একটি সাইনবোর্ডে এর ইতিহাসও লেখা আছে। তবে এটিকে আরও ভালোভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
যশোর থেকে আসা পর্যটক আলিফ খান বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে এত পুরোনো একটি নৌকা দেখে ভালো লেগেছে। যারা কুয়াকাটায় আসবেন, তাদের এই নৌকাটি অবশ্যই দেখা উচিত।
রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক নিপুণ চৌধুরী বলেন, রাখাইনদের পুরোনো এই নৌকাটি দেখলাম। এটি ঐতিহাসিক সম্পদ। সরকার উদ্যোগ নিলে আরো ভালোভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব।’
নৌকাটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মী মো. ফেরদৌস বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের প্রায় অর্ধেকই এই নৌকাটি দেখতে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত উন্নয়ন ও সংরক্ষণের অভাবে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেন। এটি একটি অমূল্য ঐতিহ্য যা দ্রুত সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্র বংশ ভিক্ষু বলেন, এই পালতোলা নৌকা রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বাহন। যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ছিল না, তখন রাখাইনরা এই নৌকায় করে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। আমাদের এই ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমরা কুয়াকাটাবাসী’র সভাপতি ও মহিপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান আকাশ বলেন, একটি জাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত এই নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। না হলে বৃষ্টি ও রোদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এক সময় এটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া আরিফুর রহমান বলেন, প্রাচীন এই কাঠের নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের এ ধরনের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়বে এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় উদ্ধার হওয়া দুই শতাধিক বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক পালতোলা নৌকা দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে।
যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে বৃষ্টিতে ভিজে রোদে শুকিয়ে ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন এই নিদর্শনটি। এতে হতাশা প্রকাশ করছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা।
তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নৌকাটি সংরক্ষণ এবং একটি জাদুঘর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। যাতে এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষা পায়।
জানা যায়, ২০১২ সালে জেলেদের মাধ্যমে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে বালুর নিচ থেকে নৌকাটির একটি অংশ প্রথম দেখা যায়।
পরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কারিগরি সহায়তা ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পৃক্ততায় ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নৌকাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার সংলগ্ন বেড়িবাঁধের পাশে স্থাপন করা হয়।বাংলাদেশ সংবাদ
প্রায় ৭২ ফুট দৈর্ঘ্য, ২৪ ফুট প্রস্থ এবং প্রায় ৯০ টন ওজনের এই কাঠের নৌকাটি দুই শতাধিক বছরের পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মতে, এটি রাখাইন সম্প্রদায়ের তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী পালতোলা নৌকা।
উদ্ধারের সময় নৌকাটি থেকে তামার পেরেক, নারিকেলের ছোবড়া দিয়ে তৈরি রসি, ভাঙা মৃৎপাত্র, ধানের চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অংশবিশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন এবং লোহার বিশালাকৃতির শিকলসহ বিভিন্ন নিদর্শন উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রী বর্তমানে বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
তবে নৌকাটি উদ্ধারের পর প্রায় ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো এর স্থায়ী সংরক্ষণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো কিংবা রাত্রিকালীন আলোর ব্যবস্থাও। ফলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ঐতিহাসিক এই নিদর্শনটি।
স্থানীয়দের ধারণা, প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বছর আগে বার্মার আরাকান অঞ্চল থেকে রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন এই ধরনের নৌকায় করে বাংলাদেশ উপকূলে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক মো. রিয়াদ বলেন, কুয়াকাটায় এসে প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো একটি নৌকা দেখতে পেলাম। পাশে একটি সাইনবোর্ডে এর ইতিহাসও লেখা আছে। তবে এটিকে আরও ভালোভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
যশোর থেকে আসা পর্যটক আলিফ খান বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে এত পুরোনো একটি নৌকা দেখে ভালো লেগেছে। যারা কুয়াকাটায় আসবেন, তাদের এই নৌকাটি অবশ্যই দেখা উচিত।
রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক নিপুণ চৌধুরী বলেন, রাখাইনদের পুরোনো এই নৌকাটি দেখলাম। এটি ঐতিহাসিক সম্পদ। সরকার উদ্যোগ নিলে আরো ভালোভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব।’
নৌকাটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মী মো. ফেরদৌস বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের প্রায় অর্ধেকই এই নৌকাটি দেখতে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত উন্নয়ন ও সংরক্ষণের অভাবে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেন। এটি একটি অমূল্য ঐতিহ্য যা দ্রুত সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্র বংশ ভিক্ষু বলেন, এই পালতোলা নৌকা রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বাহন। যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ছিল না, তখন রাখাইনরা এই নৌকায় করে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। আমাদের এই ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমরা কুয়াকাটাবাসী’র সভাপতি ও মহিপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান আকাশ বলেন, একটি জাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত এই নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। না হলে বৃষ্টি ও রোদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এক সময় এটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া আরিফুর রহমান বলেন, প্রাচীন এই কাঠের নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের এ ধরনের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়বে এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:২৪
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৩১
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.