
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত লাভজনক পদে বহাল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর বিধান লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বগুড়া শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আলমগীর হোসাইন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, মীর শাহে আলম বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) পরিচালক পদে বহাল থেকেও তথ্য গোপন করে প্রার্থী হয়েছেন।
অভিযোগকারী আলমগীর হোসাইন উল্লেখ করেন, মীর শাহে আলম বিসিকের পরিচালক পদ থেকে ইস্তফা না দিয়েই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তার বড় প্রমাণ হিসেবে তিনি গত ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বিসিক পরিচালনা পর্ষদের ৮৩৪তম সভার নোটিশের তথ্য উপস্থাপন করেন।
ওই নোটিশের ৫ নম্বর ক্রমিকে মীর শাহে আলমের নাম সরকার মনোনীত পর্ষদ সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি শিল্প সচিব ও বিসিক চেয়ারম্যান কার্যালয় থেকেও তার পদত্যাগের কোনো নথির বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।
একইভাবে বিআরটিসির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, মীর শাহে আলম এখনো প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক পদে বহাল আছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি কেবল এই দুটি পদই নয় বরং শিবগঞ্জ উপজেলার অন্তত ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাজার ও মসজিদ কমিটির সভাপতি পদে থাকার তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ করেননি।
বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, মীর শাহে আলমের জমা দেওয়া হলফনামায় সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত লাভজনক পদগুলো থেকে ইস্তফা দেওয়ার কোনো দালিলিক প্রমাণ বা পদত্যাগপত্র সংযুক্ত নেই। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করছি।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে মীর শাহে আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী তথ্য গোপন বা লাভজনক পদে বহাল থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তার প্রার্থিতা বাতিলযোগ্য হতে পারে।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত লাভজনক পদে বহাল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর বিধান লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বগুড়া শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আলমগীর হোসাইন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, মীর শাহে আলম বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) পরিচালক পদে বহাল থেকেও তথ্য গোপন করে প্রার্থী হয়েছেন।
অভিযোগকারী আলমগীর হোসাইন উল্লেখ করেন, মীর শাহে আলম বিসিকের পরিচালক পদ থেকে ইস্তফা না দিয়েই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তার বড় প্রমাণ হিসেবে তিনি গত ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বিসিক পরিচালনা পর্ষদের ৮৩৪তম সভার নোটিশের তথ্য উপস্থাপন করেন।
ওই নোটিশের ৫ নম্বর ক্রমিকে মীর শাহে আলমের নাম সরকার মনোনীত পর্ষদ সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি শিল্প সচিব ও বিসিক চেয়ারম্যান কার্যালয় থেকেও তার পদত্যাগের কোনো নথির বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।
একইভাবে বিআরটিসির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, মীর শাহে আলম এখনো প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক পদে বহাল আছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি কেবল এই দুটি পদই নয় বরং শিবগঞ্জ উপজেলার অন্তত ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাজার ও মসজিদ কমিটির সভাপতি পদে থাকার তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ করেননি।
বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, মীর শাহে আলমের জমা দেওয়া হলফনামায় সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত লাভজনক পদগুলো থেকে ইস্তফা দেওয়ার কোনো দালিলিক প্রমাণ বা পদত্যাগপত্র সংযুক্ত নেই। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করছি।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে মীর শাহে আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী তথ্য গোপন বা লাভজনক পদে বহাল থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তার প্রার্থিতা বাতিলযোগ্য হতে পারে।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
লক্ষ্মীপুরে জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির জন্য অবৈধভাবে প্রস্তুতকৃত ৬টি ভোটের সিলসহ সোহেল রানা নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের পুরাতন আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় সিলসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়। গ্রেফতার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও মারইয়াম প্রেসের স্বত্ত্বাধিকারী।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর সদর থানা পুলিশ মারইয়াম প্রেসে অভিযান চালায়। এ সময় দোকান থেকে জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত ৬টি সিল উদ্ধার করা হয়। এরপর খবর পেয়ে নির্বাহী মাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ ঘটনাস্থলে আসেন। পরে সিলগুলোসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করে সোহেলকে থানায় নিয়ে যান।
সোহেল রানা বলেন, ‘অর্ডার পেয়ে তিনি সিলগুলো বানিয়েছেন। তবে কে বা কারাসিল বানানোর অর্ডার দিয়েছেন তা প্রকাশ করেননি তিনি।’
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী মাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ বলেন, ‘কোনোভাবেই এই প্রেসে ভোটের সিল বানানো যাবে না। এটি অবৈধ। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হবে।’
অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে তিনি কোনও বক্তব্য দেননি।
লক্ষ্মীপুরে জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির জন্য অবৈধভাবে প্রস্তুতকৃত ৬টি ভোটের সিলসহ সোহেল রানা নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের পুরাতন আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় সিলসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়। গ্রেফতার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও মারইয়াম প্রেসের স্বত্ত্বাধিকারী।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর সদর থানা পুলিশ মারইয়াম প্রেসে অভিযান চালায়। এ সময় দোকান থেকে জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত ৬টি সিল উদ্ধার করা হয়। এরপর খবর পেয়ে নির্বাহী মাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ ঘটনাস্থলে আসেন। পরে সিলগুলোসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করে সোহেলকে থানায় নিয়ে যান।
সোহেল রানা বলেন, ‘অর্ডার পেয়ে তিনি সিলগুলো বানিয়েছেন। তবে কে বা কারাসিল বানানোর অর্ডার দিয়েছেন তা প্রকাশ করেননি তিনি।’
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী মাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ নাহিদ বলেন, ‘কোনোভাবেই এই প্রেসে ভোটের সিল বানানো যাবে না। এটি অবৈধ। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হবে।’
অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে তিনি কোনও বক্তব্য দেননি।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩
জামায়াতের কেউ ভোট কেন্দ্রে আসলে এবং ভোট দিলে দিনের বেলাতেই তাদের নেতাকর্মীদের রগ কাটার হুমকি দিয়েছেন পাবনার ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধা। এর আগে পাবনা-৪ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলের গাড়িতে হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি এবং ওই ঘটনার মামলার প্রধান আসামি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মক্কেল মৃধার এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সাহাপুর ইউনিয়নের চর গড়গড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্বাচনি জনসভায় এ হুমকি দেন তিনি।
ভিডিওতে মক্কেল মৃধা বলেন, রাজশাহী বিভাগের যতো প্রশাসন ছিল... আমার বাড়ির যতো খুনতা, নিড়িনি, কুড়িল, পাতিল হাড়ি এ জামায়াত সব লুট করে নিয়েছে। এই জামায়াতের কোনো প্রোগ্রাম চলবে না। এই জামায়াতকে যারা ভোট দিবে তাদের রাতের অন্ধকারে নয়, ..... আমি দিনের বেলায় তাদের রগ কাটবো, কোনো জামায়াত যদি সেন্টারে আসে। আমি বলতে চাই .... জামায়াত আসবে না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বন্ধ থাকায় কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে পাবনা-৪ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, আমরা ভিডিওটি পেয়েছি, আমরা লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলেই আমরা ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি গ্রামে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে গেলে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
এ সময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেল লুট করা হয় পরে সেগুলো মক্কেল মৃধার বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মৃক্কেল মৃধা প্রধান আসামি। এছাড়াও ৫ আগস্ট পরবর্তীতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে আলোচিত মক্কেল মৃধা।
জামায়াতের কেউ ভোট কেন্দ্রে আসলে এবং ভোট দিলে দিনের বেলাতেই তাদের নেতাকর্মীদের রগ কাটার হুমকি দিয়েছেন পাবনার ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধা। এর আগে পাবনা-৪ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলের গাড়িতে হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি এবং ওই ঘটনার মামলার প্রধান আসামি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মক্কেল মৃধার এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সাহাপুর ইউনিয়নের চর গড়গড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্বাচনি জনসভায় এ হুমকি দেন তিনি।
ভিডিওতে মক্কেল মৃধা বলেন, রাজশাহী বিভাগের যতো প্রশাসন ছিল... আমার বাড়ির যতো খুনতা, নিড়িনি, কুড়িল, পাতিল হাড়ি এ জামায়াত সব লুট করে নিয়েছে। এই জামায়াতের কোনো প্রোগ্রাম চলবে না। এই জামায়াতকে যারা ভোট দিবে তাদের রাতের অন্ধকারে নয়, ..... আমি দিনের বেলায় তাদের রগ কাটবো, কোনো জামায়াত যদি সেন্টারে আসে। আমি বলতে চাই .... জামায়াত আসবে না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বন্ধ থাকায় কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে পাবনা-৪ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, আমরা ভিডিওটি পেয়েছি, আমরা লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলেই আমরা ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি গ্রামে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে গেলে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
এ সময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেল লুট করা হয় পরে সেগুলো মক্কেল মৃধার বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মৃক্কেল মৃধা প্রধান আসামি। এছাড়াও ৫ আগস্ট পরবর্তীতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে আলোচিত মক্কেল মৃধা।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০০
নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে গোপালগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়াকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আতাহার শাকিল এই জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আতাহার শাকিল জানান, কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া তার নির্বাচনি প্রচারণায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পিভিসি ব্যানার ব্যবহার করে বিলবোর্ড স্থাপন করেন। নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ কারণে তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অপরদিকে, গোপালগঞ্জ-১ আসনের কাশিয়ানী অংশের বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্লার সমর্থকদের বহনকারী মাইক্রোবাসে বিভিন্ন ধরনের পোস্টার লাগানো থাকায় তাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে গোপালগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়াকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আতাহার শাকিল এই জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আতাহার শাকিল জানান, কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া তার নির্বাচনি প্রচারণায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পিভিসি ব্যানার ব্যবহার করে বিলবোর্ড স্থাপন করেন। নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ কারণে তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অপরদিকে, গোপালগঞ্জ-১ আসনের কাশিয়ানী অংশের বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্লার সমর্থকদের বহনকারী মাইক্রোবাসে বিভিন্ন ধরনের পোস্টার লাগানো থাকায় তাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৮
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩