
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৩
বরিশাল নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার নুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি খাবার হোটেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা খাইরুল ইসলাম জানান, আগুনে সাতটি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এছাড়া একটি পাখির খাবার বিক্রির দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশিরভাগ ব্যবসায়ীরা পিকনিকে বরিশালের বাইরে থাকায় ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি।
তিনি আরো বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে সাতটি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে-তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।
বরিশাল নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকার নুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি খাবার হোটেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা খাইরুল ইসলাম জানান, আগুনে সাতটি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এছাড়া একটি পাখির খাবার বিক্রির দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশিরভাগ ব্যবসায়ীরা পিকনিকে বরিশালের বাইরে থাকায় ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি।
তিনি আরো বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে সাতটি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে যায়।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে-তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৬
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৪
বরিশালের গৌরনদীতে পরিত্যাক্ত জমিতে অল্প পূজিতে হাইব্রিড হলুদ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন মেহেদী হাসান শ্যামল খলিফা নামের এক কৃষক। তার সফলতা দেখে এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও এখন হলুদ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
গৌরনদী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের হরিসেনা গ্রামের বাসিন্দা যুবক শ্যামল খলিফা জানিয়েছেন, নরসিংদী থেকে হাইব্রিড জাতের হলুদ এনে ৩০ শতক পরিত্যাক্ত জমিতে তিনি হলুদ চাষ শুরু করেন।
৩০ শতক জমিতে প্রায় ১০০ মন হলুদের ফলন হয়েছে। জমি চাষ থেকে শুরু করে হলুদ উত্তোলণ পর্যন্ত সর্বমোট তার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি কেজি কাচা হলুদ ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সব খরচ বাদ দিয়ে তিনি দেড় লাখ টাকা লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন।
শ্যামল খলিফা বলেন, যদি কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা আমার পাশে থাকে তবে ব্যাপকভাবে হলুদ চাষ করতে চাই। পাশাপাশি সব চাষীদের মধ্যে হলুদের চাষ ছড়িয়ে দিতে চাই। এজন্য তিনি স্থানীয় কৃষি অফিসারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
ওই এলাকার একাধিক কৃষকরা জানিয়েছেন, পরিত্যক্ত জমিতে অল্প টাকায় হলুদ চাষ করে যে অনেক টাকা লাভবান হওয়া যায় তা কৃষক শ্যামল খলিফা আমাদের শিখিয়েছেন। আমরাও তার মতো হলুদ চাষ করে লাভবান হতে চাই।
গৌরনদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সেকেন্দার শেখ জানিয়েছেন, আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ সহায়তা করে আসছেন।
যে কারনে নতুন নতুন চাষের প্রতি কৃষকরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন। হলুদ চাষী শ্যামল খলিফাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে জানিয়ে কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি অন্য কেউ হলুদ চাষ করতে চায় তাদেরকেও সহায়তা প্রদান করা হবে।
বরিশালের গৌরনদীতে পরিত্যাক্ত জমিতে অল্প পূজিতে হাইব্রিড হলুদ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন মেহেদী হাসান শ্যামল খলিফা নামের এক কৃষক। তার সফলতা দেখে এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও এখন হলুদ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
গৌরনদী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের হরিসেনা গ্রামের বাসিন্দা যুবক শ্যামল খলিফা জানিয়েছেন, নরসিংদী থেকে হাইব্রিড জাতের হলুদ এনে ৩০ শতক পরিত্যাক্ত জমিতে তিনি হলুদ চাষ শুরু করেন।
৩০ শতক জমিতে প্রায় ১০০ মন হলুদের ফলন হয়েছে। জমি চাষ থেকে শুরু করে হলুদ উত্তোলণ পর্যন্ত সর্বমোট তার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি কেজি কাচা হলুদ ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সব খরচ বাদ দিয়ে তিনি দেড় লাখ টাকা লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন।
শ্যামল খলিফা বলেন, যদি কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা আমার পাশে থাকে তবে ব্যাপকভাবে হলুদ চাষ করতে চাই। পাশাপাশি সব চাষীদের মধ্যে হলুদের চাষ ছড়িয়ে দিতে চাই। এজন্য তিনি স্থানীয় কৃষি অফিসারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
ওই এলাকার একাধিক কৃষকরা জানিয়েছেন, পরিত্যক্ত জমিতে অল্প টাকায় হলুদ চাষ করে যে অনেক টাকা লাভবান হওয়া যায় তা কৃষক শ্যামল খলিফা আমাদের শিখিয়েছেন। আমরাও তার মতো হলুদ চাষ করে লাভবান হতে চাই।
গৌরনদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সেকেন্দার শেখ জানিয়েছেন, আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ সহায়তা করে আসছেন।
যে কারনে নতুন নতুন চাষের প্রতি কৃষকরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন। হলুদ চাষী শ্যামল খলিফাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে জানিয়ে কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি অন্য কেউ হলুদ চাষ করতে চায় তাদেরকেও সহায়তা প্রদান করা হবে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১০
ভাইয়ের কাছে টাকা পাওয়ার দাবি করে কৌশলে পুস্প রানী (৬০) নামের বৃদ্ধা বোনকে তুলে নিয়ে দুইদিন ধরে এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে আটক করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে তিনজনের নামোল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন-বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বাউরগাতী গ্রামের কালু তফাদার, মো. মিন্টু ও অপু রায়। এরমধ্যে অভিযুক্ত মো. মিন্টু গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক বলে জানা গেছে। তার আসল নাম মিজানুর রহমান মিন্টু।
থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ( ৫ এপ্রিল) গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের সালতা গ্রামের প্রতাপ রায়ের স্ত্রী পুষ্প রানীকে বিএনপি নেতা মিন্টুর কথা বলে বাড়ী থেকে বার্থী বাসষ্ট্যান্ডে ডেকে নিয়ে যায় কালু তফাদার।
এসময় মিন্টু তাকে (পুষ্প রানী) বলে যে, তোমার ভাইয়ের কাছে ১ লাখ টাকা পাওনা আছে। ওই টাকা না দিলে আমরা তোমাকে ছাড়বো না। পরবর্তীতে এই বিষয়ে সে (পুষ্প) কিছুই জানেনা বললেও বিবাদীরা তাকে ছেড়ে দেয়নি।
অভিযোগে আরো জানা গেছে, ভুক্তভোগী বৃদ্ধা একাধিকবার বাড়ি যেতে চাইলে বিএনপি নেতা মিন্টু তাকে বাড়ি ফিরে যেতে দেয়নি। পরে তার (মিন্টু) নির্দেশে ওই নারীকে বাউরগাতি গ্রামের কালুর বাড়িতে দুইদিন আটকে রাখা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, পুষ্প রানীর ভাই সুশীলের কাছে স্থানীয় খায়রুল ইসলাম নামের একজন টাকা পাবে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিস্পত্তির জন্য থানা থেকে আমাকে বলা হয়। পরবর্তীতে আমরা সুশীলের বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার বোন পুষ্প রানীর কাছে বিষয়টি জানাই।
এ সময় পুষ্প রানী আমাদের বলেন যে, সুশীলের সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ নাই। পরবর্তীতে জানতে পারি সুশীলের সঙ্গে তার বোন পুষ্প রানীর যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি সুশীলের মেয়ে পুষ্প রানীর বাড়িতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, আমরা পুষ্প রানীকে জানিয়েছি যে, সুশীল বাড়িতে আসলে আমাদেরকে যেন জানায়। কিন্তু সুশীলের যাতে টাকা দেওয়া না লাগে সেজন্য পুস্প রানীর কাছে থাকা সুশীলের মেয়েকে তার বাবার কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। যাতে আমরা তাদের কাউকে খুঁজে না পাই।
বিষয়টি জানতে পেরে সুশীলের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য ওই নারীকে তার এক আত্মীয় বাড়িতে রাখা হয়। এখানে আটকে রাখার মত কোন ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, এব্যাপারে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ভাইয়ের কাছে টাকা পাওয়ার দাবি করে কৌশলে পুস্প রানী (৬০) নামের বৃদ্ধা বোনকে তুলে নিয়ে দুইদিন ধরে এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে আটক করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে তিনজনের নামোল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন-বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বাউরগাতী গ্রামের কালু তফাদার, মো. মিন্টু ও অপু রায়। এরমধ্যে অভিযুক্ত মো. মিন্টু গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক বলে জানা গেছে। তার আসল নাম মিজানুর রহমান মিন্টু।
থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ( ৫ এপ্রিল) গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের সালতা গ্রামের প্রতাপ রায়ের স্ত্রী পুষ্প রানীকে বিএনপি নেতা মিন্টুর কথা বলে বাড়ী থেকে বার্থী বাসষ্ট্যান্ডে ডেকে নিয়ে যায় কালু তফাদার।
এসময় মিন্টু তাকে (পুষ্প রানী) বলে যে, তোমার ভাইয়ের কাছে ১ লাখ টাকা পাওনা আছে। ওই টাকা না দিলে আমরা তোমাকে ছাড়বো না। পরবর্তীতে এই বিষয়ে সে (পুষ্প) কিছুই জানেনা বললেও বিবাদীরা তাকে ছেড়ে দেয়নি।
অভিযোগে আরো জানা গেছে, ভুক্তভোগী বৃদ্ধা একাধিকবার বাড়ি যেতে চাইলে বিএনপি নেতা মিন্টু তাকে বাড়ি ফিরে যেতে দেয়নি। পরে তার (মিন্টু) নির্দেশে ওই নারীকে বাউরগাতি গ্রামের কালুর বাড়িতে দুইদিন আটকে রাখা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, পুষ্প রানীর ভাই সুশীলের কাছে স্থানীয় খায়রুল ইসলাম নামের একজন টাকা পাবে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিস্পত্তির জন্য থানা থেকে আমাকে বলা হয়। পরবর্তীতে আমরা সুশীলের বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার বোন পুষ্প রানীর কাছে বিষয়টি জানাই।
এ সময় পুষ্প রানী আমাদের বলেন যে, সুশীলের সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ নাই। পরবর্তীতে জানতে পারি সুশীলের সঙ্গে তার বোন পুষ্প রানীর যোগাযোগ রয়েছে। এমনকি সুশীলের মেয়ে পুষ্প রানীর বাড়িতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, আমরা পুষ্প রানীকে জানিয়েছি যে, সুশীল বাড়িতে আসলে আমাদেরকে যেন জানায়। কিন্তু সুশীলের যাতে টাকা দেওয়া না লাগে সেজন্য পুস্প রানীর কাছে থাকা সুশীলের মেয়েকে তার বাবার কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। যাতে আমরা তাদের কাউকে খুঁজে না পাই।
বিষয়টি জানতে পেরে সুশীলের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য ওই নারীকে তার এক আত্মীয় বাড়িতে রাখা হয়। এখানে আটকে রাখার মত কোন ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, এব্যাপারে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.