
২১ জুন, ২০২৬ ১৪:৫২
ভোলার লালমোহন উপজেলায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার অবৈধ পলিথিন জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা। শনিবার দুপুরে পৌরশহরের হাফিজ উদ্দিন অ্যাভিনিউতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাসান স্টোরের গোডাউন থেকে এসব পলিথিন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পলিথিনের পরিমাণ ১ হাজার ৪৪০ কেজি।
কোস্টগার্ড লালমোহন বিসিজি আউটপোস্টের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. ইকরামুল কবীরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে একইদিন বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হাসান স্টোরের মালিক মো. সাব্বির হোসেনকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।
এ সময় জব্দকৃত অবৈধ পলিথিন বিনষ্ট করতে ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. তোতা মিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার অবৈধ পলিথিন জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা। শনিবার দুপুরে পৌরশহরের হাফিজ উদ্দিন অ্যাভিনিউতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাসান স্টোরের গোডাউন থেকে এসব পলিথিন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পলিথিনের পরিমাণ ১ হাজার ৪৪০ কেজি।
কোস্টগার্ড লালমোহন বিসিজি আউটপোস্টের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. ইকরামুল কবীরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে একইদিন বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হাসান স্টোরের মালিক মো. সাব্বির হোসেনকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।
এ সময় জব্দকৃত অবৈধ পলিথিন বিনষ্ট করতে ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. তোতা মিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
ভোলার লালমোহন উপজেলা থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেয়া ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের মেঘনা নদীর গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে ট্রলারে করে সার পাচারের কথা ইউএনওকে জানান স্থানীয়রা।
এরপর ইউএনও তাৎক্ষণিক গ্রাম পুলিশ ও পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই পাচারকারীরা খবর পেয়ে ট্রলারের মধ্যে রাখা ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার রেখে ২টি ট্রাকে করে বাকি সার নিয়ে দ্রুত সরে যান। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মো. আলাউদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে ইউএনও অফিস থেকে জানানো হয় গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে সার পাচার করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে দ্রুত এখানে গিয়ে দেখি ট্রলারের ভেতর ৩১ বস্তা সার ও দুইজন পুলিশ বসে আছেন। শনিবার বিকেলে এসিল্যান্ড স্যার এসে সারগুলো জব্দ করে লালমোহন কৃষি অফিসে নিয়ে যান। ট্রলারটি আমাদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা এই সার এনেছে তা জানা যায়নি এবং ট্রলারের নামও নেই, মালিককেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা মাসুদ খান ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে সার পাচার করা হচ্ছে। মাসুদ খান লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের একজন সার ব্যবসায়ী।
সার ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাধে তিনি এবং চেয়ারম্যান মিলে মেঘনা নদী দিয়ে সার পাচার করছেন। এ ব্যাপারে জানতে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা ও সার ব্যবসায়ী মাসুদ খানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, আমি গাড়িতে রয়েছি। গাড়ি থেকে নেমে কথা বলবেন বলেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
তবে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বলেন, সার পাচারের ব্যাপারে আমি সকালে জানতে পেরেছি। আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ শত্রুতা করে আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। এই পাচারের সঙ্গে এলাকার ও নেয়াখালীর কিছু লোক জড়িত থাকতে পারে।
এলাকার কারা জড়িত তাদের নাম জানতে চাইলে তিনি তাদের পরিচয় বলতে রাজি হননি। এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক জানান, খবর পেয়ে ৩১ বস্তা সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।
সারগুলো উপজেলা কৃষি অফিসের গুদামে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রলারটি স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাদি হয়ে এ ঘটনায় মামলা করবেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলা থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেয়া ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের মেঘনা নদীর গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে ট্রলারে করে সার পাচারের কথা ইউএনওকে জানান স্থানীয়রা।
এরপর ইউএনও তাৎক্ষণিক গ্রাম পুলিশ ও পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই পাচারকারীরা খবর পেয়ে ট্রলারের মধ্যে রাখা ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার রেখে ২টি ট্রাকে করে বাকি সার নিয়ে দ্রুত সরে যান। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মো. আলাউদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে ইউএনও অফিস থেকে জানানো হয় গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে সার পাচার করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে দ্রুত এখানে গিয়ে দেখি ট্রলারের ভেতর ৩১ বস্তা সার ও দুইজন পুলিশ বসে আছেন। শনিবার বিকেলে এসিল্যান্ড স্যার এসে সারগুলো জব্দ করে লালমোহন কৃষি অফিসে নিয়ে যান। ট্রলারটি আমাদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা এই সার এনেছে তা জানা যায়নি এবং ট্রলারের নামও নেই, মালিককেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা মাসুদ খান ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে সার পাচার করা হচ্ছে। মাসুদ খান লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের একজন সার ব্যবসায়ী।
সার ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাধে তিনি এবং চেয়ারম্যান মিলে মেঘনা নদী দিয়ে সার পাচার করছেন। এ ব্যাপারে জানতে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা ও সার ব্যবসায়ী মাসুদ খানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, আমি গাড়িতে রয়েছি। গাড়ি থেকে নেমে কথা বলবেন বলেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
তবে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বলেন, সার পাচারের ব্যাপারে আমি সকালে জানতে পেরেছি। আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ শত্রুতা করে আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। এই পাচারের সঙ্গে এলাকার ও নেয়াখালীর কিছু লোক জড়িত থাকতে পারে।
এলাকার কারা জড়িত তাদের নাম জানতে চাইলে তিনি তাদের পরিচয় বলতে রাজি হননি। এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক জানান, খবর পেয়ে ৩১ বস্তা সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।
সারগুলো উপজেলা কৃষি অফিসের গুদামে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রলারটি স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাদি হয়ে এ ঘটনায় মামলা করবেন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর এম.আর. রেসিডেন্সিয়াল একাডেমিতে একটি প্রত্যয়নপত্রে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মধ্যে বাগবিতণ্ডার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
গত বুধবার (১৭ জুন) শম্ভুপুর খাসের হাট বাজার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ তজুমদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. লাভিবের পিতা আহসানুল হক মমিন কয়েকদিন আগে সন্তানের জন্মনিবন্ধনের কাজে ব্যবহারের জন্য বিদ্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র নেন।
কিছুদিন পরে তিনি পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে প্রত্যয়নপত্রে সংশোধন ও স্বাক্ষরের বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে গেলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ঘটনার পর খাসের হাট বাজার এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত দুইজন আহত হয়।
ঘটনার বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বলেন, “লাভিবের বাবা আহসানুল হক মমিন তার ছেলের জন্মনিবন্ধন জন্য প্রত্যয়নপত্র দেয়ার পরেও পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর দেওয়ার অনুরোধ করেন।
আমি তাকে জানাই, প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর দেওয়া আছে। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘এটা হবে না। আপনাকে চাকরি দিয়েছে কে? আপনার তো চাকরি করার মতো কোনো যোগ্যতাই নেই।’ পরে আমাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে তিনি আমার ওপর লাইব্রেরি থাকা ছাতা এবং চেয়ার দিয়ে বারি দেয়। এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।
অন্যদিকে আহসানুল হক মমিন বলেন, “আমার ছেলে শম্ভুপুর এম.আর. রেসিডেন্সিয়াল একাডেমির প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার পর সেখানে কিছু ভুল দেখতে পাই।
বিষয়টি সংশোধনের জন্য প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বললে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা রফিক মাস্টার বিষয়টি অবহিত করলে তিনি আমাকে খাসের হাট বাজারে সামছুলের চায়ের দোকানে দেখা করতে বলেন। সেখানে গেলে শিক্ষিকার স্বামী ও তার কয়েকজন স্বজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালায়।
ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকা এক অভিভাবক জানান, “মমিন ভাই লাইব্রেরিতে এসে ম্যাডামকে বলেন, ‘এটা কী প্রত্যয়ন দিয়েছেন, এখানে সব ভুল। আপনাকে কে চাকরি দিয়েছে, আপনি তো চাকরি করার যোগ্য নন।’ এ নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মমিন ভাই ম্যাডামকে ছাতা এবং চেয়ার দিয়ে আঘাত করেন এবং একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন। এরপর তিনি বিদ্যালয় থেকে চলে যায়।
এবিষয়ে তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় উভয়পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর এম.আর. রেসিডেন্সিয়াল একাডেমিতে একটি প্রত্যয়নপত্রে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মধ্যে বাগবিতণ্ডার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
গত বুধবার (১৭ জুন) শম্ভুপুর খাসের হাট বাজার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ তজুমদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. লাভিবের পিতা আহসানুল হক মমিন কয়েকদিন আগে সন্তানের জন্মনিবন্ধনের কাজে ব্যবহারের জন্য বিদ্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র নেন।
কিছুদিন পরে তিনি পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে প্রত্যয়নপত্রে সংশোধন ও স্বাক্ষরের বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলতে গেলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ঘটনার পর খাসের হাট বাজার এলাকায় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত দুইজন আহত হয়।
ঘটনার বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বলেন, “লাভিবের বাবা আহসানুল হক মমিন তার ছেলের জন্মনিবন্ধন জন্য প্রত্যয়নপত্র দেয়ার পরেও পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর দেওয়ার অনুরোধ করেন।
আমি তাকে জানাই, প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর দেওয়া আছে। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘এটা হবে না। আপনাকে চাকরি দিয়েছে কে? আপনার তো চাকরি করার মতো কোনো যোগ্যতাই নেই।’ পরে আমাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে তিনি আমার ওপর লাইব্রেরি থাকা ছাতা এবং চেয়ার দিয়ে বারি দেয়। এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।
অন্যদিকে আহসানুল হক মমিন বলেন, “আমার ছেলে শম্ভুপুর এম.আর. রেসিডেন্সিয়াল একাডেমির প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার পর সেখানে কিছু ভুল দেখতে পাই।
বিষয়টি সংশোধনের জন্য প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বললে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা রফিক মাস্টার বিষয়টি অবহিত করলে তিনি আমাকে খাসের হাট বাজারে সামছুলের চায়ের দোকানে দেখা করতে বলেন। সেখানে গেলে শিক্ষিকার স্বামী ও তার কয়েকজন স্বজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালায়।
ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকা এক অভিভাবক জানান, “মমিন ভাই লাইব্রেরিতে এসে ম্যাডামকে বলেন, ‘এটা কী প্রত্যয়ন দিয়েছেন, এখানে সব ভুল। আপনাকে কে চাকরি দিয়েছে, আপনি তো চাকরি করার যোগ্য নন।’ এ নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মমিন ভাই ম্যাডামকে ছাতা এবং চেয়ার দিয়ে আঘাত করেন এবং একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন। এরপর তিনি বিদ্যালয় থেকে চলে যায়।
এবিষয়ে তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় উভয়পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৪
ভোলায় ভাড়া বাসায় সুমাইয়া আক্তার মিতু (২১) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের পর চট্রগ্রামে অভিযান চালিয়ে আত্নগোপনে থাকা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মামলার প্রধান আসামি ও গৃহবধূর স্বামী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনুর বেগম এবং ননদ মুক্তা আক্তার।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রওনক জাহান শুভ। এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেজর রওনক জাহান শুভ বলেন, র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি চৌকস আভিযানিক দলের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনার দিনই র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।
দীর্ঘ তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর র্যাব-৮ এবং র্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে আসামিরা গ্রেপ্তার হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ভোলায় আনা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন দুপুরে ভোলা শহরের উকিলপাড়ায় গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বশির ও আয়েশা খাতুন দম্পতির বড় মেয়ে।
পরেরদিন মিতুর বাবা মো. বশির আহমেদ বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গৃহবধূর স্বামী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তা বেগমসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই আত্নগোপনে রয়েছেন তারা সবাই।
ভোলায় ভাড়া বাসায় সুমাইয়া আক্তার মিতু (২১) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের পর চট্রগ্রামে অভিযান চালিয়ে আত্নগোপনে থাকা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মামলার প্রধান আসামি ও গৃহবধূর স্বামী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনুর বেগম এবং ননদ মুক্তা আক্তার।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রওনক জাহান শুভ। এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেজর রওনক জাহান শুভ বলেন, র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি চৌকস আভিযানিক দলের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনার দিনই র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।
দীর্ঘ তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর র্যাব-৮ এবং র্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে আসামিরা গ্রেপ্তার হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ভোলায় আনা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন দুপুরে ভোলা শহরের উকিলপাড়ায় গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বশির ও আয়েশা খাতুন দম্পতির বড় মেয়ে।
পরেরদিন মিতুর বাবা মো. বশির আহমেদ বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গৃহবধূর স্বামী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তা বেগমসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই আত্নগোপনে রয়েছেন তারা সবাই।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.