
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৯ নম্বর ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে টাকার বান্ডিল নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। এ নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও দেখা যায়, নিজ বাসভবনে খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় বসে আছেন চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম। তার সামনে টাকার বান্ডিল নিয়ে কয়েকজন লোক বসে আছে।
টাকা গ্রহণের একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, নিয়োগ বোর্ড তিনি একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসি নাম জড়িয়েও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি ইউএনও অফিসের এক পিয়নের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় তার কথায়।
স্থানীয়দের দাবি, চারজন গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বিপরীতে একেকজন প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী তামিমের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠলেও লেনদেনের পরিমাণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘স্বচ্ছতার বুলি আওড়ালেও পর্দার আড়ালে লাখ লাখ টাকার খেলা চলেছে, ওই ভিডিও তার জীবন্ত প্রমাণ। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে ফাঁসাতে টাকাটা একজন গ্রাম পুলিশের চাকরিপ্রত্যাশী রেখে গেছেন। আমি টাকাটা স্থানীয় একজনের কাছে জামানত রেখেছিলাম। তবে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান দাবি করেন, পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে মিটিংয়ে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ভিডিওর বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
বর্তমানে উপজেলাজুড়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুকের নিউজফিড সর্বত্রই ওই ভিডিও নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দায়সারা তদন্ত কিংবা বক্তব্য নয় বরং উচ্চতর তদন্তের মাধ্যমে পর্দার আড়ালের সত্য বের করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৯ নম্বর ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে টাকার বান্ডিল নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। এ নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও দেখা যায়, নিজ বাসভবনে খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় বসে আছেন চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম। তার সামনে টাকার বান্ডিল নিয়ে কয়েকজন লোক বসে আছে।
টাকা গ্রহণের একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, নিয়োগ বোর্ড তিনি একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসি নাম জড়িয়েও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি ইউএনও অফিসের এক পিয়নের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় তার কথায়।
স্থানীয়দের দাবি, চারজন গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বিপরীতে একেকজন প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী তামিমের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠলেও লেনদেনের পরিমাণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘স্বচ্ছতার বুলি আওড়ালেও পর্দার আড়ালে লাখ লাখ টাকার খেলা চলেছে, ওই ভিডিও তার জীবন্ত প্রমাণ। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে ফাঁসাতে টাকাটা একজন গ্রাম পুলিশের চাকরিপ্রত্যাশী রেখে গেছেন। আমি টাকাটা স্থানীয় একজনের কাছে জামানত রেখেছিলাম। তবে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান দাবি করেন, পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে মিটিংয়ে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ভিডিওর বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
বর্তমানে উপজেলাজুড়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুকের নিউজফিড সর্বত্রই ওই ভিডিও নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দায়সারা তদন্ত কিংবা বক্তব্য নয় বরং উচ্চতর তদন্তের মাধ্যমে পর্দার আড়ালের সত্য বের করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০১
পটুয়াখালীতে বেড়েছে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত ও বায়ুবাহিত রোগ হামের প্রকোপ। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৩১ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শুধু শিশুরাই নয়, হামের লক্ষণ নিয়ে প্রাপ্তবয়স্করাও হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ১২ জন শিশু। শিশু ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের চিকিৎসা চলমান থাকায় ডায়েরিয়া ওয়ার্ডের পাশের দুটি ওয়ার্ডে আইসোলেশন পদ্ধতিতে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে এবং ২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক। তারা হলেন— আকিবুল ইসলাম (৩০) এবং রুহুল আমিন (৪০)। তবে লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের বেশিরভাগই শিশু।
আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের ভাষ্যমতে, হামে আক্রান্তদের শুরুতে তীব্র জ্বর হয়। এরপর ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাল দাগ দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানাও দেখা যাচ্ছে।
হামের লক্ষণ নিয়ে ৯ মাস ১০ দিন বয়সী শিশু আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন তার মা রুবি আক্তার। তিনি বলেন, ওর টাইফয়েড নিউমোনিয়া ছিল। পরবর্তীতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করি।
ওখানকার কিছু শিশুর এই রোগ ছিল। হাসপাতাল থেকে নাম কাটাইয়া নিয়া যাই এরপর আমার ছেলেরও এই রোগ দেখা দিয়েছি। তাই আবার হাসপাতালে নিয়ে আসছি। গত ৩ দিন ধরে এখানে ভর্তি আছি।
৯ মাস ১৫ দিন বয়সী আরেক শিশু তানজিম হোসেনের মা শিলা আক্তার বলেন, প্রথমে ওর গায়ে জ্বর আসছে। তারপর পাতলা পায়খানা শুরু হইছে। পরে গায়ে র্যাশ র্যাশ উঠে গেছে। এরপরে এখানে নিয়া আসছি।কিন্তু এখানে জায়গা সঙ্কটে একটি বেডে ২-৩ জনকেও চিকিৎসা দিচ্ছে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদ শামীম বলেন, এটি সিজনাল রোগ। তবে এবারে একটু হাম আক্রান্ত বেশী হচ্ছে। আমাদের বেড সংখ্যা কম। তাই বর্তমানে হামের চিকিৎসা দেওয়া আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু ওয়ার্ডে নরমাল ভাবেই আমাদের প্রায় ১৫০ এর বেশী রোগী আছে। আমরা যথাযথভাবে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথভাবে হাম প্রতিরোধী টিকা না নেওয়াই সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি মোট ৩১ জনের নমুনা ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছি।
এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। এদের মধ্যে ২ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে, কোনো মৃত্যু নেই। পটুয়াখালীতে এখন পর্যন্ত তেমন প্রাদুর্ভাব নেই।আল্লাহ যদি রহম করে তেমন কোনো সমস্যা হবেনা। যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের চিকিৎসায় আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
পটুয়াখালীতে বেড়েছে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত ও বায়ুবাহিত রোগ হামের প্রকোপ। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৩১ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শুধু শিশুরাই নয়, হামের লক্ষণ নিয়ে প্রাপ্তবয়স্করাও হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ১২ জন শিশু। শিশু ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের চিকিৎসা চলমান থাকায় ডায়েরিয়া ওয়ার্ডের পাশের দুটি ওয়ার্ডে আইসোলেশন পদ্ধতিতে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে এবং ২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক। তারা হলেন— আকিবুল ইসলাম (৩০) এবং রুহুল আমিন (৪০)। তবে লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের বেশিরভাগই শিশু।
আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের ভাষ্যমতে, হামে আক্রান্তদের শুরুতে তীব্র জ্বর হয়। এরপর ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাল দাগ দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানাও দেখা যাচ্ছে।
হামের লক্ষণ নিয়ে ৯ মাস ১০ দিন বয়সী শিশু আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন তার মা রুবি আক্তার। তিনি বলেন, ওর টাইফয়েড নিউমোনিয়া ছিল। পরবর্তীতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করি।
ওখানকার কিছু শিশুর এই রোগ ছিল। হাসপাতাল থেকে নাম কাটাইয়া নিয়া যাই এরপর আমার ছেলেরও এই রোগ দেখা দিয়েছি। তাই আবার হাসপাতালে নিয়ে আসছি। গত ৩ দিন ধরে এখানে ভর্তি আছি।
৯ মাস ১৫ দিন বয়সী আরেক শিশু তানজিম হোসেনের মা শিলা আক্তার বলেন, প্রথমে ওর গায়ে জ্বর আসছে। তারপর পাতলা পায়খানা শুরু হইছে। পরে গায়ে র্যাশ র্যাশ উঠে গেছে। এরপরে এখানে নিয়া আসছি।কিন্তু এখানে জায়গা সঙ্কটে একটি বেডে ২-৩ জনকেও চিকিৎসা দিচ্ছে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদ শামীম বলেন, এটি সিজনাল রোগ। তবে এবারে একটু হাম আক্রান্ত বেশী হচ্ছে। আমাদের বেড সংখ্যা কম। তাই বর্তমানে হামের চিকিৎসা দেওয়া আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু ওয়ার্ডে নরমাল ভাবেই আমাদের প্রায় ১৫০ এর বেশী রোগী আছে। আমরা যথাযথভাবে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথভাবে হাম প্রতিরোধী টিকা না নেওয়াই সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি মোট ৩১ জনের নমুনা ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছি।
এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। এদের মধ্যে ২ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে, কোনো মৃত্যু নেই। পটুয়াখালীতে এখন পর্যন্ত তেমন প্রাদুর্ভাব নেই।আল্লাহ যদি রহম করে তেমন কোনো সমস্যা হবেনা। যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের চিকিৎসায় আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সালাহ্ উদ্দিন রিপন।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় লেবুখালী এলাকার একটি হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, “খবর পটুয়াখালী” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে গত ২৮ মার্চ প্রকাশিত “চাঁদাবাজির অভিযোগে আটককৃতদের ছাড়াতে দুমকি থানায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রিপন” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণও করেছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে লেবুখালী এলাকায় একটি ঘটনার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট পোর্টালের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে তার ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুমকি থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে তার ভাতিজা শাহীন শরীফও ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগকারী মনির মোল্লার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
রিপনের দাবি, তিনি জানতে পারেন তার ভাতিজা মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এ বিষয়ে থানায় মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে ভাতিজার সঙ্গে দেখা করে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। মামলাধীন কোনো আসামিকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের তদবির করেননি বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জনগণের সামনে উঠে আসে। শেষে তিনি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সালাহ্ উদ্দিন রিপন।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় লেবুখালী এলাকার একটি হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, “খবর পটুয়াখালী” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে গত ২৮ মার্চ প্রকাশিত “চাঁদাবাজির অভিযোগে আটককৃতদের ছাড়াতে দুমকি থানায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রিপন” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণও করেছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে লেবুখালী এলাকায় একটি ঘটনার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট পোর্টালের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে তার ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুমকি থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে তার ভাতিজা শাহীন শরীফও ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগকারী মনির মোল্লার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
রিপনের দাবি, তিনি জানতে পারেন তার ভাতিজা মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এ বিষয়ে থানায় মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে ভাতিজার সঙ্গে দেখা করে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। মামলাধীন কোনো আসামিকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের তদবির করেননি বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জনগণের সামনে উঠে আসে। শেষে তিনি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৪
পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে ঢাকাগামী কয়েকটি লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ফ্লোরে পাতা শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঘাটে নোঙর করা এ.আর খান-১, কুয়াকাটা-১, কাজল-৭, এমভি পূবালীসহ মোট পাঁচটি দোতলা লঞ্চে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল আশরাফ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে রোভার স্কাউটস ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযান চলাকালে লঞ্চগুলোর ফ্লোরে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের উদ্দেশ্যে বিছানো শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব তোশক ও চাদর লঞ্চঘাট এলাকার অসহায় ও দুস্থ নারী-পুরুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, লঞ্চের কিছু কর্মচারী নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে তোশক ও চাদরের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, এমনকি কখনও এক হাজার টাকারও বেশি আদায় করেন। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে এই ভোগান্তি বেড়ে যায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নদী বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক, জেলা স্কাউটসের কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাইয়ুমসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যরা।
বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার বলেন, নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হলেও কিছু অসাধু লস্কর ও কর্মচারী নিজেদের ব্যবহারের তোশক-চাদর ভাড়া দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছিল। তাই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে ঢাকাগামী কয়েকটি লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ফ্লোরে পাতা শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঘাটে নোঙর করা এ.আর খান-১, কুয়াকাটা-১, কাজল-৭, এমভি পূবালীসহ মোট পাঁচটি দোতলা লঞ্চে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল আশরাফ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে রোভার স্কাউটস ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযান চলাকালে লঞ্চগুলোর ফ্লোরে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের উদ্দেশ্যে বিছানো শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব তোশক ও চাদর লঞ্চঘাট এলাকার অসহায় ও দুস্থ নারী-পুরুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, লঞ্চের কিছু কর্মচারী নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে তোশক ও চাদরের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, এমনকি কখনও এক হাজার টাকারও বেশি আদায় করেন। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে এই ভোগান্তি বেড়ে যায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নদী বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক, জেলা স্কাউটসের কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাইয়ুমসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যরা।
বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার বলেন, নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হলেও কিছু অসাধু লস্কর ও কর্মচারী নিজেদের ব্যবহারের তোশক-চাদর ভাড়া দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছিল। তাই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬