Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
বরিশাল কৃষি অঞ্চলের প্রধান দানাদার খাদ্য ফসল আমনের প্রায় ২৪ লাখ টন চাল কৃষকের ঘরে উঠলেও দরপতনে মুখের হাসি ম্লান করে দিচ্ছে। সাম্প্রতিককালের মধ্যে এবারই প্রথম রোপণের পরে বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়াই এ অঞ্চলের কৃষকের গোলায় নির্বিঘ্নে আমন ধান উঠল। তবে বীজতলা তৈরি সহ রোপণ শুরুর প্রাক্কালে কয়েক দফায় অতিবর্ষণ সহ বর্ষণজনিত প্লাবনে বীজতলা ও রোপণের তৈরিকৃত কিছু জমি বিনষ্ট হলেও প্রয়োজনের অতিরিক্ত বীজতলা সহ দুর্যোগ পরবর্তী দ্রুততম সময়ে পুনরায় জমি তৈরি সম্পন্ন করতে পারায় তেমন কোনো বাধা তৈরি হয়নি। কিন্তু বরিশালে আমনের দরপতনে কৃষকের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। এখন প্রতিমণ আমন ধান বিক্রি হচ্ছে ৯শ টাকা থেকে হাজার ৫০ টাকার মধ্যে। অথচ সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে প্রতিমণ আমনের উৎপাদন ব্যয় ছিল হাজার টাকার ওপরে।
সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমে দেশে পৌনে ২ কোটি টনেরও বেশি আমন চাল ঘরে তোলার লক্ষ্যে ৫৭ লাখ ১৮ হাজার ৩শ হেক্টরে আবাদ লক্ষ্য অতিক্রম করেন কৃষিযোদ্ধাগণ। বরিশাল অঞ্চলেও মূল লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে এবার ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৩৪ হেক্টরে আবাদ সম্পন্নের ফলে উৎপাদনও ছিল লক্ষ্যমাত্রার বেশি। এমনকি এবারের খরিপ-২ মৌসুমে বরিশাল কৃষি অঞ্চলে গত বছরের ২৩ লাখ ২২ হাজার ৯৫৮ টনের স্থলে প্রকৃত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২৩.৬০ লাখ টনের কাছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৩ হাজার টন বেশি। এর বাইরে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টন বোনা আমনও ইতোমধ্যে কৃষকের ঘরে উঠেছে।
আমনের এই উৎপাদন কিছুটা স্বস্তি দিলেও এখনো বরিশাল অঞ্চলে প্রধান দানাদার এই খাদ্য ফসলের গড় ফলন হেক্টরে ২.৯২ টনের মতো। মূলত বরিশালে এখনো প্রায় ৩৫ ভাগ জমিতে সনাতন স্থানীয় জাতের আমনের আবাদ ও উৎপাদন হয়ে থাকে। ফলে দেশের অন্য এলাকার তুলনায় বরিশালে ফলন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না।
যদিও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-ডিএই’র মতে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে কৃষকের কাছে সরবরাহের ফলে গত দুই দশকে এ অঞ্চলেও আমনের ফলন ও উৎপাদন বেড়েছে। আগামীতে উফশী ও হাইব্রিড জাতের আবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে বীজ ও আবাদ প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডিএই’র বরিশাল অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী ও অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার।
কৃষকদের দাবি, উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের বীজের পাশাপাশি উৎপাদন প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাবে তাদের পক্ষে কম জমিতে বেশি ধান উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ আবাদকৃত আমনের অন্তত ৮০ ভাগে উফশী এবং ২০ ভাগ হাইব্রিড ধানের আবাদ সম্ভব হলেও বরিশাল অঞ্চলে উৎপাদন অন্তত ৩০ লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদগণ। এতে করে বরিশালে উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্যের পরিমাণ বর্তমানের ১৪ লাখ টন থেকে ২০ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে বলেও মনে করছেন কৃষিবিদগণ।
তবে বরিশাল অঞ্চলে উফশী জাতের আবাদ সম্প্রসারণের বিষয়টি অনেকটা এগোলেও হাইব্রিড জাতের ক্ষেত্রে এখনো তা নগণ্য। সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে বরিশাল অঞ্চলে আবাদকৃত ৮ লাখ ৮৫ হাজার হেক্টর আমনের মাত্র ২২ হাজার ৫শ হেক্টরে হাইব্রিড জাতের ধানের আবাদ হয়েছে বলে জানা গেছে। গড় উৎপাদন ছিল হেক্টরে ৩.৯৭ টন চাল। এমনকি এ অঞ্চলে সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমেও ৩ লক্ষাধিক হেক্টরে স্থানীয় জাতের আমনের আবাদ হয়েছে। যার গড় উৎপাদন ছিল মাত্র ১.৭৩ টন প্রতি হেক্টরে। বিষয়টি নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে অধিকতর মনোযোগী হবার তাগিদ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ। এদিকে এবার আবাদ ও ফলন সহ উৎপাদন আশাতীত হলেও ধানের দর পতন কৃষকদের চরমভাবে হতাশ করছে। বিষয়টি নিয়ে এ অঞ্চলের প্রশাসনিক পর্যায়েও তেমন কোনো পদক্ষেপ লক্ষণীয় নয়। মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদদের মতে, উৎপাদিত ধান বিক্রি করে যদি কৃষকদের পুঁজিই ফিরে না আসে তবে, ভবিষ্যতে এই দানাদার খাদ্য ফসল আবাদে তাদের আগ্রহ ধরে রাখা যাবে না।
বরিশাল কৃষি অঞ্চলের প্রধান দানাদার খাদ্য ফসল আমনের প্রায় ২৪ লাখ টন চাল কৃষকের ঘরে উঠলেও দরপতনে মুখের হাসি ম্লান করে দিচ্ছে। সাম্প্রতিককালের মধ্যে এবারই প্রথম রোপণের পরে বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়াই এ অঞ্চলের কৃষকের গোলায় নির্বিঘ্নে আমন ধান উঠল। তবে বীজতলা তৈরি সহ রোপণ শুরুর প্রাক্কালে কয়েক দফায় অতিবর্ষণ সহ বর্ষণজনিত প্লাবনে বীজতলা ও রোপণের তৈরিকৃত কিছু জমি বিনষ্ট হলেও প্রয়োজনের অতিরিক্ত বীজতলা সহ দুর্যোগ পরবর্তী দ্রুততম সময়ে পুনরায় জমি তৈরি সম্পন্ন করতে পারায় তেমন কোনো বাধা তৈরি হয়নি। কিন্তু বরিশালে আমনের দরপতনে কৃষকের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। এখন প্রতিমণ আমন ধান বিক্রি হচ্ছে ৯শ টাকা থেকে হাজার ৫০ টাকার মধ্যে। অথচ সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে প্রতিমণ আমনের উৎপাদন ব্যয় ছিল হাজার টাকার ওপরে।
সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমে দেশে পৌনে ২ কোটি টনেরও বেশি আমন চাল ঘরে তোলার লক্ষ্যে ৫৭ লাখ ১৮ হাজার ৩শ হেক্টরে আবাদ লক্ষ্য অতিক্রম করেন কৃষিযোদ্ধাগণ। বরিশাল অঞ্চলেও মূল লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে এবার ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৩৪ হেক্টরে আবাদ সম্পন্নের ফলে উৎপাদনও ছিল লক্ষ্যমাত্রার বেশি। এমনকি এবারের খরিপ-২ মৌসুমে বরিশাল কৃষি অঞ্চলে গত বছরের ২৩ লাখ ২২ হাজার ৯৫৮ টনের স্থলে প্রকৃত উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২৩.৬০ লাখ টনের কাছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৩ হাজার টন বেশি। এর বাইরে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টন বোনা আমনও ইতোমধ্যে কৃষকের ঘরে উঠেছে।
আমনের এই উৎপাদন কিছুটা স্বস্তি দিলেও এখনো বরিশাল অঞ্চলে প্রধান দানাদার এই খাদ্য ফসলের গড় ফলন হেক্টরে ২.৯২ টনের মতো। মূলত বরিশালে এখনো প্রায় ৩৫ ভাগ জমিতে সনাতন স্থানীয় জাতের আমনের আবাদ ও উৎপাদন হয়ে থাকে। ফলে দেশের অন্য এলাকার তুলনায় বরিশালে ফলন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না।
যদিও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-ডিএই’র মতে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে কৃষকের কাছে সরবরাহের ফলে গত দুই দশকে এ অঞ্চলেও আমনের ফলন ও উৎপাদন বেড়েছে। আগামীতে উফশী ও হাইব্রিড জাতের আবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে বীজ ও আবাদ প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডিএই’র বরিশাল অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী ও অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার।
কৃষকদের দাবি, উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের বীজের পাশাপাশি উৎপাদন প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাবে তাদের পক্ষে কম জমিতে বেশি ধান উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ আবাদকৃত আমনের অন্তত ৮০ ভাগে উফশী এবং ২০ ভাগ হাইব্রিড ধানের আবাদ সম্ভব হলেও বরিশাল অঞ্চলে উৎপাদন অন্তত ৩০ লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদগণ। এতে করে বরিশালে উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্যের পরিমাণ বর্তমানের ১৪ লাখ টন থেকে ২০ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে বলেও মনে করছেন কৃষিবিদগণ।
তবে বরিশাল অঞ্চলে উফশী জাতের আবাদ সম্প্রসারণের বিষয়টি অনেকটা এগোলেও হাইব্রিড জাতের ক্ষেত্রে এখনো তা নগণ্য। সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে বরিশাল অঞ্চলে আবাদকৃত ৮ লাখ ৮৫ হাজার হেক্টর আমনের মাত্র ২২ হাজার ৫শ হেক্টরে হাইব্রিড জাতের ধানের আবাদ হয়েছে বলে জানা গেছে। গড় উৎপাদন ছিল হেক্টরে ৩.৯৭ টন চাল। এমনকি এ অঞ্চলে সদ্য সমাপ্ত খরিপ-২ মৌসুমেও ৩ লক্ষাধিক হেক্টরে স্থানীয় জাতের আমনের আবাদ হয়েছে। যার গড় উৎপাদন ছিল মাত্র ১.৭৩ টন প্রতি হেক্টরে। বিষয়টি নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে অধিকতর মনোযোগী হবার তাগিদ দিয়েছেন কৃষিবিদগণ। এদিকে এবার আবাদ ও ফলন সহ উৎপাদন আশাতীত হলেও ধানের দর পতন কৃষকদের চরমভাবে হতাশ করছে। বিষয়টি নিয়ে এ অঞ্চলের প্রশাসনিক পর্যায়েও তেমন কোনো পদক্ষেপ লক্ষণীয় নয়। মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদদের মতে, উৎপাদিত ধান বিক্রি করে যদি কৃষকদের পুঁজিই ফিরে না আসে তবে, ভবিষ্যতে এই দানাদার খাদ্য ফসল আবাদে তাদের আগ্রহ ধরে রাখা যাবে না।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪৭
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:২১
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৬
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।