
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৩
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ৫০০ কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’র দেওয়া এই খেজুর জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এসব খেজুর বিতরণ করা হবে।
বরাদ্দ অনুযায়ী বরিশালে ২৩৪, পটুয়াখালীতে ২০২, ভোলায় ১৮৭, পিরোজপুরে ১৩৯, বরগুনায় ১১০, ঝালকাঠিতে ৮২, সিলেটে ২৯০, হবিগঞ্জে ২০৬, মৌলভীবাজারে ১৭৮ এবং সুনামগঞ্জে ২৩৪ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা জেলায় ২৯৭ কার্টুন, নারায়ণগঞ্জে ১০১, গাজীপুরে ১০৩, মুন্সিগঞ্জে ১৮০, মানিকগঞ্জে ১৭১, নরসিংদীতে ১৮৮, টাঙ্গাইলে ৩১৮, কিশোরগঞ্জে ২৮৭, ফরিদপুরে ২১৪, গোপালগঞ্জে ১৭৫, মাদারীপুরে ১৫৭, শরীয়তপুরে ১৭৩ এবং রাজবাড়ীতে ১১০ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ময়মনসিংহে ৩৮৪, নেত্রকোনায় ২২৬, জামালপুরে ১৭৭, শেরপুরে ১৩৭, চট্টগ্রামে ৫১৮, কক্সবাজারে ১৮৭, রাঙ্গামাটিতে ১৩০, খাগড়াছড়িতে ৯৭, বান্দরবানে ৯০, কুমিল্লায় ৫২০, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬৭, চাঁদপুরে ২৩৫, নোয়াখালীতে ২৪৩, লক্ষ্মীপুরে ১৫৪ এবং ফেনীতে ১১২ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহীতে ১৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১৬, নওগাঁয় ২৫৯, নাটোরে ১৩৫, পাবনায় ১৯৬, সিরাজগঞ্জে ২২১, বগুড়ায় ২৯১ এবং জয়পুরহাটে ৮১ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে। রংপুরে ২০১, কুড়িগ্রামে ১৯২, নীলফামারীতে ১৬১, গাইবান্ধায় ২১৪, লালমনিরহাটে ১১৬, দিনাজপুরে ২৭৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪১ এবং পঞ্চগড়ে ১১২ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
খুলনায় ১৮২, বাগেরহাটে ২০৩, সাতক্ষীরায় ২০৭, যশোরে ২৪৭, ঝিনাইদহে ১৭৫, মাগুরায় ৯২, নড়াইলে ১০১, কুষ্টিয়ায় ১৭৪, মেহেরপুরে ৫১ এবং চুয়াডাঙ্গায় ১০৫ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এর বাইরে ঢাকায় মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে ১৮৫, ঢাকাস্থ সৌদি আরব দূতাবাসকে ৫০ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।'
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ৫০০ কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’র দেওয়া এই খেজুর জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এসব খেজুর বিতরণ করা হবে।
বরাদ্দ অনুযায়ী বরিশালে ২৩৪, পটুয়াখালীতে ২০২, ভোলায় ১৮৭, পিরোজপুরে ১৩৯, বরগুনায় ১১০, ঝালকাঠিতে ৮২, সিলেটে ২৯০, হবিগঞ্জে ২০৬, মৌলভীবাজারে ১৭৮ এবং সুনামগঞ্জে ২৩৪ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা জেলায় ২৯৭ কার্টুন, নারায়ণগঞ্জে ১০১, গাজীপুরে ১০৩, মুন্সিগঞ্জে ১৮০, মানিকগঞ্জে ১৭১, নরসিংদীতে ১৮৮, টাঙ্গাইলে ৩১৮, কিশোরগঞ্জে ২৮৭, ফরিদপুরে ২১৪, গোপালগঞ্জে ১৭৫, মাদারীপুরে ১৫৭, শরীয়তপুরে ১৭৩ এবং রাজবাড়ীতে ১১০ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ময়মনসিংহে ৩৮৪, নেত্রকোনায় ২২৬, জামালপুরে ১৭৭, শেরপুরে ১৩৭, চট্টগ্রামে ৫১৮, কক্সবাজারে ১৮৭, রাঙ্গামাটিতে ১৩০, খাগড়াছড়িতে ৯৭, বান্দরবানে ৯০, কুমিল্লায় ৫২০, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬৭, চাঁদপুরে ২৩৫, নোয়াখালীতে ২৪৩, লক্ষ্মীপুরে ১৫৪ এবং ফেনীতে ১১২ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহীতে ১৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১৬, নওগাঁয় ২৫৯, নাটোরে ১৩৫, পাবনায় ১৯৬, সিরাজগঞ্জে ২২১, বগুড়ায় ২৯১ এবং জয়পুরহাটে ৮১ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে। রংপুরে ২০১, কুড়িগ্রামে ১৯২, নীলফামারীতে ১৬১, গাইবান্ধায় ২১৪, লালমনিরহাটে ১১৬, দিনাজপুরে ২৭৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪১ এবং পঞ্চগড়ে ১১২ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
খুলনায় ১৮২, বাগেরহাটে ২০৩, সাতক্ষীরায় ২০৭, যশোরে ২৪৭, ঝিনাইদহে ১৭৫, মাগুরায় ৯২, নড়াইলে ১০১, কুষ্টিয়ায় ১৭৪, মেহেরপুরে ৫১ এবং চুয়াডাঙ্গায় ১০৫ কার্টুন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এর বাইরে ঢাকায় মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে ১৮৫, ঢাকাস্থ সৌদি আরব দূতাবাসকে ৫০ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।'

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.