
১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:২৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে টানা চার দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। প্রেমিকের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে রোববার বিষের বোতল সঙ্গে নিয়ে অনশন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
প্রেমিক হুমায়ুন একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরনবী বাড়ির মো. নুরনবীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুনের দোকানে নিয়মিত কেনাকাটার সূত্রে তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন এবং বিয়ের আশ্বাসে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে দাবি করেছেন তরুণী।
তরুণী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর হুমায়ুন তাকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। আমি হুমায়ুনকেই বিয়ে করব। বিয়ে ছাড়া আমি এখান থেকে ফিরে যাব না।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় বলেন, আমি চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ার এলাকায় তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখেছি। পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছিল। এখন মেয়েটিকে অনশন করতে দেখে বিষয়টি দুঃখজনক মনে হচ্ছে। যদি তাদের মধ্যে এমন সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রোববার অনশন চলাকালে তরুণী বিষের একটি বোতল সঙ্গে নিয়ে আসেন। পরে প্রেমিকের পরিবারের সদস্যরা সেটি ছিনিয়ে নেন। এরপরও তিনি অনশন অব্যাহত রাখেন এবং আত্মহত্যার হুমকি দেন বলে জানা গেছে।
এদিকে বর্তমানে অভিযুক্ত হুমায়ুন ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের দাবি, তিনি গত ৭-৮ মাস ধরে ঢাকায় চাকরি করছেন।হুমায়ুনের মা বলেন, এই মেয়েটির সঙ্গে যদি আমার ছেলের সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে এতদিন আমাদের জানানো হয়নি কেন? আমরা তো কোনো দিন শুনিনি তাদের মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক আছে। আপনারা ছেলের সঙ্গে কথা বলে দেখেন, ছেলে যদি রাজি হয় তাহলে আমাদেরও আপত্তি নেই।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানি না। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে টানা চার দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। প্রেমিকের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে রোববার বিষের বোতল সঙ্গে নিয়ে অনশন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
প্রেমিক হুমায়ুন একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরনবী বাড়ির মো. নুরনবীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুনের দোকানে নিয়মিত কেনাকাটার সূত্রে তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন এবং বিয়ের আশ্বাসে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে দাবি করেছেন তরুণী।
তরুণী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর হুমায়ুন তাকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। আমি হুমায়ুনকেই বিয়ে করব। বিয়ে ছাড়া আমি এখান থেকে ফিরে যাব না।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় বলেন, আমি চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ার এলাকায় তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখেছি। পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছিল। এখন মেয়েটিকে অনশন করতে দেখে বিষয়টি দুঃখজনক মনে হচ্ছে। যদি তাদের মধ্যে এমন সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রোববার অনশন চলাকালে তরুণী বিষের একটি বোতল সঙ্গে নিয়ে আসেন। পরে প্রেমিকের পরিবারের সদস্যরা সেটি ছিনিয়ে নেন। এরপরও তিনি অনশন অব্যাহত রাখেন এবং আত্মহত্যার হুমকি দেন বলে জানা গেছে।
এদিকে বর্তমানে অভিযুক্ত হুমায়ুন ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের দাবি, তিনি গত ৭-৮ মাস ধরে ঢাকায় চাকরি করছেন।হুমায়ুনের মা বলেন, এই মেয়েটির সঙ্গে যদি আমার ছেলের সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে এতদিন আমাদের জানানো হয়নি কেন? আমরা তো কোনো দিন শুনিনি তাদের মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক আছে। আপনারা ছেলের সঙ্গে কথা বলে দেখেন, ছেলে যদি রাজি হয় তাহলে আমাদেরও আপত্তি নেই।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানি না। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা শেষে উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মূল ফটক ভাঙচুর করে শতাধিক পরীক্ষার্থী। এবং কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্তত কলেজ সভাপতিসহ ১০/১৫ জন আহত হন। পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কেন্দ্রে মোট ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, এমসিকিউ পরীক্ষার সময় কিছু পরীক্ষার্থী নকলের সুযোগ চেয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী তাদের সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরীক্ষা শেষে তারা হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তবে আমরা এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। হামলায় কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।
কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু পরীক্ষার্থীরাই নয় তাদের সঙ্গে বহিরাগতরাও হামলায় অংশ নেয়।
ঘটনার পর চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজে এলেও সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। শুনেছি প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং নকল করতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা শেষে উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মূল ফটক ভাঙচুর করে শতাধিক পরীক্ষার্থী। এবং কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্তত কলেজ সভাপতিসহ ১০/১৫ জন আহত হন। পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কেন্দ্রে মোট ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, এমসিকিউ পরীক্ষার সময় কিছু পরীক্ষার্থী নকলের সুযোগ চেয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী তাদের সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরীক্ষা শেষে তারা হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তবে আমরা এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। হামলায় কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।
কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু পরীক্ষার্থীরাই নয় তাদের সঙ্গে বহিরাগতরাও হামলায় অংশ নেয়।
ঘটনার পর চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজে এলেও সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। শুনেছি প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং নকল করতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’

১০ জুলাই, ২০২৬ ০১:১০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৩
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২