পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি (নেছারাবাদ) উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানার ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী নৌকার হাটে সরকারে নির্ধারিত শতকরা ৫ টাকা খাজনা আদায়ের নিয়ম থাকলেও দ্বিগুনের বেশি খাজনা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বদলি ইজারাদার,শহীদ মল্লিক, হুমাউন মোল্লা, ও সালাম বেপারীর বিরুদ্ধে। তবে তাদের দাবি অতিরিক্ত কোন খাজনা আদায় করা হচ্ছে না।
ভুক্তভোগী নৌকা ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রকাশ্যে খাজনার তালিকা টাঙানোর কথা থাকলেও তা টাঙানো হয়নি। এদিকে নৌকা হাটের মূল ইজারাদার আব্দুর রহিম মিয়া জানান, সরকার নির্ধারিত খাজনা শতকরা ৫টাকা সেখানে ক্রেতারা আমাকে ১২টাকা খাজনা আদায়ের রশিদ দেখিয়েছেন। এর দায় ভার আমি নিবোনা।
এদিকে ক্রেতারা ইজারাদারদের চাপে পড়ে খাজনার জন্য অতিরিক্ত দ্বিগুন অর্থ দিতে হচ্ছে তাদের। আটঘর-কুড়িয়ানার নৌকার হাটে সরজমিনে গিয়ে দ্বিগুণ খাজনা আদায়ের সত্যতার প্রমান পাওয়া গেছে।
সেখানে সরকারের নির্ধারিত টোলের কোনো তালিকা দেখতে পাওয়া যায়নি। ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার নির্ধারিত খাজনার হার সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। খাজনা আদায়কারীরা যে পরিমাণ টাকা চায়, তাদের সেই পরিমাণ টাকা দিতে হয়।
এছাড়াও মেইন রাস্তার উপর নৌকার হাট উঠিয়ে বেচাকেনা করায় সৃষ্টি হয় যানজট, ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষের।
শরিফ হোসেন নামের একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘শুনেছি হাটে খাজনা দেওয়া-নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত হার রয়েছে।
কিন্তু আমরা সরকারি হার সম্পর্কে জানি না বা খাজনা আদায়ের টোলঘরে টাঙানো নাই। জানতে চাইলে, ইজারাদারের লোকেরা আমাদের সঙ্গে অনেক খারাপ ব্যবহার করেন। তাই বাধ্য হয়ে তারা যা বলে তাই দিয়ে আসতে হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, সরকারি হাটবাজারগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দলীয় নেতাকর্মীরা ইজারা আদায় করে। ফলে তারা তাদের ইচ্ছে মতো জোর করে খাজনা আদায় করেন। সেক্ষেত্রে আমাদের মতো সাধারণ ব্যবসায়ীরা সরকারি হার দেখার কথা বললে মার খেতে হয়।
এ বিষয়ে বদলি ইজারাদার হুমাউন বলেন, নৌকার হাটে কোন অতিরিক্ত খাজনার টাকা আদায় করা হচ্ছে না এর পূর্বের ইজারাদার আব্দুর রহিম যে হারে খাজনা আদায় করেছে আমারও সেই হারে খাজনা নিচ্ছি বেশি নেয়ার অভিযোগটি মিথ্যে।
আরেক ইজারাদার আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ইজারাদার আব্দুর রহিম এর কাছ থেকে উপ ইজারা ২৫ লাক টাকায় ক্রয় করে নিয়েছি আগের ইজারাদার যেভাবে খাজনা আদায় করেছে আমরাও সেভাবে আদায় করতেছি। সরকারি ভাবে কোন নির্দেশনা আমরা পাইনি।
এ বিষয়ে মূল ইজারাদার আব্দুর রহিম বলেন, আমাকে শহীদ,হুমাউন, সালামরা একদিনের জন্য খাজনা উঠাইতে দেয়নি।এক প্রকার জোর জবরদস্তির পরে তাদের খাজনা আদায় করতে দিয়েছি ৩৮ লাখ টাকায় কিন্তু তারা আমাকে ১৫ লাক টাকা দিয়েছে বাকি টাকা নিয়ে এখন টালবাহানা করছে। আমার ছাপানো রশিদে টাকা না তুলে তাদের ছাপানো রশিদে দ্বিগুণ খাজনা আদায় করছে। এ বিষয়ে আমি শীগ্রই কর্তৃপক্ষকে লিখিত আকারে জানাবো।
এ প্রসঙ্গে স্বরূপকাঠি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ইজারা নিয়ে একটু সমস্যা ছিলো সেটা উভয়ের মধ্যে মধ্যস্থতায় সমাধান হয়েছে। তবে সরকার নির্ধারিত খাজনার চেয়ে অতিরিক্ত আদায়ের কোন সুযোগ নাই। অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনায় রুনু বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমের (২৬) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়নের আটহাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনু বেগম ওই গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী। আটক ফাতেমা বেগম তার ছেলে রেদওয়ান পেশকারের স্ত্রী। ফাতেমার বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রুনু বেগম ও ফাতেমা বেগমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় রুনু বেগম ফাতেমার একটি আঙুল কামড়ে ধরেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শ্বাসরোধ হয়ে রুনু বেগমের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে ফাতেমা বেগমকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও মারামারির একপর্যায়ে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনায় রুনু বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমের (২৬) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়নের আটহাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনু বেগম ওই গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী। আটক ফাতেমা বেগম তার ছেলে রেদওয়ান পেশকারের স্ত্রী। ফাতেমার বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রুনু বেগম ও ফাতেমা বেগমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় রুনু বেগম ফাতেমার একটি আঙুল কামড়ে ধরেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শ্বাসরোধ হয়ে রুনু বেগমের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে ফাতেমা বেগমকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও মারামারির একপর্যায়ে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৬
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ইঞ্জিন বিকল হয়ে চরম বিপদাপন্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন ভোলা ও পটুয়াখালীর ১৮ জন মাঝিমাল্লা। টানা কয়েকদিন ধরে উত্তাল সাগরে ভাসতে থাকা এসব জেলেদের উদ্ধারে আকুতি জানাচ্ছে তাদের পরিবার। তবে বৈরী আবহাওয়া, উপযুক্ত নৌযান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকার অজুহাতে উদ্ধার অভিযানে যেতে অপারগতা প্রকাশ করেছে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচরসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে গভীরে বর্তমানে ট্রলারটি অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ভোরে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মাছঘাট থেকে ১৮ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান ট্রলারের মাঝি হানিফ মিয়া। কিন্তু সাগরে পৌঁছানোর পরপরই ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এরপর থেকে উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের তোড়ে ভাসছেন তারা। আশপাশে থাকা অন্য ট্রলারগুলোর কাছে হাত ইশারা করে সাহায্য চাওয়া হলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কেউ কাছে ভিড়তে সাহস পায়নি।
বিপদগ্রস্ত জেলেদের উদ্ধারে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরসহ রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের কাছে একাধিকবার সাহায্য চাওয়া হয়েছে। রাজধানীতে অবস্থানরত মৎস্য ব্যবসায়ী জুনায়েত হাসান ও মাঝির ছেলে মেহেদী হাসান জানান, মঙ্গলবার রাতেও মাঝিমাল্লাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। তারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন এবং দ্রুত উদ্ধারের আকুতি জানাচ্ছেন।
তবে রাঙ্গাবালী কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি অনেক দূরে এবং সেখানে যেতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। উত্তাল সাগরে যাওয়ার মতো উপযুক্ত নৌযান, জনবল বা সরঞ্জাম তাদের কাছে নেই। ফলে তাদের উদ্ধারকারী দলের নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়বে। বিষয়টি ভোলা কোস্টগার্ড ও স্থানীয় ট্রলার মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ মো. জায়েদুর রহমান জানান, তাদের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে সাগরে থাকা অন্যান্য মাছ ধরার ট্রলারের মাধ্যমে জেলেদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসনসহ উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। আটকে পড়া ১৮ জন জেলেকে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এদিকে সাগরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ১৮ জেলেকে দ্রুত জীবিত উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও উদ্ধারকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্বজনরা।
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ইঞ্জিন বিকল হয়ে চরম বিপদাপন্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন ভোলা ও পটুয়াখালীর ১৮ জন মাঝিমাল্লা। টানা কয়েকদিন ধরে উত্তাল সাগরে ভাসতে থাকা এসব জেলেদের উদ্ধারে আকুতি জানাচ্ছে তাদের পরিবার। তবে বৈরী আবহাওয়া, উপযুক্ত নৌযান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকার অজুহাতে উদ্ধার অভিযানে যেতে অপারগতা প্রকাশ করেছে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচরসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে গভীরে বর্তমানে ট্রলারটি অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ভোরে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মাছঘাট থেকে ১৮ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান ট্রলারের মাঝি হানিফ মিয়া। কিন্তু সাগরে পৌঁছানোর পরপরই ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এরপর থেকে উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের তোড়ে ভাসছেন তারা। আশপাশে থাকা অন্য ট্রলারগুলোর কাছে হাত ইশারা করে সাহায্য চাওয়া হলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কেউ কাছে ভিড়তে সাহস পায়নি।
বিপদগ্রস্ত জেলেদের উদ্ধারে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরসহ রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের কাছে একাধিকবার সাহায্য চাওয়া হয়েছে। রাজধানীতে অবস্থানরত মৎস্য ব্যবসায়ী জুনায়েত হাসান ও মাঝির ছেলে মেহেদী হাসান জানান, মঙ্গলবার রাতেও মাঝিমাল্লাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। তারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন এবং দ্রুত উদ্ধারের আকুতি জানাচ্ছেন।
তবে রাঙ্গাবালী কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি অনেক দূরে এবং সেখানে যেতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। উত্তাল সাগরে যাওয়ার মতো উপযুক্ত নৌযান, জনবল বা সরঞ্জাম তাদের কাছে নেই। ফলে তাদের উদ্ধারকারী দলের নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়বে। বিষয়টি ভোলা কোস্টগার্ড ও স্থানীয় ট্রলার মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ মো. জায়েদুর রহমান জানান, তাদের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে সাগরে থাকা অন্যান্য মাছ ধরার ট্রলারের মাধ্যমে জেলেদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসনসহ উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। আটকে পড়া ১৮ জন জেলেকে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এদিকে সাগরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ১৮ জেলেকে দ্রুত জীবিত উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও উদ্ধারকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্বজনরা।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৬
বরিশালের বাবুগঞ্জে চুরির সময় চোরাই মালামালসহ এক নারী ও তার আপন ভাইকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার গাছুয়া গ্রামের আবদুর রহমান সরদারের মেয়ে রুমা আক্তার (৩৫) ও তার ভাই জসিম সরদার (৪০)।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে আগরপুর গ্রামের একটি টিটুর চায়ের দোকানসহ ব্রাহ্মণদিয়া গ্রামের হানিফ হাওলাদার, আরিফ আকন, আসাদুল ইসলামসহ একাধিক বাড়িতে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটে।
পরে টিটুর চায়ের দোকানে চুরির ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই চোরকে শনাক্ত করা হয়। এরপর স্থানীয়রা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে রুমা আক্তার ও জসিম সরদারকে আটক করেন।
আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে ওই নারী ও পুরুষকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিলন জানান, জসিম সরদারের কাছ থেকে টিটুর চায়ের দোকান থেকে চুরি হওয়া একটি ডলারসহ নগদ টাকা এবং রুমা আক্তারের কাছ থেকে চুরি যাওয়া পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।’
বরিশালের বাবুগঞ্জে চুরির সময় চোরাই মালামালসহ এক নারী ও তার আপন ভাইকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার গাছুয়া গ্রামের আবদুর রহমান সরদারের মেয়ে রুমা আক্তার (৩৫) ও তার ভাই জসিম সরদার (৪০)।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে আগরপুর গ্রামের একটি টিটুর চায়ের দোকানসহ ব্রাহ্মণদিয়া গ্রামের হানিফ হাওলাদার, আরিফ আকন, আসাদুল ইসলামসহ একাধিক বাড়িতে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটে।
পরে টিটুর চায়ের দোকানে চুরির ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই চোরকে শনাক্ত করা হয়। এরপর স্থানীয়রা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে রুমা আক্তার ও জসিম সরদারকে আটক করেন।
আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে ওই নারী ও পুরুষকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিলন জানান, জসিম সরদারের কাছ থেকে টিটুর চায়ের দোকান থেকে চুরি হওয়া একটি ডলারসহ নগদ টাকা এবং রুমা আক্তারের কাছ থেকে চুরি যাওয়া পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।’

০৭ জুলাই, ২০২৫ ১৮:০১
পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি (নেছারাবাদ) উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানার ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী নৌকার হাটে সরকারে নির্ধারিত শতকরা ৫ টাকা খাজনা আদায়ের নিয়ম থাকলেও দ্বিগুনের বেশি খাজনা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বদলি ইজারাদার,শহীদ মল্লিক, হুমাউন মোল্লা, ও সালাম বেপারীর বিরুদ্ধে। তবে তাদের দাবি অতিরিক্ত কোন খাজনা আদায় করা হচ্ছে না।
ভুক্তভোগী নৌকা ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রকাশ্যে খাজনার তালিকা টাঙানোর কথা থাকলেও তা টাঙানো হয়নি। এদিকে নৌকা হাটের মূল ইজারাদার আব্দুর রহিম মিয়া জানান, সরকার নির্ধারিত খাজনা শতকরা ৫টাকা সেখানে ক্রেতারা আমাকে ১২টাকা খাজনা আদায়ের রশিদ দেখিয়েছেন। এর দায় ভার আমি নিবোনা।
এদিকে ক্রেতারা ইজারাদারদের চাপে পড়ে খাজনার জন্য অতিরিক্ত দ্বিগুন অর্থ দিতে হচ্ছে তাদের। আটঘর-কুড়িয়ানার নৌকার হাটে সরজমিনে গিয়ে দ্বিগুণ খাজনা আদায়ের সত্যতার প্রমান পাওয়া গেছে।
সেখানে সরকারের নির্ধারিত টোলের কোনো তালিকা দেখতে পাওয়া যায়নি। ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার নির্ধারিত খাজনার হার সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। খাজনা আদায়কারীরা যে পরিমাণ টাকা চায়, তাদের সেই পরিমাণ টাকা দিতে হয়।
এছাড়াও মেইন রাস্তার উপর নৌকার হাট উঠিয়ে বেচাকেনা করায় সৃষ্টি হয় যানজট, ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ মানুষের।
শরিফ হোসেন নামের একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘শুনেছি হাটে খাজনা দেওয়া-নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত হার রয়েছে।
কিন্তু আমরা সরকারি হার সম্পর্কে জানি না বা খাজনা আদায়ের টোলঘরে টাঙানো নাই। জানতে চাইলে, ইজারাদারের লোকেরা আমাদের সঙ্গে অনেক খারাপ ব্যবহার করেন। তাই বাধ্য হয়ে তারা যা বলে তাই দিয়ে আসতে হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, সরকারি হাটবাজারগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দলীয় নেতাকর্মীরা ইজারা আদায় করে। ফলে তারা তাদের ইচ্ছে মতো জোর করে খাজনা আদায় করেন। সেক্ষেত্রে আমাদের মতো সাধারণ ব্যবসায়ীরা সরকারি হার দেখার কথা বললে মার খেতে হয়।
এ বিষয়ে বদলি ইজারাদার হুমাউন বলেন, নৌকার হাটে কোন অতিরিক্ত খাজনার টাকা আদায় করা হচ্ছে না এর পূর্বের ইজারাদার আব্দুর রহিম যে হারে খাজনা আদায় করেছে আমারও সেই হারে খাজনা নিচ্ছি বেশি নেয়ার অভিযোগটি মিথ্যে।
আরেক ইজারাদার আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ইজারাদার আব্দুর রহিম এর কাছ থেকে উপ ইজারা ২৫ লাক টাকায় ক্রয় করে নিয়েছি আগের ইজারাদার যেভাবে খাজনা আদায় করেছে আমরাও সেভাবে আদায় করতেছি। সরকারি ভাবে কোন নির্দেশনা আমরা পাইনি।
এ বিষয়ে মূল ইজারাদার আব্দুর রহিম বলেন, আমাকে শহীদ,হুমাউন, সালামরা একদিনের জন্য খাজনা উঠাইতে দেয়নি।এক প্রকার জোর জবরদস্তির পরে তাদের খাজনা আদায় করতে দিয়েছি ৩৮ লাখ টাকায় কিন্তু তারা আমাকে ১৫ লাক টাকা দিয়েছে বাকি টাকা নিয়ে এখন টালবাহানা করছে। আমার ছাপানো রশিদে টাকা না তুলে তাদের ছাপানো রশিদে দ্বিগুণ খাজনা আদায় করছে। এ বিষয়ে আমি শীগ্রই কর্তৃপক্ষকে লিখিত আকারে জানাবো।
এ প্রসঙ্গে স্বরূপকাঠি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ইজারা নিয়ে একটু সমস্যা ছিলো সেটা উভয়ের মধ্যে মধ্যস্থতায় সমাধান হয়েছে। তবে সরকার নির্ধারিত খাজনার চেয়ে অতিরিক্ত আদায়ের কোন সুযোগ নাই। অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৯
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১১
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬