Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০১
দুলাভাইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল শ্যালিকার। পরে সেই শ্যালিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভে পরিকল্পিতভাবে শ্যালিকার স্বামী রাজু মিঞাকে (১৯) ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। পুলিশ এ ঘটনায় হোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেপ্তার আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদ (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফিরোজের শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জানুয়ারি রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজু মিঞা তার মালিকানাধীন ভাঙারির দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
বিজ্ঞাপন
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ধর্মপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন পেয়ারুল ইসলামের সেগুন বাগানের পশ্চিম পাশে খনখাইয়া খালের ঢাল থেকে রাজুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি তদন্তের অংশ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এর ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালী থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
ফিরোজ আহাম্মদের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান এলাকায়। তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ফটিকছড়ির ধর্মপুর এলাকায় বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। সেই সময় ফিরোজ তার স্ত্রীর ছোট বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে সেই নারী প্রতিবেশী রাজু মিঞার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সামাজিক মীমাংসার মাধ্যমে সম্প্রতি ভুক্তভোগী রাজুর সঙ্গে ফিরোজের শালীর বিয়ে হয়।
এই বিয়েকে কেন্দ্র করে ফিরোজ আহাম্মদ ও তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। স্থানীয়ভাবে সামাজিক মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তাদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। একপর্যায়ে তারা রাজু মিঞাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ আহাম্মদ কৌশলে রাজুকে তার স্ত্রীর একটি থ্রি-পিস দেওয়ার কথা বলে খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছানোর পর ধারালো ছুরি দিয়ে রাজুর পেট, গলা ও পিঠে একাধিক আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজুর মৃত্যু হয়।
হত্যার পর আসামি মরদেহ খালের ঢালে বালিচাপা দেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি খালের পানিতে ফেলে দেন। রাজুর সঙ্গে থাকা থ্রি-পিসটি পাশের সেগুন বাগানে ফেলে দিয়ে তিনি প্রথমে ঢাকায় এবং পরে কুমিল্লায় পালিয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরবর্তী অভিযানে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত অপর আসামি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে। একইসঙ্গে খনখাইয়া খাল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি এবং সেগুন বাগান থেকে থ্রি-পিস উদ্ধার করা হয়।
দুলাভাইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল শ্যালিকার। পরে সেই শ্যালিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভে পরিকল্পিতভাবে শ্যালিকার স্বামী রাজু মিঞাকে (১৯) ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। পুলিশ এ ঘটনায় হোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেপ্তার আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদ (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফিরোজের শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জানুয়ারি রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজু মিঞা তার মালিকানাধীন ভাঙারির দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
বিজ্ঞাপন
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ধর্মপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন পেয়ারুল ইসলামের সেগুন বাগানের পশ্চিম পাশে খনখাইয়া খালের ঢাল থেকে রাজুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি তদন্তের অংশ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এর ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালী থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
ফিরোজ আহাম্মদের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান এলাকায়। তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ফটিকছড়ির ধর্মপুর এলাকায় বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। সেই সময় ফিরোজ তার স্ত্রীর ছোট বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে সেই নারী প্রতিবেশী রাজু মিঞার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সামাজিক মীমাংসার মাধ্যমে সম্প্রতি ভুক্তভোগী রাজুর সঙ্গে ফিরোজের শালীর বিয়ে হয়।
এই বিয়েকে কেন্দ্র করে ফিরোজ আহাম্মদ ও তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। স্থানীয়ভাবে সামাজিক মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তাদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। একপর্যায়ে তারা রাজু মিঞাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ আহাম্মদ কৌশলে রাজুকে তার স্ত্রীর একটি থ্রি-পিস দেওয়ার কথা বলে খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছানোর পর ধারালো ছুরি দিয়ে রাজুর পেট, গলা ও পিঠে একাধিক আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজুর মৃত্যু হয়।
হত্যার পর আসামি মরদেহ খালের ঢালে বালিচাপা দেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি খালের পানিতে ফেলে দেন। রাজুর সঙ্গে থাকা থ্রি-পিসটি পাশের সেগুন বাগানে ফেলে দিয়ে তিনি প্রথমে ঢাকায় এবং পরে কুমিল্লায় পালিয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরবর্তী অভিযানে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত অপর আসামি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে। একইসঙ্গে খনখাইয়া খাল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি এবং সেগুন বাগান থেকে থ্রি-পিস উদ্ধার করা হয়।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৭
বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এরই মাঝে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩—দুটি উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কী হতে পারে, তার বীভৎস রূপ ইতিমধ্যেই জাতির সামনে চলে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ একটি পবিত্র আমানতের জায়গা। সেই জায়গায় যারা আসবেন, তারা যদি জনগণের রায়কে গায়ের জোরে পাল্টে দিয়ে আসেন, তাহলে তাদের দ্বারা দেশ ও জাতির ক্ষতি ছাড়া লাভ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। জনগণের রায়ের প্রতি যাদের আস্থা আছে, তারা গায়ের জোর কখনোই খাটাতে চায় না।’
এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘এই দুই আসনের নির্বাচন যেন আগের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে ভালো হয় এবং কোনোভাবেই খারাপ না হয়, সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে শেরপুর-৩ আসন সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। বিজিবি, র্যাব, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করছে।’

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৪
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে জ্বরের চিকিৎসা নিতে আসা পাঁচ বছরের শিশু আলিফাকে দেওয়া হলো অন্য রোগীর জন্য আনা কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন। বুধবার (৮ এপ্রিল) চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ওই দিন কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের এমরান হোসেন তার পাঁচ বছরের সন্তান আলিফাকে জ্বরের রোগী হিসেবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। একই সময়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শাহরাস্তি উপজেলার আহম্মদ নগর গ্রামের রুবেল তার ১৪ বছরের সন্তান নাজমুলকে কুকুরের কামড়ের রোগী হিসেবে চিকিৎসা নিতে আসেন।
উভয় রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম উভয়কে পৃথক পৃথক চিকিৎসাপত্র দেন। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) আবু ইউসুফ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র না দেখেই জ্বরের রোগী আলিফাকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ করেন। এ ঘটনা নিয়ে রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক আবু ইউসুফ বলেন, এ ভ্যাকসিনে কোনো ক্ষতি হবে না, তবে আমি ভুল করে অন্য রোগীর ভ্যাকসিন শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকলিমা জাহান বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। আমরা বাচ্চাটাকে ভর্তি রেখে পর্যবেক্ষণে রাখার কথা বলেছি। তারপরও দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসারকে শোকজ করা হবে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৬
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মোহাম্মদ শামীম নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাটেরখিল এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়।
শামীম সীতাকুণ্ড পৌরসভার শিবপুর এলাকার আবছারের বাড়ির আবুল মনসুরের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
নিহতের ভাই মো. সেলিম জানান, অনেক অভাব অনটনে দিন কাটছে শামীমের। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ করার কারণে আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার রাতে তার স্ত্রী সীতাকুণ্ড বাজারে কিছু স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নিয়ে বাপের বাড়িতে যান। শামীমও সন্ধ্যায় ওখানে (শ্বশুরবাড়ি) যান। রাত ৮টার সময় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পর তাকে স্থানীয় জাফর ও ইরানের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বেড়িবাঁধ তালতলা এলাকায় ফেলে রেখে যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে অনেকদিন ধরে দ্বন্দ্ব ছিল তাদের। পূর্বশত্রুতার জেরে দ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে হত্যা করে জাফর ও ইরানরা।’
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম এখন প্রকাশ করা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, যারা হত্যা করেছে, আর যে হত্যার শিকার হয়েছে, তাদের কারো পূর্বের রেকর্ড ভালো না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশের টিম কাজ করছে।
বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এরই মাঝে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩—দুটি উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কী হতে পারে, তার বীভৎস রূপ ইতিমধ্যেই জাতির সামনে চলে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ একটি পবিত্র আমানতের জায়গা। সেই জায়গায় যারা আসবেন, তারা যদি জনগণের রায়কে গায়ের জোরে পাল্টে দিয়ে আসেন, তাহলে তাদের দ্বারা দেশ ও জাতির ক্ষতি ছাড়া লাভ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। জনগণের রায়ের প্রতি যাদের আস্থা আছে, তারা গায়ের জোর কখনোই খাটাতে চায় না।’
এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘এই দুই আসনের নির্বাচন যেন আগের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে ভালো হয় এবং কোনোভাবেই খারাপ না হয়, সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে শেরপুর-৩ আসন সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। বিজিবি, র্যাব, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করছে।’
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে জ্বরের চিকিৎসা নিতে আসা পাঁচ বছরের শিশু আলিফাকে দেওয়া হলো অন্য রোগীর জন্য আনা কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন। বুধবার (৮ এপ্রিল) চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ওই দিন কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের এমরান হোসেন তার পাঁচ বছরের সন্তান আলিফাকে জ্বরের রোগী হিসেবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। একই সময়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শাহরাস্তি উপজেলার আহম্মদ নগর গ্রামের রুবেল তার ১৪ বছরের সন্তান নাজমুলকে কুকুরের কামড়ের রোগী হিসেবে চিকিৎসা নিতে আসেন।
উভয় রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম উভয়কে পৃথক পৃথক চিকিৎসাপত্র দেন। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) আবু ইউসুফ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র না দেখেই জ্বরের রোগী আলিফাকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ করেন। এ ঘটনা নিয়ে রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক আবু ইউসুফ বলেন, এ ভ্যাকসিনে কোনো ক্ষতি হবে না, তবে আমি ভুল করে অন্য রোগীর ভ্যাকসিন শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকলিমা জাহান বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। আমরা বাচ্চাটাকে ভর্তি রেখে পর্যবেক্ষণে রাখার কথা বলেছি। তারপরও দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসারকে শোকজ করা হবে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মোহাম্মদ শামীম নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাটেরখিল এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়।
শামীম সীতাকুণ্ড পৌরসভার শিবপুর এলাকার আবছারের বাড়ির আবুল মনসুরের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
নিহতের ভাই মো. সেলিম জানান, অনেক অভাব অনটনে দিন কাটছে শামীমের। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ করার কারণে আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার রাতে তার স্ত্রী সীতাকুণ্ড বাজারে কিছু স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নিয়ে বাপের বাড়িতে যান। শামীমও সন্ধ্যায় ওখানে (শ্বশুরবাড়ি) যান। রাত ৮টার সময় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পর তাকে স্থানীয় জাফর ও ইরানের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বেড়িবাঁধ তালতলা এলাকায় ফেলে রেখে যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে অনেকদিন ধরে দ্বন্দ্ব ছিল তাদের। পূর্বশত্রুতার জেরে দ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে হত্যা করে জাফর ও ইরানরা।’
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম এখন প্রকাশ করা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, যারা হত্যা করেছে, আর যে হত্যার শিকার হয়েছে, তাদের কারো পূর্বের রেকর্ড ভালো না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশের টিম কাজ করছে।