
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৮
ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা একটি চরে গরু চড়াতে গিয়ে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্বজনরা উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন ভোলারচরে এ ঘটনা ঘটে। আহত সুমন রাজাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নাসির সর্দারের ছেলে।
আহত ও তার স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, নদী গর্ভে বিলীন হয়ে বেশ কয়েক বছর আগে মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠে ‘ভোলারচর’ নামক চরটি।
এরপর সেখানে চরের প্রকৃত ভূমি মালিক নিজেরা এবং কেউ কেউ তাদের জমি নগদ খাজনায় চাষিদের কাছে লিজ দেন। এভাবে চলছিল চাষাবাদ। সম্প্রতি সেখানের প্রায় ২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে চরটি দখল ও চাষিদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল একদল স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র।
আজ সকালে আহত সুমনসহ তার চাচাতো ভাইয়েরা চরে গরু চড়াতে গেলে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ সুমনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।
এর আগে, গতকাল চরটি দখলের আশঙ্কায় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই মো. রুবেল ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চর পরিদর্শন করে সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
আহত সুমন অভিযোগ করে বলেন, চরে আমাদের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের জমি রয়েছে। নিজেরা সেখানে চাষাবাদ করছি এবং অন্যান্য জমি মালিকদের থেকে নগদ খাজনায় জমি লিজ নিয়ে সেখানে চাষিরা তরমুজের চাষ করেছেন।
এখন তরমুজ কাটার সময় হয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ অন্যান্যরা আমাদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল।
আজ ভোরে আমিসহ আমার অন্যান্য চাচাতো ভাইয়েরা ফয়সাল, রিয়াজ জুয়েল, সিরাজ রিপন একত্রিত হয়ে চরে গরু চড়াতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা
আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন আমাদের ওপর গুলি চালায়। তাদের গুলি ছোড়া দেখে আমরা একেকজন একেকদিকে দৌড় দিলে আমার শরীরে ৪টি গুলি লাগে। আমি এর বিচার চাই।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি চরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন ছররা গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। জমিজমা বিরোধের অবসান হলে এসব বিরোধ থাকবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গতকাল পুলিশকে জানানো হয়েছিল চরে বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন অবস্থান নিয়েছে- এমন খবরে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
তবে গুলিবিদ্ধের ঘটনায় থানায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা একটি চরে গরু চড়াতে গিয়ে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্বজনরা উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন ভোলারচরে এ ঘটনা ঘটে। আহত সুমন রাজাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নাসির সর্দারের ছেলে।
আহত ও তার স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, নদী গর্ভে বিলীন হয়ে বেশ কয়েক বছর আগে মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠে ‘ভোলারচর’ নামক চরটি।
এরপর সেখানে চরের প্রকৃত ভূমি মালিক নিজেরা এবং কেউ কেউ তাদের জমি নগদ খাজনায় চাষিদের কাছে লিজ দেন। এভাবে চলছিল চাষাবাদ। সম্প্রতি সেখানের প্রায় ২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে চরটি দখল ও চাষিদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল একদল স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র।
আজ সকালে আহত সুমনসহ তার চাচাতো ভাইয়েরা চরে গরু চড়াতে গেলে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ সুমনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।
এর আগে, গতকাল চরটি দখলের আশঙ্কায় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই মো. রুবেল ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চর পরিদর্শন করে সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
আহত সুমন অভিযোগ করে বলেন, চরে আমাদের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের জমি রয়েছে। নিজেরা সেখানে চাষাবাদ করছি এবং অন্যান্য জমি মালিকদের থেকে নগদ খাজনায় জমি লিজ নিয়ে সেখানে চাষিরা তরমুজের চাষ করেছেন।
এখন তরমুজ কাটার সময় হয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ অন্যান্যরা আমাদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল।
আজ ভোরে আমিসহ আমার অন্যান্য চাচাতো ভাইয়েরা ফয়সাল, রিয়াজ জুয়েল, সিরাজ রিপন একত্রিত হয়ে চরে গরু চড়াতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা
আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন আমাদের ওপর গুলি চালায়। তাদের গুলি ছোড়া দেখে আমরা একেকজন একেকদিকে দৌড় দিলে আমার শরীরে ৪টি গুলি লাগে। আমি এর বিচার চাই।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি চরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন ছররা গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। জমিজমা বিরোধের অবসান হলে এসব বিরোধ থাকবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গতকাল পুলিশকে জানানো হয়েছিল চরে বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন অবস্থান নিয়েছে- এমন খবরে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
তবে গুলিবিদ্ধের ঘটনায় থানায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২০
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৫
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০১
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৫

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৪
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৪
ভোলার তজুমদ্দিনে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রমকে গণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন–-তজুমদ্দিন) সফরের অংশ হিসেবে তিনি এ গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
শুত্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ভোলা-আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বীর বিক্রম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনরি সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ড. এ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাছেদ, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাসান মাকসুদুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন পাটওয়ারী, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান সাফা পিন্টু, চাঁদপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন জুলফিকার, সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জাকির হোসেন মনু, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য শাহ শাহিন সাজি, চাঁচড়া বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আল, মলংচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসেন পাটওয়ারী প্রমুখ। ১৬ এপ্রিল তিন দিনের সফরে ভোলায় আসেন স্পিকার।
সফরের দ্বিতীয় দিনে তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে তিনি বিকাল ৪টায় উপজেলা প্রশাসনের সাথে মত বিনিময় করেন। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলার সকল দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ সময় উপজেলা বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, স্বতন্ত্রইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে স্পিকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার মেজর হাফিজ বলেন, আমি সংবর্ধনা গ্রহণের জন্য নয়, বরং এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এসেছেন।
তিনি এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশ্বাস দেন। তিনি আরও বলেন, ভোলা-৩ আসনের জনগণ সবসময় তার পাশে ছিল এবং তাদের ভালোবাসা ও সমর্থনের কারণেই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার নিজ এলাকায় প্রথম সফর। এ সফরকে ঘিরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু।
ভোলার তজুমদ্দিনে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রমকে গণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন–-তজুমদ্দিন) সফরের অংশ হিসেবে তিনি এ গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
শুত্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ভোলা-আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বীর বিক্রম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনরি সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ড. এ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাছেদ, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাসান মাকসুদুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন পাটওয়ারী, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান সাফা পিন্টু, চাঁদপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন জুলফিকার, সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জাকির হোসেন মনু, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য শাহ শাহিন সাজি, চাঁচড়া বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আল, মলংচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসেন পাটওয়ারী প্রমুখ। ১৬ এপ্রিল তিন দিনের সফরে ভোলায় আসেন স্পিকার।
সফরের দ্বিতীয় দিনে তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে তিনি বিকাল ৪টায় উপজেলা প্রশাসনের সাথে মত বিনিময় করেন। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলার সকল দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ সময় উপজেলা বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, স্বতন্ত্রইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে স্পিকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার মেজর হাফিজ বলেন, আমি সংবর্ধনা গ্রহণের জন্য নয়, বরং এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এসেছেন।
তিনি এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশ্বাস দেন। তিনি আরও বলেন, ভোলা-৩ আসনের জনগণ সবসময় তার পাশে ছিল এবং তাদের ভালোবাসা ও সমর্থনের কারণেই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার নিজ এলাকায় প্রথম সফর। এ সফরকে ঘিরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৫৮
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে সন্ধ্যা ৭টার পর দোকানপাট খোলা রাখায় ভোলার বোরহানউদ্দিন বাজারে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে পরিচালিত এই মোবাইল কোর্টে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মন এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্ধারিত সময়ের পরেও দোকান খোলা রাখায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান শেষে ইউএনও মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশনা মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। বিদ্যুতের অপচয় রোধ ও জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। জনস্বার্থে এই অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছি যেন পরবর্তী সময়ে সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করা হয়। যারা সরকারি আদেশ উপেক্ষা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে সন্ধ্যা ৭টার পর দোকানপাট খোলা রাখায় ভোলার বোরহানউদ্দিন বাজারে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে পরিচালিত এই মোবাইল কোর্টে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মন এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্ধারিত সময়ের পরেও দোকান খোলা রাখায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান শেষে ইউএনও মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশনা মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। বিদ্যুতের অপচয় রোধ ও জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। জনস্বার্থে এই অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছি যেন পরবর্তী সময়ে সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করা হয়। যারা সরকারি আদেশ উপেক্ষা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.