Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:২২
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এরপর থেকে রাজধানীজুড়ে অনেকটাই থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বরিশালেও এর উত্তাপ চলমান রয়েছে। এর বাইরে দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে বরিশাল নগরীতে। এছাড়া আসন্ন বড় দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে নগরজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে নগরীর বিভিন্ন সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন হাদী সাহেবের মৃত্যু, বড় দিন, থার্টি ফাস্ট নাইট এবং আসন্ন নির্বাচন কে সামনে রেখে অনেকগুলি ঘটনা একসাথে চলে এসেছে। তাই নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। ইতিমধ্যে নগরীতে দিনে ও রাতে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। ডিবি পুলিশকে থানা ভিত্তিক ভাগ করে দিয়েছি। সিটিএসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিনিয়ত মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করছে ও আমাদের ইনফর্ম করছে। এর বাইরে র্যাব, সেনাবাহিনী তাদের টহল ও কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। আশা করছি বরিশাল নগরীকে অপ্রীতিকর ঘটনার বাইরে রাখতে সক্ষম হবো। তিনি আরো বলেন-বড় দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন-সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাদের গ্রেফতার করা। সত্যি বলতে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর নগরীর বেশীর ভাগ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু তারা অনেকেই জামিনে রয়েছেন। তারপরও পুলিশ বসে নেই।
জামিনে থেকে দেশ বিরোধী কাজ করবে, নাশকতা করবে, পুলিশ তা হতে দেবে না। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন-২ দিন আগে রিফিউজি কলোনীতে যে ঘটনা ঘটেছে তা হয়ত ঘটতো না। কারন যে ঘটনা ঘটিয়েছে সেই রুবেলকে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২ বার গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিবার সে জামিনে বের হয়ে এসেছে। তিনি বলেন, এসব আসামী যদি এত জামিন পায় তাহলে পুলিশ কিছুটা অসহায় হয়ে পড়ে। তারপরও আমরা বসে নেই, হতাশও নই। সব কিছু মিলিয়ে আমরা নগরীতে শান্ত ও নাশকতামুক্ত রাখবো। কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম শনিবার বিকেলে বলেন, এইমাত্র আমরা কমিশনার স্যারের নির্দেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে নিয়ে সভা করেছি।
তারা উৎসবে আামাদের কাছ থেকে যে ধরনের নিরাপত্তা চেয়েছে তার চেয়ে বেশী আমরা তাদের কে আশ্বস্ত করেছি। আশা করছি কড়া নিরাপত্তায় আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে নগরীতে বড় দিন পালিত হবে। তিনি বলেন, হাদী সাহেবের মৃত্যু, বড় দিন, থার্টিফাস্ট সব মিলিয়ে আমরা নির্ঘুম রাত পার করছি। ডিসি স্যার (উপ পুলিশ কমিশনার) সারারাত রাস্তায় পার করছেন। তাহলে আমাদের অবস্থ্ াবোঝেন। নগরীতে দিনের চেয়ে রাতে নিরাপত্তা বেশী জোরদার করা হয়েছে। পুরো নগরী রাতে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এরপর থেকে রাজধানীজুড়ে অনেকটাই থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বরিশালেও এর উত্তাপ চলমান রয়েছে। এর বাইরে দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে বরিশাল নগরীতে। এছাড়া আসন্ন বড় দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে নগরজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে নগরীর বিভিন্ন সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন হাদী সাহেবের মৃত্যু, বড় দিন, থার্টি ফাস্ট নাইট এবং আসন্ন নির্বাচন কে সামনে রেখে অনেকগুলি ঘটনা একসাথে চলে এসেছে। তাই নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। ইতিমধ্যে নগরীতে দিনে ও রাতে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। ডিবি পুলিশকে থানা ভিত্তিক ভাগ করে দিয়েছি। সিটিএসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিনিয়ত মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করছে ও আমাদের ইনফর্ম করছে। এর বাইরে র্যাব, সেনাবাহিনী তাদের টহল ও কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। আশা করছি বরিশাল নগরীকে অপ্রীতিকর ঘটনার বাইরে রাখতে সক্ষম হবো। তিনি আরো বলেন-বড় দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন-সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাদের গ্রেফতার করা। সত্যি বলতে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর নগরীর বেশীর ভাগ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু তারা অনেকেই জামিনে রয়েছেন। তারপরও পুলিশ বসে নেই।
জামিনে থেকে দেশ বিরোধী কাজ করবে, নাশকতা করবে, পুলিশ তা হতে দেবে না। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন-২ দিন আগে রিফিউজি কলোনীতে যে ঘটনা ঘটেছে তা হয়ত ঘটতো না। কারন যে ঘটনা ঘটিয়েছে সেই রুবেলকে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২ বার গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিবার সে জামিনে বের হয়ে এসেছে। তিনি বলেন, এসব আসামী যদি এত জামিন পায় তাহলে পুলিশ কিছুটা অসহায় হয়ে পড়ে। তারপরও আমরা বসে নেই, হতাশও নই। সব কিছু মিলিয়ে আমরা নগরীতে শান্ত ও নাশকতামুক্ত রাখবো। কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম শনিবার বিকেলে বলেন, এইমাত্র আমরা কমিশনার স্যারের নির্দেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে নিয়ে সভা করেছি।
তারা উৎসবে আামাদের কাছ থেকে যে ধরনের নিরাপত্তা চেয়েছে তার চেয়ে বেশী আমরা তাদের কে আশ্বস্ত করেছি। আশা করছি কড়া নিরাপত্তায় আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে নগরীতে বড় দিন পালিত হবে। তিনি বলেন, হাদী সাহেবের মৃত্যু, বড় দিন, থার্টিফাস্ট সব মিলিয়ে আমরা নির্ঘুম রাত পার করছি। ডিসি স্যার (উপ পুলিশ কমিশনার) সারারাত রাস্তায় পার করছেন। তাহলে আমাদের অবস্থ্ াবোঝেন। নগরীতে দিনের চেয়ে রাতে নিরাপত্তা বেশী জোরদার করা হয়েছে। পুরো নগরী রাতে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৮
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।