ভোলার লালমোহনে ১৯৯০ সালের ১০ জানুয়ারি তৎকালীন ভোলা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সবেক সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীটি উদ্ভোধন করেন।
তখন মেজর (অবঃ) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ এর একান্ত প্রচেষ্টায় ভোলা জেলা পরিষদ হতে লালমোহনে একটি দ্বীতল ভবনের পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়াম নির্মান করা হয়।
উদ্ভোধনের পর একজন লেইব্রেরীয়ান ও নিয়োগ দেয়া হয়। শুরু হওয়ার পর কয়েক মাস লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীর কার্যক্রম ভালভাবেই চালু ছিল। এলাকার লোকজন নিয়মিত সেখানে বই ও পেপার পড়ত।
ছিলো জমজমাট। কিন্তু ১৯৯৩ সালে লালমোহন মহিলা কলেজের কার্যক্রম পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়ামে চালু করা হয়। তারপর থেকেই লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীর কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে জেলা পরিষদ হতে লাইব্রেরীয়ান বিনা কাজে নিয়মিত বেতন ভোগ করে বর্তমানে অবসর জীবন যাবন করছেন।
২০১৮ সালে নিজস্ব ভবন তৈরী হওয়ার পর লালমোহন করিমুন্নেছা-হাফিজ মহিলা কলেজ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরী ভবন ছেড়ে তাদের নিজস্ব ভবনে চলে যায়। সেই থেকে লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় নোংরা আবর্জনা জমে পাবলিক লাইব্রেরী ভবন, আসে পাসের এলাকা এবং ভবনের পাশের একটি টিনসেট ধ্বংস স্তুপে পরিনত হয়েছে। এখন সেখানে গভীর রাতে চলে বিভিন্ন নেশাখোরদের আড্ডা।
এ ব্যাপারে বহুবার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রচার করা হলেও কর্তপক্ষের কোনো টনক নড়েনি। এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে একটি সাহায্যকারী ক্লাব অযত্ন অবহেলায় পড়ে থাকা লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়াম এর কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে ভিতরের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করার কাজ শুরু করে। তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা অফিসার ইনচার্জের সহায়তা কামনা করে দেন দরবার করে। কিন্তু এখনো চালু হয়নি পাবলিক লাইব্রেরিটি।
লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি চালুর ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বিাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ থেকে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেছে।
শ্রীঘ্রই এই টাকা দিয়ে বই কেনা হবে। এছাড়া লাইব্রেরি কক্ষটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা সহ বসার জন্য টেবিল ও চেয়ার ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাইব্রেরির জন্য এলাকার চাহিদা অনুযায়ী বই কেনার বিষয়ে কেউ পরামর্শ দিলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০০
বরিশালটাইমসের মনপুরা প্রতিনিধি ও মনপুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতা হাজী মো. হানিফ মিয়া (৯০) আর নেই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোর রাত ৪টার দিকে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরজ্ঞান গ্রামের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়া মৃত্যুকালে চার ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশালটাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম। একই সঙ্গে শোক জানিয়েছেন পত্রিকাটির তজুমদ্দিন প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন লিটন, লালমোহন প্রতিনিধি হাসান পিন্টুসহ বরিশাল টাইমস পরিবারের সর্বস্তরের সদস্যরা।
এক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত সাংবাদিক সীমান্ত হেলাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বরিশাল টাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম বলেন, পিতাকে হারানো সন্তানের জীবনে এক অপূরণীয় বেদনা। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা মরহুমের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়ার বড় ছেলে মো. মহিউদ্দিন ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। তাঁর অন্য দুই ছেলে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং মেয়েরা গৃহিণী।
মহান আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।
বরিশালটাইমসের মনপুরা প্রতিনিধি ও মনপুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতা হাজী মো. হানিফ মিয়া (৯০) আর নেই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোর রাত ৪টার দিকে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরজ্ঞান গ্রামের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়া মৃত্যুকালে চার ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশালটাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম। একই সঙ্গে শোক জানিয়েছেন পত্রিকাটির তজুমদ্দিন প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন লিটন, লালমোহন প্রতিনিধি হাসান পিন্টুসহ বরিশাল টাইমস পরিবারের সর্বস্তরের সদস্যরা।
এক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত সাংবাদিক সীমান্ত হেলাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বরিশাল টাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম বলেন, পিতাকে হারানো সন্তানের জীবনে এক অপূরণীয় বেদনা। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা মরহুমের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়ার বড় ছেলে মো. মহিউদ্দিন ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। তাঁর অন্য দুই ছেলে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং মেয়েরা গৃহিণী।
মহান আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
ভোলার মনপুরায় উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের উদ্যোগের প্রতিবাদে দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
পরে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ ও ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম আহমেদের মনপুরায় আগমন উপলক্ষে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র দিতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মনপুরা উপজেলা সদরের সবচেয়ে বড় বাজার হাজীর হাটে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দা চলছে। এর মধ্যে বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বর্তমান বাজারের চার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এ বরাদ্দ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে বদলির দাবি জানান। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় এক একর জমি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কেওড়া বাগান হিসেবে পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে ওই জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে কিছু ভিটার জন্য এক লাখ টাকা এবং কিছু ভিটার জন্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পে-অর্ডার আহ্বান করা হয়।
বরাদ্দের এ উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে সরব হন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই জমির বরাদ্দ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। এরপরও সরকারি জমিতে ভিটা বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবারের ধর্মঘট ও বিক্ষোভের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
ভোলার মনপুরায় উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের উদ্যোগের প্রতিবাদে দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
পরে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ ও ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম আহমেদের মনপুরায় আগমন উপলক্ষে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র দিতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মনপুরা উপজেলা সদরের সবচেয়ে বড় বাজার হাজীর হাটে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দা চলছে। এর মধ্যে বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বর্তমান বাজারের চার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এ বরাদ্দ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে বদলির দাবি জানান। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় এক একর জমি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কেওড়া বাগান হিসেবে পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে ওই জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে কিছু ভিটার জন্য এক লাখ টাকা এবং কিছু ভিটার জন্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পে-অর্ডার আহ্বান করা হয়।
বরাদ্দের এ উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে সরব হন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই জমির বরাদ্দ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। এরপরও সরকারি জমিতে ভিটা বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবারের ধর্মঘট ও বিক্ষোভের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৪০
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯
ভোলার লালমোহনে ১৯৯০ সালের ১০ জানুয়ারি তৎকালীন ভোলা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সবেক সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীটি উদ্ভোধন করেন।
তখন মেজর (অবঃ) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ এর একান্ত প্রচেষ্টায় ভোলা জেলা পরিষদ হতে লালমোহনে একটি দ্বীতল ভবনের পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়াম নির্মান করা হয়।
উদ্ভোধনের পর একজন লেইব্রেরীয়ান ও নিয়োগ দেয়া হয়। শুরু হওয়ার পর কয়েক মাস লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীর কার্যক্রম ভালভাবেই চালু ছিল। এলাকার লোকজন নিয়মিত সেখানে বই ও পেপার পড়ত।
ছিলো জমজমাট। কিন্তু ১৯৯৩ সালে লালমোহন মহিলা কলেজের কার্যক্রম পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়ামে চালু করা হয়। তারপর থেকেই লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীর কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে জেলা পরিষদ হতে লাইব্রেরীয়ান বিনা কাজে নিয়মিত বেতন ভোগ করে বর্তমানে অবসর জীবন যাবন করছেন।
২০১৮ সালে নিজস্ব ভবন তৈরী হওয়ার পর লালমোহন করিমুন্নেছা-হাফিজ মহিলা কলেজ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরী ভবন ছেড়ে তাদের নিজস্ব ভবনে চলে যায়। সেই থেকে লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় নোংরা আবর্জনা জমে পাবলিক লাইব্রেরী ভবন, আসে পাসের এলাকা এবং ভবনের পাশের একটি টিনসেট ধ্বংস স্তুপে পরিনত হয়েছে। এখন সেখানে গভীর রাতে চলে বিভিন্ন নেশাখোরদের আড্ডা।
এ ব্যাপারে বহুবার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রচার করা হলেও কর্তপক্ষের কোনো টনক নড়েনি। এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে একটি সাহায্যকারী ক্লাব অযত্ন অবহেলায় পড়ে থাকা লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়াম এর কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে ভিতরের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করার কাজ শুরু করে। তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা অফিসার ইনচার্জের সহায়তা কামনা করে দেন দরবার করে। কিন্তু এখনো চালু হয়নি পাবলিক লাইব্রেরিটি।
লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি চালুর ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বিাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ থেকে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেছে।
শ্রীঘ্রই এই টাকা দিয়ে বই কেনা হবে। এছাড়া লাইব্রেরি কক্ষটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা সহ বসার জন্য টেবিল ও চেয়ার ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাইব্রেরির জন্য এলাকার চাহিদা অনুযায়ী বই কেনার বিষয়ে কেউ পরামর্শ দিলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে।
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২৮
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৭
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৩২
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২২