
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯
ভোলার লালমোহনে ১৯৯০ সালের ১০ জানুয়ারি তৎকালীন ভোলা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সবেক সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীটি উদ্ভোধন করেন।
তখন মেজর (অবঃ) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ এর একান্ত প্রচেষ্টায় ভোলা জেলা পরিষদ হতে লালমোহনে একটি দ্বীতল ভবনের পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়াম নির্মান করা হয়।
উদ্ভোধনের পর একজন লেইব্রেরীয়ান ও নিয়োগ দেয়া হয়। শুরু হওয়ার পর কয়েক মাস লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীর কার্যক্রম ভালভাবেই চালু ছিল। এলাকার লোকজন নিয়মিত সেখানে বই ও পেপার পড়ত।
ছিলো জমজমাট। কিন্তু ১৯৯৩ সালে লালমোহন মহিলা কলেজের কার্যক্রম পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়ামে চালু করা হয়। তারপর থেকেই লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীর কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে জেলা পরিষদ হতে লাইব্রেরীয়ান বিনা কাজে নিয়মিত বেতন ভোগ করে বর্তমানে অবসর জীবন যাবন করছেন।
২০১৮ সালে নিজস্ব ভবন তৈরী হওয়ার পর লালমোহন করিমুন্নেছা-হাফিজ মহিলা কলেজ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরী ভবন ছেড়ে তাদের নিজস্ব ভবনে চলে যায়। সেই থেকে লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় নোংরা আবর্জনা জমে পাবলিক লাইব্রেরী ভবন, আসে পাসের এলাকা এবং ভবনের পাশের একটি টিনসেট ধ্বংস স্তুপে পরিনত হয়েছে। এখন সেখানে গভীর রাতে চলে বিভিন্ন নেশাখোরদের আড্ডা।
এ ব্যাপারে বহুবার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রচার করা হলেও কর্তপক্ষের কোনো টনক নড়েনি। এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে একটি সাহায্যকারী ক্লাব অযত্ন অবহেলায় পড়ে থাকা লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়াম এর কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে ভিতরের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করার কাজ শুরু করে। তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা অফিসার ইনচার্জের সহায়তা কামনা করে দেন দরবার করে। কিন্তু এখনো চালু হয়নি পাবলিক লাইব্রেরিটি।
লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি চালুর ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বিাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ থেকে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেছে।
শ্রীঘ্রই এই টাকা দিয়ে বই কেনা হবে। এছাড়া লাইব্রেরি কক্ষটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা সহ বসার জন্য টেবিল ও চেয়ার ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাইব্রেরির জন্য এলাকার চাহিদা অনুযায়ী বই কেনার বিষয়ে কেউ পরামর্শ দিলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে।
ভোলার লালমোহনে ১৯৯০ সালের ১০ জানুয়ারি তৎকালীন ভোলা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সবেক সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীটি উদ্ভোধন করেন।
তখন মেজর (অবঃ) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ এর একান্ত প্রচেষ্টায় ভোলা জেলা পরিষদ হতে লালমোহনে একটি দ্বীতল ভবনের পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়াম নির্মান করা হয়।
উদ্ভোধনের পর একজন লেইব্রেরীয়ান ও নিয়োগ দেয়া হয়। শুরু হওয়ার পর কয়েক মাস লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীর কার্যক্রম ভালভাবেই চালু ছিল। এলাকার লোকজন নিয়মিত সেখানে বই ও পেপার পড়ত।
ছিলো জমজমাট। কিন্তু ১৯৯৩ সালে লালমোহন মহিলা কলেজের কার্যক্রম পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়ামে চালু করা হয়। তারপর থেকেই লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীর কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে জেলা পরিষদ হতে লাইব্রেরীয়ান বিনা কাজে নিয়মিত বেতন ভোগ করে বর্তমানে অবসর জীবন যাবন করছেন।
২০১৮ সালে নিজস্ব ভবন তৈরী হওয়ার পর লালমোহন করিমুন্নেছা-হাফিজ মহিলা কলেজ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরী ভবন ছেড়ে তাদের নিজস্ব ভবনে চলে যায়। সেই থেকে লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরীটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় নোংরা আবর্জনা জমে পাবলিক লাইব্রেরী ভবন, আসে পাসের এলাকা এবং ভবনের পাশের একটি টিনসেট ধ্বংস স্তুপে পরিনত হয়েছে। এখন সেখানে গভীর রাতে চলে বিভিন্ন নেশাখোরদের আড্ডা।
এ ব্যাপারে বহুবার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রচার করা হলেও কর্তপক্ষের কোনো টনক নড়েনি। এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে একটি সাহায্যকারী ক্লাব অযত্ন অবহেলায় পড়ে থাকা লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরী কাম অডিটরিয়াম এর কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে ভিতরের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করার কাজ শুরু করে। তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা অফিসার ইনচার্জের সহায়তা কামনা করে দেন দরবার করে। কিন্তু এখনো চালু হয়নি পাবলিক লাইব্রেরিটি।
লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি চালুর ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বিাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ থেকে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ পাওয়া গেছে।
শ্রীঘ্রই এই টাকা দিয়ে বই কেনা হবে। এছাড়া লাইব্রেরি কক্ষটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা সহ বসার জন্য টেবিল ও চেয়ার ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাইব্রেরির জন্য এলাকার চাহিদা অনুযায়ী বই কেনার বিষয়ে কেউ পরামর্শ দিলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৪
ভোলায় ভাড়া বাসায় সুমাইয়া আক্তার মিতু (২১) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের পর চট্রগ্রামে অভিযান চালিয়ে আত্নগোপনে থাকা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মামলার প্রধান আসামি ও গৃহবধূর স্বামী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনুর বেগম এবং ননদ মুক্তা আক্তার।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রওনক জাহান শুভ। এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেজর রওনক জাহান শুভ বলেন, র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি চৌকস আভিযানিক দলের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনার দিনই র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।
দীর্ঘ তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর র্যাব-৮ এবং র্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে আসামিরা গ্রেপ্তার হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ভোলায় আনা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন দুপুরে ভোলা শহরের উকিলপাড়ায় গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বশির ও আয়েশা খাতুন দম্পতির বড় মেয়ে।
পরেরদিন মিতুর বাবা মো. বশির আহমেদ বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গৃহবধূর স্বামী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তা বেগমসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই আত্নগোপনে রয়েছেন তারা সবাই।
ভোলায় ভাড়া বাসায় সুমাইয়া আক্তার মিতু (২১) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের পর চট্রগ্রামে অভিযান চালিয়ে আত্নগোপনে থাকা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মামলার প্রধান আসামি ও গৃহবধূর স্বামী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনুর বেগম এবং ননদ মুক্তা আক্তার।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রওনক জাহান শুভ। এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেজর রওনক জাহান শুভ বলেন, র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি চৌকস আভিযানিক দলের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনার দিনই র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।
দীর্ঘ তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর র্যাব-৮ এবং র্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে আসামিরা গ্রেপ্তার হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ভোলায় আনা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন দুপুরে ভোলা শহরের উকিলপাড়ায় গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বশির ও আয়েশা খাতুন দম্পতির বড় মেয়ে।
পরেরদিন মিতুর বাবা মো. বশির আহমেদ বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গৃহবধূর স্বামী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তা বেগমসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই আত্নগোপনে রয়েছেন তারা সবাই।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৩
ভোলার তজুমদ্দিনে সমুদ্রগামী জেলে ও ভিজিডি’র সরকারি বরাদ্দের চাল উত্তোলনের জন্য ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) ইস্যু করা হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিপুল পরিমাণ। চাল খাদ্যগুদামে পড়ে থাকার ঘটনায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নির্ধারিত সময়ে চাল উত্তোলন না হওয়ায় একদিকে সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত উপকারভোগীরা সময়মতো খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় প্রতিমাসে ভিজিডির সরকারি বরাদ্দকৃত কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের জন্য ডিও ইস্যু করেন।
কিন্তু ডিওর নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও ১৫৫টন চাল পড়ে আছে গোডাউনে। গোডাউনের একটি সুত্রে জানায়, ভিজিডির ডিওর মেয়াদ উত্তীর্ণ চলের মধ্যে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫মাসের বরাদ্দের চাল, চাচড়ার ৩মাস, বড়মলংচাড় ইউনিয়নের ৪মাস, সোনাপুর ইউনিয়নের ১মাস ও শম্ভুপুর ইউনিয়নের ২ মাসের চাল গোডাউনের পড়ে রয়েছে। তার বাহিরে জুন মাসের ডিও হয়ে আছে।
এছাড়াও সমুদ্রগামী জেলেদের বরাদ্দ রয়েছে, চাঁদপুরে ১০টন, সোনাপুরে ৭৫টন, চাঁচড়ায় ১৪টন, বড়মলংচড়ায় ৬.৫০টন ও শম্ভপুরে ৪টন সর্ব মোট ৩৪০টন ৫শ কেজি চাল গোডাউনে পড়ে রয়েছে।
সমুদ্রগামী জেলেদের চাল মে মাসের ৩১ তারিখে বিতরণের শেষ সময়সীমা থাকলেও তাও এখনো গোডাউন থেকেই নেয়া হয়নি। এমতাবস্থায় সরকারি নতুন বরাদ্দের চাল ও ধান সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে গুদাম কর্তৃপক্ষ দিশেহারা।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, ডিও ইস্যুর পর চাল উত্তোলনে অস্বাভাবিক বিলম্ব হলেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর তদারকি দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ফলে সরকারি খাদ্যশস্য দীর্ঘদিন গুদামে পড়ে রয়েছে।
এতে নতুন খাদ্যশস্য সংরক্ষণেও চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানবেতর জীবন যাপন করছে উপকারভোগী গবীর অসহায় মানুষ। সচেতন মহল মনে করছেন, ডিও ইস্যুর মূল উদ্দেশ্য হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্যশস্য উত্তোলন ও উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ নিশ্চিত করা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি চাল অনুত্তোলিত অবস্থায় পড়ে থাকে, তাহলে এর কারণ, দায় এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।
উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুরো উপজেলায় বরাদ্দের চাল বিতরণ না হওয়ায় অনেক উপকারভোগী অপেক্ষায় রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাগজে-কলমে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে তারা চাল হাতে পাননি।
ফলে সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল প্রত্যাশিতভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে চাঁদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শাজাহান মিয়া বলেন, ভিজিডি চাল পরিবহনের জন্য সরকার টনপ্রতি ৪৮০ টাকা দেয়।
এটাকায় চাল পরিবহন করা যায়না। টন প্রতি খরচ লাগে ৬শ থেকে ১২ টাকা। টাকার সমন্বয় না হওয়ায় আমরা গোডাউন থেকে চাল আনতে পারিনি। আশা করি খুব শিগ্রই একটি সুরাহা হবে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ মার্জিয়া বলেন, আমার জানমতে সকল ডিও হওয়া সকল চাল বিতরণ শেষ। তবুও যদি পরিবহনের খরচের জন্য কোন ইউনিয়ন চাল নিতে না পারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা কাছাকাছি চাল বিতরণের ব্যবস্থা করে দিবো যেখানে তারা চাল বিতরণ করতে পারবে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল মালেক বলেন, আমরা ডিও হওয়া চাল নিতে প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রতিনিয়তই চাপ দিচ্ছি। তার চাল না নিলে আমারতো আর চাল ফেলে দিতে পারিনা।
ডিওর মেয়াদ শেষ হওয়া চাল সরকারি গোডাউনে রাখার নীতিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে কোন সুষ্পষ্ট নীতিমালা নেই। উপজেলা নির্বাহি কর্তকর্তা মোঃ বনি আমিন বলেন, ডিও হওয়া সকল চাল যতদ্রুত সম্ভব গোডাউন থেকে বের করে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিনে সমুদ্রগামী জেলে ও ভিজিডি’র সরকারি বরাদ্দের চাল উত্তোলনের জন্য ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) ইস্যু করা হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিপুল পরিমাণ। চাল খাদ্যগুদামে পড়ে থাকার ঘটনায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নির্ধারিত সময়ে চাল উত্তোলন না হওয়ায় একদিকে সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত উপকারভোগীরা সময়মতো খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় প্রতিমাসে ভিজিডির সরকারি বরাদ্দকৃত কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের জন্য ডিও ইস্যু করেন।
কিন্তু ডিওর নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও ১৫৫টন চাল পড়ে আছে গোডাউনে। গোডাউনের একটি সুত্রে জানায়, ভিজিডির ডিওর মেয়াদ উত্তীর্ণ চলের মধ্যে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫মাসের বরাদ্দের চাল, চাচড়ার ৩মাস, বড়মলংচাড় ইউনিয়নের ৪মাস, সোনাপুর ইউনিয়নের ১মাস ও শম্ভুপুর ইউনিয়নের ২ মাসের চাল গোডাউনের পড়ে রয়েছে। তার বাহিরে জুন মাসের ডিও হয়ে আছে।
এছাড়াও সমুদ্রগামী জেলেদের বরাদ্দ রয়েছে, চাঁদপুরে ১০টন, সোনাপুরে ৭৫টন, চাঁচড়ায় ১৪টন, বড়মলংচড়ায় ৬.৫০টন ও শম্ভপুরে ৪টন সর্ব মোট ৩৪০টন ৫শ কেজি চাল গোডাউনে পড়ে রয়েছে।
সমুদ্রগামী জেলেদের চাল মে মাসের ৩১ তারিখে বিতরণের শেষ সময়সীমা থাকলেও তাও এখনো গোডাউন থেকেই নেয়া হয়নি। এমতাবস্থায় সরকারি নতুন বরাদ্দের চাল ও ধান সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে গুদাম কর্তৃপক্ষ দিশেহারা।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, ডিও ইস্যুর পর চাল উত্তোলনে অস্বাভাবিক বিলম্ব হলেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর তদারকি দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ফলে সরকারি খাদ্যশস্য দীর্ঘদিন গুদামে পড়ে রয়েছে।
এতে নতুন খাদ্যশস্য সংরক্ষণেও চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানবেতর জীবন যাপন করছে উপকারভোগী গবীর অসহায় মানুষ। সচেতন মহল মনে করছেন, ডিও ইস্যুর মূল উদ্দেশ্য হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্যশস্য উত্তোলন ও উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ নিশ্চিত করা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি চাল অনুত্তোলিত অবস্থায় পড়ে থাকে, তাহলে এর কারণ, দায় এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।
উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুরো উপজেলায় বরাদ্দের চাল বিতরণ না হওয়ায় অনেক উপকারভোগী অপেক্ষায় রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাগজে-কলমে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে তারা চাল হাতে পাননি।
ফলে সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল প্রত্যাশিতভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে চাঁদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শাজাহান মিয়া বলেন, ভিজিডি চাল পরিবহনের জন্য সরকার টনপ্রতি ৪৮০ টাকা দেয়।
এটাকায় চাল পরিবহন করা যায়না। টন প্রতি খরচ লাগে ৬শ থেকে ১২ টাকা। টাকার সমন্বয় না হওয়ায় আমরা গোডাউন থেকে চাল আনতে পারিনি। আশা করি খুব শিগ্রই একটি সুরাহা হবে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ মার্জিয়া বলেন, আমার জানমতে সকল ডিও হওয়া সকল চাল বিতরণ শেষ। তবুও যদি পরিবহনের খরচের জন্য কোন ইউনিয়ন চাল নিতে না পারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা কাছাকাছি চাল বিতরণের ব্যবস্থা করে দিবো যেখানে তারা চাল বিতরণ করতে পারবে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল মালেক বলেন, আমরা ডিও হওয়া চাল নিতে প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রতিনিয়তই চাপ দিচ্ছি। তার চাল না নিলে আমারতো আর চাল ফেলে দিতে পারিনা।
ডিওর মেয়াদ শেষ হওয়া চাল সরকারি গোডাউনে রাখার নীতিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে কোন সুষ্পষ্ট নীতিমালা নেই। উপজেলা নির্বাহি কর্তকর্তা মোঃ বনি আমিন বলেন, ডিও হওয়া সকল চাল যতদ্রুত সম্ভব গোডাউন থেকে বের করে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:২৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে টানা চার দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। প্রেমিকের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে রোববার বিষের বোতল সঙ্গে নিয়ে অনশন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
প্রেমিক হুমায়ুন একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরনবী বাড়ির মো. নুরনবীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুনের দোকানে নিয়মিত কেনাকাটার সূত্রে তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন এবং বিয়ের আশ্বাসে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে দাবি করেছেন তরুণী।
তরুণী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর হুমায়ুন তাকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। আমি হুমায়ুনকেই বিয়ে করব। বিয়ে ছাড়া আমি এখান থেকে ফিরে যাব না।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় বলেন, আমি চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ার এলাকায় তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখেছি। পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছিল। এখন মেয়েটিকে অনশন করতে দেখে বিষয়টি দুঃখজনক মনে হচ্ছে। যদি তাদের মধ্যে এমন সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রোববার অনশন চলাকালে তরুণী বিষের একটি বোতল সঙ্গে নিয়ে আসেন। পরে প্রেমিকের পরিবারের সদস্যরা সেটি ছিনিয়ে নেন। এরপরও তিনি অনশন অব্যাহত রাখেন এবং আত্মহত্যার হুমকি দেন বলে জানা গেছে।
এদিকে বর্তমানে অভিযুক্ত হুমায়ুন ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের দাবি, তিনি গত ৭-৮ মাস ধরে ঢাকায় চাকরি করছেন।হুমায়ুনের মা বলেন, এই মেয়েটির সঙ্গে যদি আমার ছেলের সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে এতদিন আমাদের জানানো হয়নি কেন? আমরা তো কোনো দিন শুনিনি তাদের মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক আছে। আপনারা ছেলের সঙ্গে কথা বলে দেখেন, ছেলে যদি রাজি হয় তাহলে আমাদেরও আপত্তি নেই।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানি না। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে টানা চার দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। প্রেমিকের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে রোববার বিষের বোতল সঙ্গে নিয়ে অনশন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
প্রেমিক হুমায়ুন একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরনবী বাড়ির মো. নুরনবীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুনের দোকানে নিয়মিত কেনাকাটার সূত্রে তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন এবং বিয়ের আশ্বাসে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে দাবি করেছেন তরুণী।
তরুণী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর হুমায়ুন তাকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। আমি হুমায়ুনকেই বিয়ে করব। বিয়ে ছাড়া আমি এখান থেকে ফিরে যাব না।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় বলেন, আমি চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ার এলাকায় তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখেছি। পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছিল। এখন মেয়েটিকে অনশন করতে দেখে বিষয়টি দুঃখজনক মনে হচ্ছে। যদি তাদের মধ্যে এমন সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রোববার অনশন চলাকালে তরুণী বিষের একটি বোতল সঙ্গে নিয়ে আসেন। পরে প্রেমিকের পরিবারের সদস্যরা সেটি ছিনিয়ে নেন। এরপরও তিনি অনশন অব্যাহত রাখেন এবং আত্মহত্যার হুমকি দেন বলে জানা গেছে।
এদিকে বর্তমানে অভিযুক্ত হুমায়ুন ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের দাবি, তিনি গত ৭-৮ মাস ধরে ঢাকায় চাকরি করছেন।হুমায়ুনের মা বলেন, এই মেয়েটির সঙ্গে যদি আমার ছেলের সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে এতদিন আমাদের জানানো হয়নি কেন? আমরা তো কোনো দিন শুনিনি তাদের মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক আছে। আপনারা ছেলের সঙ্গে কথা বলে দেখেন, ছেলে যদি রাজি হয় তাহলে আমাদেরও আপত্তি নেই।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানি না। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.