
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু অবহেলায় পড়ে আছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজেই আসছে না। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের ওপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।
সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যক্রম অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, এতে ভোগান্তির শেষ হচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙা সেতু ছিল, যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে এক যুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই ভোগান্তি রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
কবাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক তালুকদার জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ঝর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু অবহেলায় পড়ে আছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজেই আসছে না। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের ওপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।
সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যক্রম অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, এতে ভোগান্তির শেষ হচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙা সেতু ছিল, যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে এক যুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই ভোগান্তি রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
কবাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক তালুকদার জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ঝর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৮
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৬
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৭

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
ভোলা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক সেবনরত অবস্থায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোলা জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার)-এর নির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তার নেতৃত্বে জেলাজুড়ে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ডিবির একটি দল ভোলা সদর থানার রতনপুর এলাকায় অভিযান চালায়।
অভিযান পরিচালনা করেন ডিবির এসআই (নিঃ) বিপ্লব কান্তি দাস। এ সময় রতনপুর এলাকার আরজু ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ির পেছন থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- মো. তাইফুর রহমান বায়জিদ (২৯), মো. রুবায়েত হোসেন (২৭), ফারদিন এহছান রিফাত (২৯) ও সাইদুর রহমান (২৭)।
পরে আটক ব্যক্তিদের ডোপ টেস্ট করানো হলে তাদের সবার শরীরে ক্যানাবিনয়েডস ( Cannabinoids) শনাক্ত হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণীর ২১ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
ভোলা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ভোলা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক সেবনরত অবস্থায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোলা জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার)-এর নির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তার নেতৃত্বে জেলাজুড়ে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ডিবির একটি দল ভোলা সদর থানার রতনপুর এলাকায় অভিযান চালায়।
অভিযান পরিচালনা করেন ডিবির এসআই (নিঃ) বিপ্লব কান্তি দাস। এ সময় রতনপুর এলাকার আরজু ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ির পেছন থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- মো. তাইফুর রহমান বায়জিদ (২৯), মো. রুবায়েত হোসেন (২৭), ফারদিন এহছান রিফাত (২৯) ও সাইদুর রহমান (২৭)।
পরে আটক ব্যক্তিদের ডোপ টেস্ট করানো হলে তাদের সবার শরীরে ক্যানাবিনয়েডস ( Cannabinoids) শনাক্ত হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণীর ২১ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
ভোলা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলা জেলার মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীসহ পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা যাত্রী ও মাঝিসহ অন্যান্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ট্রলারে বোঝাই মনপুরার ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় তজুমুদ্দিনের চৌমুহনী লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি এবং কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চ যাওয়ার সময় সৃষ্ট তীব্র ঢেউয়ের কারণে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরের কাছেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে যায়। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দিলে সেটি একদিকে কাত হয়ে পড়ে। পরে মাঝি ট্রলারটি ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের দিকে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার খাদ্য ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে মনপুরার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৮
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.