ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সমর্থনে জোরালো গণসংযোগ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে পেশাজীবী প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অ্যাবে’র একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। আই.ই.বি ঢাকা সেন্টারের সম্মানী সম্পাদক ও অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নুর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিস্তৃতভাবে গণসংযোগ চালায়। এ সময় তারা ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মসূচিকে ঘিরে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ ও সাড়া দেখা গেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও স্থানীয় পেশাজীবীদের অনেকেই প্রকৌশলীদের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। গণসংযোগ কার্যক্রমে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কথা বলেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ জরুরি।
কর্মসূচি চলাকালে অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নু বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।” পাশাপাশি তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে বিজয়ী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এই গণসংযোগে অ্যাবে’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মোঃ আহসানুল রাসেলসহ অর্ধশতাধিক প্রকৌশলী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ রনি, প্রকৌশলী রবিউল আলম উজ্জ্বল, প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী ইকবাল আব্দুল্লাহ, প্রকৌশলী তৈহিদুর রহমান জুয়েল, প্রকৌশলী অনোয়ার হোসেন শামীম, মোঃ আবু সাঈদ বাদশা, প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান সোহাগ এবং শাহ মোঃ ছাব্বির।
দিনব্যাপী গণসংযোগ শেষে প্রতিনিধি দলটি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা নির্বাচনী পরিবেশ, স্থানীয় সমস্যা, অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং প্রচার কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে চরফ্যাশন-মনপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদীভাঙন ও উন্নয়ন প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকৌশলীদের মতো পেশাজীবী গোষ্ঠীর সরাসরি মাঠপর্যায়ে অংশগ্রহণ ভোলা-৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এতে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আগ্রহ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সমর্থনে জোরালো গণসংযোগ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে পেশাজীবী প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অ্যাবে’র একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। আই.ই.বি ঢাকা সেন্টারের সম্মানী সম্পাদক ও অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নুর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিস্তৃতভাবে গণসংযোগ চালায়। এ সময় তারা ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মসূচিকে ঘিরে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ ও সাড়া দেখা গেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও স্থানীয় পেশাজীবীদের অনেকেই প্রকৌশলীদের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। গণসংযোগ কার্যক্রমে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কথা বলেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ জরুরি।
কর্মসূচি চলাকালে অ্যাবে’র সদস্য প্রকৌশলী কে.এম আসাদুজ্জামান চুন্নু বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।” পাশাপাশি তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে বিজয়ী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এই গণসংযোগে অ্যাবে’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মোঃ আহসানুল রাসেলসহ অর্ধশতাধিক প্রকৌশলী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ রনি, প্রকৌশলী রবিউল আলম উজ্জ্বল, প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান, প্রকৌশলী ইকবাল আব্দুল্লাহ, প্রকৌশলী তৈহিদুর রহমান জুয়েল, প্রকৌশলী অনোয়ার হোসেন শামীম, মোঃ আবু সাঈদ বাদশা, প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান সোহাগ এবং শাহ মোঃ ছাব্বির।
দিনব্যাপী গণসংযোগ শেষে প্রতিনিধি দলটি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা নির্বাচনী পরিবেশ, স্থানীয় সমস্যা, অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং প্রচার কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে চরফ্যাশন-মনপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদীভাঙন ও উন্নয়ন প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকৌশলীদের মতো পেশাজীবী গোষ্ঠীর সরাসরি মাঠপর্যায়ে অংশগ্রহণ ভোলা-৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এতে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আগ্রহ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১