
০৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:৩১
কুয়াকাটায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া হোটেল পরিচালনার দায়ে চারটি খাবার হোটেলকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে কুয়াকাটার চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেন কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদিক।
অভিযানের সময় ‘মায়ের দোয়া, গাজী রেস্তোরাঁ’ ও ‘হোটেল বৈশাখী’-কে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সরবরাহ ও যথাযথ কাগজপত্র না থাকার কারণে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ‘হোটেল আপনজন’-কে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদিক বলেন, বাংলাদেশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ আইন, ২০১৪-এর ১৯ ধারা অনুযায়ী এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
কুয়াকাটায় পর্যটকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে। যারা নিয়ম ভঙ্গ করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুয়াকাটায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া হোটেল পরিচালনার দায়ে চারটি খাবার হোটেলকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে কুয়াকাটার চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেন কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদিক।
অভিযানের সময় ‘মায়ের দোয়া, গাজী রেস্তোরাঁ’ ও ‘হোটেল বৈশাখী’-কে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সরবরাহ ও যথাযথ কাগজপত্র না থাকার কারণে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ‘হোটেল আপনজন’-কে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদিক বলেন, বাংলাদেশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ আইন, ২০১৪-এর ১৯ ধারা অনুযায়ী এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
কুয়াকাটায় পর্যটকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে। যারা নিয়ম ভঙ্গ করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ মে, ২০২৬ ১০:৩৪
‘সাগরকন্যা’ খ্যাত সমুদ্র সৈকতের টানে প্রতিনিয়ত হাজারো পর্যটক ভিড় করেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়। সমুদ্রের গর্জন, ঢেউয়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে মুগ্ধ হন পর্যটকরা।
তেমনি কুয়াকাটার অন্যতম ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান ‘কুয়াকাটার কুয়া’। তবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে অবহেলায় পড়ে আছে গুরুত্বপূর্ণ এই নিদর্শনটি।
জানা গেছে, ১৭৮৪ সালে রাখাইন সম্প্রদায়ের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে এই কূপ খনন করা হয়। এই মিঠা পানির কুয়া থেকেই ‘কুয়াকাটা’ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। বর্তমানে এটি বৌদ্ধ বিহারের পাশে সংরক্ষিত থাকলেও নেই কোনো সাইনবোর্ড বা পরিচিতিমূলক নির্দেশনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুয়ার প্রবেশমুখে রয়েছে তারকাঁটার বেড়া। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই এটি ঐতিহাসিক কুয়াকাটার কুয়া। চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন ও পানির বোতল। কুয়ার ভেতরেও নোংরা পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। মশা ও পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে।
ঢাকা থেকে আসা এক পর্যটক বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনের এমন অবস্থা খুবই হতাশাজনক। দ্রুত সংরক্ষণ করা উচিত।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. সোহেল বলেন, কুয়াকাটার ইতিহাসের সঙ্গে এই কুয়াটির নাম জড়িত। অথচ অবহেলায় এর সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
কলাপাড়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, ঐতিহাসিক এই স্থানটি সংরক্ষণের বিষয়ে আমরা গুরুত্ব সহকারে কাজ করছি। দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
‘সাগরকন্যা’ খ্যাত সমুদ্র সৈকতের টানে প্রতিনিয়ত হাজারো পর্যটক ভিড় করেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়। সমুদ্রের গর্জন, ঢেউয়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে মুগ্ধ হন পর্যটকরা।
তেমনি কুয়াকাটার অন্যতম ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান ‘কুয়াকাটার কুয়া’। তবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে অবহেলায় পড়ে আছে গুরুত্বপূর্ণ এই নিদর্শনটি।
জানা গেছে, ১৭৮৪ সালে রাখাইন সম্প্রদায়ের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে এই কূপ খনন করা হয়। এই মিঠা পানির কুয়া থেকেই ‘কুয়াকাটা’ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। বর্তমানে এটি বৌদ্ধ বিহারের পাশে সংরক্ষিত থাকলেও নেই কোনো সাইনবোর্ড বা পরিচিতিমূলক নির্দেশনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুয়ার প্রবেশমুখে রয়েছে তারকাঁটার বেড়া। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই এটি ঐতিহাসিক কুয়াকাটার কুয়া। চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন ও পানির বোতল। কুয়ার ভেতরেও নোংরা পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। মশা ও পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে।
ঢাকা থেকে আসা এক পর্যটক বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনের এমন অবস্থা খুবই হতাশাজনক। দ্রুত সংরক্ষণ করা উচিত।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. সোহেল বলেন, কুয়াকাটার ইতিহাসের সঙ্গে এই কুয়াটির নাম জড়িত। অথচ অবহেলায় এর সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
কলাপাড়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, ঐতিহাসিক এই স্থানটি সংরক্ষণের বিষয়ে আমরা গুরুত্ব সহকারে কাজ করছি। দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৪ মে, ২০২৬ ১৩:০৬
পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হওয়া চার স্কুলছাত্রীকে গাজীপুর থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব ও পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা গার্মেন্টসে চাকরি করার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। পরে পারিবারিক অভিমান ও আবেগের কারণে তারা প্রায় ৮০ হাজার টাকা নিয়ে গাজীপুরে চলে যায়। সেখানে তারা মৌচাক এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিল।
ওসি আরও বলেন, ‘তারা একটি কম্পিউটার দোকানে গিয়ে সিভি তৈরির জন্য সহযোগিতা চায়। পরে ওই দোকান থেকেই তাদের ফোন নম্বর রেখে দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।’
বর্তমানে উদ্ধার চার শিক্ষার্থীকে মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে।
উল্লেখ্য, এর আগে রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নের নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বের হয় তারা। এরপর থেকে তারা নিখোঁজ ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাদের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাদের উদ্দার করায় পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হওয়া চার স্কুলছাত্রীকে গাজীপুর থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব ও পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা গার্মেন্টসে চাকরি করার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। পরে পারিবারিক অভিমান ও আবেগের কারণে তারা প্রায় ৮০ হাজার টাকা নিয়ে গাজীপুরে চলে যায়। সেখানে তারা মৌচাক এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিল।
ওসি আরও বলেন, ‘তারা একটি কম্পিউটার দোকানে গিয়ে সিভি তৈরির জন্য সহযোগিতা চায়। পরে ওই দোকান থেকেই তাদের ফোন নম্বর রেখে দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।’
বর্তমানে উদ্ধার চার শিক্ষার্থীকে মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে।
উল্লেখ্য, এর আগে রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নের নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বের হয় তারা। এরপর থেকে তারা নিখোঁজ ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাদের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাদের উদ্দার করায় পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

১৪ মে, ২০২৬ ১২:৫৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা নদীতে দীর্ঘদিন পর ধরা পড়েছে প্রায় ২ কেজি ওজনের একটি বড় ইলিশ। বিরল এ ইলিশ ঘিরে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ ও আশার সঞ্চার।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাসিয়া এলাকার জেলে খলিল মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় বাজারে ইলিশটি প্রায় ৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
জেলে খলিল মাঝি জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে তিনি পায়রা নদীতে জাল ফেলেন। কিছুক্ষণ পর জাল তুলতে গিয়ে অস্বাভাবিক ভার অনুভব করেন। পরে জালে বড় আকৃতির একটি ইলিশ দেখতে পেয়ে তিনি বিস্মিত হন। মাছটি ওজন করলে প্রায় ২ কেজি পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নদীতে মাছ ধরছি। কিন্তু এত বড় ইলিশ আগে কখনও পাইনি। মাছটি ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।”
স্থানীয় জেলেরা জানান, পায়রা নদীতে এখন বড় আকারের ইলিশ খুব কমই ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন পর এমন বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তাদের ধারণা, নদীর পরিবেশ ও নাব্যতা অনুকূলে থাকায় ধীরে ধীরে আবারও বড় ইলিশের দেখা মিলতে পারে।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরাও জানান, বড় আকৃতির ইলিশের চাহিদা সবসময় বেশি থাকে। তাই মাছটি বাজারে আসার পর ক্রেতাদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায়।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা নদীতে দীর্ঘদিন পর ধরা পড়েছে প্রায় ২ কেজি ওজনের একটি বড় ইলিশ। বিরল এ ইলিশ ঘিরে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ ও আশার সঞ্চার।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাসিয়া এলাকার জেলে খলিল মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় বাজারে ইলিশটি প্রায় ৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
জেলে খলিল মাঝি জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে তিনি পায়রা নদীতে জাল ফেলেন। কিছুক্ষণ পর জাল তুলতে গিয়ে অস্বাভাবিক ভার অনুভব করেন। পরে জালে বড় আকৃতির একটি ইলিশ দেখতে পেয়ে তিনি বিস্মিত হন। মাছটি ওজন করলে প্রায় ২ কেজি পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নদীতে মাছ ধরছি। কিন্তু এত বড় ইলিশ আগে কখনও পাইনি। মাছটি ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।”
স্থানীয় জেলেরা জানান, পায়রা নদীতে এখন বড় আকারের ইলিশ খুব কমই ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন পর এমন বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তাদের ধারণা, নদীর পরিবেশ ও নাব্যতা অনুকূলে থাকায় ধীরে ধীরে আবারও বড় ইলিশের দেখা মিলতে পারে।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরাও জানান, বড় আকৃতির ইলিশের চাহিদা সবসময় বেশি থাকে। তাই মাছটি বাজারে আসার পর ক্রেতাদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.